"শুভ জন্মদিন সার্থক ভাই"
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ২৯ ই এপ্রিল, শনিবার, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমার ভাই সার্থকের জন্মদিন। আমার ভাই স্বার্থকের বয়স তিন বছর পেরিয়ে চার বছরের পদার্পণ করল। আজ থেকে তিন বছর আগে সুন্দর একটি দিনে সার্থক পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল। যত দিন যাচ্ছে সার্থক ততই বড় হচ্ছে। আমাদের বড় একটি বাড়ির নক্ষত্রসম সার্থক। আমাদের বাড়ির সব থেকে বেশি আদরের সবার প্রিয় সার্থক।
আসলে এতটা আদরের হওয়ার একটা কারণও আছে আমার দাদুর মৃত্যু কিছুদিন পরেই সার্থকের জন্ম। তাই আর কি বাড়ির সবাই স্বার্থককে আমার দাদু হিসাবে আদর করে। আমাদের এত বড় একটা বাড়ি আমরা অনেকগুলি ভাই সার্থকের মতো আদর হয়তো কেউই পায়নি। সার্থক আমাদের বাড়ির মধ্যমনি। আজকে সার্থকের তৃতীয়তম জন্মদিন।
আর সার্থকের জন্মদিন উপলক্ষে একটু আয়োজন হবে না তা কি করে হয়। আজকে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ওর মার কাছে শুনেছে যে ওর জন্মদিন আজকে। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই বাড়ির সবার নিমন্ত্রণ দিয়েছে সার্থক। এভাবে সবার কাছে বলেছে যে, আজকে আমার জন্মদিন সবাই রেডি থাকো।
আজকে আমি সার্থকের জন্মদিন উপলক্ষে কেক বাড়িতে আনার পরেই প্যাকেট খুলে সার্থককে দেখাতে গিয়েছি সাথে সাথেই সর্থকের এক ছোবলে ওর নামের প্রথম দুটি অক্ষর খেয়ে ফেলেছে।
আজকে আমার ছোট পিসিমণি আমাদের বাড়িতে এসেছে তাই আরও বেশি মজা হয়েছে ওর জন্মদিনে। পরিবারের সবাই মিলে এভাবে কারো জন্মদিন পালন করলে সত্যিই অনেক ভালো লাগে মনের কাছে। আমাদের সম্পূর্ণ বাড়িটা যেন একটি বড় পরিবার।
প্রতিটা বছরই যেন সার্থকের জন্মদিনে আমাদের পরিবারের সবাই মিলে এভাবে ওর পাশে থাকতে পারি ঈশ্বরের কাছে এই প্রার্থনাই করি।
সার্থকের জন্মদিন আয়োজনের সমস্ত দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিল আমার কাকিমা। আমি ব্যক্তিগতভাবে যেকোনো দায়িত্ব পালন করতে খুবই পছন্দ করি। আর বিশেষ করে যদি কোন কিছু কেনাকাটার দায়িত্ব হয় তাহলে তো খুবই ভালো লাগে আমার কাছে।
আজকের দায়িত্বটা আমার কাছে স্পেশাল ছিল কারণ আজকে সার্থকের জন্মদিন। স্বার্থক তো আজকে সারাদিন খুবই খুশি তার জন্মদিন বলে। সার্থকের বাবা যে সিঙ্গাপুর থাকে আমাদের বাড়ির মানুষ সার্থককে তার বাবার অভাব বুঝতে দেয় না। যতটা ভালবাসা এবং আদর দিয়ে তাকে মানুষের মত মানুষ করা যায় সবাই সেই ইচ্ছাই করে।
সার্থক আর আমার ছোট পিসিমণির ছোট ছেলে দীপ্ত দুজনে একসাথে জন্মদিনের কেক কাটছে। দুজনকেই দেখতে ভীষণ কিউট লাগে আর দুজনেই আমার কাছে খুবই প্রিয়। আজকে সাত থেকে জন্মদিনের অনুষ্ঠান টা বেশ ভালই পরিবারের সবাই একসাথে কেটেছে অনেক আনন্দের সাথে।
সার্থকের জন্মদিন শেষে বাড়ির সবাই খেয়েছে কিনা সবার কাছে গিয়ে শুনে বেড়াচ্ছিল। আমাদের বাড়িতে একটি কুকুর আছে কালো স্বার্থক খেতে বসে কুকুরকে জিজ্ঞাসা করছে কালু মাংস কি পেয়েছিত ? কথাটা শুনে সবাই তো অবাক এমনকি আমি নিজেও অবাক। একটা শিশুর হৃদয় কতটা শুদ্ধ থাকলে একটা কুকুরকে এ ধরনের প্রশ্ন করতে পারে। আমাদের বাড়ির কুকুর খেয়েছে কিনা সেটাও সে দেখভাল করছে। আসলে সব দিক দিয়েই ভালোবাসার কেন্দ্র বিন্দুতে সার্থক। আপনারা সবাই ওর জন্মদিনে আশীর্বাদ এবং দোয়া করবেন যেন ও বড় হয়ে মানুষের মত মানুষ হতে পারে।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
| ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
| তারিখ | ২৯ ই এপ্রিল |
| লোকেশন | কুষ্টিয়া |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

টাইটেল পড়ে আমি প্রথমে ভেবেছিলাম যে কারো জন্মদিন হয়তো সার্থক হয়েছে😛। পরে দেখলাম যে আপনার ছোট ভাইয়ের নামই সার্থক। আসলে বাড়ির বয়স্ক কেউ মারা গেলে তারপরে যে বাচ্চাটা হয় সে বাচ্চাটা আসলে অনেক বেশি আদরের হয়। আপনার দাদু মারা যাওয়ার পর স্বার্থক হয়েছে জন্য সে পুরো বাড়ির এত আদর পাচ্ছে। শুভেচ্ছা রইল সার্থকের জন্মদিনের জন্য।
হ্যাঁ আপু সার্থক নামটা একটু আনকমন নাম। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
শুরুতেই সার্থকের জন্য জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইল। ঈশ্বরের আশীর্বাদ যেন সর্বদা তার পাশে থাকে। সবথেকে মিষ্টি লাগছিল তিলক চন্দন দিয়ে ওকে সাজিয়ে দেওয়াটা 😊😊। খুব সুন্দর একটা আয়োজন ছিল ভাই।
এটা মোটামুটি সকল ছোট বাচ্চার একটা কমন ব্যাপার । হিহিহিহি। আমিও ফেস করেছি আমার ভাগ্নের বেলায়।
আপনিও এ ধরনের কেস ফেস করেছেন জেনে ভালো লাগলো দাদা। সুন্দর মতামত করে সবসময় পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।