আর্টঃ ভাঙা কাঁচের বাটিতে পেইন্টিং।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন। প্রত্যাশা করি সবসময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ৩০ শে জ্যৈষ্ঠ , ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , গ্রীষ্মকাল,১৩ই জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। আজ একটি আর্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ আর একটি নতুন ব্লগ নিয়ে হাজি্র হয়েছি। আজ অনেকদিন পর একটি ফেলে দেয়া জিনিসে পেইন্ট করে ব্যবহার উপযোগী করে তুলেছি। আর সেই কাজটি কিভাবে করেছি সেই প্রক্রিয়াটিই আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আমরা সকলেই কোন কিছু ভেঙ্গে গেলে ফেলে দেই। কিন্তু অনেক সময় এই ধরনের ভাঙা জিনিস আমরা ফেলে না দিয়ে পুনরায় ব্যবহার করতে পারি। আর আমি আজ সেই কাজটিই করেছি। কয়েকদিন আগে আমার একটি কাচের বাটির কিছুটা অংশ ভেঙে যায়। সেই কাচের বাটিটি আমি ফেলে না দিয়ে পেইন্ট করে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করেছি। আর কাজটি করার পর বেশ সুন্দর লাগছিলো। এভাবে আমরা সকলেই ভাঙ্গা জিনিস পুনরায় ব্যবহার করতে পারি। আর এই ধরনের কাজ করতে আমার বেশ ভালই লাগে। তাই পুরাতন কোন কিছু ফেলে না দিয়ে আমি পুনরায় ব্যবহার করার চেস্টা করি।আজকের আর্টটি করতে ব্যবহার করেছি বিভিন্ন শেডের রং ও বিভিন্ন সাইজের তুলি সহ আরও কিছু উপকরণ । তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক,আর্টটি করার বিভিন্ন ধাপ গুলো।
উপকরণ
১।ভাঙা কাঁচের বাটি
২।বিভিন্ন সাইজের ব্রাশ
৩।বিভিন্ন শেডের এক্রেলিক
অংকনের ধাপ সমুহ
ধাপ-১
প্রথমে কাঁচে বাটির ভাঙা অংশ গ্লু দিয়ে লাগিয়ে নিয়ে সাদা রং করে নিয়েছি।
ধাপ-২
এবার বাটির চারপাশে ত্রিকোন ডিজাইন করে নিয়েছি বিভিন্ন শেডের রং দিয়ে।
ধাপ-৩
বাটির ভিতরে নীল রং করে নিয়েছি।
ধাপ-৪
এবার বাটির নীচের অংশে কমলা রং করে নিয়েছি। সেই সাথে চারপাশে নীল রং দিয়ে একটি দাগ টেনে নিয়েছি।
ধাপ-৫***
সব শেষে সোনালী রং এর ডিটেইলিং এর কাজ করে বাটিতে পেইন্টিং এর কাজটি শেষ করেছি।
উপস্থাপন
আশাকরি ,আজকে ভাঙ্গা পুরাতন কাঁচের বাটির করা পেইন্ট আপনাদের ভালো লেগেছে। আমার সবসময় চেষ্টা থাকে নতুন নতুন আর্ট করে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। আজ এই পর্যন্তই। আবার দেখা হবে নতুন কোন ব্লগ নিয়ে।সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন-নিরাপদে থাকুন।শুভ রাত্রি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | আর্ট |
|---|---|
| ক্যামেরা | Redmi Note A5 |
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ। |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম শহরে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