ফুড ফটোগ্রাফি।
সবাইকে আমার নমস্কার,আদাব।আশাকরি আপনারা সকলেই ভালো আছেন,সুস্থ আছেন?ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় আমিও পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে ভালো আছি,সুস্থ আছি।
আমাদের বেঁচে থাকতে হয় প্রতিদিন নিয়ম অনুযায়ী খাবার খেয়ে।আর নিয়মিত খাবার না খেলে শরীর অসুস্থ হয়ে যায় এবং শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।দিনে দিনে খাদ্যের বৈচিত্র্য বেড়েই চলেছে৷ বদলাচ্ছে আমাদের খাদ্যাভ্যাসও৷খাবার এখন আর শুধু ক্ষুধা মেটানোর উপকরণ নেই৷ খাদ্যের স্বাদ ও তা উপভোগ করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে৷তাই আমরা ছুটে চলছি নানা খাবারের সমাহার খুঁজতে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ গুলোয়।যদিওবা আমি খুব একটা বাইরের খাবারের প্রতি আশক্ত নই কিন্তু বাচ্চাদের কারনে অনেক সময় তাদের আবদার মেটানোর জন্য বাধ্য হয়ে যেতে হয়।রেস্টুরেন্টের খাবারে স্বাদ যেনো বাচ্চাদের কে আকৃষ্ট করে।
বিভিন্ন সময়ে কিছু খাবারের ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে তুরে ধরছি।
চিকেন বার্গার
চিকেন বার্গার খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল।বাইরের খাবার খেতে খুব একটা পছন্দ না করলে কি হবে চিকেন বার্গার টা খেতে কিন্তু খুবই পছন্দ করি আমি।ফ্রেন্ডস কিচেনের বার্গারের স্বাদের কথা কি বলবো এক কথায় অসাধারণ লেগেছে।
চিকেন ললিপপ
এটা খেতে বাচ্চারা খুবই পছন্দ করে।আমরা যখন রেস্টুরেন্টে কোনো খাবার খেতে যাই তখন খাবার রেডি হতে বেশকিছু টা সময় লেগে যায়।আর এই সময় টা বাচ্চারা একদম অপেক্ষা করতে চায় না।তাই রেস্টুরেন্টে গিয়ে আগেই চিকেন ললিপপ এর অর্ডার দেই যাতে করে চিকেন ললিপপ খেতে খেতে বাকি খাবার গুলো চলে আসে।
ক্রিমি পাস্তা
এই খাবার টি আমি প্রথম শুভ ভাই এর মাধ্যমেই খেয়েছি।এদিন আমরা সব ভাবিরা মিলে হাঁটতে বের হয়েছি ঠিক তখনই শুভ ভাই এর সাথে রাস্তায় দেখা।আর তখন শুভ ভাই বললেন আসেন সবাই মিল চা বা কফি খাই।তখন আমরা মজা করে বলেছিলাম যে চলেন তাহলে চাটনিতে যাই আর এই কথা শুনে শুভ ভাই সাথে সাথে চাটনিতে নিয়ে যায় এবং সবাইকে অনেক রকমের খাবার খাওয়ায়।আমি ও শুভ ভাই ক্রিমি পাস্তা খেয়েছিলাম আর সেদিন থেকেই আমি চাটনির ক্রিমি পাস্তার ফ্যান হয়ে যাই।
টক ঝাল মিক্সড ভর্তা
টক পছন্দ করে না এমন মেয়ে মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না।আমি টক খেতে খুব একটা যে পছন্দ করি তা না। কিন্তু মাঝে মাঝে খেতে কিন্তু বেশ ভালোই লাগে।রংপুর এ এই ভর্তা টার বেশ সুনাম আছে সবার মুখে শুনে খাওয়ার জন্য বেশ আগ্রহী ছিলাম।হঠাৎ একদিন আমার ছোট ভাই শিশির এই সুস্বাদু ভর্তা নিয়ে বাসায় হাজির।ভর্ত টা দেখেই তো সবাই খুব খুশি হলাম আর সবাই মিলে খুব আনন্দের সহিত ভর্তা খাওয়ার মুহূর্ত টা উপভোগ করলাম।
এই ছিলো আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন এই প্রার্থনা করি।
খাবারের ফটোগ্রাফি দেখলেই তো লোভ সামলানো মুশকিল হয়ে যায়। এতসব লোভনীয় খাবার সামনে দেখলে তো খেতে ইচ্ছা করবে। বিশেষ করে টক ঝাল মিক্সড ভর্তা রেসিপি অনেক লোভনীয় লাগছে। ক্রিমি পাস্তা রেসিপিটাও অনেক লোভনীয় ছিল। চিকেন ললিপপ তো একটি সুস্বাদু খাবার। আপনি ঠিকই বলেছেন বাচ্চারা এগুলো খেতে অনেক স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।
টক ঝাল মিক্সড ভর্তা রেসিপি টি দেখতে যেমন লোভনীয় ঠিক তেমনি খেতেও অনেক সুস্বাদু ছিলো।ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঠিকই বলেছেন আপু, এখন খুদা মেটানোর তুলনায় খাদ্যের স্বাদ, সৌন্দর্য এই বিষয়গুলোই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। আপনার খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো ভালো ছিল। সবগুলো ফটোগ্রাফি দেখে লোভ লাগছে। তবে আরো কিছু ফটোগ্রাফি দিলে ভালো হতো। চিকেন বার্গারের ফটোগ্রাফি টা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপু।
জ্বি আপু এখন মানুষ বেশিরভাগ খাবার শখের বশে খেয়ে থাকে।বাইরে গেলে দেখবেন মন চায় কোথায় ভালো খাবার পাওয়া যায় সেখানে গিয়ে খেতে হবে।ধন্যবাদ আপু।
এতগুলো লোভনীয় খাবার দেখে লোভ সামলানো কঠিন। আসলে রেস্টুরেন্টের খাবার খুব টেস্টি হয় বাচ্চারাও এর প্রতি আকর্ষণ। কিন্তু কিছুটা হল আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু আমি নিজেও রেস্টুরেন্টের খারাপ পছন্দ করি। টক ঝাল ভর্তাটা খাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল।
হ্যাঁ ক্ষতিকর জেনেও কিন্তু আমরা সেই খাবার গুলোর দিকেই বেশি আকর্ষণ দেই।কখনো সুযোগ হলে টক ঝাল খাবার টা খেয়ে দেখবেন ভালো লাগবে।ধন্যবাদ আপু।
সকাল সকাল এগুলো দেখে তো পেটে বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে।এদিকে ডায়েটে আছি।ফটোগ্রাফ গুলো দারুন হয়েছে।যে দেখবে তারই জিভে জল চলে আসবে। ফ্রেন্ডস কিচেনের চিকেন বার্গার আসলেই দারুন। ধন্যবাদ লোভনীয় ফটোগ্রাফ গুলো শেয়ার করার জন্য।
তুমি ডায়েট এ আছো জন্যই তো বেশি বেশি ফুড ফটোগ্রাফি পোস্ট করতে হবে যাতে তোমার লোভ হয়।😁 হ্যাঁ ফ্রেন্ড কিচেনের বার্গার খুবই সুস্বাদু।ধন্যবাদ।
ভগবান পাপ দিবে পাপ।
সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই প্রতিনিয়ত পুষ্টিকর খাবার আমাদের খেতে হবে। সেই সাথে ভালো খাবার গুলো রুটিন অনুযায়ী খেলে অবশ্যই ভালো থাকা সম্ভব।
আপনি মজাদার খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আমার তো দেখেই চিভে জল চলে আসলো ইচ্ছে করছে তুলে খেতে শুরু করে।
হ্যাঁ ভাইয়া সুস্থ থাকার জন্য নিয়মঅনুযায়ী খাবার খাওয়া খুবই দরকার।সত্যিই যদি ছবি থেকে তুলে নিয়ে খাওয়া যেতো তাহলে খুবই ভালো হতো তাই-না!😅 ধন্যবাদ ভাইয়া।
আগে আমরা খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেতাম আর এখন খায়ার দেখে তৃপ্তি পায়।যুগ পালটে গেছে।দারুন ছিলো আপনার করা ফটোগ্রাফি গুলো আপু।গুছিয়ে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন আপনি।
জ্বি ভাইয়া এখন চোখের তৃপ্তি মেটানোর জন্যই বেশিরভাগ খাবার খাওয়া।ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন আপু বিভিন্ন ধরনের এই খাবারের সমারহে আমরাও বাইরের খাবারের দিকে অনেক বেশি ঝুঁকে পড়েছি। এগুলো আমাদের এত বেশি খাওয়া ঠিক না। কিন্তু এগুলো স্বাদ এত বেশি না খেয়েও পারা যায় না। যাই হোক আপনার আজকের বিভিন্ন ধরনের খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর হয়েছে। দেখেই লোভ লেগে যাচ্ছে।
বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে গেলে বাহারি খাবার দেখলে তখন আর আমাদের শরীরের কথা একদম মনে থাকে না।সুন্দর মন্তব্য করেছেন আপু তার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
চমৎকার সব খাবারের ফটোগ্রাফি নিয়ে আজকে আপনি আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছেন আপু। আপনার এ ফটোগ্রাফি গুলো কিন্তু অনেক লোভনীয় ছিল। যেখানে বার্গার থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ে রেসিপি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এই পোস্টের মাঝে। আপনার রেসিপি পোস্ট আমার কাছে দুর্দান্ত মনে হয়েছে।
অনেক সুন্দর মন্তব্য টি করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই ভাইয়া।
সুস্বাদু সব খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপনি। সবগুলো খাবারউ অনেক লোভনীয় মনে হচ্ছে৷ আর আপনি এখানে যে সকল খাবারের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন তা দেখে এখনই মুখে পানি চলে আসলো৷ আর এখনই এখান থেকে যেতে ইচ্ছে করছে৷ আর এখানে আপনি যে চিকেন বার্গার এর ফটোগ্রাফিটি শেয়ার করেছেন তা একসময় আমার অনেক বেশি পরিমাণে প্রিয় ছিল৷
চিকেন বার্গার খেতে আমিও খুব পছন্দ করি ভাইয়া।তবে এখন শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে একমদ খাওয়া হয় না।ধন্যবাদ ভাইয়া।
দিদি আপনি আজকে আমাদের মাঝে খুবই লোভনীয় কয়েকটি ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো । আর বিশেষ করে রেসিপি দেখে লোভ সামলাতে পারছি না। ভর্তার রেসিপিটি দারুন ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য
হ্যাঁ ভাইয়া ভর্তার রেসিপি টি খেতেও খুবই চমৎকার ছিলো।ধন্যবাদ ভাইয়া।