দাদা ও বৌদির শুভ বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে, আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
প্রতিদিনের মত আজকেও আছি আমি আপনাদের সাথে আছি। গতকালের বিশেষ হ্যাংআউট আমার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ বলে মনে হয়েছে।হাফিজুল্লাহ ভাই এনাউন্স করেছিলেন যে, আজ আমার বাংলা ব্লগের জন্য বিশেষ একটা দিন, বিশেষ দিনটা বিশেষভাবে উপভোগ করতে চাই।তাই বরাবরের মতই সঠিক সময়ে হ্যাংআউটে উপস্থিত হয়।হ্যাংআউটে উপস্থিত আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দ প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছে ভালোবাসার অপর নাম আমার বাংলা ব্লগ।এই বিশেষ দিনটা রোমাঞ্চকর ভাবে উদযাপিত হল।
আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দ আবেগে আপ্লুত হয়ে রোমাঞ্চকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।আমি নিজেও আবেগী হয়ে পড়েছিলাম। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সদস্য হয়ে আমি নিজেও অংশগ্রহণ করি রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে।
এই বিশেষ দিনটি আমাদের সবার প্রিয় দাদা ও বৌদির শুভ বিবাহ বার্ষিকী। দাদা ও বৌদি কে জানাই শুভ বিবাহ বার্ষিকীর একরাশ গোলাপ ফুলের শুভেচ্ছা। শুভ হোক আপনাদের আগামী দিনের পথ চলা। ভালোবাসা অবিরাম ♥️♥️♥️প্রিয় দাদা।
তাহলে চলুন আর দেরি না করে, দাদা ও বৌদির বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে, বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করি:
উপকরণ:
১. রঙিন কাগজ
২. সিজার
৩. আঠা
৪. পুঁথি
৫. রঙিন কলম
ধাপ -০১
প্রথমে একটি সাদা কাগজ নিয়েছি।
ধাপ -০২
এরপর সাদা কাগজটিকে মাঝখান থেকে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ -০৩
এরপর একটি একই মাপের কালো রঙের পেপার নিয়েছি।
ধাপ -০৪
কালো কাগজটিকে একইভাবে মাঝখান থেকে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ - ০৫
এরপর কালো পেপারের মাঝ বরাবর আড়াআড়ি করে দাগ কেটে নিয়েছি।
ধাপ -০৬
এরপর দাগ বরাবর কাগজটি কেটে নিয়েছি এবং এই কেটে নেওয়া কালো পেপারটি ভাঁজ করে রাখা সাদা পেপার এর সাথে আঠা দিয়ে জুড়ে দিয়েছি।
ধাপ -০৭
এরপর কার্ডের দুইপাশে বর্ডার লাগানোর জন্য চিকন করে দুটি কালো কাগজ কেটে নিয়েছি।
ধাপ - ০৮
এরপর আঠা দিয়ে কার্ড এর দুই পাশে বর্ডার দিয়ে নিয়েছি।
ধাপ - ০৯
ধাপ -১০
এরপর ফুল বানানোর জন্য মাপ মত একটি কাগজ কেটে নিয়েছি।
ধাপ - ১১
এরপর কাগজটিকে মাঝখান থেকে ত্রিভুজের মতো করে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ -১২
এরপর কাগজের মাঝখানে হালকা ভাঁজ করে চিহ্ন কেটে নিয়েছি।
ধাপ - ১৩
কাগজের মাঝখানের চিহ্ন কে কেন্দ্র করে ছবিতে দেখানো উপায়ে একটি ভাজ ভেঙে নিয়েছি।
ধাপ -১৪
এরপর একইভাবে আরো একটি ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ - ১৫
এরপর ভাঁজ করা কাগজটি থেকে ফুল বানানোর জন্য একটি ফুলের পাপড়ি আঁকিয়ে নিয়েছি।
ধাপ - ১৬
এরপর সিজার দিয়ে ফুলটি কেটে নিয়েছি।
ধাপ - ১৭
পাপড়ির ভাঁজ গুলো খুলে নিলেই তৈরি হয়ে গেল ফুল।
ধাপ - ১৮
এভাবে আরো অনেকগুলো ফুল বানিয়ে নিয়েছি।
ধাপ -১৯
এখন ফুলটিকে আরো সুন্দর করে তোলার জন্য ফুলের একটি পাপড়ি কেটে নিয়েছি।
ধাপ - ২০
এরপর পাপড়িটির গায়ে আঠা লাগিয়ে নিয়েছি।
ধাপ -২১
আঠা লাগানো পাপড়ি সাথে পাশের পাপড়িটি জুড়ে ফুল বানিয়ে নিয়েছি।
ধাপ -২২
এভাবে আরো অনেকগুলো ফুল বানিয়ে নিয়েছি।
ধাপ -২৩
এরপর ফুলগুলো আঠা দিয়ে কার্ডের সাথে লাগিয়ে দিয়েছি।
ধাপ - ২৪
এরপর সবগুলো ফুলের মাঝখানে আঠা দিয়ে পুঁথি বসিয়ে দিয়েছি।
ধাপ -২৫
এরপর মেশিন দিয়ে ছোট গোল গোল করে কিছু সাদা কাগজ কেটে নিয়েছি।
ধাপ -২৬
এরপর কার্ডের কালো অংশের গায়ে আঠা লাগিয়ে নিয়েছি।
ধাপ - ২৭
এরপর আঠার সাথে গোল করে কেটে রাখা কাগজগুলো লাগিয়ে দিয়েছি।
ধাপ - ২৮
এরপর কার্ড এর ভেতরের অংশ খুলে নিয়েছি।
ধাপ - ২৯
এরপর যেখানে আমি লিখব, সেখানে শক্ত একটি কাগজ লাগিয়ে নিয়েছি।
ধাপ - ৩০
এরপর আমি আমার মনের গভীর থেকে কিছু কথা কার্ডে লিখেছি।
ধাপ -৩১
এরপর কার্ড এর উপরের অংশে আঠা দিয়ে লাভ লাগিয়ে নিয়েছি।
ধাপ - ৩২
এরপর আমি আমাদের সবার প্রিয় দাদা এবং বৌদিকে বিবাহ বার্ষিকী শুভেচ্ছা জানিয়েছি।
