আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি রেসিপি নিয়ে। আজকে আমি পুঁইশাক সাথে মসুর ডাল দিয়ে রান্না করেছি। এই রান্নাটি অবশ্য আমি এখান থেকেই শিখেছি। সবাইকে এভাবে রান্না করতে দেখে মনে হল যে রেসিপিটি খেতে মনে হয় বেশ মজাদারই হবে। তাই আমিও ঝটপট রান্না শিখে রান্না করে নিলাম । রান্না করার পর খেতে আসলেই খুবই মজা লেগেছিল। আমার কাছে আগে থেকেই পুঁইশাক এবং পাতলা ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে ভালো লাগতো। এখনতো দুটি একসঙ্গে রান্না করা শিখে গিয়েছি। তাহলে আর আলাদা করে রান্না করার ঝামেলা থাকলো না। আবার খেতেও খুবই সুস্বাদু। তাছাড়া পুঁইশাক বিভিন্নভাবে রান্না করা যায়। ইলিশ মাছ দিয়ে আবার চিংড়ি মাছ দিয়েও পুঁই শাক রান্না করা যায়। আমি অবশ্য এই দুই মাছ দিয়েই পুঁইশাক বেশি রান্না করতাম। আজকে নতুনভাবে রান্না করে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম। আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।
প্রথমে চুলায় একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিয়ে তার মধ্যে পরিমান মত তেল দিয়ে দিয়েছি। তেল গরম হলে পিঁয়াজ, রসুন এবং মরিচ কুচিগুলো দিয়েছি।
পিঁয়াজ মরিচ কুচিগুলো একটু ভেঁজে তার মধ্যে বাটা মশলা গুলো সব দিয়ে দিয়েছি। বাটা মসলা গুলো কষিয়ে নিয়ে গুঁড়ামশলা গুলো দিয়ে দিয়েছি ।
সব মসলাগুলো ভালোমতো কষিয়ে নিয়ে ধুয়ে রাখা ডালগুলো দিয়ে দিয়েছি। ডালগুলো দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভেঁজে নিব। তারপর সামান্য একটু পানি দিয়ে ডালগুলো ভালো হতো কষিয়ে নিব ।
সব পানি শুকিয়ে গিয়ে ডালগুলো ভালো মতো কষানো হয়ে গেলে পুঁইশাকগুলো এর মধ্যে দিয়ে দিব।
পুঁইশাক ডালের সাথে ভালোমতো মিশিয়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করব। কিছুক্ষণ ঢাকনা দিয়ে রান্না করার পর পুঁইশাক নরম হয়ে সব পানি বের হয়ে যাবে।
এখন আরো বেশ কিছুক্ষণ রান্না করেছি। তারপর চুলা বন্ধ করে দিয়েছি ।
এখন একটি বাটিতে পরিবেশনের জন্য উঠিয়ে নিয়েছি। এভাবেই তৈরি হয়ে গেল আমার আজকের রেসিপি । আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি।
মসুরের ডাল দিয়ে পুঁইশাক আমার বেশ ভালই লাগে। আপনার রান্নাটি অনেক লোভনীয় ছিল। মসুরের ডাল দিয়ে পুঁইশাক রান্নার রেসিপি টি ধাপে ধাপে অনেক সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। এত সুন্দর রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
পুইশাক অনেকভাবে রান্না করা যায়। তার মধ্যে একটি হচ্ছে মসুর ডাল দিয়ে। আপনি অনেক সুন্দর করে মসুর ডাল দিয়ে পুইশাক রান্না করেছেন। আমি প্রতিটি ধাপ সহজভাবে বুঝেছি। ধন্যবাদ আপু।
আপু বেশ ভাল করেছেন এখান থেকে দেখে রান্না করেছেন।আমাদের বাংলা ব্লগে রাঁধুনির অভাব নেই আপু।জেনে ভাল লাগলো।আসলেই পুঁইশাক এমনি মজা তার সাথে ডাল দিছেন অনেক মজা হবে।আপনার শাকের রং দেখে বুঝা যাচ্ছে আপু খেতে ভাল হয়েছে।ধন্যবাদ
মসুর ডাল দিয়ে পুঁইশাক খেতে অনেক ভালো লাগে আমি প্রায়ই সময়ই বাসায় রান্না করি আমার মেয়ের মেয়ের বাবার খুবই পছন্দের খাবার এটা।মসুরের ডাল দিয়ে পুঁইশাক রেসিপি টি আপনি খুব সুন্দর করে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছেন আপু। সাধারণ রেসিপি কিন্তু এর স্বাদ অসাধারণ। সুন্দর রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
মসুর ডাল দিয়ে পুইশাক রেসিপি এটা অনেক পুষ্টিকর একটি খাবার।আমাদের বাসায় মাঝে মধ্যে বানানো হতো।খেতাম খুবই সুন্দর লাগতো ধন্যবাদ দারুন এই রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
