নিরিবিলি শহরে পরিবার নিয়ে ঘুরাঘুরি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টঃ
নিরিবিলি শহরে পরিবার নিয়ে ঘুরাঘুরি
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আসলে আমার মনে হয় ঘুরাঘুরি করতে সবাই অনেক পছন্দ করি। আমার কাছে ও ঘুরাঘুরি করতে অনেক ভালো লাগে। তাই তো সময় পেলেই মাঝে মাঝে কোথায় ও ঘুরতে যায়।তবে এবার বলতে গেলে ঈদে তেমন কোথাও যায়নি। ঈদের দুই দিন পরে গিয়েছিলা আমার ননদের বাসায়। আসলে সেই বাসায় বোড়ানোর মেইন ছিল ভাইয়া অসুস্থ তাই দেখার জন্য গিয়েছিলাম।তবে আমার ননদের বাসা মেইন শহরে, যদি ও আমাদের বাড়ি থেকে যেতে তেমন সময় লাগে না। আমার আবার বাইরে একটু কাজ ছিল, আসলে টুকিটাকি কাজ, তবে ঘুরাঘুরি করাই মেইন উদ্দেশ্য ছিল। যাইহোক তো চলুন শুরু করি আমার আজকের পোস্ট।
প্রথমে আমরা অটোতে করে বাড়ি থেকে বের হলাম। আসলে আমরা বলতে আমরা চারজন, আমরা দুজন ও আমার দুই মেয়ে। আমার মেয়ে অটোতে উঠে অনেক খুশি, অনেক বলতে আসলে ওর আব্বু তো আমাদের সাথে তেমন যায় না, সেই দিন গিয়েছে এই কারণে বেশি খুশি।তবে ঈদের তৃতীয় দিন গিয়েছিলাম।রাস্তাঘাট সবকিছু কত সুন্দর নিরিবিলি, কোন ঝামেলা নেই । আসলে আমাদের মার্কেটে কিছু কাজ ছিল কিন্তু সেদিনের মত আমি কখনো এমন ফাঁকা মার্কেট দেখিনি। তারপর ফাকা রাস্তা দেখে আমরা বিশ মিনিটে পৌঁছে গিয়েছিলাম মেইন শহরে।সত্যি এমন নিরিবিলি পরিবেশে পরিবার নিয়ে ঘুরতে সবারই অনেক ভালো লাগে।
নেমে চলে গেলাম মার্কেটে , আসলে গিয়ে দেখি প্রায় দোকান বন্ধ রয়েছে। আমি দুটি জিনিস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু দোকান বন্ধ থাকার জন্য কাজ হলো না। তারপর আমরা যেহেতু ননদের বাসায় যাব, তাই আর মার্কেটের ভিতর তেমন দেরি করিনি।কিন্তু আমার মেয়ে দুটি তার বাবাকে সহজে এভাবে পায় না, তাই তারা বায়না ধরল কিছু খাবে।আসলে আমরা তো বাসায় গিয়ে খাব কিন্ত বাচ্চারা চলছে তাই আর না খেয়ে উপায় কি।তারপর পাশেই একটা রেস্টুরেন্টে দুই মেয়েকে নিয়ে তার বাবা খাওয়াতে লাগল।আমি আবার একটু লাইব্রেরিতে গিয়েছিলাম খাতা কলম ও অন্যান্য জিনিস কেনার জন্য। তাই রেস্টুরেন্টের খাওয়ানোর ছবি তুলতে পারিনি।তবে বাচ্চা দুটি ভিষণ খুশি তার বাবাকে এভাবে কাছে পেয়ে।
তারপর আমরা সবাই একটু হেঁটে রোডের অন্য পাশে চলে আসলাম। সেখান থেকে কিছু ফল কিনব বলে কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো সেখানে সকল দোকান বন্ধ ছিল। তাই আর কিছু কিনতে পারি নি।তবে আমরা বাড়ি থেকে কিন্তু চিতই পিঠা ও মাংস নিয়ে গিয়েছিলাম। আসলে এত কম লোকজন এর আগে আমি কখনো দেখিনি। তারপর আবার প্রায় দোকান বন্ধ। ইস এমন যদি সারাবছর থাকত তাহলে শান্তিতে কেনাকাটা করা যেত।
তারপর রাস্তার পাশে কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকার পর একটা রিক্সা এলো। সেই রিক্সা করে আমরা ননদের বাসায় চলে গেলাম। সত্যি বলতে অনেক দিন পরে এভাবে আমরা চারজন এক সাথে ঘুরাঘুরি করলাম। আমার থেকে আমার মেয়েরা অনেক খুশি তার বাবার সাথে ঘুরতে পেরে । যাইহোক আমার কাছে ও অনেক ভালো লেগেছে।আমার মনে হয় সবাই এভাবে প্রিয় মানুষের সাথে ঘুরতে পছন্দ করে। আমরা বেশ ভালো সময় পার করেছি। আশাকরি আপনাদের কাছে ও আমাদের কাটানো সময় টুকু ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | LGK30 |
| লোকেসন | লিংক |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।