ফলাফল
| Device | realme 8 |
|---|---|
| Camera | 64 mp |
| Photo by | Al-Amin |
আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সকল সদস্যবৃন্দকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ, সবাই সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।
আজকের মত বিদায় নিচ্ছি,,
ইতি,
আমি@Al-Amin ইসলাম , আমি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, আমার ইচ্ছা আমি দেশ ও দশের জন্য ভবিষ্যতে কিছু করতে চাই, আমার গর্ব হয় নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিতে। আমি গর্বিত বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে। বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, বাংলাদেশের মানুষ মাছে ভাতে বাঙালি, প্রকৃতির রূপ, রস ,গন্ধ সবকিছুই আমার অহংকার।
অনেক সুন্দর হয়েছে কার্ড টি। আপনার কার্ড টি আমি গ্রহণ করলাম ভাইয়া। আমার খুব পছন্দ হয়েছে কার্ড টি। আর আপনার গান টি আমার খুব পছন্দ হয়েছিল। আমি রবীন্দ্রসঙ্গীত খুব পছন্দ করি।সেই দিনের গান ও আজ সুন্দর কার্ডের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
বৌদি আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে আনন্দে আমার বুকটা ভরে গেল। শুভকামনা রইলো আপনার পরিবারের জন্য।
বাহ খুব সুন্দর একটি কাজ। দাদা আর বৌদি খুব খুশি হবে। কতটা ভালোবাসা লুকিয়ে আছে এই কাজটির পেছনে এটা শুধুমাত্র অনুভব করার একটি বিষয়। কভার পেজ টা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে দেখতে। শুভেচ্ছা রইলো।
দিদি আপনি ঠিকই বলেছেন, দাদা ও বৌদি কে এই ছোট্ট উপহার দিতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। ধন্যবাদ দিদি আপনাকে।
সত্যি বলতে ভাইয়া আসলেই আপনি অনেক সুন্দর একটি কাজ করেছেন। দাদা বৌদির প্রতি ভালোবাসা রেখে তাদের বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আমার অনেক ভালো লাগলো। আপনার কাজ গুলি বরাবরে খুবই ভালো লাগে আজকে অনেক সুন্দর ছিল প্রতিটি কাজ খুব সুন্দরভাবে আপনি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন। আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো ভাইয়া।সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে
দাদা এবং বৌদির জন্য আপনি যে বিবাহ বার্ষিকী উদযাপনের অসাধারণ কার্ড তৈরি করেছেন সেটি সত্যি প্রশংসার সর্বশীষে।
অসাধারণ সৃজনশীলতা প্রকাশ দিয়েছেন খুব ভালো লাগলো
আপনার মন্তব্য থেকে আমি অনেক অনেক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা পেলাম। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
দাদা ও বৌদির বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে আপনি অনেক সুন্দর একটি শুভেচ্ছা কার্ড বানিয়েছেন। দাদা ও বৌদি দেখলে খুশি হবে অনেক। আপনাকে ধন্যবাদ দিতে চাই এতো ভালোবাসা দিয়ে দাদা ও বোদির জন্য কার্ডটি বানিয়েছেন আপনি।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
বাহ দাদা ও বৌদির জন্য আপনার তৈরি করা কার্ডটি খুবই সুন্দর হয়েছে। দারুণভাবে আপনি কার্ড টি তৈরি করেছেন। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খুব সুন্দর ভাবে। আপনার তৈরি করা কার্ডটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে ।প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি কার্ড শেয়ার করার জন্য।
আপনার সুন্দরতম মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে
অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন ভাই। অনেক ভালো লাগলো আপনার শুভেচ্ছা কার্ড দেখে। আশা রাখি দাদা খুব খুশি হবেন আপনার বানানো কার্ড দেখে। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো ভাই।
ধন্যবাদ ভাই আপনাকে,
আপনার এত সুন্দর আইডিয়া দেখে খুবই ভালো লাগলো আমার। দাদা বৌদি নিশ্চয় খুশি হবে। আর আপনার প্রতিটা ধাপ খুব সুন্দর ছিলো ভাই। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আপনার সুন্দরতম মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে
সুপার পাওয়ার ভাইয়া,, সাদা এবং রঙিন কাগজের মিশ্রনে সুন্দর একটি বিবাব কাট উপহার দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।।।
অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে