★মজার মজার কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি★
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলাব্লগের বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন ভাল আছেন নিশ্চয়ই। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজ আমি আবার আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছি । আজকে আমি আপনাদের সাথে মজার মজার কিছু খাবারের ছবি শেয়ার করব । মজার মজার খাবার খেতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে । বিশেষ করে বিভিন্ন রংবেরঙের মিষ্টি দেখতে অনেক ভালো লাগে কিন্তু খুব একটা খেতে পারিনা । একটা খেলে আর দ্বিতীয় টা মুখে দিতে খুবই কষ্টকর হয়ে যায় । কালো মিষ্টিটা আমার কাছে অনেক বেশি পছন্দ । তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের কেক আমি খুব বেশি পছন্দ করি । মিষ্টি জাতীয় জিনিস খুব কম পরিমাণে খেয়ে থাকি তারপরে আবার ইদানিং ওজন টা একটু বেড়ে যাওয়ার কারণে ডক্টর মিষ্টি জাতীয় জিনিস একেবারে খেতে বরণ করে দিয়েছে । যে কারণে খুব একটা খাওয়া হয় না । তবে কিছু কিছু জিনিস আছে যেগুলো দেখলে না খেয়েই পারা যায় না । মানা করা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে অনেক বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলি ।আজকে আমি আপনাদের সামনে মজাদার কিছু খাবারের ছবি দিয়েছি প্রত্যেকটা খাবারই অনেক লোভনীয় এবং দেখলেই খেতে মন চায় । ঈদের দিন থেকে আমার বাসায় আমার পাশের বাসায় দাওয়াত লেগেই আছে আত্মীয়-স্বজনরা যারা এসেছে তারা এককই সাথে এই এরকম মজার মজার খাবারগুলো নিয়ে এসেছে ।
প্রথমে দেখতে পাচ্ছেন লাল টুকটুকে একটা কেক । কেকটা আসলে দেখতে অনেক লোভনীয় এবং খেতে খুব মজাদার ছিল । আর কেক দেখলে তো আমার ছেলে কাটার জন্য অস্থির হয়ে যায় । সে মনে করে যে কেক যেহেতু আছে তাকেই কাটতে হবে । এ কেক অন্য কেউ কাটতেই পারবেনা এবং হাতে তালি দিয়ে তাকে কেক কাটতেই হবে । কেকটা খেতে খুবই মজা ছিল ।
এটা হচ্ছে কালো মিষ্টি । মিষ্টির ভিতরে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি পছন্দের এই কালো মিষ্টিটা । এই কালো মিষ্টিটা আমি পুরা একটা মিষ্টি একবারে খুব সুন্দর ভাবে খেয়ে নিতে পারি । যতই পছন্দ হোক না কেন একটার বেশি খাওয়া যায় না । কেউ যখন বাসায় মিষ্টি নিয়ে আসে তখন আমি কালো মিষ্টি টাই খুঁজতে থাকি কালো মিষ্টি না থাকলে তখন মনটাই খারাপ হয়ে যায় ।
এটা হচ্ছে দই । ঢাকার দই আমার কাছে তেমন একটা ভালো লাগে না । আমাদের ফরিদপুরের বাগাট এর সাথে অন্য কোন দই এর কোন তুলনাই হয় না । কিন্তু ঢাকার কিছু কিছু জায়গার দই আছে মোটামুটি ভালই লাগে । একটা দই বেশি মিষ্টি একটা কম মিষ্টি কম মিষ্টি যেটা সেটি আমার কাছে খেতে বেশি ভালো লাগে ।
এই মিষ্টিটা আমি আগে কখনো খাইনি তবে মুখে দিয়ে তেমন একটা ভালো লাগেনি । ভিতরে মনে হচ্ছে চিনি গুলো তেমন একটা গলেনি । মিষ্টির নাম আমি জানিনা তবে একজন বলল যে এই মিষ্টি নাকি দিল্লিকা লাড্ডু । সত্যি কিনা জানিনা তবে মিষ্টিটা দেখতে ভালো লাগছিল খাওয়ার থেকে ।
রসমালাই আপনারা সবাই চিনেন । রসমালাই দেখতে অনেক লোভনীয় কিন্তু রসমালাই আমি খুব একটা খেতে পারি না । আমার হাজবেন্ড এই মিষ্টিটা খুব বেশি পছন্দ । এটা অনেক বেশি মিষ্টি হয়ে থাকে এই কারণে খুব একটা খাওয়া যায় না । তবে মজার একটি মিষ্টি ।
