আসসালামু আলাইকুম/🌺
হ্যা লো বন্ধুরা,কেমন আছেন সবাই? আশাকরি সকলেই সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় খুব ভাল আছি। আমি @rayhan111 🇧🇩 বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ থেকে।
শীতের ঋতু আমাদের মাঝে আগমন করেছে। মোটামুটি শীত এখন ভালই পড়েছে। বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে যেন শীতের আভাস এখন পুরোদমে উপভোগ করা যাচ্ছে। আর এই শীতের ঋতু কারো কারো ভালো লাগে। আবার কারো কারো শীত বেশি ভালো লাগে না। তবে শীত আমার কাছে ভালই লাগে। কারণ শীতের পরিবেশটা অন্যরকম সৌন্দর্যে ফুটে ওঠে। তো এই শীতের মধ্যে সুস্থ থাকাটাই যেন প্রধান কারণ। আমরা যদি সুস্থ থাকি তাহলে শীতের এই ঋতু আমাদের কাছে আনন্দ বয়ে নিয়ে আসবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে আমাদের শীতকালে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। আর এই নিয়মগুলো যদি আমরা সঠিকভাবে পালন করি, তাহলে শীতের ঋতু আমাদের কাছে আনন্দময় হবে।

source
শীতকালে আমাদের সবারই প্রধান একটাই সমস্যা হয়ে থাকে ঠান্ডা, কাশি, হাশি এই রোগ গুলো আমাদের মাঝে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে পরিবারের যদি ছোট সন্তান থাকে, তাদেরকে খুবই সাবধানে সাথে রাখতে হবে।কারণ শীতকালে বেশি পরিমাণ ছোট বাচ্চাদের উপরে ইফেক্ট পড়ে বেশ। তাদের ঠান্ডা কাশি থেকে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।যার কারণে ছোট বাচ্চাদেরকে সবসময় সাবধানে সাথে রাখতে হবে। তাদেরকে যেন শীতের কোন ক্ষতি করতে না পারে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, তাই বাচ্চাদের মাকে যত্ন রাখতে হবে। বাচ্চাদের মায়ের যদি ঠান্ডা লেগে যায়। তাহলে বাচ্চাদেরও ঠান্ডা লেগে যাবে, যার কারণে মাকে উসুমউসুম গরম পানি খেতে হবে এবং গোসল দেওয়ার সময় হালকা গরম পানি করে গোসল করতে হবে। ট্যাপের পানি অনেক ঠান্ডা থাকে তাই এই পানি দিয়ে গোলস করলে ঠান্ডা লাগার সম্ভব বেশি থাকে।
ছোট বাচ্চাদের মতো পরিবারের যারা বৃদ্ধ রয়েছে, তাদেরও যত্ন করতে হবে।কারণ বৃদ্ধরা বেশি শীত সহ্য করতে পারেনা। প্রতিবছরই শীতের কারণে বৃদ্ধ মানুষ অনেকে মারা যায়। আর বৃদ্ধদের প্রতি আমাদের যত্নশীল করে হতে হবে। আমরা যদি তাদেরকে গরম পানি দিয়ে গোসল করাই কিংবা তাদের খাবার পানি গরম দেয় এবং শীতের পর্যাপ্ত পরিমাণে আমরা পোশাকের ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে তারা শীত থেকে রক্ষা পাবে। আসলে গ্রাম অঞ্চলে বৃদ্ধদের অনেক বেশি কষ্ট হয়ে যায়। তাই আমাদের সবাই মিলে সচেতন হতে হবে, গ্রামে এবং মহল্লায় গরিব বৃদ্ধদের যতটুকু পারি আমরা সাহায্য করার চেষ্টা করব।
শীতকালে পরিবারের বেশিরভাগ মানুষেরই ঠান্ডা কাশি জ্বর লেগে থাকে। আর রাতের বেলা ফার্মেসিও খোলা থাকে না। তাই আমরা সচেতন হব, সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঠান্ডা কাশির ওষুধ এবং কিছু সিরাপ আমরা নিজেদের ঘরে রেখে দিব। যাতে করে আমাদের রাত বিরাতে ঠান্ডা কাশি বা শ্বাসকষ্ট শুরু হলে আমরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিতে পারি। তাই আমরা নিজেরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য কিছু ওষুধ রেখে দেবো এবং পরিবারে যারা বৃদ্ধ রয়েছে তাদের জন্য আমরা নেবুলাইজার কিংবা ইনহেলার আমাদের ঘরে রেখে দেবো। শীতকালে এই জিনিসগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ হঠাৎ করেই শ্বাস প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে।
