একদিন এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে হবে।
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন।আমি আলহামদুলিল্লাহ সুস্থ আছি কিন্তু মানসিকভাবে খুব একটা ভালো নেই। কারণ আমার মেজো চাচা শ্বশুর গত ১৪ তারিখে মহান আল্লাহ তায়ালার ডাকে সাড়া দিয়ে এ পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন। সে হার্টের রোগী ছিলেন। চিকিৎসা করানোর জন্য সুস্থভাবেই তিনি বাড়ি থেকে রওনা দিয়েছিলেন ঢাকার উদ্দেশ্যে। কিন্তু ফিরে আসলেন লাশ হয়ে। এটা আপনজনদের জন্য সহ্য করা অনেক কঠিন। আমার শ্বশুর বাড়ির সবাই এই ঘটনাটির জন্য অনেক শোকাহত।আমাদের বর্তমান মানসিক অবস্থা খুবই খারাপ।কেউ মারা গেলেই বোঝা যায়, সে আমাদের জীবনে কতটা দামি।
মৃত্যু হল জীবনের একটা সত্য এবং এমন একটা বিষয় যা প্রত্যেককে মুখোমুখি হতে হবে। কেউ মারা গেলে তার স্মৃতি গুলো খুব মনে পড়ে। তার কথা,চেহারা চোখের সামনে সব সময় ভাসে। আমার মেজো চাচা শ্বশুর খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। আমি তাদের বাড়িতে গেলে অনেক গল্প করতেন। অনেক হাসিঠাট্টাও করতেন। তার চলে যাওয়াতে এগুলা খুব মনে পড়ছে। মেজো কাকু নাই এজন্য মনে হচ্ছে তাদের বাড়িটা পুরো ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। সব থেকে বেশি খারাপ লাগছে এটা ভেবে যে, শেষ দেখাটা আমি তাকে দেখতে পারলাম না। কারন,আমাদের ঢাকা থেকে আসতে অনেকটা লেট হয়ে গিয়েছিল। আমরা বাড়িতে পৌঁছানোর কয়েক মিনিট আগেই তাকে জানাজা পড়াতে নিয়ে চলে গিয়েছিল।
একদিন আমাদের সবাইকে এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে হবে। ধন-দৌলত, টাকা-পয়সা, বাড়ি-গাড়ি কিছুই আমরা নিয়ে যেতে পারবো না সাথে। এমনকি মৃত্যুর পর এগুলো আমাদের কোন কাজেও আসবে না ।তারপরও মানুষ এগুলোর জন্য কত কিছুই না করে পৃথিবীতে। মৃত্যুর কথা ভাবলে দুনিয়ার কোন কিছুই ভালো লাগেনা। দুনিয়াতে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব হলেও মৃত্যু থেকে বাঁচতে চাওয়ার কোনো সমাধান নেই।সবার কাছে একটাই চাওয়া, আমার মেজো চাচা শ্বশুরের জন্য দোয়া করবেন। সে যেন পরপারে শান্তিতে থাকে।
আসসালামু আলাইকুম। আমি নীলিমা আক্তার ঐশী। জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি অনার্স ৪র্থ বর্ষের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্রী। আর্ট করা,ঘুরতে যাওয়া এবং রান্না আমার খুবই প্রিয়। প্রিয়জনদের পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়াতে এবং তাদের প্রশংসা শুনতে আমার খুবই ভালো লাগে। নতুন নতুন রেসিপি শেখার আমার খুব আগ্রহ রয়েছে। আমি ২০২৩ সালের জুন মাসে স্টিমিটে জয়েন হয়েছি।আমি বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে জয়েন হয়েছি সবার সাথে বিভিন্ন রেসিপি এবং আর্ট শেয়ার করার জন্য এবং সেই সাথে অন্য সবার থেকে দারুন দারুন সব ক্রিয়েটিভিটি শিখতে। বাংলা ব্লগ কমিউনিটি একটি পরিবারের মত আর এই পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি অনেক খুশি।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
দোয়া করি আপনার মেজ কাকুকে যেন আল্লাহ তায়ালা জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন। হ্যাঁ আমাদের সবাইকে মৃত্যুবরণ করতে হবে আর কেউ মারা গেলে মৃত্যুর কথাটা আবার বারবার মনে পড়ে, মনে হয় জীবন্ত একদম মূল্যহীন।
