জন্মদিনের নিমন্ত্রণ
নমস্কার বন্ধুরা, আশা করছি সকলে সুস্থ আছেন। আজকে আমার পরীক্ষা শেষ হল ।একটু আগেই আমি বাড়ি আসলাম ,আর খাওয়া-দাওয়া করে ভাবছি কি করা যায় ।তাই ভাবলাম আজকে পোস্টটা লিখে ফেলি। গত পরশুদিন আমাদের ছিল এক নিমন্ত্রণ।
আমার পাশের বাড়ির কাকুর এক ভাগ্নির ছেলের জন্মদিন ছিল ।পাশের বাড়ির সাথে আমাদের বাড়ির বেশ ভালোই সম্পর্ক। তাই ওদের পরিবারের কোনো রকম অনুষ্ঠান হলে আমাদেরও নিমন্ত্রণ করে থাকে। সেই সূত্রেই গত পরশু সন্ধেবেলায় নিমন্ত্রণ ছিল। এদিকে গতকাল আমার পরীক্ষা তাই আমি বলতে গেলে শুধু খাওয়ার জন্য নিমন্ত্রণ বাড়ি গিয়েছিলাম। হাহাহা।
পরীক্ষার আগের দিন নিমন্ত্রণ থাকলে যা হয় আর কি। বিকেল থেকে ব্যবসার কাজে ব্যস্ত ছিলাম ,তারপর সন্ধ্যেবেলায় তাড়াতাড়ি বাড়ি এসে একটু বইয়ের পাতা উল্টে দেখেছি ।তারপর রাতে নটার মধ্যে রেডি হয়ে পৌঁছে গিয়েছিলাম জন্মদিনের ওখানে।
পুচকে টা দেখতে দেখতে বেশ বড় হয়ে গেছে ।ওর অন্নপ্রাশনের সময় একটু সমস্যা থাকায় জন্মদিনটা বেশ বড় করেই করা হচ্ছে। ওর মাকে আমি দিদি বলেই ডাকি। দেখলাম ছেলের জন্মদিন বলে সুন্দর একটা লেহেঙ্গা পড়েছে। আর দিদিকে সত্যিই সুন্দর লাগছে। দিদির দুই ছেলে ।ছোট ছেলেরই জন্মদিন।
যাবার সাথে সাথে আমি আর ঈশান ফুচকা স্টল থেকে ফুচকা খেলাম, আমি যদিও ফুচকা খেতে বেশি ভালোবাসি না ।তাও ভাইয়ের দেখাদেখি পাঁচ ছটা ফুচকা খেয়ে নিলাম। তারপরে ওরা ওখানে স্টলে চিকেন পকোড়া রেখেছিল ,চিকেন পকোড়াও খেলাম।
ওখানে লাইভ স্যাক্সোফোন বাজাচ্ছিলেন একজন ।ওনার প্লে করা শুনতে খুব ভাল লাগছিল। কারণ আমি নিজেও এই ব্যাপারটা খুব বুঝি ,যেভাবে দম লাগে এই বাদ্যযন্ত্র প্লে করতে ।তা সত্যিই বাহবা দেওয়ার মতো। আমি যখন ওখানে পৌঁছেছি তখন আমার পছন্দের একটি গান বাজছিল। গানটা ছিল পুরনো হিন্দি গান। আমার খুবই পছন্দের, "তেরে বিনা জিন্দেগি সে কোই শিকবা" ...
মিউজিক শুনতে শুনতে ফুচকা ,পকোড়া খাওয়া হয়ে যাওয়ার পরে ১৫ মিনিট রেস্ট নিলাম। ততক্ষণে পুঁচকের কেক কাটিং চলছে। তারপরে খাওয়ার জায়গায় বসে পড়লাম। কারণ আমারও বাড়ি ফিরতে হবে যেহেতু পরীক্ষা পরের দিনই। তারপরে আবার সাথেই রয়েছে শিব পুজোর ব্যাপার। তাই বেশি রাত করলাম না।
আমরা মা, বাবা, ঈশান ,আমি যখন বসছি খেতে তখন দেখলাম আস্তে আস্তে খাবার জায়গায় বিশাল ভিড় হয়ে গেল। খাবারের মেনুটা হালকা পাতলা ছিল। কিন্তু আমার সত্যি কথা বলতে রাধাবল্লবী মেনুর মধ্যে পছন্দ হয়নি। মেনু কার্ড একটা চাবি রিং এর মধ্যে করেছে, বেশ ভালই ছিল। রান্না গুলো ভালো ছিল ।
কিন্তু মানুষের ভিড় আস্তে আস্তে টেবিলের চারিদিকে হতে লাগলো। ওইভাবে সব মানুষ তাকিয়ে রয়েছে আর আমি খাচ্ছি এরকম অবস্থায় সত্যিই খাওয়াটা যায় না। কেমন অড লাগে। সবাই টেবিল ধরার জন্য এক এক করে বলতে লাগলো। কিন্তু আমাদেরই অনেকগুলো পরিচিত মানুষ আগে থেকেই বলে রেখেছিল । এত ভিড় হয়ে যাচ্ছিল।
শান্তি করে খেতে পারিনি কারণ চারিদিকে মানুষজন এইভাবে ঘিরে ছিল বলে, প্রচন্ড গরম লাগছিল। শেষ পাতে কেশরী ভোগ আমার খুব পছন্দের মিষ্টি বলে ওটা একটু ধীরে ধীরে খেয়েছি। তারপর আইসক্রিম খেতে খেতে বাড়ি চলে এসেছি।
অনুষ্ঠানটা একটা লজ এ করা হয়েছিল ,আমাদের বাড়ি থেকে গাড়িতে ১০ মিনিটের রাস্তা ।তাই বাড়ি তাড়াতাড়ি পৌঁছে গিয়েছিলাম।আজ এখানেই শেষ করছি। সকলে ভালো থাকুন।
Hi, @isha.ish,
Thank you for your contribution to the Steem ecosystem.
- Explore Steem using our Steem Blockchain Explorer
- Easily create accounts on Steem using JoinSteem
- Delegate to @ecosynthesizer and wtiness vote @symbionts to support us.
নিমন্তন্ন বাড়ি যেতে সত্যি খুব ভালো লাগে তুমি জন্মদিনের নেমন্তন্ন খেতে গিয়ে খুব আনন্দ করেছো। সবাই মিলে ভালই খাওয়া-দাওয়া করেছো। পরিবারে সবার সাথে নেমন্তন্ন খেতে যেতে সত্যি খুব ভালো লাগে ।তোমার সুন্দর পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো।
THE QUEST TEAM has supported your post. We support quality posts, good comments anywhere, and any tags