শ্বশুর বাড়ির ভালোবাসা।
"হ্যালো বন্ধুরা"
সবাইকে আমার নমস্কার,আদাব।কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ঈশ্বরের কৃপায় সকলেই ভালো আছেন,সুস্থ আছেন!আমিও পরম করুনাময় ঈশ্বরের কৃপায় অনেক ভালো আছি,সুস্থ আছি।
আমরা সকলেই মানুষ আমরা সকলেই কোন না কোন ভাবে কোন একদিন বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হব এবং আমাদের নতুন একটি সম্পর্ক তৈরি হবে। রক্তের সম্পর্ক ছাড়াও একজন মানুষের সাথে আমাদের নতুন একটি সম্পর্ক তৈরি হবে এবং তাদের পরিবারের সাথে আমাদের একটি আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি হবে যে সম্পর্কটি রয়ে যাবে যুগ যুগ। ছেলে মেয়ে উভয়কেই কোন না কোন ভাবে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে এবং তারা কোন না কোনভাবে শ্বশুরবাড়ি পেয়ে যাবেন।প্রত্যেক নারীকে তার স্বামীর হাত ধরে চলে আসতে হবে অন্য এক মানুষের সাথে অন্য এক পরিবারে। বিয়ের পর তার স্বামীর হাত ধরে বাবা-মা ভাই-বোন আত্মীয়-স্বজন এবং পাড়া প্রতিবেশী সকলকে ছেড়ে চলে যেতে হবে অন্য কারো বাড়িতে এবং অন্য কাউকে আপন করে নিতে।শুধুমাত্র তারাশ্বশুরবাড়ির যায় একজন মানুষের উপর বিশ্বাস করে। শ্বশুর শাশুড়ি সকলের ভালো হয় না তবে আমরা নিজে ভালো থাকলে অবশ্যই শশুর শাশুড়িকে ভালো করে নেওয়া যায়। মনে রাখবেন শ্বশুর-শাশুড়ি পিতা-মাতার মতোই তাই আমাদের অবশ্যই উচিত পিতা-মাতাকে সম্মান করা।
আমি আমার শ্বশুর কে দেখিনি তিনি অনেক দিন আগেই পরলোকগমন করেন।তাঁর অনেক গল্পশুনেছি। মানুষ হিসেবে খুবই ভালো ছিলেন এবং এলাকায় টিচার হিসবেও তাঁর অনেক সুনাম ছিলো শুধু আমার শাশুড়ি আছেন।আমার শাশুড়ি মা আমাকে বরাবরই খুব ভালোবাসেন আমিও তাকে নিজের মায়ের মতোই সন্মান করি।আমার শাশুড়ি মা বেশিরভাগ সময় গ্রামের বাড়িতেই থাকেন মাঝে মধ্যে আমার এখানে ঘুরতে আসেন তার যতদিন মন চায় সে থাকেন আবার যখন মন চায় বাড়িতে চলে যান।তাকে কেউ কখনো কোনো বিষয়ে জোরজবরদস্তি করা হয় না। তার নিজের পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে চলাফেরা করেন।
সেদিন হঠাৎ করেই দেখি শাশুড়ি মা কল দিয়েছেন।রিসিভ করলাম তারপর তিনি বললেন একটু বাসার নিচে নেমে আসো তো। তার কথা শুনে সাথে সাথে নিচে নেমে গেলাম গিয়ে দেখি মা দুটো বড় বড় ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।আমি বললাম এসব কি?তখন মা বললেন এগুলো গাছের কিছু আম কাঁঠাল আর শাক আছে তোমাদের খাওয়ার জন্য নিয়ে আসলাম।আমি আর আমার মেয়ে মিলে ব্যাগ দু'টো বাসায় নিয়ে আসলাম সাথে মা আসলেন।পরে ব্যাগ খুলে দেখি কয়েক রকমের শাক,আম,কাঁঠাল,মাটির নিচের আলু যাকে পুরা আলু বলে।গাছে দু'টো ঝিঙ্গা হয়েছে দু'টো শসা, কয়েকটা বড় লেবু, কয়েকটা ছোট ছোট লেবু কাঁচামরিচ এনেছেন।
বাগানের লাল শাক দিয়ে চিংড়ি মাছের ঝোল রান্না করেছিলাম।খেতে এতটাই টেস্টি হয়েছিলো যা বলার মতো না।
খানমান শাক ভর্তা খেতে খুবই ভালো লাগে অনেক দিন ধরেই খেতে ইচ্ছে করছিলো কিন্তু বাজারে খুঁজে পাচ্ছিলাম না তাই খাওয়াও হচ্ছিলো না।মা বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা খানমান শাক এনেছে তাই অর্ধেক ভাজি করেছি আর অর্ধেক ভর্তা খাওয়ার জন্য রেখে দিয়েছি।