ঠিকই বলেছেন ভাইয়া, মৃত্যুর কথা মনে পড়লে জীবন একদম মূল্যহীন মনে হয়।
আপনার মেজো চাচা শ্বশুরের আত্মার শান্তি কামনা করি। জীবন ক্ষণস্থায়ী।আর এই স্বল্প জীবন থেকে সকলকেই একদিন চলে যেতে হবে।আপনি চিরন্তন একটি সত্য কথা নিয়ে লিখেছেন আপু,এটা মেনে নেওয়া খুবই কঠিন।সুস্থ একজন মানুষের এভাবে চলে যাওয়াটা খুবই কষ্টের।যাইহোক ঈশ্বর আপনাদের ধৈর্য্য দিন।
আসলে দুনিয়াটা খুবই সীমিত সময়ের জায়গা তবুও আমরা এই দুনিয়ার প্রতি এতটাই মায়াশীল হয়ে যায় যে মনে হয় আমরা আর মরবো না। তবে এভাবে আমাদের মনে রাখা উচিত এবং স্মরণ করা উচিত। খুব ভালো লাগলো সুন্দর একটি পোস্ট আজকে আপনি আমাদের মধ্যে তুলে ধরেছেন দারুন একটা টপিক কে থেকে কেন্দ্র করে।
এই জীবনকে নিয়ে ভাবলে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না তেমনি মানুষ কখন মৃত্যুবরণ করবে কেউই তা জানে না। এই চিন্তা ভাবনা সত্যিই নিজেকে অনেক কিছু ভাবিয়ে তোলে পৃথিবীর সকল ম্যায়া সকল ভালোবাসা ত্যাগ করে সবাইকে চলে যেতে হবে। কত আপনজন যারা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে এই কষ্ট সত্যি সেই দিন সেই ছেড়ে যাওয়ার মুহূর্তে স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৪ তারিখ অনেক কষ্টের একটি দিন ছিল তার জন্য দোয়া করি যেন আল্লাহ তা'আলা জান্নাতুল ফেরদাউস দান করে।
আমিন....
মৃত্যু সত্যি।আর বাকি সব মায়া। অথচ আমরা ভুলে বসে থাকি।একজন মানুষ চলে যাওয়া মানে পুরো পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসা।আল্লাহ আপনার পরিবারকে শোক সামলানোর ধৈর্য দিক এই কামনাই করি।আল্লাহ আপনার চাচা শ্বশুরকে বেহেশত নসীব করুন, আমিন।
আমিন।
অনেক ধন্যবাদ আপু, মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে এইটাই প্রকৃতির সত্য। আপনার মেজো চাচা শ্বশুরের বিদায়ী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
একদম ঠিকই বলেছেন আপু একদিন আমাদের সবারই এই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যেতে হবে । সবকিছু নিয়ে বাহাদুরী সেদিনই শেষ হয়ে যাবে তারপরও মানুষ পৃথিবীতে কত কিছু নিয়ে মারামারি করে । খুবই খারাপ লাগলো সুমন ভাইয়ের কাকুর জন্য । আল্লাহ যেন উনাকে বেহেস্তবাসী করে এই কামনা করি ।
আমিন।।
অনেক ধন্যবাদ আপু মন্তব্যটি করার জন্য।
আপু আপনার মেজো কাকুর জন্য দোয়া রইল উনাকে আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুণ। আসলে আপু জীবন ক্ষণস্থায়ী সবাইকে একদিন এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে হব। তবে এটা সত্য যে যায় তার কথা খুব মনে পড়। দোয়া করি আল্লাহ তার পরিবারকে শোক সয্য করার ক্ষমতা দান করুন,আমিন।
সুমন ভাইয়ের পোস্ট পড়ে জানতে পেরেছিলাম আপনার মেজো চাচা শ্বশুর মারা গিয়েছে। আসলে আমি ভেবেছিলাম যেহেতু রিং পরানো হয়ে গিয়েছিল,হয়তোবা উনি সুস্থ হয়ে যাবে এবং বাড়িতে চলে যেতে পারবে। কিন্তু এই খবরটা শুনে খুব মর্মাহত হয়েছিলাম। এভাবে একদিন আমাদেরকেও পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে, কারণ আমরা সবাই মেহমান। আপনার মেজো চাচা শ্বশুরকে আল্লাহ তায়ালা জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক এবং উনার পরিবার যেন এই শোক সহ্য করতে পারে সেই কামনা করছি।