যশোর গদ খালি ফুলের রাজ্য ঘুরে এলাম
আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভাল আছেন।
যশোর গদ খালি ফুলের রাজ্য ঘুরে এলাম
- ২ এ ফেব্রুয়ারি ঘুরে এলাম ফ্যামিলির সবার সাথে, বেশ মজা করলাম অসাধারণ মুহূর্ত। ভেবেছিলাম বাড়ির থেকে বেশি দূরে নয় তারপরেও মানুষের অভাবে ঘুরতে যাওয়া হয়নি। কিন্তু এবার ভেবেছিলাম এবার ফেব্রুয়ারি শুরুতে ঘুরতে যাব। ফোনে ভিডিওতে দেখলে মাথা ঘুরে যেত। অবশেষে ঘুরে এলাম।
সত্যি জায়গাটা অসাধারণ প্রকৃতির ছোয়া নানান রকমের ফুল। আমার কাছে বেশ দারুণ লেগেছিল।
ফেব্রুয়ারির ২ তারিখ সকাল বেলা বাড়ি থেকে রওনা দিলাম আটটার দিকে। যেতে আমাদের এক ঘন্টা সময় লাগলো গিয়ে পৌঁছালাম। তখন দেখলাম পার্কে কেউ প্রবেশ করিনি। বিষয়টা ভালো লাগছিল। কারন ইচ্ছা মতন ছবি তুলব ভিডিও বানাবো 🤣 আর আমাদের প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করব। আমি আমার ছেলে আমার ছোট ভাই আর আমার কাছে একজন মানুষ। এই তিন চার জন মিলে খুব আনন্দ করছিলাম বাসায় আসতে মন চাইছিল না। কিন্তু যত বেশি থাকবো কত টাকা খরচ 😅
- গদখালি ফুলের রাজ্য হাজার হাজার মানুষের সমাগম। গদখালি ফুলের রাজ্য তিন দিনব্যাপী ফুলের মেলা ছিল। যে ওখানে গিয়েছে সে একমাত্র বুঝবে কত সুন্দর জায়গা আমার কাছে কৃত্রিম জায়গা থেকে এই অসাধারণ ফুলের রাজ্য টা খুব ভালো লেগেছিল জীবনে কমবেশি অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করছে কিন্তু আমার এই জায়গাটা অনেক ভালো লেগেছিল। সবাই মিলে খাওয়া দাওয়া করছিলাম ফুচকা চটপটি আইসক্রিম।
সন্ধ্যা পর্যন্ত ওখানে ছিলাম বাড়ি আসতে মন চাইছিল না। ওইখানে ২বেলা ভাত খেয়েছিলাম সকালের টাইম আর দুপুরের টাইম। আমার একটা সমস্যা কোথাও গেলে ইচ্ছা মতন খরচ না করলে আমার ভালো লাগেনা মনে হয় ঘুরতে আসেনি।
ওখানে বেশ কয়েকটা পার্ক আছে। এক একটা পার্কে কোনোটা ৩০ টাকা টিকিট কোনটা ২০ টাকা কোনোটা দশ টাকা। আমি এমন ব্যক্তি সব কয়টা পার্কে গিয়ে ঘুরে এলাম কিছু থাকুক বা না থাকুক পার্কের ভিতর। কিন্তু ১০-১৫ মিনিটের বেশি থাকলে কেমন অস্বস্তি লাগে দম বন্ধ হয়ে যায়। এক একটা পার্কে দুইবার করে ঢুকছি একদিন।
ঘোরাঘুরি করে একটা নিরিবিলি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম। ব্ল্যাক কফি অর্ডার দিলাম ভাবলাম ক্লান্তির পরে হয়তো ব্লাক কপিটা খেলে মাথা ব্যথা একটু কম। খুব আশা নিয়ে ব্লক কফি অর্ডার দিলাম তিনটা। আল্লাহর রহমতে যদি খাওয়া যায় প্রথমে এক ঢোক নিয়ে এত তিতা। তারপরে আমি তাদের কাছে চিনি চাইলাম দিলো চিনি কিন্তু তারপরেও খাওয়া গেল না সবগুলো ওখানেই ফেলে আসলাম।
আমি অনেক রকম ফুল কিনেছিলাম, মাথায় দেওয়ার জন্য গলায় দেয়ার জন্য, রজনীগন্ধা গোলাপ ফুল, গদখালী ফুলের রাজ্য থেকে বাসায় আসতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। আবার ইচ্ছা আছে আবার ঘুরে আসার জন্য। মাঝে মাঝে এমন জায়গায় ঘুরে আসলে মনটাও ভালো হয়ে যায়।
আজকের মত এখানে শেষ করছি লেখার ভিতর কোন ভুল ভ্রান্তি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন সবার জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইলো আল্লাহ হাফেজ।
আপু ফুলের রাজ্যে আপনাকে অনেক সুন্দর লাগছে। সত্যিবলতে ফুল আমাদের মন ভালো করে দেয়। আরো যদি সেটি হয় বিশাল কোন ফুলের বাগান। মৌমাছিদের আনাগোনায় চারদিকের পরিবেশ আরো মিষ্টি হয়ে উঠে। এমন পরিবেশে সময় কাটানো সত্যি স্বপ্নের মতো। ভালো থাকবেন আপু। শুভকামনা রইলো।
অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। জায়গাটা অসাধারণ। মন চাচ্ছে আর একবার ঘুরে আসতে আপনার জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল ।
ফুল সবাই পছন্দ করে এবং ভালোবাসে। এরকম একটা ফুলের রাজ্যে ঘুরে আসার সৌভাগ্য এখনো হয়নি তবে। সেখানে গিয়ে আপনি যে ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। তার মধ্যে কিন্তু আপনাকে বেশ ভালই লাগছে। মাথা ব্যাথা করলে সাধারণত রং চা খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এতে করে মাথা ব্যথাটা অনেকটা কমে যায়, ধন্যবাদ।
জায়গা গুলো আসলেই অসাধারণ ৷ আমার বিশেষ করে উপরে যে রঙিন ছাতা গুলো রয়েছে সেই জায়গাটি আমার বেশ ভালো লাগছে ৷
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
টিভিতে অনেক বার এই ফুলের রাজ্যের নাম শুনেছি। জেনেছি এখান থেকেই প্রায় ৪০ শতাংস ফুল সারা দেশে ছড়িয়ে পরে বিভিন্ন অকেশনে। আজকে দেখলাম আপনি সেই জায়গায় ঘুরতে গিয়েছেনন। ভালো লাগলো।
গদখালী কে বলা হয় ফুলের রাজধানী যেটা যশোর জেলায় অবস্থিত। এটা আমার পাশের একটি জেলা।
ফুলের রাজ্য কাটানোর সময় গুলো খুব ভালোভাবে উপস্থাপনা করেছেন আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ খুব সুন্দর সুন্দর কয়েকটি ফটোগল্পে আমাদের কাছে উপস্থাপনা করার জন্য।