ডাক্তারের কাছে গেলেই আমাকে কচু শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন তাই মা মাঝে মাঝেই আমার জন্য কচু শাক নিয়ে আসেন।
আমার মেয়েরা লেবু খেতে খুবই পছন্দ করে,মাসে কতো লেবু যে কিনতে হয় তা গুণে শেষ করা যাবে না।বড় লেবু গুলো খুবই রসালো ছিলো।ছোট ছোট লেবু গুলো এতটাই টক ছিলো যা বলে বোঝাতে পারবো না।
আম খুব একটা মিষ্টি ছিলো না টকমিষ্টি আম।কাঁঠাল খুবই মিষ্টি আর রসালো ছিলো।রসালো কাঁঠাল দিয়ে মুড়ি খেতে খুবই ভালো লাগে আমার।
মাটির নিচের আলু যাকে আমাদের এলাকায় পুরা আলু বলে।পুরা আলুর ডাল, ভর্তা মাছ দিয়ে রান্না করে খেতে অনেক ভালো লাগে।আমার হাসবেন্ড খেতে খুবই পছন্দ করে তাই এটা তার জন্য রেখে দিয়েছি যাতে করে ছুটিতে এসে খেতে পারে।তার পছন্দের খাবার গুলো আমি রেখে দেওয়ার চেষ্টা করি।
এই ছিলো আমার শ্বশুর বাড়ির পক্ষ থেকে ভালোবাসার কিছু উপহার।এই উপহার গুলোর মূল্য হয়তোবা খুবই কম কিন্তু এর সাথে জড়িয়ে আছে ভালোবাসা তাই এগুলোর মূল্য আমার কাছে অনেক বেশি।আজ এখানেই শেষ করছি আবার দেখা হবে অন্য কোনো সময়ে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন এই প্রার্থনা করি।
সবার উচিত শ্বশুর শাশুড়িকে নিজের পিতা মাতার মতো ভালোবাসা। তাদের দোয়া এবং আশীর্বাদ জীবনে ভীষণ কাজে লাগে। আপনি তাদের ভীষণ সম্মান করেন জেনে খুব ভালো লাগলো। আপনার শ্বশুর বাড়ির উপহার দেখে মন জুড়িয়ে গেলো।
ধন্যবাদ আপু আমাদের সাথে আপনার অনুভূতি ভাগ করে নেয়ার জন্য।
দোয়া রইল।
একদম ঠিক কথা ভাইয়া।শ্বশুর শাশুড়ি কে নিজের বাবা মায়ের মতো সন্মান করা উচিত। আমি সবসময়ই চেষ্টা করি আমার কোনো কথায় যেনো শাশুড়ি মা কষ্ট না পান।দোয়া করবেন সারাজীবন যেনো ওনাকে সন্মান দিয়ে চলতে পারি।ধন্যবাদ ভাইয়া।
আসলে গ্রাম্য টাটকা শাকসবজি খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম।।
সব ধরনের টাটকা শাকসবজি দেখে তো আমারই লোভ হচ্ছে।।
আসলে আমাদের সবারই উচিত যারা আমাদের অধীনস্থ বৃদ্ধ মানুষ আছে তাদের সেবা যত্ন নেওয়া এবং তাদের স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার অধিকার দেওয়া।।
আপনার শ্বশুর বাড়ি এবং শাশুড়ি আম্মা সম্পর্কে অনেক কথা জানতে পারলাম খুবই ভালো লাগলো।।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া গ্রামের টাটকা সবজি খাওয়ার মজাই আলাদা। হ্যাঁ বৃদ্ধ বাবা-মাকে তাদের স্বাধীনতা দেওয়া উচিত যাতে করে জীবনের শেষ সময় গুলো হাসি আনন্দে কাটাতে পারেন।ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু একদম ঠিক বলেছেন আমরা নিজে ভালো থাকলে অবশ্যই শশুর শাশুড়িকে ভালো করে নেওয়া যায়। আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়িও খুব ভালো। আপনার মতো মাঝে মাঝে আমার বাসায় এভাবে মাঝে মাঝে উপহার পাঠায়। এমন কি যখন গ্ৰামে বেড়াতে গেলে আসার সময় আমার শ্বাশুড়ি সবসময় আমার হাতে অল্প হলেও টাকা দিবেই। তাদের এই ভালোবাসা কখনো ভুলার নয়। যাই হোক আপনার শ্বাশুড়ি গ্ৰাম থেকে অনেক কিছু নিয়ে এসেছে। টাটকা শাক দিয়ে রেসিপি দেখে জিভে জল চলে আসলো। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