মসুর ডাল দিয়ে পুঁই শাক রান্না খুবই মজাদার একটি রেসিপি। আমার খুবই পছন্দের একটা খাবার। বেশি করে ডাউল দিলে মজাটা একটু ব্যাতিক্রম লাগে। আমার মা এই রেসিপি টা চমৎকার ভাবে রান্না করে। বাড়িতে গেলে মাঝে মধ্যে খাওয়া হয়। তরকারি কালার টা দারুন হয়েছে। ধাপগুলো অনেক সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
আপু এই রেসিপিটির সাথে আমি খুবই পরিচিত। কারন আমি ম্যাচে থাকি তো বুয়ারা প্রায় সময় এই রেসিপিটি রান্না করে। তবে আপনার মত ডাল গুলো আগে ভাজি করে না। পুইশাক আর ডাল একসাথে দিয়েই রান্না করে ফেলে। প্রডাকশনের কাজ হা হা হা হা ধন্যবাদ আপু।
মসুরের ডাল দিয়ে পুঁইশাক আমার বেশ ভালই লাগে। আপনার রান্নাটি অনেক লোভনীয় ছিল। মসুরের ডাল দিয়ে পুঁইশাক রান্নার রেসিপি টি ধাপে ধাপে অনেক সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। এত সুন্দর রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডাল রান্নার রেসিপিটি সহজভাবে শেয়ার করার চেষ্টা করেছি। যাতে সকলেই শিখতে পারে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পুইশাক অনেকভাবে রান্না করা যায়। তার মধ্যে একটি হচ্ছে মসুর ডাল দিয়ে। আপনি অনেক সুন্দর করে মসুর ডাল দিয়ে পুইশাক রান্না করেছেন। আমি প্রতিটি ধাপ সহজভাবে বুঝেছি। ধন্যবাদ আপু।
আমি বেশিরভাগ সময় পুইশাক চিংড়ি এবং ইলিশ মাছ দিয়ে রান্না করি ।এই বারই প্রথম এভাবে রান্না করেছি। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার মন্তব্যের জন্য।
এটা আমার বেশ পছন্দের একটা রেসিপি। বাড়িতে কমবেশি এই রেসিপিটা খাওয়া হয়। খুব সুন্দর উপস্থাপনা এবং তরকারির কালারটাও অনেক সুন্দর হয়েছে।
আপনার পছন্দের রেসিপি শেয়ার করেছি জেনে ভালো লাগলো ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপু বেশ ভাল করেছেন এখান থেকে দেখে রান্না করেছেন।আমাদের বাংলা ব্লগে রাঁধুনির অভাব নেই আপু।জেনে ভাল লাগলো।আসলেই পুঁইশাক এমনি মজা তার সাথে ডাল দিছেন অনেক মজা হবে।আপনার শাকের রং দেখে বুঝা যাচ্ছে আপু খেতে ভাল হয়েছে।ধন্যবাদ
ঠিক বলেছেন আপু এখানে বিভিন্ন ধরনের রান্না শেখা যায়। ভালই লাগে । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
মসুর ডাল দিয়ে পুঁইশাক খেতে অনেক ভালো লাগে আমি প্রায়ই সময়ই বাসায় রান্না করি আমার মেয়ের মেয়ের বাবার খুবই পছন্দের খাবার এটা।মসুরের ডাল দিয়ে পুঁইশাক রেসিপি টি আপনি খুব সুন্দর করে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছেন আপু। সাধারণ রেসিপি কিন্তু এর স্বাদ অসাধারণ। সুন্দর রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
জি আপু রান্না করার পর দেখলাম যে খেতে আসলেই অনেক মজা লাগে। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
মসুর ডাল দিয়ে পুইশাক রেসিপি এটা অনেক পুষ্টিকর একটি খাবার।আমাদের বাসায় মাঝে মধ্যে বানানো হতো।খেতাম খুবই সুন্দর লাগতো ধন্যবাদ দারুন এই রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এই খাবারটি খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
মসুর ডাল দিয়ে পুঁই শাক রান্না খুবই মজাদার একটি রেসিপি। আমার খুবই পছন্দের একটা খাবার। বেশি করে ডাউল দিলে মজাটা একটু ব্যাতিক্রম লাগে। আমার মা এই রেসিপি টা চমৎকার ভাবে রান্না করে। বাড়িতে গেলে মাঝে মধ্যে খাওয়া হয়। তরকারি কালার টা দারুন হয়েছে। ধাপগুলো অনেক সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
আসলেই ভাইয়া মসুরের ডাল দেয়ার কারণে পুঁইশাকের স্বাদ অন্যরকম হয়ে যায়। খেতে বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপু এই রেসিপিটির সাথে আমি খুবই পরিচিত। কারন আমি ম্যাচে থাকি তো বুয়ারা প্রায় সময় এই রেসিপিটি রান্না করে। তবে আপনার মত ডাল গুলো আগে ভাজি করে না। পুইশাক আর ডাল একসাথে দিয়েই রান্না করে ফেলে। প্রডাকশনের কাজ হা হা হা হা ধন্যবাদ আপু।