সলিমুল্লাহ রোডে ঘুরাঘুরি ও খাওয়া দাওয়া করার অনুভূতি।
আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন ?আশা করি ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি ।আজকে আমি আপনাদের সাথে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে এসেছি। প্রতিদিন আমার বাংলা ব্লগে পোস্ট করতে আমার অনেক ভালো লাগে। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করতে ও বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতেও আমার অনেক ভালো লাগে। বেশ কিছুদিন ধরেই ফেসবুকে কয়েকটি খাবারে দেখছিলাম। বেশ কয়েকটি ভিডিও দেখার পরে আমারও খেতে খুবই ইচ্ছে করছিল। সবার মুখে একটি নাম শুনছিলাম সলিমুল্লাহ রোডের খাবার খেতে খুবই ভালো লাগে। আমিও যেহেতু মোহাম্মদপুরে থাকি এর জন্য ।আমিও আজকে চলে গেলাম সলিমুল্লাহ রোডে।
আমরা ভিডিওতে দেখেছিলাম কয়েকটি ভাইরাল দোকানের খাবার। এইজন্য আমরা ভাবলাম আমরা ভাইরাল দোকান থেকেই খাবো। কিন্তু দোকান গুলোতে অনেক ভিড়। তবুও আমরা হাল ছেড়ে না দিয়ে ওইসব দোকান থেকে খাব বলে ঠিক করলাম। প্রথমেই আমরা খেতে চাইলাম সেলিমের দোকানের কাবাব। কিন্তু আমরা ভিড়ের যুদ্ধে হেরে যেয়ে। চলে গেলাম স্যুপের দোকানে।
এই স্যুপ ও অনেক ভাইরাল। এই স্যুপের দোকানের নাম নওশাদের স্যুপ। এই দোকানেও ছিল প্রচুর ভিড়। অর্ডার দেয়ার বেশ কিছুক্ষণ পর আমরা স্যুপ হাতে পেলাম। সত্যি আসলে অনেক টেস্ট ছিল । সুপের মাংস গুলো খুবই বড় ছিল।
খাওয়া শেষ করে আমরা চলে গেলাম মোমোর দোকানে। আমরা ভিডিও দেখি আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম কোন দোকান থেকে খাবো। আমরা অর্ডার দিয়েছিলাম চিজ মোমো। সত্যি কথা বলতে মোমো আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগে নাই।
এরপরে আমরা চলে গেলাম বাটি চাট খেতে। বাটি চাটটি আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে। ভিডিওতে যেমন রেখেছিলাম খুব টেস্ট আসলে তেমন না।
এরপরে চলে গেলাম আমরা চকলেট-তন্দুরি চা খেতে। চা আমার বরাবরই অনেক পছন্দের। চা খেয়ে খুবই ভালো লাগলো। এতকিছু খাওয়ার পেটে আর জায়গা না থাকার কারণে বাসার দিকে চলে আসবো বলে ঠিক করলাম।
তখন আবার লাচ্ছি খেতে ইচ্ছে করলো। এইজন্য লাচ্ছি কিনে রিকশায় খেতে খেতে চলে এলাম। আজকের ঘুরাঘুরিও খাওয়া-দাওয়া খুবই ভালো লাগলো।
আশা করি আজকের পোস্টটি আপনাদের কাছে খুবই ভালো লাগবে। আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে আমারও খুবই ভালো লাগলো।
| ফটোগ্রাফার | @mithila19 |
|---|---|
| ডিভাইস | Narzo50i |
আমি মিথিলা ইসলাম।আমি একজন 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩। বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ।❤️ আমার স্টিমিট একাউন্ট @mithila19
