অযত্নে বেড়ে ওঠা ফুলের ফটোগ্রাফি.....?
আপনি যদি ঔষধি গাছ চিনে থাকেন তাহলে বাংলাদেশে একটু জায়গা পাবেন না প্রসাব করার জন্য!
সবুজের দেশ আমাদের বাংলাদেশ। বন জঙ্গল আর সবুজ গাছ-গাছালিতে ঘেরা আমাদের এই বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের আনাচে কানাচে রাস্তার দু'পাশে বন জঙ্গলে যেখানেই যান না কেন আপনার চোখে পড়বে গাছপালা লতাপাতা। আর এই সব কিছু কোন না কোন ঔষধি গাছ যা আমরা চিনতে পারিনা।
আমাদের গ্রামের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা এইসব ফুল নিয়ে খেলাধুলা করে এবং আমরা যারা বড়রা আছি এইসব ফুল বা এই গাছগুলোকে পায়ের নিচে পিষে হাঁটাচলা করি এর আসল মূল্য আমরা কখনোই বোঝার চেষ্টা করি না।
আজ আমি এমন কিছু ফুলের ছবি তুলেছি যা আমাদের বাড়ির আঙিনায় বন জঙ্গলে বা রাস্তার আশেপাশে স্বেচ্ছাতে জায়গায় অযত্নে বেড়ে উঠে । কিন্তু এসব ফুলগুলো দেখতে বেশ সুন্দর।
আর এই সৌন্দর্যপূর্ণ ছবিগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আমি কিছু ছবি ক্লিক করি। এরপর এই ফুলগুলোর নাম জানার জন্য আমি বেশ কয়েকজনের কাছে জিজ্ঞাসা করি কিন্তু তারা কেউ আমাকে এই ফুলগুলোর নাম বলতে পারেনি।
তাই আমি বাসায় এসে এই ফুলগুলোর নাম জানার জন্য অনলাইনে চেষ্টা করি। বেশ কিছু কিছুক্ষণ অনলাইনে খোঁজাখুঁজির পর আমি এই ফুল গুলোর নাম জানতে সক্ষম হই।
ফুল গুলোর নাম জানার পর আমি যখন আবার এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি, তখন আমি এই ফুল গাছ ও পাতার উপকারিতা জেনে রীতিমতো অবাক হয়ে যাই!
আমি তখন অবাক হয়ে মনে মনে চিন্তা করতে থাকি এত মূল্যবান জিনিস আমরা কিভাবে অযত্নে ফেলে রেখেছি তা আমাদের কারো কোন ধারনাই নেই। যা আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি আমার মনে হয় আপনারাও এই ফুল ও গাছগুলোর সম্পর্কে জেনে আমার মত অবাক হয়ে যাবেন।
এই ফুলটির নাম হলো উচুন্টির, এই ফুলটি আমাদের দেশের যে কোন স্যাতসেতে জায়গায় অযত্নে ও অবহেলিতভাবে বেড়ে উঠতে দেখা যায়। এই ফুল গাছগুলো বেশি একটা বড় হয় না। কিন্তু এই গাছ ও ফুলের ঔষধি গুনাগুন সম্পর্কে যদি আপনি জানেন রীতিমতো অবাক হয়ে যাবেন।
- উচুন্টির গুণ:
এই সম্পূর্ণ গাছটির অনেক ঔষধি গুনাগুন রয়েছে যেমন, মাথা ব্যাথা মাথা ঘোরা নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়া ও জ্বর ইত্যাদি রোগের ওষুধ হিসাবে খুব কার্যকরী।
আমি আপনাদেরকে এই গাছটির ঔষধি গুনাগুন সম্পর্কে জানাতে অনলাইন থেকে কিছু আর্টিকেল সংগ্রহ করেছি যা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে বুনো ঝোপঝাড়ের পাশে এবং স্যাঁতসেঁতে স্থানে দেখা যায়। বোটানিক্যাল গার্ডেনেও আছে। দেখতে অবহেলিত মনে হলেও গাছটি দারুণ ঔষধিগুণে সমৃদ্ধ। গাছের পাতা, মূল ও সমগ্র উদ্ভিদ সাধারণত মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, নাক থেকে রক্তঝরা ও জ্বরে ওষুধ হিসেবে কাজে লাগে। মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরায় গাছের আগা, কচি পাতা বা সম্পূর্ণ গাছ গুঁড়া করে বা সেদ্ধ করে ব্যথার স্থানে প্রলেপ দিলে উপকার পাওয়া যায়। অধিক জ্বরে পাতা ভালো করে পিষে গায়ে লাগালে বা পাতার রস প্রতিদিন দু-তিন চামচ করে তিনবার পান করলে জ্বর কমে যায়। তা ছাড়া ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা, গ্যাস্ট্রিক, কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত ঘা, শূল বেদনা ও
