১০০তম হ্যাংআউট উপলক্ষে আমার অনুভূতি।
ডিসকোর্ড থেকে সংগৃহীত,
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে ১০০ তম হ্যাংআউটের মুহূর্ত শেয়ার করব। দেখতে দেখতে কিভাবে একশতম হ্যাংআউট শেষ হয়ে গেল। যখন আমি এই প্লাটফর্মে কাজ করতে আসলাম। তার আগে আমি মাঝেমধ্যে হ্যাংআউটের কথাগুলো শুনতাম। কারণ আমার ওয়াইফ তার আগ থেকে এই প্লাটফর্মে কাজ করতেছে। তখন হ্যাংআউট শুনতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগতো। বিশেষ করে কথাগুলো শুনতে এবং জানতে বেশি ভালো লাগতো।
তারপর কিছু মাসের মধ্যে আমি যখন এখানে নিউ মেম্বার হলাম। তখন আমি প্রতিনিয়ত হ্যাংআউট শুনতাম। তখন হ্যাংআউট অনেক পর্ব শেষ হয়ে গেল। তারপর যখন আস্তে আস্তে আমি কাজ করতেছি তখন প্রতিনিয়ত হ্যাংআউটের দিন সব কাজ শেষ করে জলদি হ্যাংআউট শোনার জন্য বসে পড়তাম। আর যে কোন প্রতিযোগিতা দিলে আমি সেগুলোর মধ্যে অংশগ্রহণ করার জন্য চেষ্টা করতাম। আসলে যখন প্রতিযোগিতা আসে তখন বিজয়ীদের অনুভূতি জানতে চাই। তখন সবার অনুমতি শুনে খুব ভালো লাগতো।
আর আমাদের সম্মানিত দাদা এবং এডমিন মনিটর সবাই খুব সুন্দর করে কথা বলেন। এদের কথাগুলো শুনতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। সত্যি বলতে যখন হ্যাংআউটের কথাগুলো শুনে তখন মনে হয় আমরা সবাই একই ফ্যামিলির লোক। কারণ মনে হচ্ছে একই ফ্যামিলির সবাই একসাথে বসে কথা বলতেছে এবং কথাগুলো শুনতেছি। আসলে হ্যাংআউটের মাধ্যমে আমাদের সবার একটা সুসম্পর্ক হয়ে উঠল। আর আমাদের দাদাকে ধন্যবাদ দিতে হবে কারণ সেই আমাদের বাংলা ভাষা কথা বলার জন্য এবং কাজ করার জন্য খুব সুন্দর একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে।
বিশেষ করে বাংলা ভাষায় কথা বলতে ও লিখতে নিজের অনুভূতি বোঝাতে অনেক ভালো লাগে। এই কারণে দাদাকে ধন্যবাদ দিতে হয়। যখন আমি এই প্লাটফর্মে কাজ করি তখন বাংলা ভাষা দেখে আমার কাছে অনেক ভালো লাগলো। নিজের মাতৃভাষা কথা বলা সত্যি অনেক গর্বের বিষয়। তবে আমরা যেভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আশা করি খুব তাড়াতাড়ি আমরা ২০০ তম পর্ব হ্যাআউট যেতে পারবো।
এইসব ভাষা প্রকাশ করার মত নয়। ও দিন ১০০ তম হ্যাংআউট আমি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শুনেছিলাম। মাগরিবের পর থেকে অধিক আগ্রহে বসে রইলাম কখন হ্যাংআউট ১০০ তম চালু হবে। সত্যি এই অনুভূতি প্রকাশ করার মতো নয় তারপরও অনুভূতি আপনাদের মাঝে কিছুটা প্রকাশ করেছি। হয়তোবা সুন্দর করে গুছিয়ে একশতম হ্যাংআউট সমন্ধে ঠিকমতো লিখতে পারেনি। আশা করি আমার ১০০ তম হ্যাংআউটের অনুভূতি আপনাদের ভালো লাগবে।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
আসলেই দেখতে দেখতে কিভাবে যে ১০০ তম হ্যাংআউট আমাদের কাছ থেকে চলে গিয়েছে বুঝতেই পারলাম না। ওইদিন অনেক ভালো লেগেছিল হ্যাংআউট শুনতে। অনেক ধামাকা হয়েছিল। সত্যিই আমিও অপেক্ষায় ছিলাম কখন ১০০ তম হ্যাংআউট শুরু হবে। প্রত্যেকটা অনুভূতি তো আর লিখে প্রকাশ করা যাবে না। যেগুলো বোঝানোর মত সেগুলো লেখা যায়। আসলে অনেক অনুভূতি জমে আছে এই ১০০ তম হ্যাংআউট কে নিয়ে। আশা করছি সবাই এভাবে আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাব এবং ২০০ তম হ্যাংআউটও একসাথে থাকব। ভালো লাগলো আপনার আজকের অনুভূতির পোস্টটা পড়ে।