ডাক্তার কাছে যাওয়া নিয়ে ভোগান্তি।
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
২০আষাঢ় ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ।
৫অক্টোবর ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ ।
এখন ষড়ঋতুর শরৎকাল । |
|---|
ইবনে সিনা হাসপাতাল,যাএাবাড়ি শাখা।
চারদিকে হঠাৎ ওয়েদার পরিবর্তন হওয়ার কারনে কম বেশি সবাই অসুস্থ। আর ডেঙ্গু রোগী তো আছেই কম বেশি, বাসার দুইজন ডেঙ্গু থেকে ভালোর দিকে কিন্তু এখন বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পরেছে জ্বর সর্দির কারনে।যার জন্য সুস্থ মানুষদের উপর দিয়ে বেশ চাপ যাচ্ছে। তবে একটা জিনিস থেকে মুক্তি তা হলো গরম থেকে বৃষ্টির কারনে অনেক গরম কমে গিয়েছে। বৃষ্টি একদিকে ভালো কিন্তু ঢাকা শহরে চারদিকে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা হয়ে গিয়েছে। যার জন্য মানুষের ভোগান্তি শেষ নেই।
ইবনে সিনা হাসপাতাল,যাএাবাড়ি শাখা।
আজকে আমি ডাক্তার দেখাতে যেয়ে ভোগান্তি নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো।বেশ কিছুদিন যাবত আমি একটু অসুস্থ, আমি একজন ডাক্তারের আন্ডারে আছি।তো গত দুইদিন আগে আমার ডাক্তার দেখানোর সময় হয়ে এসেছে তাই ফোন দিয়ে কথা বলে সব ঠিকঠাক করে নিয়েছিলাম।বাসা থেকে বের হয়েছি বাবা আর বোনের সাথে সকাল দশটায়।
ইবনে সিনা হাসপাতাল,যাএাবাড়ি শাখা।
তারপর তো জ্যামে আটকা পরেছি প্রায় দেড়ঘন্টার ও বেশি সময়।কাজলার থেকে সেই যাএাবাড়ি অব্দি জ্যাম।জ্যাম বলতে সিগনাল পরে রয়েছে, ট্রাফিক পুলিশ রা অন্যদিকের গাড়ি কিংবা বাস ছাড়ছে কিন্তু আমাদের পাশে দুইটার বেশি গাড়ি ছাড়ছে না,তাই বাসে প্রায় দেড় ঘন্টার বেশি সময় বাসে বসেছিলাম।
পরে কোন রকম হাসপাতালে আসলাম, এসে দেখি রোগীর অভাব নেই, রোগী দেখে প্রায় নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম। পরে আপুকে বলছি আমার ডাক্তার দেখানো লাগবে না, চল চলে যাই পরে আবার আসবো নে,পরে ডাক্তার কে ফোন দিলাম এই অবস্থা দেখে উনি আবার উনার পিয়ন পাঠিয়েছে আমাদেরকে ভীড়ের মধ্যে থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য,তারপর কোন রকম একটু ভালো লাগলো।ডাক্তার দেখার পর কিছু টেস্ট দিলো,আর কিছু উপদেশ দিলো।
তারপর ডাক্তার দেখিয়ে পিয়ন আমাদের গেট অব্দি এগিয়ে দিয়ে গেলো যেন ভীড়ের মধ্যে সমস্যা না হয়।এখন যাওয়া নিয়ে বেশ টেনশন কিভাবে যাবো বাসায় । আসলে ইদানিং ঢাকা শহরে অনেক জ্যাম বেড়ে গিয়েছে যার জন্য ঢাকা শহরে কোন কাজের জন্য বের হতে ভালো লাগে না।প্রত্যেকটা জায়গায় জায়গায় জ্যাম। কে কিভাবে যে গাড়ি চালায় তা বুঝা মুশকিল
কার আগে কে যাবে এই প্রতিযোগিতা, তবে এমন করার জন্য সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তাদের যে ভোগান্তি সেটাও বুঝে ও বুঝে না।
আজ আর নয়। আবার আসবো নতুন কোনো ব্লগ নিয়ে ,সেই পযর্ন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় শেষ করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে
| device | samsung SM-A217F |
|---|---|
| Location | Dhaka |
| photograpy | hospital |
VOTE @bangla.witness as witness OR
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP
আপু অসুস্থতা মানুষের সব সময় লেগেই আছে। তবে এটি ঠিক মানুষের অসুখ হলে অনেক সময় ভয় লাগে ডেঙ্গুর কারণে। আপনাদের নিজের লোকেও ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। আর আপু যখন তাড়াহুড়া থাকে তখন রাস্তাতে জ্যাম পটলে অনেক খারাপ লাগে। যাইহোক অনেক কষ্টে ডাক্তারের চেম্বারে গেলেন। তবে অনেক কষ্ট করে ডাক্তার দেখিয়েছেন এবং পিয়ন আপনাদেরকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন সত্যি শুনে অনেক ভালো লাগলো। আর অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এমনিতে ঢাকা শহরে পানি তৈরি করতেছে। বৃষ্টি বেশি হলেও সমস্যা না হলেও সমস্যা। যাইহোক সবাই সবার জন্য দোয়া করবেন এটাই কামনা।
আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বেশিরভাগ মানুষই অসুস্থ ঠান্ডা জ্বরে ভুগছে। এটা আপনি ঠিক বলেছেন অসুস্থতার কারণে সুস্থ ব্যক্তিদের ওপর চাপ পড়ছে বেশি। তার ওপরে আবার বৃষ্টি অতিরিক্ত বৃষ্টি হবার কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। যার কারনে ভোগান্তির শেষ নেই বর্তমান। আপনি দ্রুত ডাক্তার দেখাতে পেরেছেন এবং পিয়ন এসে আপনাদের গেট অব্দি পৌঁছে দিয়েছে শুনে বেশ ভালো লাগলো।
ডাক্তার দেখাতে গিয়ে আপনাদের তো দেখি বেশ ভালই ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল। আসলে এতক্ষণ জ্যামে বসে থাকার পর হাসপাতালে পৌঁছে যদি এত ভিড় দেখতে পাওয়া যায় তাহলে এমনিতেই অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। যাইহোক ডাক্তার কে ফোন দিয়ে আপনাদের জন্য যে আলাদা একটা ব্যবস্থা করে দিয়েছিল জেনে ভালো লাগলো।