"মিষ্টি কুমড়ার বিচি বা বীজ ভাজি ও তার উপকারিতা"(10% বেনিফেসিয়ারী লাজুক খ্যাককে)
নমস্কার
বন্ধুরা, আপনারা সবাই কেমন আছেন?
আশা করি সকলেই ভালো ও সুস্থ আছেন সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে।
মিষ্টি কুমড়া আমাদের অতি পরিচিত একটি সুস্বাদু সবজি।মিষ্টি কুমড়া এমন একটি সবজি যার কোনো কিছু ফেলে দেওয়ার নয়।মিষ্টি কুমড়ার গাছ থেকে শুরু করে পাতা,ফল, ফুল এবং ফলের মধ্যে থাকা বীজ ও খাওয়া যায় বিভিন্নভাবে।এই মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভাজি,বীজের পকোড়া এবং বীজের ভর্তা রেসিপি করে ও খাওয়া যায় ।এই কুমড়ার বীজ কাচা ও খাওয়া যায়।এটি অত্যন্ত স্বাদের ও উপকারী।ফলে আমাদের বাড়িতে মিষ্টি কুমড়া রান্না হলেই আমরা মিষ্টি কুমড়ার বীজ ফেলে না দিয়ে সবসময় ভেঁজে খাই।যদি ও অনেকেরই এই মিষ্টি কুমড়ার বীজের উপকারিতা সম্পর্কে জানা আছে।তবুও আমি আজ মিষ্টি কুমড়ার বিচি বা বীজ ভাজি ও তার কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কে সংক্ষেপে তুলে ধরবো।
মিষ্টি কুমড়ার বীজের কয়েকটি উপকারিতা:
মিষ্টি কুমড়া একটু মিষ্ট জাতীয় সবজি।সাধারণত মিষ্টি কুমড়াই যেসকল পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে মিষ্টি কুমড়ার বীজেও একই ধরনের সেই সকল পুষ্টিকর উপাদানগুলিই রয়েছে।যাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ,ভিটামিন ই,বিটা কারোটিন,ভিটামিন সি,প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ,ম্যাগনেসিয়াম এবং জিঙ্ক রয়েছে।
1.মিষ্টি কুমড়ার বীজে আন্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
2.মিষ্টি কুমড়ার বীজে ভিটামিন সি থাকায় চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
3.মিষ্টি কুমড়া প্রতিনিয়ত খেলে ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
4.বয়সজনিত কারণে চোখের রেটিনার রোগ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভালো কাজ করে ।ফলে দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
5.এছাড়া আন্টি-এক্সিডেন্ট থাকায় কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।এছাড়া মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে ঘুম ভালো হয়।
6.মিষ্টি কুমড়ার বীজ হজমে সাহায্য করে এবং বয়সজনিত কারণে হাড়ের ক্ষয়রোধ কমাতে সাহায্য করে।
7.হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টি কুমড়ার বীজের ভূমিকা অপরিসীম।
8.মস্তিকের কার্যকারীতা বৃদ্ধি করে এবং বাতের ব্যাথা ভালো রাখতে সাহায্য করে ।
(এছাড়া মিষ্টি কুমড়ার বীজে প্রচুর প্রচুর পরিমানে পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা রয়েছে)
মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভাজির পদ্ধতি:
(মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভাজতে বিশেষ কোনো উপকরণ নেই)
1.মিষ্টি কুমড়ার বিচি বা বীজ
2.সরিষার তেল - 3 ফোঁটা
1.প্রথমে আমি কিছু মিষ্টি কুমড়ার বীজ নিয়ে নিলাম।
2.বীজগুলো রোদ্রে দিয়ে ভালোভাবে নেড়েচেড়ে শুকিয়ে নেব।
3.বীজগুলো শুকিয়ে গেলে এরপর একটি কড়াই চুলায় বসিয়ে দেব মিডিয়াম আঁচে।কড়াইতে সামান্য 2-3 ফোঁটা সরিষার তেল দিয়ে গরম করে নেব কড়াইটি।তারপর কড়াই গরম হয়ে গেলে কুমড়ার বীজগুলো দিয়ে দেব।
4.এবার একটি চামচের সাহায্যে বীজগুলো নাড়তে থাকবো।কিছুক্ষণ পর বীজগুলোর মুখ পটপট আওয়াজে ফেটে যাবে।তারপর বীজগুলি উল্টেপাল্টে নেড়ে নামিয়ে নেব।এটি ভাজতে 10- 12 মিনিট সময় লাগে।
5.তো কুমড়ার বীজগুলো নামিয়ে কিছুটা সময় ঠান্ডা করে নিতে হবে।ফলে এটির ভিতর মচমচে হয়ে যাবে ।তারপর এটি পরিবেশন করতে হবে।এটি খেতে দারুণ স্বাদের।এককথায় মুখে লেগে থাকার মতো।আপনারা ও এই উপকারী কুমড়ার বীজটি ফেলে না দিয়ে ভেঁজে খেয়ে ফেলুন।
আশা করি, সকলের কাছে ভালো লাগবে আমার আজকের বিষয়টি।
সকলকে ধন্যবাদ।
সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবেন।
মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভাজি আমি খেয়েছিলাম একবার ভালই লেগেছিল। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে এর উপকারিতা বুঝিয়েছেন দিদি। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকে ও অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
