♥লাল শাড়িতে লাল পরিরা||~~♥
সকলকে শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও বেশ ভালোই আছি।আর আপনারা সবাই সবসময় ভালো থাকবেন এটাই প্রত্যাশা করি।
লাল শাড়িতে লাল এর বাহার
লাগছে কত ভালো
সম্মেলনে সফলতার
ছড়িয়ে দিতে আলো।
লালে লালে এক হয়েছি
লাল পরী দের দল
বইপড়া এই আন্দোলনে
দল বেঁধে চল।
বন্ধুরা জাতীয় গ্রন্থাগার সম্মেলন 2023 গত 18 ফেব্রুয়ারি উদযাপন হল। বেসরকারি গ্রন্থাগার পরিষদ এর আয়োজনে।বাংলাদেশের 64 জেলা থেকে
পাঠাগারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।তবে মজার বিষয় হচ্ছে নীলফামারী থেকে আমরা যারা গিয়েছিলাম বিশেষ করে নারীরা তারা সবাই লাল রংয়ের শাড়ি পড়ে গিয়েছিলাম।এবং পুরো সম্মেলন জুড়ে এই লাল রঙের শাড়ি পরা পরীরা দারুন রং ছড়িয়েছে। বর্ণাঢ্য আয়োজনে,,সব আপুরা এ লাল রং এর শাড়ি কিনেছিল সাথে ম্যাচিং করে অনামেন্স।এত চমৎকার আমেজ মনে হয় ঈদের আনন্দকে ম্লান করে।সেদিন লাল শাড়িতে সব আপুদের কেই বেশ ভালো লাগছিলো দেখতে।তবে তাদের দলনেতা ছিলাম আমি।এবং লাল শাড়ি পরার আইডিয়াটাও ছিল আমার।আমরা সবাই মিলে অনেক আনন্দ করেছি সেদিন।অর্থাৎ বইপড়া আন্দোলনও যে আনন্দমুখর পরিবেশে করা যায় তার একটি দৃষ্টান্ত।
সবাই এত বেশি সেলফি তোলা নিয়ে ব্যস্ত ছিল যে,,সে কথা আমি বোঝানোর আগে আপনারা নিজেরাই বুঝে নিয়েন।এখানে যতগুলো আপু ছিল,, লাল রংয়ের শাড়ি পরা তাদের সবার চেয়ে বয়সে আমি অনেক ছোট।আর তাই আমি ওদের দলনেতা হলেও তারা আমার নাম ধরে খুব সুন্দর করে ডাকে সাথী মনে পড়লে এবং সেই সাথে আমাদের সবার প্রিয় মিনি আপু আমাকে একমাত্র স্মার্ট লেডি বলে সম্বোধন করে।মিনি আপু একটি প্রতিবন্ধী স্কুলের সহকারি শিক্ষক।আমাকে ভীষণ ভালোবাসে।
তিনি আমাদের বাংলাদেশ বেসরকারি পাঠাগার পরিষদের নীলফামারী জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। এরপর আসি পল্লবী আপু কথায়। তিনি বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য।খুব মিষ্টি করে আমাকে সাথী মনি বলে ডাকে। আপুর স্নেহ মাখা ভালোবাসা আমাকে দারুন আপ্লুত করে।দীর্ঘদিন একই সাথে নানান রকম সামাজিক কার্যক্রম করে আসছি। তাছাড়া আপুর ছেলে মেয়েরাও আমাকে ভীষণ ভালোবাসে। প্রতিমা দিদি আমাকে অনেক সম্মান করে।ওনার পাঠাগার তৈরি করাতে আমি সব ধরনের সহযোগিতা করেছিলাম।এখনো যে কোন সমস্যায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই বিনা স্বার্থে।আর তাইতো প্রতিমা দিদি আমাকে অনেক বেশি সম্মান স্নেহ এবং ভালোবাসে।
