হাতিবাগানের নতুন দোকান "Chicky Flames" এ
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সঙ্গে হাতিবাগানের একটি স্ট্রীট ফুড দোকানের ফুড রিভিউ ভাগ করে নিচ্ছি ।আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।
আজকের এই ফুড রিভিউ পোস্ট নিয়ে আমার প্রথম লেখা ।এর আগে কোথাও রেস্টুরেন্টে গেলে সেখানে খাবার এবং রেস্টুরেন্টের অ্যামবিয়েন্স এবং সেখানে খাবার কেমন লেগেছে সেই সবকিছুই আপনাদের সাথে মুহূর্তগুলো তুলে ধরি। কিন্তু আজকে আপনাদের সাথে স্ট্রিট ফুডের একটি ফুড রিভিউ শেয়ার করে নিচ্ছি ।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
দুদিন আগে আমি হাতিবাগান এর একটি স্ট্রিট ফুডের দোকানে গিয়েছিলাম । তার আগে একটা কথা না বললেই নয় কলকাতার স্ট্রীট ফুড কিন্তু খুব বিখ্যাত আর কলকাতা এমন একটি জায়গা যেখানে স্ট্রিট ফুড এর দাম ভীষণ কম ,কোয়ালিটি কোনো জায়গায় ভালো দেয় আবার কোনো জায়গায় খারাপ দিলেও খুব একটা খারাপ হয় না ।তাতে করে প্রত্যেকটি মানুষ কিন্তু এই কলকাতা স্ট্রিট ফুড এর অনেক বড় ভক্ত বলা যেতে পারে।লাস্ট কয়েক বছর হলো আমি স্ট্রিট ফুড একেবারেই খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। যখন কলেজে পড়তাম তখন কলেজ ছুটি হয়ে গেলেই হাতিবাগানে এসে অনেক স্ট্রিট ফুড খেতাম ।তখন ভীষণ ভালো লাগতো। কিন্তু বেশ কিছু বছর হয়ে গেছে বলতে গেলে লকডাউনের পর থেকে আর স্ট্রিট ফুড খাওয়া হয় না।যাই হোক দুদিন আগে হাতিবাগান গেছিলাম কিছু কাজে। আর সন্ধ্যে হলেই আমার কিছু না কিছু খেতে ইচ্ছা করে। তার মধ্যে খিদেও পেয়ে গেছিল কারণ সেই দিনকে বাড়িতে নিরামিষ হয়েছিল আর সন্ধ্যা হওয়ার মধ্যেই মনে হচ্ছে কিছু একটা খেতেই হবে। তাই স্ট্রিট ফুডের দিকেই গেলাম, আর রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম না। প্রথমেই দোকানে গিয়ে চিকেন নাগেটস আর চিকেন স্যান্ডউইচ অর্ডার করলাম।
তার মধ্যে দোকানটি দেখলাম নতুন খুলেছে ।মনে হচ্ছিল ভালোই হবে কিন্তু খুব কম সময়ের মধ্যে যখন চিকেন নাগেটস দিল এবং খেলাম ,এক কথা দুর্দান্ত লেগেছে কারণ চিকেন নাগেট এর আগেও খেয়েছি কিন্তু স্ট্রিট ফুড অনুযায়ী যে টেস্ট সেটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে ,তাই এক প্লেট নেওয়ার পরও আরেক প্লেট নিয়েছিলাম।
এরপর চিকেন স্যান্ডউইচ যেটা নিয়েছিলাম সেখানে চিকেনের পরিমাণ অনেকটাই ছিল তার মধ্যে খুব টেস্টি ছিল ।পরিমাণ মতো মেয়োনিজ দেওয়া ছিল। আর তার সাথে খুব ভালো করে গ্রিল করা ছিল। আমার মনে হয় একটা স্ট্রিট ফুড এর থেকে বেশি ভালো আর হতে পারে না,তাই সব মিলিয়ে খুব ভালো লেগেছে।
সবশেষে যদি আমার দিক থেকে এই দোকানটিকে রেটিং দিতে বলা হয় তাহলে আমি ১০/৯ দেবো । কারণ হাতিবাগানের নতুন দোকান হিসাবে খুবই ভালো টেস্ট ছিল ।এবং আমি বলবো কেউ যদি এই শ্যামবাজার বা হাতিবাগানে আসে অবশ্যই এই দোকানে খাবার টেস্ট করতে পারেন ।খুবই ভালো লাগবে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

স্ট্রিট ফুড আমারও খুবই পছন্দের। তবে এখন খুব একটা বাহিরে যাওয়া হয় না। তাই তো সেভাবে খাওয়া হয় না। দিদি আপনি অনেক সুন্দর ভাবে খাবারের রেটিং দিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। বোঝাই যাচ্ছে খেতে একেবারে পারফেক্ট হয়েছিল। দারুন একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি দিদি।
ফুড রিভিউ এর পোস্টগুলো পড়লে লোভ সামলানো মুশকিল হয়ে পড়ে।তাছাড়া ফুড রিভিউ পোস্ট নিয়ে এটি আপনার প্রথম লেখা জেনে ভালো লাগলো।স্ট্রিট ফুডগুলো বেশ টেস্টি হয়।আপনার রেটিং দেওয়া দেখেই বুঝতে পারছি কতটা স্বাদের ছিল খাবারগুলো।ফুডের ফটোগ্রাফিগুলি বেশ লোভনীয়, ধন্যবাদ দিদি।
দিদিভাই, আমার কলিগদের মুখ থেকে কলকাতার স্ট্রিট ফুডের কথা বেশ শুনেছি, ইচ্ছা আছে সময় সুযোগ হলে আবারো সবাই মিলে গিয়ে এই স্ট্রিট ফুড গুলো খেয়ে দেখব আর কলকাতার বুকে বিচরণ করে বেড়াবো।
আপু আমিও জানি বাংলাদেশ,ইন্ডিয়া আর পাকিস্তানে স্ট্রিট ফুড খুবই জনপ্রিয়। এই তিন দেশের স্ট্রিট ফুড বর্হিবিশ্বেও অনেক ডাকনাম আছে। বিশেষ করে কলকাতার স্ট্রিট ফুড বেশ জনপ্রিয়। হাতিবাগানে নতুন রেস্টুরেন্ট গিয়ে চিকেন নাগেটসের নতুন স্বাদ উপভোগ করলেন। ধন্যবাদ আপু।