আজকে কাটানো কিছু আনন্দের মুহূর্ত।
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে কিছু আনন্দের মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য চলে এসেছি। আজকে মালয়েশিয়া স্বাধীনতা দিবস থাকার জন্য আমাদের কাজ বন্ধ ছিলো। অনেক দিন পরে এমন লম্বা ছুটি পেলাম সারাটা দিন। ঈদের সময় ছুটি পেয়েছিলাম তার মধ্য থেকে আজ সারাদিন ছুটি পেলাম। ঘুমিয়ে ছিলাম দুপুর একটা পর্যন্ত। ঘুম থেকে উঠে গোসল করে ফ্রেশ হয়ে মোবাইলটি নিয়ে নিজের পরিবারের সাথে কথা বলছিলাম।
কথা বলা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে একটি ভাই এসে আমাকে বলছিল দোকান থেকে আটা নিয়ে আসার কথা। আটা নিয়ে আসলে পেঁয়াজি বানাবে বলছিল। আমি দোকানে যাই ধীরে ধীরে সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম আটা নেই। ভাবছিলাম আমাদের ওই রুমে হয়তো বা আটা আছে কারণ তারা মাঝে মধ্য রুটি তৈরি করে। তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করছিলাম তারাও বলল আটা নেই। ঘুরে ফিরে আবার ক্যান্টিনে যাই। গিয়ে দেখতে পেলাম সেখানে বেসন আছে। বাংলাদেশে কিন্তু পেঁয়াজি চপ সব কিছু বেসন দিয়ে তৈরি হয়।
যে ভাই তৈরি করবে তার কাছে ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম বেসনে পেঁয়াজি হবে কি না। সে বলল নিয়ে আসলে আরো সুন্দর ভাবে পেঁয়াজি তৈরি হবে। আমি দেরি না করে সেখান থেকে এক প্যাকেট বেসন নিয়ে চলে আসি। হঠাৎ করে দেখি রুম থেকে দুলাভাই চলে আসে। এসে বলছিল কি করছি তখন বলছিলাম পেঁয়াজি তৈরি করব। সে বলল তাতে যদি ডিম দেওয়া হয় তাহলে আরো সুন্দর হবে।
আমার কাছে তিন পিস ডিম ছিলো তার থেকে দুই পিস ডিম এবং ঝাল পেঁয়াজ কেটে জিরার গোড়া ও হলুদ লবণ যা যা প্রয়োজন ছিলো সেই ভাইটি দিয়েছিল। আমি কখনো পেঁয়াজি তৈরি করিনি তাই আমার এই বিষয়ে কোনো ধারণা ছিলো না। আজ আমি খুবই মনোযোগ সহকারে দেখছিলাম। কারণ ভবিষ্যতে আমি যেনো তৈরি করতে পারি। তাই মনোযোগ সহকারে এগুলো দেখে রাখলাম আজ।
দেখতে পেলাম সেই ভাইটি ছোট্ট একটি পাতিলে কিছু তেল দিয়ে কিছু সময় গরম করে নিয়েছে। তারপরে কিছু সময় পরে অল্প একটু দিয়ে দেখলো তেল গরম হয়েছে কি না। কিছু সময় পরে দেখলাম এক পিস পেঁয়াজি তৈরি হয়ে গিয়েছে। তার পরে আমি তাকে বললাম গরম হয়ে গিয়েছে এখন তুমি দিতে পারো সব। এই ভাইটি আস্তে আস্তে কিছু পেঁয়াজি বানানোর জন্য তেলের উপরে ছেড়ে দিলো।
এবং অল্প কিছু তৈরি হয়ে যায় সে আমাকে বলল লবণ হয়েছে কি না দেখো। আমি খেয়ে বললাম লবণ একটু কম হয়েছে তার মধ্যে দুলাভাই নামাজ পড়ে চলে আসে। দুলাভাই এবং আমি এবং আরো সাথে সেই ভাইটি পেঁয়াজি তৈরি করতে করতে গরম পেঁয়াজি খাচ্ছিলাম। এবং আমাদের রুমে আরও একটি ভাই আছে তার খোঁজ নিলাম। রুমে এসে দেখলাম সেই ভাইটি নেই তাই তার কাছে ফোন দিয়ে আবার আসতে বললাম। সেই ভাইটি আরো একটি ভাইকে ডেকে নিয়ে আসে।
এবং আমরা চার পাঁচ জন মিলে এক সাথে অনেক গল্প করেছিলাম পাশা পাশি পেঁয়াজি তৈরি করে সবাই এক সাথে আনন্দের সাথে খেয়েছিলাম। মাঝে মধ্যে আমাদের জীবনে এরকম আনন্দের অনেক প্রয়োজন আছে। এবং কোনো না কোনো ব্যক্তির মধ্য এমন কিছু লুকিয়ে আছে যে গুলো সে প্রকাশ করে। কারণ এই ভাইটি পেঁয়াজির তৈরি না করতে পারলে আজ হয়তো বা পেঁয়াজি আমরা খেতে পারতাম না। কারন আমি এগুলো পারি না তাই কখনো ভাবি না তৈরি করব।
