ভালো লাগার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকতে পছন্দ করি। (১০% লাজুক শিয়ালের জন্য বরাদ্দ)।
১৯ রমাদান, ১৪৪৩ হিজরি
২১ এপ্রিল,২০২২সাল
অন্যকে ভাল রাখলে নিজেও ভালো থাকা যায়, আমি মনেপ্রাণে এটাবিশ্বাস করি।
হ্যালো
জীবন তো একটাই জীবনকে ভালোলাগার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে চাই।
নিজেকে ভালোলাগার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই। আমার কাছে মনে পৃথিবীর সবথেকে সফল এবং সবথেকে সুখী মানুষ তারাই যারা অল্পতেই সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে। যারা মানুষের থেকে কখনোই বেশি কিছু আশা করে না সবসময় চেষ্টা করে নিঃস্বার্থ হীন হয়ে একজন মানুষকে ভালো রাখার। আমার মনে হয় এমন ধরনের মানুষ গুলোই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী দেশ তালিকাতে তালিকাবদ্ধ হয়ে আছে। এই ধরনের মানুষের যে কখনোই বেশি কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকে না তারা মানুষের কাছে কখনোই কোনো কিছু চাহিদা রাখে না তারা নিজেকে অন্যের মাঝে বিলিয়ে দিয়ে যেন তাদের পরম আত্মতৃপ্তি খুঁজে নিতে ব্যস্ত। আমার অবশ্য ব্যক্তিগতভাবে এই ধরনের মানুষ গুলো কে মন থেকে অনেক ভালো লাগে।
আমি একটা জিনিস বুঝলাম আসলে আমাদের লাইফে একঘেয়েমি ব্যাপারটা সবার আসে। আমরা যখন ঘরে থাকি একটা দীর্ঘ সময়ের জন্য তখন আমাদের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়ামি চলে আসে আলসেমি চলে আসে ভালো কিছু করলেও তখন আর ভালো লাগেনা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় আপনাকে যদি প্রতিদিন গরুর দিয়ে ভাত খেতে দেয়া হয় তো দেখা যাবে সাত দিন পর সে মাংস দিয়ে ভারতীয় আপনার কাছে বিরক্তিকর লাগতেছে। কেননা আমরা মানুষ জাতি এমন যে আমরা একটি কাজ এক বার অধিক বার করতে থাকলে তার প্রতি আমাদের একটা একঘেয়ামি চলে আসে। তো সেই একইভাবে আমি যে কথাটি বলতে চাচ্ছিলাম সেটি হচ্ছে আমি অনেকদিন হলো বাইরে কোথাও ঘুরতে যাইনি এ জন্য আমারও মন জানি কেমন একটি খারাপ লাগতেছিল সবকিছুই বিরক্তিকর লাগতেছিল। মন বসাতে পারছিলাম না তাই চিন্তা করলাম বিকল্প বা আলাদা ধরনের কোন একটা কিছু করা দরকার।
যেই চিন্তা সেই কাজ আর দেরি না করে নামাজ শেষে আমি পোশাক পরিবর্তন করে নি নামাজ দিয়ে শুরু করেছি ঠিক সেইভাবে আমি আমার বন্ধুকে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে পড়লাম। বাইরে বলতে ঠিক এতটাও দূরে না আমার সন্নিকটে রয়েছে রেলওয়ে স্টেশন। আমার বন্ধু এবং সাথে ছেলেটি আমার ফোন কেন না আমার মনে হচ্ছিল আমি আমার এই আলাদা ধরনের একটু অনুভূতিকে ক্যামেরাবন্দি করে রাখবো। বন্ধুকে বাইরে বের করে নিয়ে অনেক গল্প করলাম রেলস্টেশনে হাঁটাহাঁটিও অনেক করলাম। বিকেলবেলা পরিবেশটা অনেক টা মনোরম এবং শান্তিপূর্ণ একটি পরিবেশ থাকে। বিকেলবেলার এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আমার বেশ ভালই লাগে তার মধ্যেও আমার পাশে ছিল আমার সব থেকে কাছের এবং প্রিয় মানুষ। আমার শৈশব কাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের সকল বিপদ আপদ এর সঙ্গে আমার প্রিয় বন্ধু এজন্য সময় তে আরো বেশ দারুন উপভোগ করেছি আমি।
ছোটবেলার বন্ধু বুঝেনই তো শৈশব কালের বন্ধু যদি পাশে থাকে তাহলে গল্পের শেষ নেই। শৈশবকালের কোন বন্ধুর সঙ্গে যদি গল্প ধরা যায় তাহলে মনে হয় 24 রাতেও সেই গল্প শেষ হবে না। বন্ধুর সঙ্গে গল্প করতে করতে এক পর্যায়ে হুমায়ূন আহমেদ স্যারের কথা চলে আসলো। তার একটা কথা উঠল যে মৃত্যুর মতো এতো স্নিগ্ধ সুন্দর আর কিছু হতে পারে না।আসলেই আমরা কখনও মৃত্যুকে এভাবে চিন্তাই করি না। আমাদের এত ব্যস্ততা এত কোলাহল এসব কিছুই থাকবে না একদিন হুট করেই আমাদের সামনে মৃত্যু চলে আসবে সেদিন সব ব্যস্ততা রেখে তার ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদেরকে চলে যেতে হবে। আমাদের জীবনটা যতদিন আছে নিজেকে অল্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখে অল্পতেই খুশি রাখতে হবে। জীবন তো একটাই সে জীবনে যদি আমরা অন্যের উপকারে আসতে পারি তাহলে হয়তো আমরা অনেক ভালো থাকতে পারবো। আমাদের শ্রষ্ঠা সব সময় চান আমরা সবাই মিলেমিশে থাকি এবং তার ইবাদত বন্দেগী করে। এজন্যই আমি প্রথমেই বলেছিলাম নিজেকে ভালোলাগার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে চাই।
তো বন্ধুরা আজ আর নয় কথা হবে মজা মাস্তি হবে আবার অন্য একদিন সময় পেলে। সকলের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি সকলেই ভালো থাকবেন এবং অন্যকে ভাল রাখবেন এই আশা ব্যক্ত করছি।
Join the Discord Server for more Details
জীবন পাতার শেষ হওয়া একটা পাতার সংরক্ষণঃ
মানুষের একটা স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য রয়েছে তা হলো আরো বেশি চাই। এই আরো বেশি যাওয়ার প্রবণতা মানুষকে সুখে থাকতে দেয় না কখনো। এজন্যই আমাদের উচিত অল্প প্রাপ্তির মধ্যে সন্তুষ্ট থাকা। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।
আপনি ঠিক কথা বলছেন, মানুষের আখাঙ্খা মানুষকে ভালো থাকতে দেয় না। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আপনার সাথে একমত ভাইয়া। আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় একটা পাওয়াগুলোর একটা হল আত্মতুষ্টি। জীবন আসলে খুব বেশি বড় না। তবু এই জীবনকে কোন ভাবেই বিফল হতে দেওয়া যাবেনা। ছোট জীবন, ছোট ছোট কাজ আর বড় তৃপ্তি । একটা পরিপূর্ণ জীবন যাপন করতে আর কি লাগে?
আর কিছুই লাগে না ,এত টুকু হলেই সম্ভব। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
জীবনটাকে আপনি যেভাবে দেখবেন ঠিক সেই ভাবেই জীবনটা আপনার সামনে উপস্থিত হবে ,তবে সময়ের ব্যবধান মাত্র। ধন্যবাদ আপনার অনুভূতি ভাগ করে নেওয়ার জন্য।