"আমার চোখের জন্য চশমা"
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ১২ ই জুলাই, বুধবার, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
কয়েকটি ছবিকে একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। কয়েকদিন আগে আমি আমার চোখের সমস্যার জন্য কুমারখালীর বিশ্বাস কমিউনিটি হাসপাতাল থেকে চোখের ডাক্তার দেখিয়েছিলাম। ডাক্তার দেখানোর পর আমাকে একটি চোখের ড্রপ এবং চশমা নেওয়ার পরামর্শ দেয়। যদিও চোখের ড্রপটি আমি কয়েকদিন ধরে ব্যবহার করছি কিন্তু সেরকম ভালো ফলাফল পাচ্ছিনা। এখন দেখি শেষ পর্যন্ত ভালো ফলাফল পায় কিনা! কয়েকদিন আগে ডাক্তার দেখালেও কুষ্টিয়া থেকে ভালো চশমা বানানোর জন্য একটু দেরি হচ্ছিলো।
আজকে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে রেডি হয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। আমি কুষ্টিয়া তে গেলে বেশিরভাগ সময় ট্রেনে যাতায়াত করি। কারণ ট্রেনে যাওয়া আসা করতে আমার ভালো লাগে। তারপর স্টেশনে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর কুষ্টিয়া যাওয়ার জন্য শাটল টেন আসে। তারপর ট্রেনে উঠে কুষ্টিয়াতে যাই। কুষ্টিয়াতে পৌঁছানোর পরে ট্রেন থেকে নেমেই সরাসরি চলে যায় পুরাতন পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে।
পুরাতন পাবলিক লাইব্রেরির সামনে "মা অপটিক্সস্" নামে একটি চশমার দোকান আছে। এই চশমার দোকানটি বেশ ভালো ও নামকরা। কারণ এখানে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বেশ ভালো মানের চশমা দেওয়া হয়। তারপর মা অপটিক্সস্ এ গিয়ে প্রথমে ডাক্তারের দেয়া চশমা ব্যবহারের প্রেসক্রিপশন টি দেখালাম। তখন দোকানদার প্রেসক্রিপশন টি দেখে বলল যে, এই চশমা বানাতে মোট ৬৫০ টাকা লাগবে।
তারপর আমি ভালো একটি ফ্রেম পছন্দ করলাম। মোটামুটি এই ফ্রেমের দাম ৩০০ টাকা। চশমা যাতে খুব সহজেই না ভেঙ্গে যায় তাই জন্য রাবারের ফ্রেম পছন্দ করলাম। তারপর আমি ফ্রেম পছন্দ করে দিয়ে বললাম যে, চশমা বানাতে কত সময় লাগবে? তারপর দোকানদার বলল যে ১৫ মিনিট মত অপেক্ষা করেন হয়ে যাবে। তারপর দোকানদারের কথামতো কিছু সময় দোকানে বসে অপেক্ষা করতে থাকলাম।
তারপর আমার চশমা বানানো সম্পূর্ণ হয়ে গেলে চোখে দিয়ে দেখলাম যে সবকিছু ঠিক আছে কিনা! আমার চশমাটা চোখে দিয়ে মনে হলো যে, বেশ ভালোই চোখের সাথে একজাস্ট হয়েছে। তারপর দোকানদারকে টাকা দিয়ে সিএনজিতে করে বাড়িতে চলে আসলাম। আমার এই চশমাটা ব্যবহারের পর থেকে চোখে অনেক ভালো অনুভব করছি।
আপনারা সবাই দোয়া এবং আশীর্বাদ করেন যাতে আমার চোখের সমস্যাটা তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যায়।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
| ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
| তারিখ | ১২ ই জুলাই |
| লোকেশন | কুষ্টিয়া |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

চমশমা কেনার ঘটনা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই। শাটল ট্রেনে করে কুষ্টিয়া যেয়ে চশামা বানিয়ে নিলেন ডাক্তারের পরাম্ররশ অনুযায়ী। বেশ ভালো করেছেন। আশাকরি আপনার চোখের সমস্যা তাড়াতাড়ি কাটিয়ে উঠবেন।
হ্যাঁ আপু দোয়া করেন যাতে আমার চোখের সমস্যাটা ভালো হয়ে যায়। আর কমেন্ট একটু ভুল আছে আপু এডিট করে নিবেন দয়া করে। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
চোখ আমাদের অমূল্য সম্পদ। যাদের চোখে সমস্যা থাকে তারা বুঝে চোখ কি জিনিস। ডাক্তারি পরামর্শে চশমা এবং ড্রপ দিচ্ছেন তাহলে ভালোই করতেছেন। অনেক দূরে গিয়ে চশমা বানিয়েছেন। ঠিকমতে চশমা দিলে চোখে তেমন সমস্যা করবে না। আমার হাজবেন্ডের ও চোখে সমস্যা সে সব সময় চোখে চশমা ইউজ করে। দোয়া করি যেন আপনার চোখ দুটি ভালো হয়। আর ডাক্তারি পরামর্শে সব সময় চশমা ইউজ করবেন।
হ্যাঁ আপু আপনি ঠিকই বলেছেন চোখ আমাদের অমূল্য সম্পদ। চোখ না থাকলে পুরো দুনিয়াটাই অন্ধকার। সুন্দর উপদেশ মূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।