ছুটি।
আমার বাংলা ব্লগের সকল ভাই ও বোনদের জন্য রইলো প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
আজ আমি কোনো রেসিপি, কবিতা,ডাই নিয়ে আসেনি আপনাদের মাঝে। এসেছি এক নতুন অনুভূতি শেয়ার করার জন্য।সেটা সবার জীবনে এসেছে অতিক্রম ও করেছে।সেই বিষয়টা হচ্ছে "ছুটি"।"ছুটি" নিয়ে কিছু আনন্দের কথাগুলো আপনাদের মাঝে ব্যক্ত করবো।
"ছুটি" মানেই আনন্দ,স্কুল বন্ধ, বাসায় থাকা।এই রমজান মাসে কিছু দিন ক্লাস করার পর বাচ্চাদের যখন শিক্ষকেরা একটি নোটিশ তাদের হাতে দিয়ে থাকে যা কি না স্কুল বন্ধের নোটিশ। রমজান মাসে বড় ধরনের একটি "ছুটি" বাচ্চারা পেয়ে থাকে ঈদকে কেন্দ্র করে।
আমাদের মুসলমান ধর্মের ব্যক্তিরা এই ঈদে অনেক আনন্দ করে থাকি।সবাই সবার জন্য নতুন নতুন জামাকাপড়, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী এই ঈদের ছুটিতে করে থাকি।আর সবচেয়ে বড় বিষয় স্কুল বন্ধ থাকায় নিজের গ্রামের বাড়িতে ঘুরতে যাওয়ার একটা সুযোগ মেলে। এমনিতেই বাচ্চারা শহরে থাকতে থাকতে কেমন জানি একঘেয়ে ভাব চলে আসে তাদের মাঝে।শহর জীবনে নেই তেমন কোন খোলা পরিবেশ, খোলা জায়গা, মিশার মত নেই তেমন কোন মানুষ।তাই সেই বাচ্চাদের সব সময় ফোন,ট্যাব,ল্যাপটপ এবং টিভি এসব দেখেই সময় পার করতে হয়।
কিন্তু যখন স্কুল ছুটির ঘন্টা চলে তখন একটি সময় হয় সেই বাচ্চাদের পরিপূর্ণ আনন্দের জগতে ঘুরে বেড়ানোর জন্য।তাই এই ছুটিতে বড় ছোট সবাই নিজেদের মতো করে দিন কাটায়।নিজ এলাকায় সবার সঙ্গে কথোপকথন করে,একে অন্যকে বোঝার শক্তি মেলে,নিজেকে জড়িয়ে নেয় প্রকৃতির সাথে।আলো, বাতাস আছে নিতে পারছে বুক ভরা শ্বাস।
ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ঈদের আনন্দে যখন সকল শিশু আত্মহারা।তখন সেই শিশুগুলোর মুখের হাসি দেখতে কার না ভালো লাগে,তাতে আমাদের বোরিং ভাব কমে যায় ছুটিতে বেড়াতে এসে। আসলে মানুষ একটা স্থানে থাকতে থাকতে অস্থির হয়ে যায় এবং সেই অস্থিরতা কাটাতে মাঝেমধ্যে যদি এমন দু-একটা "ছুটি" পড়ে যায়।তাহলে তো কথাই নেই বড় ছোটর সবারই আনন্দ চলে অবিরত।
ছোট্ট বেলার সেই দিনগুলো আমরা সবাই অতিক্রম করেছি।আজ আমি তাই আমাদের সেই ছোটবেলার দিনগুলো স্মরণ করে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেছি।গতকাল যখন বাচ্চারা স্কুল "ছুটি"র নোটিশ হাতে পেয়ে ক্লাস রুম থেকে বের হয়,তখন তাদের চোখে মুখে আনন্দ দেখে মনে হলো।আসলেই যদি আমরা সেই দিনগুলোই ফিরে যেতে পারতাম, তাহলে কতই না ভালো হতো।তাই আমার সেই ভাবনাগুলি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম জানিনা কতটুকু আপনাদেরকে সেই দিনের কথা গুলো মনে করিয়ে দিতে পারলাম।
আমার পরিচয়।
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার। নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে আর বিশেষ করে নতুন কিছু তৈরি করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি এমন একটি পরিবার যেখানে একে অপরের অনেক ভাল বন্ধু।আমার বাংলা ব্লগ বাংলা ভাষাকে সম্মান করে এবং বাংলা ভাষায় কবিতা, গল্প, রেসিপি উপস্থাপন করার সুযোগ করে দিয়েছে। তাই আমার বাংলা ব্লগকে আমি অনেক বেশি ভালোবাসি। নিজেকে একজন বাংলা ব্লগার হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
বিষয়ঃ- ছুটি।
কমিউনিটিঃ- আমার বাংলা ব্লগ।
এই পোস্টটি দেখার জন্য এবং পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ............