এভাবে ছুটির দিনটা আজ উপভোগ করতে পেরে ভালো লাগছে। অনেক দিন পরে তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম কিছুটা আনন্দের মুহূর্ত আজকে কাটানো । আশা করব আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। ধন্যবাদ সবাইকে আমার সাথে থাকার জন্য। ভালো এবং সুস্থ থাকবেন এবং কথা হবে নতুন আরেকটি বিষয় নিয়ে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
ছুটির দিনটা আমরা বিভিন্নভাবে উপভোগ করে থাকি, কখনো বাইরে ঘুরতে যায় আবার কখনো ঘরে বিশেষ আয়োজন থাকে, সব মিলিয়ে ছুটির দিনে খুব আনন্দ হয়, আপনার ছুটির দিনে কার্যক্রম খুব ভালো লাগলো, বিশেষ করে পিয়াজু বানানোর মুহূর্তটা খুব ভালো লেগেছে, ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ছুটির দিন আমরা সব সময় অন্য ভাবে কাটাতে চাই এবং আমি এই ছুটির দিনটা উপভোগ করেছি পিয়াজি তৈরি করার মুহূর্তে এবং অনেক আনন্দের সাথে আমরা এই মুহূর্তটা কাটিয়েছিলাম এবং সবাই আনন্দ করে খাওয়া দাওয়া করেছিলাম যা অনেক ভালো লাগা ছিল।
মালয়েশিয়ায় স্বাধীনতা দিবস থাকার কারণে অনেকদিন পর উঠি পেয়েছেন। তাই সব বন্ধুরা মিলে একসাথে পেয়াজি বানিয়ে খেয়েছেন। মাঝে মাঝে সকলে মিলে এইরকম আনন্দ করতে খুবই ভালো লাগে। সবার সাথে আনন্দের সুন্দর মুহূর্তটা তুলে ধরার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলে যখন আমরা প্রবাসীরা একটি দিন ছুটি পায় সবাই একসাথে তখন সবাই আনন্দ করা নিয়ে ব্যস্ত থাকে যেহেতু আমি দুপুরে শুয়েছিলাম তখন একটি ভাই এসে বলছিল পেঁয়াজী তৈরি করতে পারলে হত তাই আমরা পেয়াজি তৈরি করা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম এবং সত্যিই ভালো লাগার মতটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে।
সব সময় ছুটির দিনটা আমাদের অন্য দিনের চেয়ে একটু অন্যরকম হয়,,, বিশেষ কোনো আয়োজন বা বিশেষভাবে সময় কাটানো,,, তবে আজ আপনারা সবাই মিলে পিয়াজু তৈরি করেছেন পিয়াজু গরম গরম খেতে কিন্তু ভীষণ মজা,,, আর সেই সাথে যদি সবাই মিলে আড্ডা জমে কথাই নেই।।। আপনার দিনটা শুভ হোক শুভ রাত্রি না করছি।
আসলে আমাদের ছুটি থাকার জন্য আমরা হঠাৎ করে এমন প্রস্তুতি নিয়েছিলাম এবং আমি যেহেতু তৈরি করতে পারিনা এবং ভাইটি ভরসা দিয়েছিল বলে এই পেঁয়াজি আমরা খেতে পেরেছি এবং সত্যিই আমরা অনেক আনন্দ অনুভব করেছি ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পড়ে।
আপনার আনন্দের মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। সত্যিই ছুটির দিনগুলো বিশেষ কিছু মুহূর্ত এনে দেয় যা আমাদের জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকে। মালয়েশিয়া স্বাধীনতা দিবসে আপনার লম্বা ছুটি পেয়ে বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছেন মনে হচ্ছে।সুস্থ থাকবেন,ভালো থাকবেন, আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা।
আমরা সব সময় আমাদের ছুটির দিনগুলো উপভোগ করতে চাই যেহেতু এটা আমার নিজের জন্মভূমি না তাই মন চাইলে বাহিরে গিয়ে ঘোরাফেরা করতে পারিনা তবে রুমে বসে আমরা সবাই একসাথে আনন্দ করে পেঁয়াজি খেয়েছিলাম তৈরি করে এটাই আমাদের কাছে অনেক বড় আনন্দ।