দীর্ঘদিন ধরে সলিমুল্লাহ রোডের নাম শুনে আসি কিন্তু আজ পর্যন্ত সেখানে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়ে ওঠেনি। যাইহোক সুন্দরভাবে আপনি সলিমুল্লাহ রোডের আশেপাশে প্রয়োজনে ঘুরাঘুরি করেছেন এবং নিকটস্থ খাবারের জায়গা থেকে সুপ জাতীয় কিছু খাবার খেয়েছেন এবং সে সমস্ত বিষয়গুলো সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। যেহেতু পূর্বে ভিডিও দেখে আপনি দোকানের আইডিয়া নিয়েছিলেন এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সেখান থেকে খাব। খুব সুন্দর ছিল আপনার এই আনন্দঘন মুহূর্তটা।
ভিডিও দেখার পর আর লোভ সামলাতে পারেননি নিশ্চয়ই সেই খাবার গুলোর প্রতি। বেশ কিছু খাবার খেয়েছিলেন দেখছি সলিমুল্লাহ রোডের কয়েকটা দোকান থেকে। মজার মজার খাবার গুলোর ফটোগ্রাফি ও শেয়ার করেছেন দেখে আরো ভালো লাগলো। তবে একটা খাবার আপনার কাছে ভালো লাগেনি দেখছি। অন্য সবগুলো মোটামুটি ভালো লেগেছিল জেনে ভালো লাগলো। যদি কখনো এই জায়গাটিতে যাওয়া হয়, তবে কয়েকটা খাবার খাওয়ার অবশ্যই চেষ্টা করব আমিও।
ধন্যবাদ আপনাকে আপু আমার পোষ্টটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য এবং এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
বাহ্ দারুন 👌
ভিডিও দেখে দেখে সব ভাইরাল ভাইরাল দোকানে গিয়ে দারুন খাওয়া দাওয়া করলেন 😄
ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ মজার লেগেছে।
যাইহোক প্রথম দোকানটায় ভিড়ের কারনে ঢুকতে না পারলেও পরের গুলোতে খাবার খেয়ে বেশ ভালোই তৃপ্তি পেলেন বোঝাই যাচ্ছে। ইদানিং দোকানদাররা ভিডিও ছেড়ে দিয়ে আবার সেটাকে ভাইরাল করে ব্যাবসায় বেশ ভালোই টাকা কামাচ্ছে বোঝাই যাচ্ছে 😂
সলিমুল্লাহ রোডে ঘুরাঘুরি তার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের খাবার উপভোগ করা সব মিলিয়ে দারুন সময় পার করেছেন। প্রতিটা দিন এরকম সুন্দর মুহূর্ত করতে পারলে ভালোই লাগে। বেশ ভালো লাগলো মাঝে মাঝে এই রকম সুন্দর মুহূর্ত সবারই উচিত উপভোগ করা । আর পাশাপাশি এই ধরনের খাবার উপভোগ করলে আরো মজা হবে।
বাবাহ! বেশ কিছু খাবার খেয়েছেন দেখছি। তাও আবার সবগুলো ভাইরাল দোকান থেকে খেয়েছেন। মোমো জিনিসটা আমার কাছেও তেমন একটা ভালো লাগে না খেতে। খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো খুবই লোভনীয় ছিল। বাটি চাট আমি কখনো খাইনি। তবে দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। চকলেট-তন্দুরি চা দেখে তো লোভ লেগে গেল। খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন এবং খাওয়া দাওয়া করেছেন। মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
সলিমুল্লাহ রোডে ঘুরাঘুরি ও খাওয়া দাওয়া করার অনুভূতিটা দেখছি অনেক বেশি ভালো ছিল। এরকম ভাবে ঘুরাঘুরি করলে কিন্তু মনটা একেবারে ভালো হয়ে যায়। আর খাওয়া দাওয়া করলে তো আরো বেশি ভালো লাগে। মজার মজার খাবার খেয়েছিলেন দেখছি আপনি। আসলে সব খাবার যে ভালো লাগবে এটা কিন্তু নয়। কারণ সব খাবারের টেস্ট একটু আলাদা হয়। আমার তো খুবই খেতে ইচ্ছে করছে এই খাবারগুলো।