রত্নাদি, আরতী দিদি,, শিল্পি আপু এবং প্রিয় মনি আপু।তারাও প্রত্যেককেই অনেক আন্তরিক।কেউ এডভোকেট কেউ পৌরসভার কাউন্সিলর, কেউবা রাজনৈতিক নেত্রী।তারাও সবাই আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসে।তাদের চেয়ে বয়সে ছোট হলেও তারা নেতা হিসেবে আমাকে খুব গুরুত্ব দেয়।আর এটা আমার পরম পাওয়া।তবে এটা সত্যি যে সেদিন লাল শাড়ি পড়ে আমরা যে বিনোদন করেছি যে আনন্দ করেছি তা আসলে সারা জীবন মনে থাকার মত। আজকের এই সেলফি কিংবা ফটোসেশন আগামীদিনের মধুময় স্মৃতি।আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সাথে আজ লাল টুকটুক আপদ এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে আমার খুব ভালো লাগলো।
সেইসাথে আপুদের সাথে লাল শাড়ি পড়ে কাটানো মুহূর্তের চমৎকার অনুভূতি গুলো শেয়ার করতে পেরে আরো বেশি আনন্দিত হলাম।আপনারা সকলেই দোয়া করবেন আমি যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের মঙ্গলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এ কাজ করে যেতে পারি।কারন আমি নিজেকে সবসময় সেবক মনে করি।আর হ্যাঁ শুধুই সেবক নয় আমি একজন স্বেচ্ছাসেবক।তো বন্ধুরা আপনাদের শুভকামনা এগিয়ে যেতে চাই দূর বহুদূরে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আবারো নতুন করে আয়োজন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব।
আমি সেলিনা সাথী। আমার প্রফেশন, প্রেজেন্টার, ট্রেইনার ও মোটিভেটর। আমি একজন সমাজ কর্মি ও সংগঠক। এছারা ও তৃনমূল নারী নেতৃত্ব সংঘের নির্বাচিত সভাপতি বাংলাদেশ। আমি "নারীসংসদ"
এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি "সাথী পাঠাগার"। আমার লেখা মোট ১০ টি একক ও যৌথ কাব্য গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। একুশে বই মেলায় প্রতি বছর একটি করে কাব্য গ্রন্থ প্রকাশের চেস্টা করি। আমার লেখা কাব্যগ্রন্থের মধ্যে "মিস্টি প্রেম" (উপন্যাস), "অশ্রু ভেজা রাত" (কবিতা), "জীবন যখন যেমন" (কবিতা), "একুশের বুকে প্রেম" (কবিতা), "নারীকন্ঠ" (ম্যাগাজিন) অন্যতম।
আমি আপনার সাথে সহমত পোষণ করছি আসলেই লাল কালার অনেক নারীদেরকে অনেক বেশি সুন্দর এবং মার্জিত ও ননান্দনিক করে তোলে।♥♥
আপু একদম ঠিক বলেছেন আপনি লাল শাড়িতে লাল পরীরা। আর এই লাল পরীদের দেখতে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। লাল শাড়ি পরে, খোপায় লাল ফুল গুজে আপনার ফটোগ্রাফিও বেশ দারুন এসেছে। আর এরকম লাল শাড়ি পরে, লাল পরী হয়ে সকলের সাথে কাটানো সময় সত্যিই কখনও ভোলার নয়। এই মধুরস্মৃতি সারা জীবন মনে রাখার মত। জাতীয় গ্রন্থাগার সম্মেলনে কাটানো সময়টুকু অসাধারণ ফটোগ্রাফি ও সুন্দর বর্ণনা করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসলে ব্যক্তিগতভাবে আমি লাল রংটা খুব বেশি পছন্দ করি। এবং লক্ষ্য করে দেখবেন, আমার লাল রঙের শাড়ি, অনেক এবং লাল রঙের জামা। আসলে লার রংয়ে যেন আমি মুগ্ধতা খুঁজে পাই।♥♥
আপু আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগল। আসলে লাল শাড়িতেই নারী,আপনারা সবাই লাল শাড়িতে অসাধারণ লাগছে। আসলে আপু সবার ভালোবাসা ও স্নেহ পাওয়া সত্যি ভাগের বিষয়। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মূহুর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন প্রিয় আপু মনি। সবার ভালোবাসা, স্নেহ, মমতা, পাওয়া আসলেই এটা ভাগ্যের বিষয়। সে দিক থেকে আমি সত্যিই অনেক বেশি ভাগ্যবতী। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।♥♥