চর্মরোগে এ গাছের পাতা দারুণ প্রতিষেধক। পাতার রস ক্ষতে লাগালে টিটেনাস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।
উচুন্টি বা ফুলকুড়ি (অমবৎধঃঁস পড়হুুড়রফবং) বিরুৎ ধরনের গাছ, ৮০ সেন্টিমিটার উঁচু হতে পারে। কাণ্ড খাড়া, রোমশ। পাতা অর্ধগোলাকার, কিনার খাঁজকাটা। মঞ্জুরিতে নীলাভ-সাদা বর্ণের থোকা থোকা ফুল হয়। ফল পাঁচ কোণী ও কালো। প্রায় সারাবছরই কমবেশি ফুল থাকে। তবে বর্ষায় বেশি ফুল ফোটে। বীজে বংশবৃদ্ধি। দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সহজলভ্য। বিপন্ন নয় (ওপ)।লেখাগুলো সংগ্রহের উৎস
এই গাছটির বাংলা নাম রক্তদ্রোণ। এই গাছটি ঔষধি সম্পূর্ণ একটি গাছ। এই গাছটি বেশ কয়েক ফুট আকারে বড় হতে পারে। এই গাছটি সাধারণত রাস্তার দুই পাশে বা একটু উঁচু জায়গায় এলোমেলোভাবে হয়ে থাকে অযত্নে।
এই গাছটি কারো যত্ন ছাড়াই নিজের সৌন্দর্য বজায় রেখে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকে যা আমি নিজ চোখে দেখেছি।
- রক্তদ্রোণ গুণ:
এই গাছটি মহিলাদের মাসিকের ব্যতীত ঔষধি উপকারী গাছের মধ্যে একটি। এছাড়াও এই গাছটি চর্ম রোগের জন্য বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
আমি আপনাদেরকে এই গাছটির সম্পর্কে আরো বিস্তারিতভাবে জানার জন্য কিছু ওয়েবসাইটের আর্টিকেল সহ ওয়েব সাইটে লিংক শেয়ার করলাম। হয়তোবা আমার এই ছোট্ট একটি শেয়ারে আপনার অনেক বড় উপকারও হতে পারে।
আমার পাতার রসে আছে এলকালয়েড, গ্লুকোসাইড, ফ্যাটি এলকোহল ও গন্ধযুক্ত তৈলাক্ত পদার্থ। আমার এক সহোদর আছে যাকে হয়তো তোমরা সবাই চিনতে পারবে, তার নাম শ্বেতদ্রোণ বা দন্ডকোলস। এর ফুলে মধু পাওয়া যায়। ছেলে মেয়েদের কাছে অনেক পরিচিত। আসলে দন্ডকলস আমার চেয়ে অনেক বেশী ডানপিটে। তাই এদের দেখা পাওয়া যায় এখনো অনেক জায়গায়। বিশেষ করে ধানি জমি চারপাশে। সেদিক থেকে আমি বেশি নমনীয়-গ্রীষ্মের প্রখরতা সহ্য করতে পারিনা – সে সময় আমাকে খুঁজে পাবে না। এক পশলা বৃষ্টির পর আবার গজিয়ে উঠে হেমন্ত ও শীতকালে আমার গোলাপী ও লাল ফুলের উচ্ছাসে উচ্চকিত হয়ে উঠি। তখন কিন্তু দূর থেকেও আমার লম্বা ডাঁটির ওপর থাকে পুষ্পস্তবক বেশ মনোহর দেখায়।লেখাগুলো সংগ্রহের উৎস
এই গাছটির নাম ভৃঙ্গরাজ। এই গাছটি আমাদের বাড়ির আশেপাশে যোগ যারে বেশিরভাগ দেখা যায় এবং রাস্তার দুপাশেও দেখা যায়। আমি এই ছবিটি তুলেছি আমাদের গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে। এই গাছটি আমাদের শরীরের মাথা থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত যত্ন নেয়ার ও দেহের ভিতর বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে অনেক কার্যকরী। কিন্তু এই গাছটিকে আমরা না চিনতে পেরে অযত্নে অবহেলিতভাবে ফেলে রেখেছি।
- ভৃঙ্গরাজ গুণ:
এই গাছটির এমন কিছু বিশেষ গুনাগুন রয়েছে যা আপনি জানলে চমকে যাবেন। আমাদের সবারই কমবেশি চুল পড়ার সমস্যা আছে আর এই চুল পড়ার সমাধানের জন্য এই গাছটির কোন তুলনা হয় না। এবং আমরা ত্বকের যত্নের জন্য এবং চর্ম রোগের জন্য কত না কি করে থাকি কিন্তু আমরা জানিই না এই গাছটি চর্মরোগ ও ত্বকের যত্নের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এছাড়া আমাদের দেহের ভিতর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আমাদের লিভার তাকে সুস্থ সবল রাখার জন্য এ অতুলনীয়ভাবে কাজ করে থাকে।
এই গাছটি আমাশা রোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী এক ওষুধ। আমরা সকলেই জানি আমাশা একটি স্বাস্থ্যগত রোগ যার ফলে প্যাট ফাঁপা, ডায়রিয়া, বমি জ্বর ইত্যাদি রোগ হয়ে থাকে। আর এই ভৃঙ্গরাজ গাছটি আমাশার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
এই ভৃঙ্গরাজ গাছটির আরো অনেক ঔষধি গুনাগুন রয়েছে যার ওয়েবসাইটের লিংক ও আর্টিকেল আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম আশা করি এই আর্টিকেলটা পড়ে আপনারা অনেক উপকৃত হবেন তাই শেয়ার করলাম।
We are all aware of the fact that bhringaraj is simply amazing for hair. It contains hair-vitalising herbs which can prevent premature greying and help in dealing with hair loss. Bhringaraj has been found to speed up the process of hair growth along with increasing hair follicles in the phase of hair growth. Bhringaraj works great when it comes to improving hair growth.লেখাগুলো সংগ্রহের উৎস
এই গাছটির নাম হল টুথছে । এই গাছটি বেশি একটা বড় হয় না খুব ছোট আকৃতিরও হয় না মোটামুটি ঘাসের মত উচ্চতা পায়। এই গাছটি সচরাচর সব জায়গায় দেখা যায় রাস্তায় বাড়ির আঙিনায় বন জঙ্গলে সব জায়গাতে। এই গাছটির ফুল দিয়ে আমাদের গ্রামের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করে।
- টুথছে গুণ:
গ্রামের কিছু মানুষের কাছে আমি শুনেছি এই গাছটা নাকি দাঁত ব্যথার জন্য বেশ উপকারী। আবার যদি দেখেন এই গাছটির নামের সাথে দাঁতের নামের মিল রয়েছে এর নামটি দিয়েই বোঝা যায় এটি দাঁতের ব্যথা উপসরণের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি ঔষধি উদ্ভিদ।
এই গাছটির উপকারিতা সম্পর্কে আরো বিস্তারিতভাবে জানতে এই লিংকে ক্লিক করতে পারেন।
দাঁত ব্যথা, মশা নিধন, ফিশ পয়জন, জিহ্বায় পক্ষাঘাত এবং চেতনানাশক হিসেবেও এ গাছের বহুমাত্রিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। দাঁতের ব্যথায় ফুলের আরক ব্যবহারে উপকার হয়। ফুল থেকে নিসৃত স্পাইলনথল নামক উপ-ক্ষার মুখের শক্তিশালী চেতনানাশক ওষুধ। গাছের কস্ফাথ মূত্রথলির পাথর নিবারক হিসেবেও কার্যকর।লেখাগুলো সংগ্রহের উৎস
এই গাছটির নাম হল হাতিশুর। এই গাছটি সাধারণত আমাদের ক্ষেত খামারির জমিতে যখন ফসল তুলে ফেলা হয় তখন সেই খালি জায়গাগুলোতে খুব বেশি আকারে দেখা যায়। এই গাছটা দেখতে খুব সুন্দর এবং তার ফুল গুলো দেখতে আরো সুন্দর এই গাছটার ফুল টা দেখলে মনে হয় হাতির সুরের মত। তাই আমার মনে হয় এই গাছটিকে হাতের সুর নাম দেয়া হয়েছে।
- হাতিশুর গুন:
আজকে আলোচনার সবগুলো গাছের মতোই এই গাছটিরও বেশ অনেকগুলো ঔষধি গুনাগুন রয়েছে।
যেমন, জ্বর সর্দি কাশি ইত্যাদি রোগের জন্য বেশ কার্যকরী।
এই গাছটির সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য আমি অনলাইন থেকে সংগ্রহ করেছি এবং সেই সাইডের লিংক ও সংগ্রহ করেছি যা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
