ডিপার্টমেন্টের বন্ধু এবং বড় ভাইদের সঙ্গে ইফতার
রমজান মাস চলে এসেছে। রমজান মাস রহমতের মাস, নাজাতের মাস এবং সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সারাটা দিন না খেয়ে থাকার মাধ্যমে পরীক্ষা নেন। এই বরকতময় মাসে মহান আল্লাহ তালার কাছ থেকে আমাদের ক্ষমা পাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময়। সিয়াম পালনের এই মাসে আমাদের কমিউনিটিতেও অনেকে ইফতার করার সুন্দর মুহূর্ত, অন্যকে ইফতার করানোর,কিংবা ইফতার বা সেহরির রেসিপি পোষ্ট শেয়ার করছেন।
রমজান মাসকে সামনে রেখে আমাদের সুবিধার্থে প্রিয় ফ্যান্টম দাদা কমিউনিটিরও কিছু নিয়ম কানুনের পরিবর্তন এনেছেন। তারাবির নামাজের যাতে বিঘ্ন না ঘটে,সেজন্য হ্যাংআউট দেরি করে শুরু করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এছাড়াও দাদা হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজে একদিন বাসায় ইফতার করার সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। যে বিষয়টা আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে। কারণ ধর্ম যার যার;উৎসব সবার-এই বিষয়টি দাদা সহ আমাদের কমিউনিটির সকলেই বলে আসছেন। এইজন্য ভাবলাম আমিও বন্ধুদের সঙ্গে আমার ইফতার করার সুন্দর মুহূর্ত আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করি।
আমি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যান বিভাগে পড়াশোনা করছি, এ বিষয়টি আমি আপনাদের অনেক আগে থেকেই অবগত করে আসছি। আমাদের ক্যাম্পাসে অনেক রকম ভাবে ইফতারের আয়োজন করা হয়ে থাকে। আমাদের ক্যাম্পাসে আমরা সাধারণত ডিপার্টমেন্টের বন্ধু কিংবা বড় ভাইদের সঙ্গে, হলের বন্ধু কিংবা বড় ভাইদের সঙ্গে ইফতার করে থাকি। আমি অবশ্য কোন হলে না থাকায়, শুধুমাত্র ডিপার্টমেন্ট কেন্দ্রিক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে থাকি।
ইফতারের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। আর কিছুদিন পর ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে যাবে। তখন যে যার মত নিজ এলাকায় চলে যাবে। এজন্য রমজানের প্রথম দেখেই সবাই মিলে একত্রে ইফতার করার এ আয়োজন। আমাদের ক্যাম্পাসের বড় যেকোনো ইফতার সাধারণত সেন্ট্রাল মাঠেই করে থাকি। এখানে প্রতিনিয়তঃ অনেক ছেলে-মেয়ে, বন্ধুবান্ধব কিংবা কাছের মানুষদের সঙ্গে মিলে একত্রে ইফতার করে থাকেন। বুধবারে আমাদের ডিপার্টমেন্টের বন্ধু-বান্ধব এবং বড় ভাইয়েরা যারা বেশি একটিভ সবাই মিলে একত্রে ইফতার করি। যদিও ইফতারে খুব একটা বড় পরিসরে ছিল না, তবুও সবাই মিলে একত্রে ইফতার করায় অনেক সুন্দর মুহূর্ত কেটেছে। সাধারণ এবং ছোট পরিসরে ইফতারে কমন রেসিপি গুলো ছিল। মুড়ি, বুট, বুন্দিয়া, খেজুর, শসা ও পানীয় এসব কিছুই ইফতারের আইটেম এ ছিল।
ইফতারের ৩০ মিনিট আগে আমরা সবাই একত্রিত হয়ে সব কিছুর ব্যবস্থা করেছিলাম। পরবর্তীতে নিদৃষ্ট সময় আযান দিলে বড় ভাইরা মিলে একত্রে ইফতার করেছি। রোজার শুরুতেই ইফতারের সুন্দর একটি মুহূর্ত উপভোগ করলাম। আর এই সুন্দর মুহূর্ত আমাদের প্রিয় কমিউনিটিতেও শেয়ার করলাম। আজ আপাতত এতোটুকুই।পরবর্তী দিনে আবার নতুন কোন লেখা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব। এ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন;সুস্থ থাকবেন এবং কাছের মানুষদের খেয়াল রাখবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে
@abusalehnahid
| ফটোগ্রাফি | আবু সালেহ নাহিদ |
|---|---|
| ডিভাইস | OPPO A-12 |
| ছবি তোলার স্থান | লোকেশন |
দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক মজা করে ইফতার সম্পন্ন করেছেন। কেননা যে মজলিসে বসে আপনারা ইফতার করেছেন এভাবে ইফতার করতে আলাদা মজা আছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি ইফতার এর অনুভূতি শেয়ার করার জন্য ভালো থাকবেন
বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে একত্রে ইফতার করার মজাই আলাদা। অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটানো যায়। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
