সবসময় সব বায়না না পূরন করাই শ্রেয়।
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
৮ অক্টোবর ২০২৩ ।
|
|---|
বেশ কিছুদিন বৃষ্টি হওয়ার পর আজ সকাল থেকেই দেখি বেশ,ভালো কড়া রোদ উঠেছে। অনেক দিন পর একটু রোদ দেখে বেশ ভালো লাগছে তবে দুপুরে টের পাওয়া যাবে। কাল ডাক্তার দেখিয়ে বেশ ভোগান্তি পেয়েছি আসলে ঢাকা শহরে জ্যাম এর জন্য সাধারণ মানুষের বেশ কষ্ট, সব রাস্তায় জ্যাম।সকাল থেকে বেশ মাথা ব্যথা যার জন্য পোস্ট লিখতে বেশ কষ্ট হচ্ছে। যাই হোক প্রতিদিনের মত নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।
আমি আজকে একটি জেনারেল পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।আমি আজকে আমাদের চাহিদা নিয়ে আলোচনা করবো।আসলে চাহিদা বলতে আমি বুঝিয়েছি সময়ের আগে আমরা আমাদের সন্তানদের কোন কিছু দেওয়া। আমার মনে হয় মানুষের সব চাহিদা পূরন হওয়া ঠিক না আর যদি সময়ের আগে হয় তাহলে তো কথায় নেই। সন্তান তো বায়না ধরবেই তাই বলে সাধ্য থাকলেও পূরন করতে হয় না।
এই যেমন ছোট বাচ্চা মোমবাতি দেখলে আগুন ধরতে চায় তাহলে তার ইচ্ছে পূরন করার জন্য কিংবা কান্না থামানোর জন্য যদি আগুন ধরতে দেই তাহলে বাচ্চার ভালো হবে তো দূরের কথা বাচ্চার বরং ক্ষতি হবে।আমি ছোট একটা ঘটনা বলি।আমাদের এখানে একটি ছেলে কেবল এস এস সি পরীক্ষ দিয়েছে তাকে তার পরিবার বাইক দিয়েছে চালানোর জন্য, ছেলে নাকি বায়না ধরছে তাই।
ছেলেও নতুন নতুন বাইক পেয়ে তারপর নতুন চালক সে চালাতে মেইন সাইডে চালাতে গিয়েছে বন্ধু সহ।ঠিক যখন রং সাইডে চালাতে গেলো তখন একটি তেলের গাড়ি এসে ধাক্কা দেয় সাথে সাথে বাইক থেকে ছিটকে যায় সেই জায়গায় সাথে সাথেই মারা গিয়েছে।
আসলে একে তো কম বয়স তার উপর নতুন বাইক চালক উল্টা পাল্টা চালানোর জন্য একসাথে দুইটি প্রান চলে গিয়েছে। সেই দিন ও খবরে দেখলাম ষোল বছরের ছেলে বাবার কাছে বায়না করে গাড়ি দেওয়ার জন্য,বাবাও ছেলের বায়না পূরন করলো। রাতে মেইন রাস্তায় নতুন চালক গাড়ি চালাতে গিয়ে পাশের রিক্সাকে ধাক্কা দেয় তাতে ছিলো হ্যাসবেন্ড ওয়াইফ ও একটি বাচ্চা। তারা সাথে সাথে পরে যায় এতে তারা বেশ ভালোভাবে আহত হয় এমন কি রিক্সা চালক ও আহত হয়েছে।
আসলে বাচ্চারা বায়না করবেই তাতে তাদের সব বায়না পূরন না করাই ভালোই। আগের দিনের মানুষ বলতো বাচ্চারা পাঁচটি বায়না করলে তিনটি পূরন করতে বাকি দুইটা সাধ্যের মধ্যে থাকলেও পূরন করতে না,এতে করে সন্তান কিছুটা হলেও অভাব বুঝে।বাচ্চাদের অভাব বুঝাতে হয় তাহলে তারা পরবর্তীতে বুঝে।
তা না হলে সন্তান বায়না বায়না ধরতে ধরতে এমন বায়না ধরে যা সাধ্যের বাহিরে পরবর্তীতে পূরন করতে না পারলে বাবা মাকে শএু মনে করে,এমন কি মেরেও ফেলতে দ্বিধাবোধ করে না।
আজ আর নয়। আবার আসবো নতুন কোনো ব্লগ নিয়ে ,সেই পযর্ন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় শেষ করছি।
এতক্ষন সাথেই থাকার জন্য ধন্যবাদ
| device | samsung SM-A13F |
|---|---|
| Location | Dhaka |
| Photograpy | recipe |
ডিসকর্ড লিংক:
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
গত কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে মানুষ অনেকেটাই ঘরবন্দী ছিলো।যারকারনে গতকাল প্রচন্ডরকমের জ্যাম ছিলো ঢাকাতে।সেইসাথে ছিলো পুলিশি উৎপাত।
