সৌন্দর্য একদিন তোমাকে ছেড়ে যাবে, কিন্তু জ্ঞান চিরদিন তোমার সাথে থাকবে। প্রকৃত জ্ঞানী আলো
প্রিয় স্টিমিয়াম,
মানবজাতি হচ্ছে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মাখলুকাত। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, আমাদের চেহারা তার নিজের হাত দ্বারা সৌন্দর্য দিয়েছেন।
আমরা যখন পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হই তখন কেউ সাদা বর্ণ কেউ হালকা কালো বর্ণ হয়ে থাকি। এটা সম্পূর্ণই সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে মাত্র পরীক্ষা স্বরূপ দিয়ে থাকে।
মানুষ এই ছোট থেকে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। তার চেহারার পরিবর্তন হতে থাকে, তার শরীরের গঠন সম্পূর্ণরূপে ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়। আর এই পরিবর্তন হয় সম্পূর্ণই সময়ের বিবর্তনে।
যখন আপনি ছোট থাকেন তখন আপনি হাঁটতে পারেন না! যখন আপনি একটু বড় হন তখন হামাগুড়ি দিতে শিখেন, আরো একটু সময় যায় বড় হন তারপর একটু দাঁড়ানো শিখেন এরপর আপনি হাতাহাতি দৌড়াদৌড়ি করতে শিখে যান।
ঠিক তেমনিভাবে ছোটবেলায় আপনার যে চেহারা থাকে যে সৌন্দর্য থাকে সেই সৌন্দর্য সময়ের পরিবর্তে আপনার পরিবর্তন হতে থাকে। হয়তো বড় হওয়ার পরে আপনার সৌন্দর্য আরো বেড়ে যায় কিংবা কাঠিন্যতার পরিবর্তন আসে।
আবার দেখা যায় অনেক শিশু বাচ্চা জন্মগ্রহণ করে তাদের একটি হাত নেই কিংবা একটি চোখ অন্ধ কেউ বোবা হয়ে জন্মগ্রহণ করে। তাই বলে কি তারা মানুষ নয়!
আল্লাহ তাআলা তাদেরকেও সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মাখলুকাত হিসেবে। সুতরাং তাদের কেউ অবজ্ঞা করা কিংবা অবহেলা করার কিছু নেই।
এই শিশু বাচ্চা যখন বড় হয়ে যায় তখন তাদের জ্ঞান বুদ্ধি হয় বোঝার সক্ষমতা হয়ে যায় তখন তারা দেখা যায় সাদাকালো ধনী-গরী এবং অহংকারে ভরপুর হয়ে যায় অনেকের মাঝেই।
কিন্তু কেউ কখনো ভাবে না যে আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এই সৌন্দর্য দিয়েছেন আমরা কেন এই সৌন্দর্যকে অহংকারে পরিপূর্ণ করি। কেনইবা আমরা তারতম্য, ভেদাভেদ খুঁজে বেড়াই।
কখনো কি আমরা চিন্তা করি ধন দৌলত আমাদেরকে তারা কেন দিয়েছেন? দিয়েছেন এত সৌন্দর্য। এগুলো নিয়ে চিন্তা করা আমাদের জন্য অনেক বেশি প্রয়োজন।
কেননা জ্ঞান অন্বেষণ আপনি তখনই করতে পারবেন যখন আপনি কোন বিষয়কে নিয়ে চিন্তা করবেন এবং বিষয় নিয়ে ঘাটাঘাঁটি করবেন।
আপনি যদি একটু চিন্তা করেন সৃষ্টি জগত নিয়ে, খুঁজে পাবেন আপনার মস্তিষ্কে ধরা দেবে এত সুন্দর একটি পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছে কেই বা সৃষ্টি করেছেন আমাকে আপনাকে।
চিন্তা করুন জ্ঞান আহরণ হবে রিসার্চ করুন জ্ঞান আহরণ কর। শুধুমাত্র সৌন্দর্যের বড়াই অহংকার করে জীবনে জ্ঞান অন্বেষণ করা যায় না বরঞ্চ জ্ঞানহীন অমান ুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে।
সব কিছুরই পিকটা নির্দিষ্ট সময় থাকে তারপর সেই সৌন্দর্য মলিন হতে শুরু করে। যৌবন একসময় ফুরিয়ে যাবে বার্ধক্যে পৌঁছে দেবেন। একটু চিন্তা করুন। আপনাকে নিয়েই চিন্তা করুন অনেক কিছুই জানতে পারবেন, বুঝতে পারবেন সৃষ্টির রহস্য।
যে সৌন্দর্যের এত অহংকার এত বড়াই থাকবে কি আপনার আজীবন দেখেছেন কি কখনো চিন্তা করে?