এগুলো হচ্ছে ছোট ছোট নিমকি । এটা আমার কাছে খুব ভালো লাগে । এটা দু ধরনের হয়ে থাকে একটা হলো মিষ্টি একটা হলো লবণাক্ত আমার কাছে লবণাক্তটা বেশি ভালো লাগে । এটা আমি যখন ফরিদপুর ছিলাম তখন অনেক বেশি পরিমাণে খেয়েছি ইদানিং খাওয়াই হয় না ।
এটা ছোট ছোট বিস্কিটের মত লম্বা লম্বা লাঠি জাতীয় একটি খাবার । খেতে খুব ভালো লাগে । বিস্কিট না ঠিক তবে বিস্কিটের মতোই দেখতে ।
এই কেক টা অনেক মজা ছিল খেতে । কেকের ভিতর অনেক বেশি পরিমাণে বাদাম ও মোরব্বা দেওয়া ছিল যার কারণে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে । এ ধরনের মোরব্বা দেওয়া কেক আমি খুব বেশি পছন্দ করি । এটা একটা নাম করা দোকানের কেক খেতে খুবই মজাদার ছিল ।
এটা এক ধরনের বিস্কিট । গোল গোল মিষ্টি জাতীয় বিস্কিটটা দেখতে যেমন ভাল লাগছে খেতে মজাদারই হবে হয়তো । আমি এখন পর্যন্ত বিস্কিটটি খাইনি ।
এটা হচ্ছে পুরানো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বাকরখালী । আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগে না । এটা খেতে কেমন যেন আটা আটা লাগে । এটা পুরানো ঢাকার লোকজনরা চা দিয়ে ভিজিয়ে ভিজিয়ে খায় । আমাদের পাশের বাসায় গেলে আমাকে একদিন খেতে দিয়েছিল আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগেনি । কিন্তু ওনারা দেখি খুব মজা করে খায় । অনেকের কাছে ভালো লাগে বিশেষ করে পুরানো ঢাকার লোকজনরা এটা খেতে খুব পছন্দ করে ।
আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
|---|---|
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
ধন্যবাদ
| আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |
|---|
আপু আপনি দারুন কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার খাবারে ফটোগ্রাফি গুলো দেখে তো লোভ সামলানো বড় দায়। বিশেষ করে দুই, তিন, চার, পাঁচ এই খাবার গুলি তো আমার ভীষণ পছন্দের। আমি এমনিতেই মিষ্টি অনেক পছন্দ করি। আর এই মিষ্টি এবং দই আমার কাছে খুবই প্রিয়। দেখেতো জিভে পানি চলে আসলো আপু। মনে হচ্ছে এগুলো সামনে পেলে সব একসাথে খেয়ে ফেলতাম। দারুন কিছু খাবার ফটোগ্রাফি করেছেন এবং আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।
এখানকার বেশিরভাগ খাবারই আসলে আমারও অনেক পছন্দ । কালো মিষ্টি টা একটু বেশিই ভালো লাগে খেতে।
এমনিতেই সকাল থেকে এখনো কোনো নাস্তা করিনি তারপরে এত ফেভারেট ফেভারেট মজাদার খাবার দেখে কিভাবে নিজেকে কন্ট্রোলে রাখা যায় ভাবছি সেটাই।।
প্রত্যেকটা খাবার অনেক লোভনীয় ছিল যে দেখবে সেই লোভে পড়ে যাবে খাবার জন্য।।
এখান থেকে দু-একটা খাবার নিয়ে খেয়ে ফেললেই তো পারেন বলার কি আছে ।
যা বলেছেন আপু ইচ্ছা আছে কিন্তু উপায় তো নাই।
সম্ভব হলে বলার আগে খেয়ে নিতাম 😋😋😋
মজার মজার এরকম খাবারের ফটোগ্রাফি দেখে অনেক বেশি লোভ লেগে গিয়েছে আমার। আপনি বেশ লোভনীয় কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি করেছেন, যেগুলো দেখে ইচ্ছে করছে খেয়ে নিতে। ইচ্ছে করতেছে প্রত্যেকটা খাবারের থেকে একটু একটু করে টেস্ট করতে। দই টা দেখতে একটু বেশি মজাদার মনে হচ্ছে আমার কাছে।
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া এরকম অনেকগুলো খাবার একসাথে দেখলে একটু একটু করে টেস্ট করতে ইচ্ছা করে ।
