গ্রামের নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানে
নমস্কার সবাইকে,
| তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছো। আমিও খুব ভালো আছি। |
|---|
কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ভ্রমণে আমি গেছিলাম তাই নিয়ে বিগত কিছুদিন ধরে কয়েকটি ব্লগ আমি শেয়ার করেছি । সেই ব্লগ গুলোতে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছি আমি। আজ আরো একটি বিষয় তুলে ধরব। গ্রামে থাকাকালীন সময়ে একটি নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম তাই নিয়েই আজ কিছু কথা শেয়ার করব। প্রায় মাস খানিকের বেশি সময় হয়ে গেছে আমি তখন বাংলাদেশে ভ্রমণে ছিলাম। আমি যে রিলেটিভ এর বাড়িতে ছিলাম সেই বাড়ি থেকে প্রায় আধ কিলোমিটার দূরে, মন্দির সংলগ্ন একটি জায়গায় নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল সেই গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে।
আমি বাংলাদেশ ভ্রমণে গিয়ে যেদিন গ্রামে উঠেছিলাম তার কিছুদিন পরেরই ঘটনা । তার আগে থেকেই আমি এই নাম যজ্ঞ এর ব্যাপারে শুনছিলাম সবার মুখে। শুনতে পাচ্ছিলাম এটা নাকি এই গ্রামের সব থেকে বড় নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠান। টানা তিন দিনব্যাপী এখানে অনুষ্ঠান হয় এবং এই তিন দিনে গ্রামের কাউকেই রান্না করতে হয় না কারণ সবার খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন এই নাম যজ্ঞ থেকেই হয়ে থাকে। যাই হোক আমি যে দিনের কথাগুলো শেয়ার করছি এটা হলো নাম যজ্ঞের প্রথম দিন। আমি যথারীতি একটু সন্ধ্যায় চলে যাই আমার সেই রিলেটিভের সাথে সেই নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানে । সেইখানে গিয়ে আমার নিজের কাছে নিজেকে বেশি একা লাগছিল কারন এতজন মানুষের মধ্যে আমি কাউকেই চিনি না। যাই হোক কোন কিছু করার ছিল না তাই সেই নাম যজ্ঞের ঐখানে বসে আমি কিছু সময় নাম শুনি।
মধুর এই নাম শুনতে বেশ ভালই লাগছিল। আমি আমাদের কলকাতার বিভিন্ন নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানে কয়েকবার গেছি। নাম যজ্ঞের সব ব্যাপার গুলো আমার কাছে একই রকম লাগলো। ভিন্ন কোন কিছুই লাগলো না সেখানকার নাম যজ্ঞ আর আমাদের কলকাতার নাম যজ্ঞের মধ্যে । পুরোপুরি ভাবে একই আমি এটা বলব। সেখানে ৩০ মিনিটের মতো নাম শোনার পর আমার সেই রিলেটিভের সাথে চলে গেলাম অন্য আরেকটা জায়গায় যেখানে নাম যজ্ঞের খাওয়া-দাওয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছিল ।সেখানে গিয়ে আমি রাতের খাবার খেয়ে নিলাম। সেখানে খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছিল আর যা আমার বেশ প্রিয় ছিল । সেখানে খিচুড়ি খেয়ে আমার অনেক ভালো লেগেছিল । খিচুড়ির সাথে নাম যজ্ঞের আরো কিছু প্রসাদও ছিল। সেখান থেকে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে পুনরায় নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানে বসে আরও কিছু সময় নাম শুনি। কিছুটা রাত হলে সেখানে টুকটাক একটু ঘোরাঘুরি করে আমি পুনরায় সেই রিলেটিভ এর বাড়িতে ফিরে আসি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | জেনারেল পোস্ট |
|---|---|
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
| ফটোগ্রাফার | @ronggin |
| লোকেশন | নড়াইল, বাংলাদেশ। |
গ্রামের নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আমি কখনো শুনিনি। তবে আপনার পোস্ট পড়ে ব্যাপারটা খুব ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার কাছে। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে গ্রামের কাউকে রান্না করতে হয় না। টানা তিন দিন সবার খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। আপনি কলকাতায়ও এই অনুষ্ঠান দেখেছেন এবং বাংলাদেশ ও কলকাতার এই অনুষ্ঠান একই রকম। যাইহোক অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন এবং খাওয়া দাওয়া করলেন। সবমিলিয়ে ভালো সময় কাটিয়েছেন। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
পুরো পোস্টটি খুব মন দিয়ে পড়ে এত সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে আপনার মন্তব্যটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই। আমার পোস্টটি আপনার কাছে ইন্টারেস্টিং লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো।
আমাদের দেশে ছোট করে হলেও মোটামুটি সবখানেই এরকম নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। আমার নিজের বাড়ির পাশেই হয় প্রতিবছর। সেটা অবশ্য সাতদিন ব্যাপী হয়। খুব ভালো লাগলো এত চমৎকার একটা পোস্ট দেখে। ইন্ডিয়া থেকে গিয়েও যে বাংলাদেশে এমন একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন এটাই অনেক বড় ব্যাপার। ভগবান আমাদের সকলের মঙ্গল করুক এটাই প্রার্থনা। 🙏🙏
আপনাদের বাড়ির পাশে প্রতিবছর নাম যজ্ঞ হয় জেনে ভালো লাগলো ভাই। কোন কোন জায়গায় তিন দিনব্যাপী আবার কোন কোন জায়গায় সাত দিনব্যাপী এই নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানগুলো সাধারণত অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।