ঝিরি ঝিরি বৃষ্টির শব্দ এখন খুব মিস করি।|
"আসসালামুআলাইকুম"
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
| ঝিরি ঝিরি বৃষ্টির শব্দ এখন খুব মিস করি। |
|---|
একটা সময় ছিল গ্রাম অঞ্চলে খুব কম সংখ্যক লোকের দালান কোঠা ছিল। বেশিরভাগই টিনের বা চালের ঘর ছিল। বৃষ্টি যখন হতো তখন টিনের উপরে বৃষ্টির ফোটার যে ঝন ঝন শব্দ হতো সেটি খুব বেশি মধুর ছিল।আর বৃষ্টি যত জোরে পড়তো আওয়াজটা তত তীক্ষ্ণ হতে থাকতো।
আবার ধীরে ধীরে পড়লেও সেটারও ভিন্ন রকম একটি শব্দ কানে এসে পৌঁছাতো। খুব ভালো লাগতো সেই সময়। মাঝে মাঝে ঘুম যাওয়ার সময় যখন বৃষ্টির আওয়াজ শুনতাম, তখন অনেক বেশি ভালোলাগা কাজ করতো। নিশ্চুপ হয়ে বৃষ্টির ঝন ঝন শব্দগুলো উপলব্ধি করতে পারতাম।আর এই শব্দ শুনতে শুনতে কখন যেনো নিজে ঘুমিয়ে পড়তাম।
বৃষ্টি যখন টিনের উপরে পড়তে থাকে তখন বৃষ্টির সাথে সাথে ধীরে ধীরে পুরো পরিবেশ ঠান্ডা হয়ে আসে।তখন ঝন ঝন বৃষ্টির আওয়াজ, আবার ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশ। সব মিলিয়ে ভালো ঘুম হতো।তবে সেই দিনগুলো কেমন যেন দিন দিন হারিয়ে ফেলছি।এখন আর বৃষ্টির শব্দে ঘুম যাওয়ার ইচ্ছা তো দূরের কথা মাঝে মাঝে বৃষ্টিরই দেখা পাই না।
গ্রামাঞ্চলেও এখন শত শত দালান কোঠা উঠে গিয়েছে।এখন কেউ চাইলেও বৃষ্টির শব্দ উপভোগ করে ঘুমাতে পারবে না। কারণ দালান কোঠার ভিতরে ঢুকলে বৃষ্টির আওয়াজ একদমই শোনা যায় না। মাঝে মাঝে ঘরের মধ্যে থাকলে বাইরে কি হচ্ছে সেটাই বুঝতে পারিনা। এমন সময় গিয়েছে বাইরে ঝড় তুফান হচ্ছে, কিন্তু ভিতর থেকে টেরই পাচ্ছিলাম না।
পরবর্তীতে বাহির হয়ে দেখি ওরে বাপরে কি পরিমাণ ঝড় বাতাস হয়েছে। কিন্তু কি আর করার ওই যে টিনের ঘর থাকতে তো ঠিকই আওয়াজ হতো, বাতাস অথবা বৃষ্টির আওয়াজ শোনা যেত। কিন্তু আজ দালান কোঠার কারণে সেই জিনিস গুলো আমরা নিতান্তই মিস করে যাচ্ছি।
এজন্য আমাদের বাড়িতে দালান কোঠার পাশাপাশি গত দু বছর আগে আমাদের আঙিনায় ৫ রুমের একটি ঘর বানিয়ে নিয়েছিলাম বিভিন্ন দিক থেকে চিন্তাভাবনা করে।চারদিকে দেয়াল শুধু উপরের টিন আর লোহার অ্যাঙ্গেল। তখন এই যে বর্ধিত অংশটিকে ছাদে পরিণত করার ইচ্ছে হলো না। পুরো এরিয়াকে টিন এবং অ্যাঙ্গেল দিয়ে তৈরি করেছি। যাতে করে বৃষ্টির শব্দ নিজ কানে শুনতে পারি।
আজকে সেই ঘরের মধ্যে বসেছিলাম, হঠাৎ এই ঘরে বৃষ্টির শব্দ কানে আসে। হুট করেই অনেক জোরে জোরে বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে।আওয়াজটা শুনে অনেক ভালো লাগলো। তাই এই টিনের ঘরের মধ্যে বসেই আজকে নিজের কিছু ভালোলাগা ও অনুভূতি নিয়ে এই ব্লগটি লিখে আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।আশা করছি আপনারাও এই রকম বৃষ্টির শব্দ মিস করেন। যদি মিস করে থাকেন তাহলে অবশ্যই জানাবেন। কষ্ট করে ব্লগটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
তো বন্ধুরা আজকে এতোটুকুই আশা করি সামনে আরও কিছু নিয়ে আপনাদের সাথে হাজির হবো। আর যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে সেটা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এই বলে আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম।
আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনের সাথে নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক

VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমি বাংলাদেশ থেকে ইমদাদ হোসেন নিভলু।আমার স্টিমিট আইডি হল @nevlu123।আর Nevlu123 নামে আমার একটি ডিসকোর্ড অ্যাকাউন্ট আছে।বর্তমানে আমার তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, আর সেই তিনটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আমি স্টিমিট এ কাজ করি।জাতিগতভাবে আমি মুসলিম। কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি, তাই ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি।আমার সবচাইতে বড় শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করা।এ পর্যন্ত আমার তিনটি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে যদিও আরও ইচ্ছে রয়েছে অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করার।যাইহোক শখের মধ্যে আরো রয়েছে গান,ভিডিও ইডিটিং ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি আর্ট এবং টুডি থ্রিডি ডিজাইন এর কাজ।
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | কবিতা |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
💐🙏🙏💪
ঠিকই বলেছেন ভাই একটা সময় ছিল মানুষের দালান কোঠা ছিল না। টিনে ছাপড়া দিয়ে ঘর গুলো আটকানো ছিল। আর অতীতের সময় গুলো বর্ষা বেশি ছিল। যখন বর্ষা হত তখন টিনের উপরে বৃষ্টি পড়তা ঝমঝম করে শব্দ হতো। আর ওই শব্দের অনুভূতিটা বলে বোঝানো যাবে না। বসে থাকলে এমনিতে ঘুম চলে আসছে। এ যেন এক অজানা অনুভূতি। আপনি খুব চমৎকার লিখেছেন ভাই ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
জি ভাই আর ওই শব্দের অনুভূতিটা বলে বোঝানো যাবে না।
ভাইয়া আপনার মত আমিও বৃষ্টির সেই রিমঝিম শব্দ এখনো মিস করি। আসলে সময়ের সাথে সাথে সবকিছু বদলে গেছে। আর গ্রামের বাসায় খুব একটা থাকাও হয় না। যখন সেই রিমঝিম শব্দ কানে আসতো তখন আমার মনে হতো এখনই নেমে পড়ি বৃষ্টিতে ভেজার জন্য। ভালো লাগলো আপনার লেখাগুলো পড়ে।
জি সময়ের সাথে সাথে সবকিছু বদলে গেছে।
আসলেই ভাইয়া টিনের চালের উপর যখন বৃষ্টি পড়তো তখন শব্দটা শুনতেও অসম্ভব ভালো লাগতো। এ সময় ঘুমাতে আরো বেশি মজা লাগতো এবং বিভোরভাবে ঘুমিয়ে যাওয়া যেত। এখন আস্তে আস্তে টিনের চাল কমে যাচ্ছে সাথেই অনুভূতি টাও আগের মত নেই।
মন্তব্য করে খুব ভালো লাগলো ধন্যবাদ। ❣
আমি এখন প্রায়ই এটা বলি এবং অনূভব করি যে পৃথিবীর সব শব্দ একদিকে আর টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ আরেকদিকে। আপনি যেন আমার মনের কথাটাই বললেন পোস্টের মাধ্যমে। ঢাকা আসার পর থেকে এই বৃষ্টি টা অনেক মিস করছি ভাই। তবে আপনার পোস্ট টা বেশ ভালো লাগল আমার।
অনেক ধন্যবাদ ভাই গোছালো মন্তব্যের জন্য।
টিনের ঘরে থাকার মজাই আলাদা। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে অনেক বেশি মজা লাগে টিনের ঘরে থাকতে। তবে বর্তমানে সব জায়গাতে দালানকোঠা উঠে যাওয়াতে আগের মত সেই টিনের উপরে বৃষ্টি পড়ার সেই শব্দ কানে আসে না। আর এ বিষয়টি অনেক মিস করি। ধন্যবাদ চমৎকার কিছু কথা উল্লেখ করার জন্য।
ঠিক টিনের ঘরে থাকার মজাই আলাদা।
ছোটবেলায় টিনশেড বিল্ডিংয়ে ছিলাম, মানে সবদিকে দেয়াল এবং শুধু উপরে টিন আর লোহার অ্যাঙ্গেল। তখন বৃষ্টির আওয়াজ বেশ উপভোগ করতাম। তবে এখন আর সেই সুযোগ নেই। এখন বৃষ্টি আসলে অনেক সময় তো বুঝি না যে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে সেই দিনগুলো বেশ মধুর ছিলো। অনেক দিন পর টিনশেড বিল্ডিংয়ে বসে বৃষ্টির শব্দ বেশ উপভোগ করলেন ভাই। যাইহোক এতো সুন্দর অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। (ভাই নিচে পোস্টের ধরণে কবিতা লেখা। আশা করি ঠিক করে নিবেন।)
জি ভাই এখন বৃষ্টি আসলে অনেক সময় তো বুঝি না যে বৃষ্টি হচ্ছে।
https://x.com/Nevlu123/status/1708844090664898798?s=20