জ্বি আপু আমরা চাইলেই তাদেরকে আপন করে নিতে পারি আর তখন তারাও আমাদের আপন করে নিবে।মাঝে মধ্যে এরকম উপহার পেলে সত্যিই অনেক ভালো লাগে।আপনার শাশুড়ি অনেক ভালো এবং আপনাকেও এরকম উপহার পাঠায় জেনে খুবই ভালো লাগলো আপু।সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার মধ্যেও অনেক আনন্দ আছে। ধন্যবাদ আপু।
প্রতিটি মেয়েকে জীবনের এক সময় এই যন্ত্রণাদায়ক মুহূর্তের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তারপরও যদি শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ ভালো হয় তাহলে তো কষ্ট কিছুটা কমে যায়। তাছাড়া ঠিকই বলেছেন আপু নিজে ভালো থাকলে সবাইকে ভালো করে নেয়া যায়। আপনার শাশুড়ি আম্মা আপনার জন্য বেশ টাটকা কিছু সবজি এবং ফলমূল নিয়ে এসেছেন। এরকম ভালোবাসা পেতে আসলেই খুব ভালো লাগে। তাছাড়া আপনি রান্না করার পর মনে হচ্ছে সবজি গুলো বেশ সুস্বাদু ছিল। দোয়া করি এই ভালোবাসা সারা জীবন পেয়ে যান।
জ্বি আপু সবকিছু ছেড়ে চলে আসার পর যখন শ্বশুর বাড়ির সবার আদর ভালোবাসা পাওয়া যায় তখন কিছুটা হলেও কষ্ট কমে যায়। টাটকা সবজি ছিলো তাই খেতেও অনেক সুস্বাদু ছিলো আপু।দোয় করবেন আপু সবসময়ই যেনো এই ভালোবাসা নিয়ে চলতে পারি।অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
এটা আমিও মনে করিনি নিজে ভালো থাকলে সবাইকে ভালো করে নেয়া যায়। আপনার শাশুড়ি গ্রাম থেকে আসার সময় আপনাদের জন্য কিছু টাকা শাক-সবজি ফলমূল নিয়ে এসেছে। কম হলেও এগুলোর মধ্যে অনেক ভালোবাসা জড়িয়ে রয়েছে। যেগুলো আপনার জন্য অনেক বেশি বুঝতেই পারছি। আসলেই শ্বশুর-শাশুড়ি নিজের বাবা মায়ের মত তাই তাদেরকে বাবা মায়ের মত সম্মান দেওয়া উচিত। ভীষণ ভালো লেগেছে আপনার করা আজকের এই পোস্ট আমার কাছে। জাস্ট অসাধারণ ছিল সম্পূর্ণটা।
শ্বশুর শাশুড়িকে নিজের বাবা-মা মনে করলে অবশ্যই তারা আমাদের কেও নিজের মেয়ে মনে করবেন আর তখন সংসারে কোনো অশান্তি থাকবে না।সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
শ্বশুর বাড়ি ভালোবাসা ছাড়া কোন গৃহবধুর জীবনের সার্থকতা পরিপূর্ণভাবে হয় না। আপনার শাশুড়ি আপনাকে খুবই ভালোবাসে এটা জানতে পেরে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আপনি আপনার শ্বশুর বাড়ি থেকে খুবই সুন্দর সুন্দর ফল এবং সবজি পেয়েছেন। আসলে এগুলোর মূল্য কম হলেও ভালোবাসার দিক থেকে এগুলো অমূল্য সম্পদ। আপনার শ্বশুর শাশুড়ি যেন সবসময় এভাবেই আপনাকে ভালোবেসে যায় এমনটাই এমন প্রত্যাশা করি।
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া।শ্বশুর বাড়ির মানুষের কাছ থেকে যদি ভালোবাসা অর্জন না করা যায় তাহলে একটি পুত্রবধূর জীবন অপূর্ণ থেকে যায়।এই উপহার গুলো আমার জন্য আশীর্বাদ সরূপ। দোয়া করবেন ভাইয়া।ধন্যবাদ।