আপনি একদমই ঠিক লিখেছেন। মাসখানেক আগে আমার পরিচিত এক পরিবারের ছেলেও এমনিভাবেই মারা গেছে। কিছুদিন আগেই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিল। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলো।এখন ওর মা পাগলপ্রায় ছেলের মৃত্যুতে।
এজন্য বাচ্চাদের প্রতিটা বায়না পূরন করা উচিত না।চিন্তাভাবনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত যে, কোনটা দেয়া যায়।
এত চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আসলে বাচ্চারা আমাদের কাছে অনেক কিছু আবদার ধরে বসে, আর এই সবকিছু পূরণ না করা শ্রেয়। আসলে সন্তানের ইচ্ছা পূরণ করা হবে এটা ঠিক আছে, তবে সব ইচ্ছা যে পূরণ করতে হবে এটা উচিত না। কোনটা সন্তানের জন্য মঙ্গলদায়ক হবে, কোনটা খারাপ হবে এটা ভেবে নেওয়া উচিত বাবা-মায়ের। তারপরে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত আবদারটা পূরণ করবে কিনা।
আসলে এরকম কিছু আবদারের মাধ্যমে অনেকের জীবনটা একেবারে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং অনেকে খারাপ একটা পরিস্থিতির মধ্যে চলে যায়। তারা মনে করে তাদের ছোট আবদারগুলো বাবা-মা পূরণ করে। কিন্তু এই আবদার গুলো পূরণ করার আগে বাবা-মায়ের ১০০ বার ভেবে নেওয়া উচিত, এগুলো তাদের সন্তানের জন্য ভালো হবে নাকি খারাপ কিছু হবে। আপনি আজকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা পোস্ট শেয়ার করেছেন যেটা পড়ে ভালো লেগেছে।
আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো। সত্যি বলেছেন আপু বাচ্চাদের সব বায়না পূরণ করা উচিত নয়। আর যদি চাওয়ার আগেই পায় তাহলে তো কথায় নেই। আসলে বাচ্চারা আবদার করলে পূরণ করতে হবে তবে ভেবে চিন্তে।আর যারা সব আবদার পূর্ণ করে তাদের বাচ্চাদের কখনো ভালো হওয়া সম্ভব নয়।
খুব সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপনি। আপনার পোস্ট পড়ে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আসলে এই ধরনের ঘটনা এখন অহরহই হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনাগুলো থেকে বিরত থাকতে হলে বাচ্চাদের সব আবদার পূরণ না করাই শ্রেয়। ঠিকই বলেছেন আপনি বাচ্চাদের সব আবদার পূরণ করতে নেই সামর্থ্য থাকলেও আপনার হাতে দু-একটা রেখে দিয়ে তাকে বুঝিয়ে নিতে হবে। বা কিছু চাইলে সাথে সাথে না দিয়ে কয়েকদিন পরে চিন্তা ভাবনা করে তাদের জন্য যেটা ঠিক সেটাই তাদেরকে দেওয়া আমি মনে করি ভালো।হ
আপনার পোস্ট টা একেবারে সময় উপযোগী ছিল। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যে সন্তান বায়না করলেই সেটা পূরণ করে। অনেক সময় এটাতে তারা বিগড়ে যায়। এতে করে ছেলে মেয়ে নষ্ট হয়ে যায়। সেজন্য অনেক সময় সাধ্য থাকলেও তাদের বায়না গুলো পূরণ করতে হয় না। অনেক সুন্দর আলোচনা করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আপু।।
একদম ঠিক বলেছেন আপু বাচ্চাদের বায়না পূরণ করা যায়। তাই বলে আমাদের বড়দের কে চিন্তা করতে হবে যে কোন আবদারটি পূরণ করলে সন্তানের জন্য ভালো হবে এবং কোন আবদারটি ক্ষতিকর। বাচ্চাদের ক্ষতিকর আবদার পূরণ করলে দিনশেষে বাচ্চাকে এরকম হারাতে হবে। বর্তমান সময়ে অনেকেই এই বাইক দুর্ঘটনায় মারা যায়। এর বেশিরভাগই দেখা যায় অল্পবয়সী বাচ্চারা। বাবা মা এসব বাচ্চাদের আবদারের কাছে হেরে হয়তো বাইক কিনে দিয়ে বাচ্চাকেই হারিয়ে ফেলে।