জেনারেল রাইটিং // নিজ চোখে দেখা রাস্তায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (৩১-০৮-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি নিজ চোখে দেখা রাস্তায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আসলে আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে ওঠার পরেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছিলাম। ঘুম থেকে উঠে হাত-মুখ ধুয়ে প্রথমে লেখাপড়া করতে বসেছিলাম। তার কিছুক্ষণ পরেই দেখি প্রাইভেটে সময় হয়ে গেছে তাই প্রাইভেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। প্রাইভেট শেষ করে এসে নাস্তা সেরে নিলাম। তারপরে ভাবলাম আপনাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করা দরকার। স্টিমেট ডট কম ওয়েবসাইট ডাউন আছে তাই সেখানে কাজ হচ্ছে না। তারপরে SteemPro তে এসে পোস্ট লেখা শুরু করে দিলাম। আসলে এত ব্যস্ততার মাঝেও চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত যুক্ত থাকার জন্য। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে নিচে শেয়ার করা যাক.........
আমি আজকে আপনাদের মাঝে যে ঘটনাটি শেয়ার করতে যাচ্ছি বেশ কিছুদিন আগের ঘটনা। আমরা তিনজন বন্ধু বিকেল বেলায় শহরের মধ্যে একটু হাঁটতে বের হয়েছিলাম। প্রথমে আমরা গিয়েছিলাম ফুটবল খেলা দেখার জন্য। খেলা দেখা শেষ করে আমরা মেসের উদ্দেশ্যে যখন ফিরতে ছিলাম। তখনই দেখতে পাই সরকারি হাসপাতালের সামনে অনেক বড় ধরনের একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে।। আমাদের এলাকার পুলিশ ক্যাম্পের একজন পুলিশ স্টক করে মারা গিয়েছে তাকে নিয়ে আসা হয়েছে। আসলে সেখানে অনেক মানুষের ভিড় ।যেহেতু সরকারি হাসপাতালটি মেইন রোডের পাশে তাই অনেক গাড়ি চলাচল করছিল সেখান দিয়ে। আমরা তিনজন বন্ধু লাস্টি দেখার জন্য গিয়েছিলাম সেখানে দেখতে পাই লোকটির বয়স হয়তো আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর হবে। খুব অল্প বয়সেই স্টক করে মারা গেল। এত মানুষের ভিড় ছিল সেখানে রাস্তা দিয়ে কোন গাড়ি যাতায়াত করতে পারছি না। পরে একটি বাস অনেক জোরে আসতেছিল রাস্তা দিয়ে সেই সময় একজন মানুষ রাস্তা পার হতে গিয়েছিল ঠিক বাসের সামনে গিয়ে পড়ে তখন। বাসের সাথে অনেক জোরে ধাক্কা খাওয়ার পরে সেখানেই পড়ে মৃত্যুবরণ করে। হাসপাতাল থেকে ডাক্তার বেরিয়ে এসে সাথে সাথে ওটিতে নিয়ে যাওয়ার পর পরে আবারো বের করে দিল। কিছুক্ষণ পরেই ডাক্তার বলে লোকটি মারা গেছে।
তারপরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় লোকটির বাড়ি ছিল গাংনী শহরে। তারপরে সেখান থেকে লাশটি পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ লাশটি নিয়ে সরাসরি থানায় চলে যায় তার পরিবারের সাথে কথা বলল থানায় গিয়ে আপনাদেরকে নিয়ে আসতে হবে। আসলে ছেলেটির বয়স খুবই অল্প ছিল সর্বোচ্চ বয়স হলে হয়তো ১৫ থেকে ২০ বছর বয়স হবে। ছেলেটির মা কান্নায় অস্থির হয়ে পড়েছে আসলে দেখে সেই সময় খুবই খারাপ লেগেছে। এই ঘটনাটি দেখার পরে আমি অনেক ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। মেসে আসার পরে আমরা তিনজন এই বিষয় নিয়ে অনেক আলাপ আলোচনা করতে করতে আসছিলাম। তখন শুধু আমরা ভাবছিলাম এই ঘটনাটি যদি আমাদের সাথে ঘটতো তাহলে কি হয়ে যেত। সবকিছুই মহান আল্লাহতালার ইচ্ছা। রাস্তায় চলাফেরার সময় আপনারা সকলেই একটু দেখেশুনে চলাফেরা করবেন তাহলে হয়তো এমন কোন দুর্ঘটনা ঘটবে না। আপনারা সকলেই আপনাদের মূল্যবান মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/GKibreay/status/1697113860241793364?s=20
হে বন্ধু তুমি ঠিকিই বলেছ রাস্তায় আমাদের চলার সময় খুবই সাবধানে চলাচল করতে হবে। আসলে দুর্ঘটনা যেকোনো সময় ঘটতে পারে। তাই সবসময় আমাদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ধন্যবাদ বন্ধু।
ধন্যবাদ বন্ধু এত সুন্দর ভাবে তোমার গঠনমূলক মতামত শেয়ার করার জন্য।
এই সকল দুর্ঘটনা প্রায় প্রায় ঘটে থাকে। আমাদের উচিত সাবধানে রাস্তা পারাপার হওয়া। মানুষ খুবই অসচেতন কখন কি হয় বলা যায় না। তাই নিজেদেরকে সাবধান থাকতে হবে। ভাগ্য ভালো ছিল যে তোমাদের সাথে এমন্টা ঘটেনি। ছেলেটা লাশ দেখতে গিয়ে নিজেই লাশ হয়ে ফিরলো এটা খুবই দুঃখক জনক।
ঠিক বলেছেন মামা আমাদের সবার উচিত রাস্তা ঘাট পার হওয়ার সময় খুবই সাবধানতা অবলম্বন করা। ধন্যবাদ মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
তোমাকে ধন্যবাদ বিষয়টা বোঝার জন্য। আশা করি এখন থেকে রাস্তা পারাপার সময় অবশ্যই এই বিষয়টি মাথায় রাখবে।
এমন অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনায় অকাল প্রাণ ঝরে গেল। যেটা একটি পরিবারের পক্ষে মেনে নিতে খুবই কষ্ট হয়ে। রাস্তা ঘাটে চলাফেরা করার সময় অবশ্যই সবসময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। নয়তোবা যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও সবকিছু সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছাতেই হয়।
সঠিক বানান হবে লাশটি। এই বানানটা বারবারই ভুল করেছেন। আশা করি ঠিক করে নিবেন।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি এমন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলে সত্যি পরিবারের কাছে মেনে নিতে অনেক কষ্ট হয়। ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য।