মেয়ের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য, বিকাল বেলা ঘুরতে গিয়ে কিছু ফটোগ্রাফি।
Hello,
Everyone,
কনকনে শীতের মধ্যে সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ, তবে আমার মেয়ে একটু অসুস্থ, আর এর জন্য আমার বেশ খারাপ লাগছে,, তবুও আমি আপনাদের মাঝে আবার হাজির হয়েছি। তবে, আজ একটু অন্যরকম একটা পোস্ট শেয়ার করবো হয়তো টাইটেল দেখেই বুঝে গিয়েছে আমি আশা করছি, আপনাদের ভালো লাগবে।
- গত পোস্টে হয়তো আপনারা পড়েছিলেন আমার মেয়ে একটু অসুস্থ, ঠান্ডা ,সর্দি জনিত সমস্যায় ভুগছে, এবং আমকেও ভুগাছে। সত্যি মা হলে অনেক কিছু সেক্রিফাইস করতে হয়, যেটা হয়তো "মা" হলে বুঝতেই পারতাম না, আজ সারা রাত ঘুমাতে পারি নি,, একটু ঘুমের মতো আসছে এর মাঝে মেয়ে উঠে কান্না শুরু করছে কারণ, ঠান্ডার কারণে ও একদমই শ্বাস নিতে পারছি না। সারারাত কোলের ভিতর নিয়ে বসে ছিলাম।
এরপরে একটু ঘুম আসলে নাকের ড্রপ দিলাম কারণ,ড্রপ দেয়ার কারণে একটু কিছুটা সময় ঘুমিয়ে ছিলো, আর ওই কোলে নেওয়া অবস্থায় আমিও ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। আজ তিন দিন পর একটু রোদ উঠেছে, যদিও মেয়ে অসুস্থ তবু বায়না ধরেছে, একটু হাঁটবে কিন্তুু বাহিরে অনেক ঠান্ডা বাতাস।
- আমি বোঝানোর চেষ্টা করলাম, এখন বাহিরে যাওয়া যাবে না। কিন্তুু সে কথা কে শোনে,, না বলতেই যে হাঁ করে কান্না শুরু করছে,😭 এ কান্না যেন ঘুরতে না গেলে আর শেষ হবে না, এরপরে, ভাবলাম যেহেতু মেয়ে টা খুব অসুস্থ তাই ওর কথাই শোনা উচিত। এরপরে ওকে বুঝিয়ে বললাম কান্না থামাও আমি তোমায় নিয়ে যাব ঘুরতে।
ভাবছিলাম এই ঠান্ডার মধ্যে কোথায় যাব। তখন আমার শাশুড়ি আম্মা তখন বললো ওকে নিয়ে একটু আমাদের সরিষা ক্ষেত থেকে একটু ঘুরে আসো, এবং তার কথা অনুযায়ী বাসা থেকে বেরিয়ে পড়েছি । রাস্তায় এসে আমার মেয়ে টুপি সরিয়ে একটা হাসি দিয়েছে এলোমেলো চুলে। এটা দেখে নিজের কাছে একটু ভালো লাগছিল। এবং প্রথমেই আমাদের সরিষা খেতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ি। এই যে সরিষা ক্ষেত টা দেখছেন এটা আমাদের তবে, এর পাশ দিয়ে অন্য মানুষদের ও আছে। আমার শ্বশুর আগে অনেক ফসলের জমি করত কিন্তুু এখন আমার হাজবেন্ডের নিষেধ কারনে, শুধু বছরে যতটুকু ধান আমাদের প্রয়োজন খাওয়ার জন্য। ওইটুকু জমিতে ফসল লাগান বাকিগুলো সব অন্য মানুষদের কাছে লিচে দিয়ে দিয়েছেন। বছর শেষে তারা শুধু টাকা দেয়।
- অনেক দিন পরে সরিষা খেতে দেখতে, এই জায়গাটা তে আসলাম। সরিষা খেত টা দেখে মনটা সত্যি ভরে গেল, মৌমাছি ঘোরা ঘুরি করছিল। এরপরে আমরাও হেঁটে হেঁটে দেখছিলাম এবং কিছু ফটোগ্রাফি করছিলাম, অনেক কষ্ট করে মেয়ে কান্না মুখে একটু হাসি ফুটেছে। যদিও এখানে খুব একটা সময় থাকি নি কারণ প্রচন্ড বাতাস ছিলো।
- এরপরে, সহজেই বাসায় আসার জন্য জমির মধ্যে দিয়ে আসতে থাকে এবং দেখছিলাম কিছু মহিলা রা ধানের চারা তুলছিলো। এ জমিতে ধান চাষ করা হয়। তাই চারাগুলো তুলে ফেলছে জমি প্রস্তুত করবে বলে। অনেক দিন পর এরকম জমিতে ভিতর দিয়ে হাঁটছিলাম মনে হচ্ছে মাটি অনেক নরম যেহেতু এখানে পানি ছিলো তাই ভালো ভাবে এখনো শুকাতে পারেনি । আস্তে আস্তে করে হেঁটে আমাদের কাঙ্খিত জায়গায় চলে আসলাম।
এখন যে ছবি টা দেখতে পাচ্ছেন এটা হচ্ছে আমাদের পুকুর পাড় গাছে ভরপুর, এরকম খোলা জায়গা পেয়ে আমার মেয়ে বেশ আনন্দ এবং নিজের মন খুলেই দৌড়াতে পারছে। এভাবে মেয়ে এবং আমি দুজনে পাল্লা দিয়ে দৌড়ে আমাদের পুকুর পাড়ে এসে উঠি। এইতো এভাবে আজকে হালকা ঘোরাঘুরি করার মাঝে এবং মেয়েকে সময় দেওয়ার সাথে সাথে দিনটা কেটেছে। আজ আর লিখব না এখানেই বিদায় নিব সবাই ভালো থাকবেন ধন্যবাদ সবাইকে।