যে জ্ঞান আপনি অর্জন করবেন রিসার্চ করবেন সেই জ্ঞান আপনার একমাত্র সঙ্গী জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত।
| Device | Name |
|---|---|
| Android | Tecno Spark 7 |
| Camera | 16M Dual camera |
| Location | Bangladesh 🇧🇩 |
| Short by | @jakaria121 |
আসলে আপনি খুবই মূল্যবান একটা বিষয় নিয়ে আজকের আপনার পোস্ট সাজিয়েছেন। আপনার পোস্ট পড়ে, আমি অনেক কিছু অনুধাবন করতে পারলাম।
আসলে আমরা যখন কোন একটা জিনিস নিয়ে ঘাটাঘাটি করি। তখনই কিন্তু আমরা ওই জিনিসটা নিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে জ্ঞান অর্জন করতে পারি।
সৌন্দর্য নিয়ে কখনো বড়াই করা উচিত নয়। কারণ সৌন্দর্য একদিন ফুরিয়ে যাবে, আমরা যে জ্ঞান অর্জন করব, সেটা কখনোই ফুরাবে না।
অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য, ভালো থাকবেন, আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ আমার এই পোষ্টটি অনুধাবন করার জন্য।
সৌন্দর্য একদিন তোমাকে ছেড়ে যাবে কিন্তু জ্ঞান চিরদিন তোমার সাথে থাকবে এই কথাটি একদম ঠিকই বলেছেন আপনি ভাইয়া।
আসলে রূপ চেহারা আমাদের সাথে চিরস্থায়ী ভাবে থাকবে না কিন্তু জ্ঞান সবসময় আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকবে একটি ছায়ার মত।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য।
একদমই তাই জ্ঞান জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্তই থাকবে তোমার পাশে ছায়ার মত কিন্তু সৌন্দর্য থাকবে না। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য উপস্থাপন করার জন্য।
আল্লাহর সৃষ্টি কখনোই অসুন্দর হতে পারে না। আল্লাহতালা সবাইকে উত্তম সৌন্দর্য দান করেই সৃষ্টি করেছেন। চেহারার সৌন্দর্য তো ক্ষণিকের। একদিন সে বুড়ো হয়ে যাবে।তার চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে। মনের সৌন্দর্যই হলো আসল সৌন্দর্য।
বর্তমান সমাজে বর্ণ বিভেদ বেশি দেখা যায়। আল্লাহর কোন সৃষ্টিকে অবজ্ঞা করা ঠিক না এতে আল্লাহতাআলা অসন্তুষ্ট হন। তোমার আজকের উপস্থাপনাটি অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে। এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ বন্ধু।
বেশ মূল্যবান কথাগুলো মন্তব্য করেছো বন্ধু খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি মূল্যবান মন্তব্য উপস্থাপন করার জন্য।
মাশাল্লাহ, আপনার পোস্টের প্রতিটি ধাপ অনেক দামী। আসলেই পোস্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রয়েছে আমার সৃষ্টি কর্তা আল্লাহর অশেষ রহমত। তার নিয়ামত প্রতিটি মিনিটে মিনিটে, সেকেন্ডে সেকেন্ডে উপভোগ করছি। এই মুহুর্তে আমি লিখতেছি, এটাও বড় নিয়ামত, কারন এই লেখাটাও অনেকে পারেন না। আমার মত এই মোবাইল টাও অনেকের নাই। কিন্তু আমার আছে, এটা কি নিয়ামত না? জ্বী অবশ্যয় নিয়ামত। এজন্য অসংখ্যবার হাজার হাজার বার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আলহামদুলিল্লাহ। ভালো থাকবেন ভাই।
প্রত্যেকটা মুহূর্ত প্রত্যেকটা সেকেন্ড আমরা পাচ্ছি এগুলো সবই নেয়ামত। আমরা আল্লাহ তাআলার বড়ত্ব তা নেই এবং এর বাহিরেও অনেক কথাই বলি সবই আল্লাহ তাআলার নেয়ামত এবং কত কিছুই না ভক্ষণ করি এবং গ্রহণ করি সবই নেয়ামত, কিন্তু কখনো কি শুকরিয়া আদায় করি আমরা? অবশ্যই শুকরিয়া আদায় করতে হবে। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মূল্যবান মন্তব্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য।