ঘরে ফেরার আনন্দ ,চলুন যাই আমার দেশের বাড়ি।।।
আজ ঘরে ফেরার আনন্দ,
ডাকছে পাহাড়, ডাকছে নদী
ডাকছে রে নীল দিগন্ত,
আজ ঘরে ফেরার আনন্দ,,,
সত্যি কথা বলতে আজ আমার ভীষণ আনন্দের দিন, আর আমাদের মনে যখন আনন্দে জাগে তখন কিন্তু নিজের অজান্তেই গান বা কবিতা বের হয়ে আসে। আর সেই আনন্দ থেকে ছোট্ট একটা কবিতা শেয়ার করা।
আমার হাজবেন্ডের কানের কাছে বেশ কিছুদিন ঘ্যান,ঘ্যান ক্যান,ক্যান করার পরে,আজ তিনি সেই ছুটিটা নিয়েছে তবে বেশি দিনের নয়,, অল্প কিছু দিনের ছুটি পেয়েছে তাতেই আমি শুকরিয়া আদায় করছি।
আর আমি বাড়ি যাব আনন্দ করবো আপনাদের ছাড়া এটা তো হতো এই পরে না,তাই আপনাদের নিয়েই শুরু করছি। আজ ভোর বেলা একদম ফজরের আজান শুনে আমার ঘুমটা ভেঙ্গেছে,সত্যি কথা বলতে বাড়ি যাওয়ার তাড়নায় আমার ঘুম হয়নি।।
আগে থেকে সবকিছু রেডি করা ছিলো, তাই একদম ঝটপট পলকের মধ্যেই রেডি হয়ে নিলাম। এবং হাজব্যান্ড এবং মেয়েকে সাথে নিয়ে থেকে বেরিয়ে পড়েছি। যেমন টা আপনারা ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন। মানে এত বেশি আনন্দ কাজ করছিলো,ছবি তুলতে আজ আর ভুলে যাইনি।
তবে কেমন হয়েছে সেটা কিন্তু জানাতে ভুলবেন না, এরপর আমরা পিলখানা গেটের থেকে বেরিয়ে পড়লাম,,, তখন আমার মনে ভিতরে কি যে আনন্দ কাজ করছিল একদম বাচ্চাদের মত। আমরা একটা গাড়িতে উঠে পড়ি এবং একদম কাউন্টারে গিয়ে নেমে পড়ি।।
আমার বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলা, অন্তর্ভুক্ত একটি থানায়, হয়তো আপনার আগে থেকেই জানেন,, তবু একটু বলে দিলাম,,,, যদি কেউ আপনার আমার বাড়িতে আসতে না চান,, তবু ও আসিয়েন।।। 😃😃
সে যাই হোক,, এরপর আমার হাজব্যান্ড আমাদের জন্য দুইটা টিকিট কাটলো, কোটালীপাড়া কাউন্টার পর্যন্ত যাওয়ার জন্য। গাড়ি আসতে ১০ মিনিট দেরি হলো কাউন্টারে বসে ছিলাম। আর এই দশ মিনিট যেন আমার শেষই হচ্ছিল না।
দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরে, আমাদের গাড়ি আসলো এবং আমরা সিটে গিয়ে বসে পড়ি। আর তার পাঁচ মিনিটের মধ্যে গাড়িটা ছেড়ে দিলো,আহ্ কি যে সুন্দর বাতাস এবং ঢাকা থেকে বের হওয়ার পরে, কি যে সৌন্দর্য প্রকৃতির যেদিকে তাকাই সেদিকে সবুজে ঘেরা পরিবেশ।
গাড়িটা যেন রকেট মত ছুট ছিলো,আমার কাছে তো ভীষণ ভালো লাগছিলো তখন, আর একদম ছোট বেলা ফিরে গিয়েছিলাম। আমার মেয়ের আনন্দ দেখে,,, এবং খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আমরা পদ্মা সেতু তে চলে আসি । বর্তমানে নদীর তে পানির চাপ খুবই বেশি, সেই সাথে খেয়াল করে দেখলাম।
