বাসন্তী পুজো শুরু, আজ সপ্তমী।
প্রিয় বন্ধুরা,
বাসন্তী পুজো উপলক্ষে আপনাদের সকল কে জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, কথাটা যেমন সত্যি; তেমনি এই পার্বণ গুলোই কিন্তু আমাদের কে গতানুগতিক জীবন থেকে একটু নিশ্বাস নেবার সুযোগ করে দেয়।
যদিও আমাদের এখানে দূর্গ পুজো বেশি গুরুত্ব পায় কিন্তু কিছু জায়গা আছে যেখানে এই বাসন্তী পুজো অনেক ঘটা করে পালিত হয়।
আমার মাসীর বাড়ি উত্তর চব্বিশ পরগনা তে, যেখানে সবচাইতে বেশি এই পুজো প্রচলিত।
আমি আমার পূর্ব লেখনীতে জানিয়েছি, বাসন্তী পুজোতে কিভাবে ছোটো বেলাতে মজা করতাম সব বোনেরা এবং দাদার একত্রিত হয়ে।
আজ ও নির্দিষ্ট সময় পুজো আসে কিন্তু আনন্দে ভাটা পড়েছে। সেই ভাবে আগের মত করে আর কারোর সময় নেই একজায়গায় হওয়ার না মজা করার।
কিন্তু এইবার আমি নিজেকে আটকে রাখতে না পেরে হাজির হয়েছিলাম। কারণ দাদার হুকুম ছিল, তাই না গেলে হয়তো ব্যাপারটা খারাপ হয়তো।
যাবার পর মনে হলে সত্যি বোধ হয় না গেলে একটি বড়ো রোমাঞ্চকর মুহূর্ত হারাতাম।
কেমন একটা অজানা আনন্দ ঘিরে ধরেছিল, বোঝানো খুব মুশকিল।
কত পুরনো স্মৃতি আওরালাম দাদা এবং আমি মিলে।
দাদা তার বন্ধুদের কাছে নিয়ে গেলো দেখা করাতে, সবার মুখে একটাই কথা কত বড় হয়ে গেছি।
কত ছোট সবাই দেখেছিল।
সত্যি কথাই তো, বড়ো হয়ে গেছি। নিজেও বুঝি, সেই ভাবে মন খুলে যা ইচ্ছে না করতে পারাটাই তো তার উদাহরণ।
ছোটবেলায় তো কেউ ভেবে কাজ করে না, করার পর ভাবে।
বড়ো হলে আগে ভাবনা এবং পরে কাজ। কথা বলতে যাবার আগে ভাবতে হয়, কাজ করার আগে ভাবতে হয়, কোথাও যাবার আগে ভাবতে হয়, টাকা পয়সা খরচ করবার আগে ভাবতে হয় ইত্যাদি।
ভাবনার যেনো অন্ত নেই।
ভাবনার ভীড়ে সব আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে। কোনোকিছু হারিয়ে গেলেই বোধ হয় তার গুরুত্ব বোঝা যায়। যেমন এখন আমি আমার হারিয়ে যাওয়া শৈশব এর গুরুত্ব বুঝতে পারছি।
তবুও এইবার একটা ভালো লাগা নিয়ে ফিরছি, কোথাও মনে হচ্ছে জীবনের পুস্তকের পুরনো পাতাটা আরো একবার উল্টানোর সুযোগ পেলাম।
পর মুহূর্ত কেমন যাবে তো জানা নেই, তাই সুযোগ পেলেই আনন্দ কুড়িয়ে নিয়ে আসি। আপনারাও নিশ্চই নিজেদের জীবনে এই ফর্মুলা মেনেই চলছেন?
যদি উত্তর না হয়, তাহলে আজ থেকেই সেই ফর্মুলা ব্যবহার করতে শুরু করুন।
আজ এই পর্যন্তই, ভালো থাকবেন সবাই এবং মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যাবহার করতে ভুলবেন না।
খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোবেন না, ভীড় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবে।
Ami ai pujar name Prothom sunlam. Jaihok dhonnobad aponar onuvuti share korar jnno.
i know about little bit durga puja . but basonti i feel confused. anyway thanks for share this.
Let me tell you this is not goddess basanti, this is another time when we worshipped maa durga. This puja was first started my king Surath in the spring season, therefore the puja is known as basanti puja @shuvo35
thanks for share this.
@sonu98 ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে আমাদেরও বাসন্তী ঠাকুর দর্শন হলো। পুরোনো দিন ফিরে পাওয়া সম্ভব নয় তবে পুরোনো মানুষগুলোর সাথে দেখা হওয়া ও কম আনন্দ দেয় না। তবুও চারিদিকে যা অবস্থা সাবধানে থাকুন।
@sonu98 ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে আমাদেরও বাসন্তী ঠাকুর দর্শন হলো। পুরোনো দিন ফিরে পাওয়া সম্ভব নয় তবে পুরোনো মানুষগুলোর সাথে দেখা হওয়া ও কম আনন্দ দেয় না। তবুও চারিদিকে যা অবস্থা সাবধানে থাকুন।
মা দুর্গার পূজা, বসন্ত কালে হয় তাই নাম বাসন্তী পুজো @sampabiswas . চৈত্র মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে পুজো শুরু হয়।