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া ১০০ তম হ্যাংআউট এর বাসা লিখে প্রকাশ করা যাবে না। আপনার মন্তব্য শুনে অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে দেখতে দেখতে সময় কেটে যায়। এইতো সেই দিন শুনেছিলাম 70 তম হ্যাংআউট আর এখন একশতম হ্যাংআউট অতিক্রম করে ফেলেছি। আর হ্যাঁ আপনার মত হ্যাংআউট শুনতে আমার কাছেও বেশ ভালো লাগে। আর হ্যাংআউট এ জয়েন থাকলে কমিউনিটি সমস্ত ইনফরমেশন পাওয়া যায়। তাই চেষ্টা করি কোনো হ্যাংআউট মিস না দেওয়ার। যাইহোক ধন্যবাদ আপনাকে এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমি নিজেও হ্যাংআউট পর্ব মিস করিনা। আপনার মন্তব্য শুনে সত্যি অনেক ভালো লাগলো।
দেখতে দেখতে কিভাবে যে এতটা দিন পার হয়ে গেল আমরা বুঝতেই পারিনি ভাইয়া। যদিও আপনি কিছুদিন আগেই আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু তবুও আপনি আমাদের সবার অনেক আপন হয়ে গেছেন। আমরা এভাবেই হয়তো আরো অনেক দূর এগিয়ে যাব। একশতম হ্যাংআউট নিয়ে আপনার অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ঠিক বলেছেন আমরা সবাই আপন হয় গেলাম। যখন হ্যাংআউট শনি তখন মনে হয় আমরা সবাই একই পরিবার। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আসলেই এই কমিউনিটির অগ্রযাত্রার শুরু থেকেই রয়েছি দেখতে দেখতে একশটি হ্যাং আউট পর্ব শেষ হয়ে গেল । এই দিনটি আমার কাছে অনেক স্পেশাল ছিল পরিবারের মত সবার সাথে এখনো রয়ে গিয়েছি ।আপনার অনুভূতিগুলো অনেক ভালো লাগলো।
আমার অনুভূতিগুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে শুনে খুশি হলাম ধন্যবাদ আপনাকে।
১০০ তম হ্যাংআউট উপলক্ষে সবাই নিজেদের অনুভূতি পোস্ট এর মাধ্যমে লিখে খুবই সুন্দরভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। আসলে কিছু কিছু অনুভূতি রয়েছে যেগুলো লিখে প্রকাশ করা যায়। আবার কিছু কিছু অনুভূতি রয়েছে যেগুলো লিখে প্রকাশ করা যায় না। এই অনুভূতি টির মধ্যে কিছু অনুভূতি শেয়ার করার চেষ্টা করেছেন আপনি লেখার মাধ্যমে এটা দেখে ভালো লাগলো। এভাবেই সবাই একসাথে থেকে আশা করছি আরো অনেক হ্যাংআউট শেষ করব।
ঠিক বলেছেন অনুভূতি লেখে শেষ করা যাবে না হ্যাংআউটের। আপনার সুন্দর বক্তব্য শুনে অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
দেখতে দেখতে কিভাবে যে ১০০ তম হ্যাং আউট চলে এলো বুঝতেই পারিনি।আমাদের সকলের মাঝে এই দিনটিকে ঘিরে অনেক বেশি ভালো লাগা কাজ করছিলো। ১০০ তম হ্যাং আউটের আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে খুব ভালো লাগলো ভাইয়া। এভাবে আমরা একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাব এমনটাই আশাকরি। ধন্যবাদ ভাইয়া অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
আপু ঠিক বলেছেন আমরা একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাব এটাই আমি নিজেও আশা করি। সত্যি বলতে আপনার মন্তব্য শুধু অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
এতদিন অপেক্ষায় ছিলাম কখন ১০০ তম হ্যাংআউট আসবে। আর এখন দেখতে দেখতে কখন যে ১০০ তম হ্যাংআউট আমাদের কাছ থেকে চলে গিয়েছে টেরই পেলাম না। সত্যি অনেক ধামাকা হয়েছিল সেই দিন। অনেক ইনজয় করেছিলাম হ্যাংআউট শুনতে। সবারই মনের মধ্যে অন্যরকম একটা অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল ১০০ তম হ্যাংআউটের দিন। সবাই নিজেদের অনুভূতি খুবই সুন্দর ভাবে প্রকাশ করছে দেখছি। আপনার অনুভূতি মূলক পোস্টটা পড়েও ভীষণ ভালো লাগলো।
আসলে আমি নিজেও ১০০ তম হ্যা আউট এর জন্য অনেক অপেক্ষা করলাম। দেখতে দেখতে একশতম হ্যাংআউট শেষ হয়ে গেল। আপনার চমৎকার মন্তব্য শুনে অনেক ভালো।