লাল শাড়িতে তো দারুন লাগছে আপনাকে ৷ সেই সাথে নিলফামারী যতজন গিয়েছেন সবাই লাল শাড়িতে সত্যি অসাধারণ লাগছে ৷ আপনি দলের প্রধান যদিও বা তারা বড় বড় মানুষ যেটা বললেন ৷ তবুও আপনাকে শ্রদ্ধা করে ৷ এটা শুনে ভালো লাগলো ৷ আসলে কে চাকরি করে কে কাউন্সিলর, রাজনৈতিক, এডভোকেট সেটা বড় না ৷ দিনশেষে যে আমরা মানুষ এটাই বড় কথা ৷ সর্বোপরি অনেক ভালো লাগলো এমন সুন্দর একটি ব্লগ পড়ে ৷
সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই। একসাথে আছি একসাথে বাঁচি।একসাথে চলবোই।সবার সাথেই লাল শাড়িতে এই একসাথে দুলবোই,,,,,,♥♥
তাই তো দেখছি আপু লালে লাল হয়ে গিয়েছেন। লাল শাড়িতে সবাইকে দেখে সত্যিই অনেক ভালো লাগলো সবাই একই ধরনের ড্রেস সেলফি তোলাটাই স্বাভাবিক। প্রতিটি জেলার প্রতিনিধিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাদের দলনেতা আপনি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। যত বেশি বই পড়বো তত বেশি জ্ঞান অর্জন করব আপনাদের এই উদ্যোগ সফল হোক সেটাই কামনা করি।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সহমত পোষণ করার জন্য। আসলে বই পড়া এই আন্দোলনকে ঘিরেই। আমরা চাই যুব সমাজকে আরো বেশি সমৃদ্ধশালি করতে।
বইমুখী করতে চাই জ্ঞান চর্চার জন্য।♥♥
বাহ্ আপু লাল শাড়িতে আপনাকে কিন্তু দারুন লাগছে,এখানে ছবিতে যারা আছেন তাদের সবাইকেই সুন্দর লাগছে।মেয়েরা সাজুগুজু করলে সেলফি তোলা নিয়ে আসলেই একটু বেশিই ব্যস্ত থাকে হাহা।এখানে যারা ছিলেন সবাই আপনাকে সম্মান করেন এবং খুব ভালোবাসেন জেনে ভালো লাগলো।আপনি তাদের থেকে বয়সে ছোট হলেও নেতা হিসেবে আপনাকে গুরুত্ব দেন,এটা সত্যি অনেক ভালো একটি বিষয়।আপনার মধ্যে নেতৃত্ব দানের গুণ আছে এজন্যই তারা গুরুত্ব দেন।ধন্যবাদ ভালো লেগেছে পোস্টটি।
একদম ঠিক বলেছেন। মেয়েরা সাজুগুজু করলে সেলফি তোলার জন্যে তোলপাড় করে ফেলে। সবাই সেলফি নিয়ে এতটাই বেশি ব্যস্ত থাকে। যে, তা আর কি বলব। সত্যিই বলেছেন।সুন্দর মন্তব্য করে উৎসাহ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ♥♥
গ্রন্থগার সম্মেলনে আপনারা নীলফামারী থেকে যারা গিয়েছেন তাদেরকে সত্যিই অসাধারণ লাগছিল। লাল পরীদের দেখতে যেমন অসাধারণ লাগছিল তেমনি তাদের পরিচিতি ও জেনে অনেক ভালো লাগলো। যতই পড়িবে ততই জ্ঞান অর্জন করবে। আপনাদের এই উদ্যোগ সফল হোক।
আমাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানার জন্য আপনাকে অনেক বেশি ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি প্রিয় আপু। এভাবেই শুভকামনা হয়ে পাশে থাকবেন সব সময়। প্রত্যাশা রাখছি।♥♥