মেয়ে অসুস্থ থাকার পরও মেয়ের আবদার মেটাতে বাইরে নিয়ে গিয়েছিলেন।তবে ঠান্ডা লাগলে বাইরে গেলে ঠান্ডা বাতাস নাকে ঢুকলে আরও বাড়ার একটা সম্ভববা থাকে।
আপনাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।আর শরিসা ক্ষেতের সৌন্দর্য এর তুলনা শুধু সে নিজেই।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
খুব শীত পড়ছে, বাইরে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক হবে না। আপনার ফটোগ্রাফিগুলো সুন্দর হয়েছে।। ধন্যবাদ আপনাকে।
একদম তাই ও কথা চিন্তা করে খুব দ্রুত বাসায় চলে আসছি।
কারণ যে তুমি একটু অসুস্থ তাই আমিও চিন্তা করে বেশিটা সময় বাইরে থাকি নি।
ধন্যবাদ ভাইয়া আমি চেষ্টাই করেছে গুলো একটু সুন্দর ভাবে তোলার জন্য যদি রৌদ্রটা আরেকটু বেশি করে উঠত তাহলে আরো বেশি ভালো হতো। তবে জেনে ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফি ভালো লেগেছে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ আমার মতামতের উওর দেওয়ার জন্য।
শীতের সময় বাচ্চারা একটু বেশি অসুস্থ হয় । আর সন্তান অসুস্থ হলে মা যে কতটা পরিশ্রম ও দুশ্চিন্তা করে সেটা আমার বোনকে দেখলেও বুঝতে পারি।।
মেয়ের হাসি ফুটানোর জন্য একটু বাইরে গিয়েছিলেন আর মেয়ের হাসি কিন্তু ঠিকই ফুটেছে দেখে বোঝাই যাচ্ছে।। সেই সাথে সরিষা খেতে আপনাকেও বেশ সুন্দর লাগছে।
দোয়া রইলো আপনার মেয়ের জন্য খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হোক।।
সারাদিন বাসায় একাই থাকে আমার সাথে দিন কাটে। তাই অনেক বায়না ধরেছিল বাইরে যাওয়ার জন্য।
তাছাড়া শরীরটা বেশ খারাপ ছিল। ওই কথা চিন্তা করেই মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম আমার মন ভালো করার জন্য।
পোস্ট টা পড়েছে আপনার ভালো লেগেছে এটা শুনে আবারো ভালো লাগছে।
খুবই ভালো করেছেন মেয়েকে বাইরে ঘুরতে নিয়ে যেয়ে এতে আপনার অনেক ভালো লেগেছে।।
বাহ! মাশাল্লাহ মা মেয়েকে খুব সুন্দর লাগছে। আপনার মেয়ে হাসিটুকু আমার মন কেড়ে নিয়েছে খুব সুন্দর ভাবে মুচকি হাসি দিয়েছে। মেয়ের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য বিকেলবেলা মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। যেহেতু ওর ঠান্ডা জ্বর ছিল এবং শরীর ভালো না লাগার কারণে খুব কান্নাকাটি করছিল তার জন্য বিকেলবেলা এসেছেন বাহিরে। আপনার পোস্টে প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর হয়েছে। বিকেলবেলা মেয়েকে ঘুরতে নিয়ে এসেছেন ওর মুখে কিছুটা হাসির ফুটাতে পেরেছেন শুনে খুব ভালো লাগলো থ্যাঙ্ক ইউ।
বাচ্চারা একটু অসুস্থ হলে মায়ের যে কি ভোগান্তি হয়। সেটা ওই মা ছাড়া আর কেউ বুঝবে না। আর আমার মেয়ে একটু অসুস্থ হলে এত বেশি কান্নাকাটি করে ভালো কথা বললেও যেন আর কান্না আসে।
তাই ভাবলাম যেহেতু অসুস্থ তাই একটু ঘুরে আসি ভালো লাগবে তবে এটাও ভেবেছি বাইরে প্রচন্ড বাতাস যেহেতু শীতকাল তাই অল্পক্ষণ থেকে চলে এসেছি বাসাতে। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য।
বাহ আমাদের তিলোত্তমা আপু যে। খুব মিষ্টি লাগছে আপু।
মেয়েকে খুব ভালো করেছেন এমন সুন্দর একটা জায়গায় নিয়ে। চারিদিকে হলুদ সরিষা ফুল। নিমিষেই মন ভালো হয়ে যাবে।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য।
এই সময় সরিষা ক্ষেতে ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।কিন্তু এবছর আমার আর সেই সৌভাগ্য হলো না।
এই সময় বাচ্চারা অনেকেই ঠান্ডা, কাশিতে ভুগছে।তাই তাদের একটু বাহিরে ঘুরিয়ে আনলে তাদের ও মনটা ভালো থাকে,আর ওদের মন ভালো থাকাটা অনেক বেশি জরুরি।
মা মেয়ে মিলে অনেক সুন্দর একটি বিকাল অতিবাহিত করেছেন।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।