জেনারেল পোস্ট :পরের জন্য নিজের হৃদয় -কুসুমকে প্রস্ফুটিত করা।
আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
২৭ ই মে ২০২৩ খৃস্টাব্দ ।
আজ রোজ শনিবার
আ মার বাংলা ব্লগের সকল বাংলাভাষী সদস্যগনকে আমার সালাম এবং আদাব। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন।
প্রতিদিনের মত নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আমি মাঝে একটি জেনারেল পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। যাওয়া যাক মূল পর্বে। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে বানিয়েছেন। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমাদের সকলের উচিত সবসময়ই ভালো কাজ করা।শুধুমাএ ভোগ বিলাস ও স্বার্থের জন্যেই আমরা দুনিয়াতে জন্মগ্রহণ করে নি।পরের কল্যানে জীবনকে উৎসর্গ করার মাঝেই আমাদের জীবনের চরম ও পরম সার্থকতা।
পরের কল্যানে জীবনকে উৎসর্গ করার মাঝেই আমাদের জীবনের চরম ও পরম সার্থকতা।পরের সার্থে জীবন উৎসর্গ করার মাঝে মানবজীবন সার্থকতা ফুটে উঠে।উদাহরণ হিসেবে আমরা ফুলের জীবন চক্র অনুসরন করলে বুঝতে পারবো।ফুল খুব সুন্দর সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি।
ফুল ফুটে সুভাস ছড়ায়।তার সৌরভে চারদিকে আমোদিত হয়।এর সুভাস ছড়ানোর মাধ্যমেই সার্থকতা খুঁজে পায়।তার সৃষ্টিই তার সৌন্দর্য আর সুভাসের মাধ্যমে অন্যকে আনন্দ দেওয়া যার ফলে তার নিজের কোন সার্থকতা নেই।
ঠিক তেমনি মানুষের জীবন ফুলের মতই হওয়া উচিত।অন্যের কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারলেই জীবন সুখময় ও আনন্দময় হয়ে ওঠে।আসলে অন্যকে উপকারের মাধ্যমে অন্যরকম সুখ পাওয়া যায় যা নিজের ভোগের মাধ্যমে পাওয়া যায় না।সমাজের কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে পরম সুখ আনন্দ ও অপরিসীম পরিতৃপ্তি পাওয়া যায়।
একেবারে ফুলের মত,সে নিজের সৌন্দর্য আর সুভাস বিলিয়ে নিজের সার্থকতা খুঁজে পায়।ফুল মানবব্রতী জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। ফুল কখনও নিজের প্রয়োজনে ফুটে না অন্যর প্রয়োজনে আনন্দ দেওয়ার জন্যই ফুটে।ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক এবং পবিএ।পবিএার প্রতীক বলে দেবতার চরনে নিবেদিত হয় নৈবেদ্য হিসেবে। ফুলের সুভাস এবং সৌন্দর্য নিজের হলেও সকলের কাছে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে সে নিজের সার্থকতা খুঁজে পায়।
তদ্রূপ ভাবে মানুষের আচার আচরণ ফুলের সুভাস এবং সৌন্দর্যের মতই হওয়া উচিত।পরের কল্যানে সাধনই মহও্বের লক্ষন।অথচ আমরা সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে অন্যদের কথা চিন্তা না করে খালি নিজের কথা চিন্তা করি।অন্যের উপকার তো দূরের কথা অন্যের ক্ষতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠি।অথচ সকলে এটা জানি এই পৃথিবী একদিন না একদিন ত্যাগ করতে হবে নিজের ভোগ বিলাসের জন্য যা করছি তা ছেড়েই চলে যেতে হবে।