আপু, আমিও মাঝে মাঝে খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করি। লোভনীয় এ খাবার গুলো খেতে যতটা ভালো লাগে, ফটোগ্রাফিতে দেখলেও ততটাই ভালো লাগে। যদিও বা ফটোগ্রাফি দেখে খাওয়ার কোন চান্স থাকে না, তবুও ফটোগ্রাফি দেখলে আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আর আজ আপনি দশটি লোভনীয় খাবার শেয়ার করেছেন। এরমধ্যে দুই ধরনের কেক, কালো মিষ্টি, রসমালাই আমার কাছে খুব খুব প্রিয়। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু লোভনীয় এই খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
প্রত্যেকটা খাবারই অনেক লোভনীয় ও মজাদার খাবার দেখলেই খেতে মন চায় । ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করার জন্য ।
আপু আপনার খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই তো আমার খুব খেতে ইচ্ছে করছে। কি করবো এখন বলে দেন টাকাও তো কাছে তেমন নেই। আপনার রসমালাই টা একটু দেওয়া যাবে খাওয়ার জন্য। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর সুন্দর খাবারের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
খাবার এমন একটি জিনিস দেখলেই খেতে মন চায় । তখন নিজেকে কন্ট্রোল করা ছাড়া কোন উপায় নেই ।
মিষ্টি খেতে আমিও তেমন একটা বেশি পছন্দ করি না দুই থেকে তিনটা মিষ্টি খাওয়ার পরে আমার আর এক দানা মিষ্টি মুখে দেওয়া সম্ভব নয় তবে ঝাল আমার অনেক বেশি পছন্দের। ঈদের সময় বাসায় মেহমান আসবে এটাই স্বাভাবিক এবং তাদের জন্য অনেক মজাদার মজাদার রেসিপি তৈরি করা হয় মেহমানদের পাশাপাশি নিজেরাও পেট পুরেই খাই বেশ ভালই লাগে। খুবই মজাদার কিছু রেসিপি ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন বিশেষ করে মিষ্টি দেখে অনেক বেশি লোভ হচ্ছে। শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এগুলো তো আমি নিজের হাতে তৈরি করিনি সবগুলো খাবারই কেনা খাবার । এগুলো রেসিপি কেমনে হলো এগুলো তো মজার মজার কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি । ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করার জন্য ।
মজার খাবার দেখলে লোভ সামলাতে পারি না আপু। আপনি তো মজার মজার খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন, ইচ্ছে করছে মোবাইল থেকে বের করে খেয়ে নিতে। বাড়িতে অতিথি আসার সময় অনেক কিছুই নিয়ে আসে। বেশিরভাগ মিষ্টি জাতীয় খাবার নিয়ে আসে। মনে হচ্ছে প্রত্যেকটা খাবার বেশ মজা করে খাওয়া হয়েছিল। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালোই লেগেছে।
ঠিকই বলেছেনা অতিথিরা বিভিন্ন ধরনের মজার খাবার নিয়ে আসে যেটা আসলে অনেক লোভনীয় ও মজাদার হয়ে থাকে ।
বড়ই লোভনীয় কিছু পিঠা কিছু মিষ্টির ফটোগ্রাফি করে আজ আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার এই সুন্দর লোভনীয় রেসিপি গুলো দেখে লোভ সামলানো বড়ই কঠিন। খুবই ভালো লাগলো আপনার এই দারুণ খাবারের পোস্ট দেখে।
প্রত্যেকটা খাবারই আসলে খুব লোভনীয় ছিল আপু। তবে আমারও ওই আপনার মতই অবস্থা। মিষ্টি খাওয়া বন্ধ করে দিতে হচ্ছে আস্তে আস্তে মোটা হয়ে যাওয়ার কারণে। তাছাড়াও আপনার মত আমারও কালো মিষ্টি অনেক বেশি পছন্দ। ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর হয়েছে এটা ঠিক তবে তার থেকে বড় কথা হচ্ছে মিষ্টি গুলো দেখে খুব লোভ লাগছিল।