রমজানের ভিতরে অলরেডি তিন থেকে চারদিন বন্ধুবান্ধব সহ ইফতার করা হয়ে গেছে। যদিও আট রমজান চলতেছে। তার মানে বন্ধু বান্ধবের সাথে করার মজাই আলাদা ধন্যবাদ।
সত্যি ভাইয়া রোজার শুরুতে ইফতারের সুন্দর একটি মুহূর্ত উপভোগ করলেন, তা আপনার ফটোগ্রাফি দেখেই বুঝতে পারছি। ক্যাম্পাসের সেন্ট্রাল মাঠে খুবই সুন্দর সময় পার করেছেন আপনারা।ডিপার্টমেন্টের বন্ধুবান্ধব এবং বড় ভাইয়েরা সহ সবাই মিলে একত্রিত হয়ে ইফতার করেছেন তা সত্যিই অনেক আনন্দের ব্যাপার। আর সেই আনন্দঘন মুহূর্ত টুকু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আমার পুরো পোস্টটি পড়ে সুন্দর এবং গঠনমূলক মন্তব্যের মাধ্যমে উৎসাহিত করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ইফতারি খাওয়ার খুব সুন্দর অনুভূতি প্রকাশ করেছেন আপনি। আসলে আমরাও মাঝেমধ্যে সবাই মিলে এভাবেই ইফতার খাই। আর এটার মধ্যে আলাদা একটা শান্তি আছে।
এ ধরনের শান্তিগুলো বাবার জন্য সবাই মিলে একত্রিত করা। ধন্যবাদ ভাই।
সবাই মিলে এভাবে ইফতার করার মজাই আলাদা। আসলে এই টাইম গুলো খুবই মিস করি। আপনি সবার সাথে ইফতার করার মুহূর্ত গুলো খুবই ভালো সময় কাটিয়েছেন এবং আমাদের সাথে তা শেয়ার করেছেন অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনার মূল্যবান মতামত প্রদানের জন্য।
এভাবে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ইফতারি করার মজাই আলাদা রকম হয় ভাইয়া, আপনি অসম্ভব সুন্দর একটি মূহুর্ত অতিবাহিত করেছেন, বন্ধুদের সাথে ইফতারি খাওয়ার অনুভব অনেক সুন্দর করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন, শুভকামনা রইলো আপনার জন্য ভাইয়া।
আপনার জন্য শুভকামনা রইল ভাই।সুন্দর এবং গঠনমূলক মন্তব্য শেয়ার করার জন্য।
এই মূহুর্ত গুলো উপভোগ করার মতো অনেক ভালো লাগে আমার কাছে হোস্টেল লাইফে অনেক ইফতার পার্টি হইছে। কিন্তু আজ আর সময় নাই বন্ধুরাও পাশে নাই।ধন্যবাদ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য
আমি অনেক উপভোগ করেছিলাম সময়টা। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
সবাই মিলে সুন্দর করেই ইফতারির মুহূর্ত কাটিয়েছেন ।বিশেষ করে ইফতারিতে অনেক জন মিলে যখন ইফতার করা হয় তখন মনের মধ্যে খুবই আনন্দ হয়। আপনাদের বন্ধুদের এরকম ইফতারের মুহুর্ত যেন আবারো আসে সেই দোয়া করলাম। সবাই অনেক ভালো থাকবেন শুভেচ্ছা রইলো অনেক।
জী আপু, অবশ্যই দোয়া করবেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ডিপার্টমেন্টের বন্ধু এবং বড় ভাইদের সঙ্গে ইফতার এ অংশগ্রহণ করার কিছু মুহূর্ত আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। আমিও প্রতিবছর চেষ্টা করি বন্ধুদের সাথে একত্রিত হয়ে ইফতারিতে অংশগ্রহণ করতে কিন্তু এই বছর এখনো সেই সুযোগটি হয়ে ওঠেনি।
একত্রিত হয়ে সবাই মিলে ইফতার করার আনন্দ প্রকাশ করার মতো নয়। পরের বছর করবেন ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাই আপনি আপনাদের ক্যাম্পাসে বন্ধু এবং বড় ভাইদের সঙ্গে অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন। বন্ধুদের সঙ্গে এরকম ইফতার করার মজাই অন্যরকম। আপনার সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে উৎসাহিত করার জন্য।
এরকম ইফতার গুলো অনেক মজার হয়ে থাকে। ভার্সিটি লাইফে এরকম সময় গুলো অনেক ইনজয় করা যায়। বন্ধু এবং বড় ভাইদের সাথে সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন দেখে বোঝা যাচ্ছে। আসলে জীবনে অনেক কিছু করতে হয়। জীবনের এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই অনেক মনে থাকে। আর দেখে বোঝা যাচ্ছে খুব সুন্দর একটু সময় পার করেছেন বন্ধুদের সাথে। এরকম সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
সত্যি বলেছেন ভাই এরকম মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে না পারলে ভার্সিটির জীবনটাই বৃথা। আপনাকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।