কিন্তু মানুষকে উপকার করে গেলে মরে গেলেও মানুষ মনে রাখবে।এজন্যই বলা হয়েছিলো এমন জীবন গড়তে মরিলে কাঁদিবে সবাই, বাঁচিলে হাসিবে।পরের কল্যানে জীবনকে উৎসর্গ করার মাঝেই তার জীবনের চরম এবং পরম সার্থকতা। জগতের সাধুও মহৎ ব্যাক্তিগন তাই করেন।তারা সব সময় পরের কল্যানে ব্যাপৃত থাকেন এবং পরের জন্য জীবন বির্সজন দিতে পরোয়া করে না।
কেননা প্রেম প্রাতি ভালোবাসা ও ব্যাক্তিসার্থ পরিহার করে পরের ক্যালানে নিয়েজিত রেখে সুখ খুঁজে পায়।মহৎ ব্যাক্তিগন বিশ্বমানবের।তাদের সকলে পছন্দ করে এবং সকলে তাদেরকে আপন করে নেয়।তাদের জীবন একেবারে পুষ্পের মতই।যেদিন সকল মানুষ মহৎ ব্যাক্তি এবং পুষ্পের মত অন্যর কল্যানে নিজের জীবন বিলিয়ে দিবে নিজের সার্থের কথা বাদ দিয়ে সেই দিন পৃথিবীতে কোন ভেদাভেদ থাকবে না এবং পৃথিবী হবে অধিক হতে অধিকতর সুন্দর। মানুষের জীবন হয়ে উঠবে আনন্দঘন ও ক্যালান ময়।
পরিশেষে বলে যায় অন্যের উপকারে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া পরম সার্থকতা। আজ আর নয়। আবার আসবো নতুন কোনো ব্লগ নিয়ে ,সেই পযর্ন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় শেষ করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে
| device | Galaxy A13 |
|---|---|
| Location | Dhaka |
VOTE @bangla.witness as witness OR
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP
খুব সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপু।খুব ভালো লাগলো পড়ে। যথার্থই বলেছেন,পরের জন্য আমাদেরকে উৎসর্গ করার মাঝেই চরম সার্থকতা।আমরা কজনাই বা এমন করি।তবে যারা করে তারা মরে গিয়েও সবার মুখে মুখে থাকে।সবাই নিজেকে অন্যের জন্য বিলিয়ে দিয়ে জীবন,সমাজ, দেশের কল্যান বয়ে আনবে এমবটাই আশাকরি।ধন্যবাদ আপু।
আপু খুবই প্রয়োজনীয় একটি পোস্ট আজকে আপনি শেয়ার করেছেন। আসলে আপনি ঠিকই বলেছেন পরের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দেওয়ার মাঝে অনেক সুখ আছে। কিন্তু বাস্তবে কি তাই হয় আমরা সব সময় নিজের জন্য চিন্তা করি আমরা ভাবি কথায় আছে না নিজে বাঁচলে বাপের নাম। এই চিন্তা ভাবনা আমাদের সকলের মনে কাজ করে। তবে আপনার ব্লগটি পড়ে আজকে খুব ভালো লাগলো এই ধরনের মন-মানসিকতা আমাদের সকলেরই আছে কিন্তু আর্থিক অবস্থা কথা বিবেচনা করলে অনেকেই এর থেকে পিছিয়ে আসে বা আবার অনেকের মন মানসিকতাও নেই কিন্তু আর্থিক অবস্থা ভালো তারা কখনোই চেষ্টা করে না এভাবে পরের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিতে। যদি এভাবে তারা নিজেকে পরের জন্য বিলিয়ে দিত তাহলে আমাদের দেশে এতটা ভেদাভেদ থাকতো না ধনী-গরীবের মাঝে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু খুবই বাস্তবমুখী একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আহ্ আমরা যদি মনীষিদের মত হতে পারতাম। আমরা যদি অন্যের জন্য নিজের স্বার্থকে বিসর্জন দিতে পারতাম। তাহলে কত সুন্দরই না হতো এই পৃথিবী। কিন্ত আমরা কি তাই করি। আমরা শুধু নিজেদের স্বার্থের কথাই ভেবে ভেবে মশগুল থাকি। আসলে পৃথিবীকে সুন্দর করতে হলে আমাদের অবশ্যই অন্যের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে নিজেকে উৎসর্গ করতে শিখতে হবে। তাহলেই পৃথিবীতে শান্তি আসবে।