ফোলায়- পাতা বেটে অল্প গরম করে ফোলায় লাগালে, ফোলা কমে যায়। আঘাতজনিত ফোলায়- পাতা বেটে অল্প গরম করে লাগালে, ফোলা এবং ব্যথা কমে যায়।রিউম্যাটিক বাতে- রেড়ির তেলের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে পাক করে গাঁটে লাগাতে হয়।বিষাক্ত পোকার কামড়ে- পাতার রস লাগালে জ্বালা এবং ফোলা কমে যায়।টাইফয়েড জ্বরে- পাতার রস গরম করে, ছেঁকে নিয়ে পানি মিশিয়ে খাওয়ানোর নিয়ম আছে।ফ্যারিঞ্জাইটিস রোগে- পাতার রস অল্প গরম পানিতে মিশিয়ে গার্গল করা।একজিমা- একজিমা স্থানে পাতার রস লাগানো হয়।দাঁতের মাড়ি ফোলায় এই গাছের ব্যবহার রয়েছে।দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।জ্বর ও কাশিতে এ গাছের মূল পানির সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথও তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।কাটা-ছেঁড়া ও আঘাত প্রশমনে এই গাছের ব্যবহার রয়েছে। লেখাগুলো সংগ্রহের উৎস
সত্যি কথা বলতে আমি যখন এই ফুলগুলোর ছবি তুলেছি তখন এই ফুল বা গাছের এত গুনাগুন আমি জানতাম না আমি এর নাম জানার জন্য যখন অনলাইনে যাই তখনই আমি এর আসল পরিচয় জানতে পারি আর আমার খুব ভালো লাগছে এর উপকারিতা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে।
আজকের পোস্টটি করে আমার কাছে খুব ভালো লাগছে কারণ আমি আজ কিছু একটা আপনাদেরকে জানাতে পেরেছি এই ভেবে এটা তো আমিও জানতাম না। আমি নিজেও জেনেছি আপনাদের সাথে সেটা শেয়ার ও করেছি।
আমার ভুলগুলো আপনারা একটু ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন কারণ আমি এখনো তেমন কিছু শিখতে পারি নি। আমি এই কমিউনিটিতে জয়েন করেছি আমার মূল উদ্দেশ্য হলো যাতে আমি কিছু শিখতে পারি। আপনাদের কাছে আমি একটি অনুরোধ করছি দয়া করে আপনারা আমার সকল ভুলগুলো আমাকে একটু ধরিয়ে দিবেন যাতে আমি নিজেকে শোধরাতে পারি। ধন্যবাদ।

আমাদের ঘরের আশেপাশে মাঝে কিছু অপরিচিত ফুল হয় যেগুলো আমার সাধারণত চিনিন। অথচ সেই ফুলগুলো দেখতেও অনেক সুন্দর হয়। অযন্তে বেড়ে ওঠে। অথচ আমার পরিচিত ফুলগুলো বেড়ে ওঠার জন্য কতইনা যত্ন করি।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্টটি পড়ার জন্য। এবং আপনার মূল্যবান মতামতটি দেওয়ার জন্য।
আসলে আপু অযত্নে বেড়ে ওঠা এসব ফুলগুলো শুধু সুন্দরী নয় এই ফুলগুলো বা এই গাছগুলোর অনেক ওষুধে গুণাগুলো রয়েছে।
আসলে আমাদের আশেপাশের প্রচুর পরিমাণে এ ধরনের ফুল গাছ রয়েছে! যেগুলোকে আমরা কখনো পরিচর্যা করি না! কিন্তু তারপরেও সেগুলো আমাদের চারপাশে কত সুন্দর ভাবে বেড়ে ওঠে।
আমি এগুলোর উপকারিতা সম্পর্কে জানতাম না! কিন্তু আপনার পোস্ট করে জানতে পারলাম,,, আসলে সৃষ্টিকর্তা এ পৃথিবীতে যতগুলো উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছেন! প্রত্যেকটা উদ্ভিদের উপকারিতা মানুষের জন্যই,,, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল! ভালো থাকবেন।
জি আপু আপনি একদম ঠিক বলেছেন সৃষ্টিকর্তা যা কিছু সৃষ্টি করেছে সবকিছু আমাদের উপকারিতার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্টটি পড়ার জন্য এবং আপনার মূল্যবান মতামত দেওয়ার জন্য।