বাজার এর ভীড় দেখে করোনা বাড়ছে মনে হলো না।
বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আজ তো ইয়াস্ রীতিমতো ইয়ার্কি মারছে সকাল থেকে, মাঝে মধ্যে একটু তীব্র হাওয়া দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে আবার দেখছি খানিকবাদে রোদ্দুর।
খানিক বাদে আকাশ কালো করে আসছে, একপশলা বৃষ্টি দিচ্ছে, ফের রোদ্দুর।
বলি এখন কি সাইক্লোন ও আমাদের সাথে টুকি টুকি খেলবে ঠিক করেছে? কে জানে বাবা, কলিযুগ এ সবটাই সম্ভব।
কত কি আরো দেখবো কে জানে! মশার পেটে হাতির বাচ্চা, আবার উল্টোটা ও হতে পারে!
যাক গে যাক, সেসব কথায় কাজ নেই, যা বলতে মানে ওই জানাতে আসা; তা হলো, রবিবার বাজারের ভীড় দেখে করোনা বাড়ছে মনে হলো না।
মূলত আমি সপ্তাহে দুদিন বাজার করি। মঙ্গলবার এবং রবিবার।
ওই মাছ, মাংস কিনতেই যাওয়া। বাকি শাক সবজি বাড়ির সামনে থেকেই নিয়ে নেওয়া হয়।
আমি তো একা বাঙালি নোই, বাজারে গিয়ে দেখলাম চতুর্দিক ভরে আছে ভোজনরসিক বাঙ্গালী।
বুঝলাম তারা ধরেই নিয়েছে lockdown শুরু হবার আগে যথেচ্ছ খেয়ে নিতে হবে, পাছে বেরোনোর অনুমতি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে পেট পুজোতে ঘাটতি হয়।
না খেয়ে মরার চাইতে খেতে খেতে উপরে যাওয়াই শ্রেয়।
যা যাবে অঙ্গে, তাই যাবে সঙ্গে। কথাটার যথার্থতা আজ বাজার গিয়ে হাড়ে হাড়ে টের পেলাম।
আর তাছাড়া এটা সর্বৈবো সত্য যে বাঁচার জন্য বাঙালি খায় না, খাবার জন্য বাঙালি বাঁচে।
না তাতে দোষের কিছু নেই, আমিও গেছিলাম বাজারে!
না আসলে গেছিলাম বললে ঠিক বলা হবে না, প্রায় গলা ধাক্কা দিয়ে পাঠানো হয়েছিল।
এই যাঃ! আবার মুখ ফসকে হাঁড়ির খবর দিয়ে ফেললাম। আমার বাড়িতে আজকাল আমার থেকে কালুর কদর বেড়েছে, মেয়ে আবার তার ইংরেজ নাম রেখেছে (জন্)। বাপের নাম খগেন, এদিকে কুত্তা ইংরেজ(না আমার পোশাকি নাম অন্য)।
দাড়ান আপনাদের দেখাচ্ছি আজকাল কালুর হাবভাব।
(খেয়ে খেয়ে পেট খানা কি বানিয়েছে দেখুন, কুত্তা কাহীকা)
আমার বলে এদিকে হাড়ে চামড়া ঠেকে যাচ্ছে, রোদ্দুরে বেরিয়ে বেরিয়ে।
মনের দুঃখ মশাই বুঝবেন না, যতক্ষণ বিবাহিত জীবন অন্ততপক্ষে ১৪বছর পার করছেন। এমনি কি বনবাস এর জন্য গুণে গুণে ১৪ বছর ধার্য্য করা হয়েছিল।
সব প্ল্যান, আজ বুঝতে পারছি।
যাক এই গরমে বাজার করার পর, খাবার খাওয়ার ইচ্ছে ঘরে ঢোকার আগেই শেষ হয়ে যায়।
বাজার যাওয়াতে আজ বেশ জমিয়ে খাওয়া দাওয়া হয়েছে। পারিশ্রমিক তো পাওয়া উচিত কি বলেন আপনারা?
আশাকরি আপনারা ও রবিবার জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করেন?
জানাতে ভুলবেন না, ভয় নেই লোভ দেবো না। এখন আর লোভ হয়না বিশেষ। একসময় এত কিছু খেয়েছি তাও আবার খাঁটি খাবার , এখনকার মত ভেজালে খাবার নয়।
আজ চললাম, ভালো থাকবেন সবাই, খাবার শেষে ডাইজিন খেয়ে নিতে ভুলবেন না। এখন আমাদের জীবনের একনিষ্ঠ সঙ্গী।
নমস্কার।
Khasa likhechen
ধন্যবাদ @lother68
@pulook সেলুট আপনাকে। আপনিই মশাই প্রকৃত বাঙালি। আপনার লেখা পড়লে হাজার মন খারাপেও মুখে হাসি ফুটে ওঠে। এমন ক্ষমতা কিন্তু সবার থাকে না। আপনি খুব ভালো থাকুন।
হা হা! আরে বাপরে স্যালুট কেন, আমি তো মিলিটারী তে কাজ করি না। মজা করছি, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমার লেখা ভালো লাগার জন্য। হাসতে পেরেছি এটা জেনেই ভালো লাগলো।@sampabiswas
চালিয়ে যান, হাসাতে পারাটা একটা গুন সবাই সেটা পারে না @pulook
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে @sonu98 আমি কেবল চেষ্টা করি, আপনদের ভালো লাগাটাই আমার সফলতা।
কাঁদানোটা খুব সোজা কিন্তু কাউকে হাসানোটা খুব কঠিন। সবাই হয়তো সেটা করতে পারে না। তাই আমার যখন মন খারাপ থাকে আপনার লেখা গুলো বসে পরি আর নিজের মেনটাকে ভালোকরি।এত সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর করে নিজের মতামত পোষণ করবার জন্য @piudey