আপনার স্কুল ছুটির বিষয় এর গল্প পড়ার মাধ্যমে ছোটবেলায় স্কুল ছুটি দেওয়ার মুহূর্তের স্মৃতিবিজড়িত বিষয় মনে পড়ে গেল। সেই অনুভূতিটা অসাধারণ আপু অনেক দিন ছুটি পেতাম এই রমজান মাসে অনেক ভালো লাগতো অনেক ইনজয় করতাম।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
ছুটি শব্দ টি পড়ে একটি মুভির কথা মনে পড়ল। মুভির নাম সম্ভবত ছুটির ঘন্টা। জানিনা দেখেছেন কিনা তবে খুব নিদারুণ কাহিনী। ছোটবেলার স্কুল ছুটি দিলে একটি কবিতা পড়তাম
মূলত ছুটি শব্দটির সাথে অনেক আনন্দ অনেক বেদনা লুকিয়ে থাকে। যাইহোক সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
অনেক সুন্দর মন্তব্য করে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
সত্যি আপু স্কুল জীবনে যখন সেই ছুটির নোটিশ পেতাম কত যে আনন্দ পেতাম তা বলে বুঝাতে পারব না। সত্যি শহরে থাকতে থাকতে একটা একঘেয়েমি এসে যেত কিন্তু ঈদের ছুটিতে যখন গ্রামের বাড়িতে যেতাম কত যে ভালো লাগতো। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে সেই সোনালী দিনগুলোকে আবার স্মরণ করতে পারলাম। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য
গঠনমূলক মন্তব্য করে উৎসাহ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
ছুটি বিষয়টা এমন যেটা এই বয়সে এসে এখন ও উপভোগ করি। কিছুদিন আগেও আমি যখন চাকরি করতাম। তখন সাপ্তাহিক ছুটির দিনটাতে মনটা ফুরফুরে থাকতো। ছেলেবেলার ছুটির সময়ের কথাগুলো মনে পড়ে গেলো। যখন গ্রীষ্মের ছুটি পেতাম অথবা ঈদের ছুটি। সেই সময়ে গ্রামের বাড়িতে ছুটে যাওয়া দুরন্তপনার মেতে ওঠা। আহ কি সুন্দরই না ছিলো সেই দিনগুলি। আপনার পোস্ট পড়ে ছেলেবেলার দিনগুলিতে ফিরে গিয়েছিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
এখন মনে হচ্ছে আমার চেষ্টা সার্থক কারন আমার উদ্দেশ্য ছিল সবার ছোটবেলার স্মৃতি মনে করে দেওয়ার। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
রমজান মাসের আগেরদিন অপেক্ষায় থাকতাম কখন ক্লাসে ছুটির নোটিশ আসবে। কিন্তু করোনার জন্য এইবার রমজান মাসে ক্লাস করা লাগছে। এই ছুটির নোটিশের যে কী বাঁধভাঙা আনন্দ ছিল সেটা আমি জানি। এবং ঈদের সময়ে অধিকাংশ গ্রামে চলে যায়। আমি মনে করি শহরের থেকে গ্রামের ঈদ বেশি জাকজমকপূর্ণ হয়। আপনি কী বলেন আপু???
জি ভাই ঠিক বলেছেন শহরের চেয়ে গ্রামে ঈদ উদযাপন করে বেশি আনন্দ পাওয়া যায়।
আসলেই আপু ছোটো বেলার কথা গুলো খুব মনে পড়ে। রোযা রাখা, স্কুল বন্ধের নোটিশ, ঈদে নতুন কাপড় কেনা, চাঁদ রাতের আনন্দঘন মুহুর্ত এখন শুধুমাত্র স্মৃতির পাতায় রয়ে গেছে। আপনি খুব সুন্দর করে বিষয় গুলো তুলে ধরেছেন।
খুবই ভালো লাগলো আপনার পোস্ট পড়ে আপু।
ছোট বেলার কথা মনে করিয়ে দিতে পেরেছি এটাই আমার সার্থকতা।
আপনি ছুটি নিয়ে অনেক চমতকার লিখেছেন আপু। স্কুল ছুটি থাকলে ছোটবেলায় নানি বাড়ি যাওয়ার জন্য বায়না ধরতাম। তাছাড়া স্কুলের যখন ছুটির ঘন্টা বাজতো মনে অনেক আনন্দ লাগত। স্মৃতি গুলো মনে করিয়ে দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আেনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
সেই পুরোনো দিনের স্মৃতি আপনি জাগিয়ে দিলেন। সত্যি আপু ছুটি কথাটার সাথে অনেক আবেগ জড়িয়ে আছে। ছুটির নোটিশ পড়ার সময় স্যারও অনেক খুশি হতো। আর ছুটির আগের দিন অনেকগুলো চ্যাপ্টার পড়া দিয়ে দিতো। তবে সই পড়া কেউ পড়ে আসতো না। অনেক মজার ছিলো দিনগুলো। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার অনুভূতি শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর মন্তব্য করে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
ঠিক বলেছেন, এই স্কুলে পড়ার সময় যখন ঈদের আগে ছুটি দেওয়া হতো। তখন কত যে ভালো লাগতো তা জাস্ট বলে বোঝানো সম্ভব না। অনেকদিন পর আপনার পোষ্টটি পড়ে বিষয়টি মনে পরে গেল।
যাক আমার পোষ্টটি পড়ে যে পুরনো দিনের কথা আপনার মনে পড়েছে এটাই আমার সার্থকতা। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
স্কুল জীবন এর সবচেয়ে পছন্দের শব্দ৷ ছিলো ছুটি। যখন ছুটি দিয়ে দিতো তখন আমরা আনন্দে আত্নহারা। সেটা ঈদ এর ছুটিই হোক বা গ্রীষ্মকালীন ছুটি। আপনার পোস্ট টি পড়ে ছোট বেলায় চলে গিয়েছিলাম। খুব সুন্দর গুছিয়ে লিখেছেন আপনি। এভাবেই এগিয়ে যান। অনেক শুভ কামনা রইলো।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু। আপনার জন্যও শুভকামনা রইল।