তাছাড়া আমরা যারা পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছি রাত-বেড়াতে আমাদের কর্মের কারণে বাইরে থাকতে হয়। তারা শীত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শীতের পোশাক আমরা পড়বো এবং যারা মোটরসাইকেল চালিয়ে থাকি প্রচন্ড কুয়াশার কারণে আমাদের জ্বর ঠান্ডা বেশি দেখা দেয়। তাই আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ঠান্ডার থেকে বাঁচার জন্য শীতের পোশাক পরবো এবং যারা মোটরসাইকেল চালিয়ে থাকি অবশ্যই আমরা হেলমেট এবং অন্যঅন্য পোশাক ব্যবহার করব। যাতে শীত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আসলে মোটরসাইকেল চালালে শীতের পরিমাণটা কিরকম সেটা খুবই ভালোভাবে বুঝতে পারা যায় যার।
তাছাড়া এই শীতে আমরা ঠান্ডা কাশি থেকে বাঁচার জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করব। বিশেষ করে বাইরে থেকে আমরা যখনই আমাদের বাসায় আসব তখন এসেই আমরা হালকা হরম পানি বা আদা চা খাবো আমরা এলাচি দারুচিনি ও খেতে পারি। বিশেষ করে আপনি যদি প্রতিদিন কিছু কালোজিরা খান পরিমাণ মত তাহলে এই কালোজিরা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করেবে। আর আপনি যদি আদা দিয়ে গরম পানি কার মধ্য তুলসি পাতা দিয়ে পানি পান কারেন তাহলে শরীরের জন্য অনেক ভালো হবে।
এই শীতকালে আমরা খেজুরের রস খেতে খুবই পছন্দ করি। যার কারণে সকালবেলা কুয়াশার মধ্যে আমরা খেজুর রস খেতে যায়। আর যখনই আমরা খেজুর রস খেতে যাব তখনই সাবধানতার সাথে আমাদের যেতে হবে। আর বিশেষ করে খেজুরের রস গাছ থেকে পেরেই খাওয়া যাবেনা। এই খেজুর জ্বাল দিয়ে আমাদের খাওয়া উচিত। তাছাড়া শীতকালে গাছ থেকে খেজুর রস পেরে খেলে ঠান্ডা থেকে শুরু করে অন্য অন্য রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই আমরা যদি এই শীতকালকে আনন্দের সাথে উপভোগ করতে চাই। আমাদের নিজেদের জীবনের স্টাইলটা একটু চেঞ্জ করতে হবে। আমাদের সচেতন হতে হবে। তাহলে আমরা সুস্থ থাকতে পারবো, শীতের প্রকৃতি আমরা ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারবো।🙏🤲🙏
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ রায়হান রেজা।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমিকে খুবই ভালোবাসি। আমি পেশায় একজন সহকারী মেডিকেল অফিসার ।আমি সর্বদাই গরীব-দুঃখীদের সেবায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং নতুন সৃজনশীলতার মাধ্যমে কিছু তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।এই ছিল আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়, আপনারা সবাই আমার পাশে থেকে আমাকে সাপোর্ট দিয়ে উৎসাহিত করবেন, ধন্যবাদ সবাইকে🌹💖🌹।

👉 বিশেষভাবে ধন্যবাদ সকল বন্ধুদের যারা এই পোস্টকে সমর্থন করছেন🌺🌹🌺
https://x.com/rayhan111s/status/1866067882079400413?t=8gPrTimRcq_UG0gYKSixCg&s=19
শীতের সময় বাড়িতে এসে সমস্ত ছোট বাচ্চারা রয়েছে এবং বৃদ্ধ মানুষ রয়েছে সকলের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে এই শীতের সময়। কারণ শীতের সময় অনেক মানুষ বিভিন্ন অসুখে ভোগে। তাই আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে পরিবার সমাজের দিকে।
প্রতিটি ঋতুতেই আমাদের ভিন্ন ভিন্ন যত্ন নেওয়া উচিত। ভালো থাকতে হলে নিজেদেরকে সচেতন হতে হবে।আর যেহেতু শীতকাল এর জন্য একটু বাড়তি সাবধানতা আমাদের অবলম্বন করতে হবে। অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।