সকাল সকাল কি দেখলাম আপু। মিষ্টি কুমড়ার বীজ আমার এতটাই প্রিয় যে বলে বুঝানোর মতো নয়। দেখে লোভ লেগে গেলো। তবে এই মিষ্টি কুমড়ার বীজ সম্পর্কে অনেক কিছু অজানা ছিল। আজ আপনার পোষ্টের মাধ্যমে অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পারলাম। এর যে এত পুষ্টি গুণ রয়েছে তা আমি আগে জানতাম না আপু। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু,এর প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে ।আমি তো কয়েকটি লিখেছি মাত্র।আমার কাছে ও এটি খুবই প্রিয়।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
মিষ্টি কুমরা খুবই পুষ্টিকর একটি ফল আর এর সাথে তার বীজ ও খুবই পুষ্টিকর। আপু আপনি অনেক সুন্দর ভাবে বিষয় টা গুছিয়ে লিখেছেন।শুভ কামনা রইলো।
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভাজি আমার খুবই পছন্দ। প্রায় সময়ই আমি এই খাবারটি খেয়ে থাকি। বিশেষ করে বিকেল বেলায় এটি খেতে খুব দারুণ লাগে। এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম আপনার পোষ্টের মাধ্যমে। খুব ভালো করে এর পুষ্টিগুণ আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আপনি ঠিক বলেছেন আপু,বিকাল বেলা সময় কাটানোর দারুণ উপায় এই কুমড়ার বীজ ভাজি।আমার ও খুব পছন্দের।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, আপনার গঠনমুলক মন্তব্যের জন্য।
সত্যি আপু আমি আবারও আপনার প্রশংসা করতে চলে আসলাম আপনি এতো সুন্দর করে কুমড়ার বিচি সম্পর্কে উপকারিতা তুলে ধরেছেন এবং কুমড়ার বিচি ভেজে খেতে অনেক ভালো লাগে। তরকারির মধ্যে অনেক ভালো লাগে। এটি ভালো লাগার একটি তরকারি এবং আপনি এত সুন্দরভাবে প্রতিটি উপকারিতা এবং এর কি কি গুন তুলে ধরেছেন। সত্যিই অবাক হলাম। আপনার তুলনা হয় না। আপনি এত সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। শুভকামনা রইল আপু
আরো অনেক গুণাবলী রয়েছে কুমড়ার বীজ এ ।আমি তো কয়েকটি তুলে ধরেছি মাত্র।আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে আমি আনন্দিত।আপনার সুচিন্তিত মতামত জানানোর জন্য ,আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু আপনার উপস্থাপন খুবই ভালো। যখন আমি ছোট ছিলাম আমার আম্মু আমাকে কুমড়ার বীজ ভেজে দিতো। আমার খুবই ভালো লাগে কুমড়ার বীজ ভাজা খেতে৷ আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল
আমরা সব সময় কুমড়ার বীজ ভাজি খাই।খুব ভালো লাগে।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে। মিষ্টি কুমড়া বিচির এতো উপকারিতা আমার জানা ছিল না। আপনার পোস্ট পড়ে আমি শিখলাম এটা আসলে আমাদের শরীরের জন্য অনেক অনেক উপকারী।
হ্যাঁ, আপু ভীষণ উপকারী এটি।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, আপনার সুমতামত জানানোর জন্য।
ধন্যবাদ আপু।
😊
মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভাজি আমার খুবই পছন্দ। এটা আমরা মাঝে মাঝেই বাসায় ভাজি করে খেয়ে থাকি। এই মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভাজি গ্রাম অঞ্চলে এমন কোন ব্যক্তি নেই যে খায়নি। এটি খেতে খুবই মজা আর এটা উপকার অনেক। এত সুন্দর একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া, গ্রামে সকল মানুষ প্রায় এই বীজ খেয়ে থাকেন।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
মিষ্টি কুমড়ার বিচি ভাজি আমার খুবই ভালো লাগে। তার সাথে আপনি এর যাবতীয় উপকারিতা খুব সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন। তা থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
ভাইয়া ,আসলে এর উপকারিতার শেষ নেই।আমি সামান্য কয়েকটি তুলে ধরেছি আমার জানা মতে।আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ধন্যবাদ দিদি
😊
খুবই মজাদার একটি খাবার। এবং খুবই প্রচলিত আমাদের এলাকায়। তবে বিশেষ করে এই দিনগুলোর এখন হারিয়ে গিয়েছে আমাদের মাঝ থেকে।
খুব সুন্দর কিছু শেয়ার করলেন
আপনি ইচ্ছে করলেই দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে পারেন।আবার কুমড়া বীজ ভাজি খেয়ে।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।