নদীর মাঝে চর পেড়েছে, পানি থৈ থৈ করছো,এর মাঝে ঘাসের মাঠ সব মিলিয়ে খুবই ভালো লাগছিল দেখতে,, এরপরে আমরা কিছুক্ষনের মধ্যে আমাদের বাড়ি কাছে কাউন্টারে চলে আসি।
দীর্ঘ চার ঘন্টা পরে নিজের পরিচিত বাজারে চলে আসলাম,,, এখান থেকে আমার বাবার বাড়ি খুব একটা দূরে নয়, হেঁটে গেলে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগবে ,,, কিন্তুু কি আর করা যাবে, শশুর বাড়ি মধুর হাড়ি এটা কি করা যায়। 🤔তবে মনে মনে কিন্তুু বলতে ইচ্ছে করছিল হাসবেন্ডকে তুমি তোমার বাড়ি যাও আমি আমার বাড়ি যাব। কিন্তু আমি যে নরম মানুষ এত শক্ত কথা কিভাবে বলবো,তাই আর কিছু বলতে পারলাম না।।।
এরপরে, আমার হাসবেন্ড বাড়ির জন্য বেশ কেনাকাটা করলো,ফল সহ আরো কিছু জিনিস, এরপরে আমরা একটা অটো নিলাম, এবং এই অটোতে করে আমরা একদম আমার শ্বশুর বাড়ির দরজার কাছে এসে নেমে ছিলাম। আমার শশুর শাশুড়ি আমাদের জন্য অপেক্ষা করতে ছিলো,তাদের কে সালাম দিলাম এবং অনেক দিন পরে দেখা সত্যি ভীষণ ভালো লাগছিলো,,,,
এরপর আর কি শাশুড়ি আম্মার হাতে মজার মজার সব খাবার খেলাম, এরপরে রেস্ট নিতে নিতে আপনাদের মাঝে চলে আসলাম।। আশা করছি এরপর থেকে আমাকে নিয়মিত দেখবেন সাথে কিন্তু অনেক বেশি সুন্দর পোস্ট গুলো থাকবে।।।
- তো সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ।
আমরা যখন আমাদের মনের মধ্যে থাকা জিনিসটা পাই তখন অনেক বেশি আনন্দ লাগে।। দেশের বাড়িতে ঘুরতে যাচ্ছে তাই আনন্দে মনের অজান্তে গান চলে আসছে শুনতে কেন জানি ভালো লাগছে।। আর হ্যাঁ আপনার বাসায় যাব রেডি থাকিয়েন🤣
বাড়ি ফেরার আনন্দটা সত্যি ই অনেক বেশি।
প্রশ্ন ছিল ছবিটা কেমন হয়েছে জানাবো,
মাশাআল্লাহ! ছবিটা অনেক সুন্দর হয়েছে।
নিমন্ত্রণ করেছেন আপনার বাড়িতে সেটা সময় সুযোগ হলেই যাওয়ার চেষ্টা করব একজন সহকর্মী হিসেবে। তবে সেই সুযোগের অপেক্ষা করতে হবে হয়তোবা সুযোগ পেলেই যেতে পারবো।
লেখা এবং ছবি সবকিছু মিলিয়ে দুর্দান্ত ছিল খুব ভালো লেগেছে আপনার পোস্ট
যারা বাইরে কর্মজীবনে থাকে। তাদের আর বাড়িঘর থাকে না। আর যখন কর্মজীবনে একটু ছুটি পাওয়া যায় তখন বাড়ি ফেরার জন্য আকুল হয়ে যায়। মা বাবা পরিবারের সাথে অনেক দিন পর দেখার আশায় পাগল হয়ে যায়।
বাড়ি ফের আনন্দটা অনেক বেশি, বাড়িতে আসলে অনেক আপনজনদের সাথে দেখা হয়, আমরা যেখানেই থাকি মন সবসময় বাড়িতেই পড়ে থাকে, বাড়ি ফের আনন্দটা অনেক বেশি যেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার বাড়ি ফেরার গল্পটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।