আপনার শাশুড়ি মা দেখতেছি গ্রামের বাড়ি থেকে তাজা সবজি এবং কিছু ফল নিয়ে আসলো। আসলে আপু আপনি ঠিক বলেছেন মেয়েরা বিয়ের পর নতুন এক ঠিকানায় চলে যায়। ওখানে অচেনা মানুষগুলোকে আপন করে নেই। যদিও নিজে ভাল হয় তাহলে শ্বশুর শ্বাশুড়ি গুলোকে আপন করতে দেরি হয় না। আপনি আপনার শ্বশুরকে দেখেন নাই কিন্তু শাশুড়ি মা জানতে পারলাম অনেক ভালো মানুষ। যাক তাজা সবজি এবং ফলগুলো খুব সুন্দর করে খেতে পারবেন। আপনার পোস্টটি পড়ে সত্যি অনেক ভালো লাগলো।
হ্যাঁ ভাইয়া আমার শাশুড়ি মা গ্রাম থেকে আমার জন্য অনেক গুলো ভালোবাসার উপহার নিয়ে এসেছেন তাই সেই অনুভূতি গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি।অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য টি করার জন্য।
শশুর শাশুড়িকে যদি আপন করে নিতে পারে তাহলে শ্বশুর বাড়ি মেয়েদের জন্য অনেক সুখের হয়। তবে ঠিক বলেছেন আপু নিজে ভালো হলে শ্বশুর-শাশুড়ি গুলো ভালো হয় এবং অনেক আদর করে। আপনার শাশুড়ি মা আপনার জন্য অনেক ধরনের সবজি এবং ফল নিয়ে আসলো। আসলে এটি হচ্ছে ভালোবাসা আপনার শাশুড়ির মার। আসলে ভালোবাসা কোন মাপা যায় না। আমি নিজেও আমার শ্বশুর শাশুড়িকে অনেক সম্মান করি তারা আমাকে অনেক আদর করে। যদিও মেয়েদের বিয়ের পর অচেনা পরিবেশকে আপন করে নিতে হয়।
জ্বি আপু অপরিচিত মানুষ গুলোকে যদি আপন করে নেওয়া যায় তাহলে সংসার জীবন অনেক সুখের হয়। আপনার শাশুড়ি মা আপনাকে অনেক ভালোবাসে জেনে খুবই ভালো লাগলো।সবসময়ই এই ভালোবাসা গুলো সবার জীবনে থাকুক এই প্রার্থনা করি। ধন্যবাদ আপু।
শ্বশুরবাড়ি থেকে এরকম ভালোবাসা পাওয়া সত্যি অনেক ভালো লাগে। যেহেতু আপনার শাশুড়িকে কেউ জোর জবরদস্তি করে না, তাই ওনার যখন ইচ্ছে করে তখন আসে এবং যখন ইচ্ছে করে তখন চলে যায়। অনেক তাজা তাজা শাকসবজি এবং ফলমূল নিয়ে এসেছে ওনার শাশুড়ি দেখছি। আসলেই শশুর শাশুড়িকে নিজের বাবা মায়ের মত সম্মান জানানো উচিত এবং সম্মান দেওয়া উচিত। যাইহোক বেশ ভালোই লাগলো এবং সবকিছু খুবই মজাদার ভাবেই রান্না করেছেন। ভালো লাগলো সম্পূর্ণ বিষয়টা পড়ে।
জ্বি ভাইয়া আমার শাশুড়ি মাকে কেউ কখনো জোরজবরদস্তি করে না তার যখন যেখানে মন চায় সেখানেই থাকে। আমাদের সবার উচিত শ্বশুর শাশুড়ি কে নিজের বাবা-মা মনে করা। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি তো দেখছি শ্বশুরবাড়ি থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন আপনার শাশুড়ি আপনার জন্য অনেক রকম সবজি এবং ফল নিয়ে এসেছে। আসলেই কিছু কিছু বন্ধন আছে যে বন্ধন গুলো একদম আত্মার সঙ্গে মিশে যায় আর এই বন্ধন গুলো কখনোই শেষ হবার নয়। শ্বশুর বাড়ির এরকম ভালবাসা প্রতিটা মেয়েই আশা করে। ভালো লাগলো আপনার আজকের এই পোস্ট পরে, শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
জ্বি ভাইয়া শাশুড়ি মায়ের কাছ থেকে অনেক গুলো ভালোবাসার উপহার পেয়েছি।একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া শ্বশুর শাশুড়ির কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়া প্রতিটি মেয়েরই কাম্য।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।