ফুটবল খেলা দেখা এবং সামান্য কিছু খাওয়া দাওয়া || আমার বাংলা ব্লগ
আজ- সোমবার
সবাইকে সুস্বাগতম জানিয়ে আজকে আবার নতুন একটি পোস্ট শুরু করতে যাচ্ছি। আজকে চলে আসলাম জোরপুকুরে ফুটবল খেলা দেখতে আর সেই ফুটবল খেলার অভিজ্ঞতা গুলো আজকে আপনি মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করব আশা করি আজকের এই পোস্টটা অনেকে ইন্টারেস্টিং হবে তবে চলুন শুরু করি। ফুটবল খেলাটা অনুষ্ঠিত হয়েছে কুষ্টিয়া বনাম জোড়পুকুর দুইটা টিম । একদিকে শক্তিশালী টিম কুষ্টিয়া অন্যদিকে প্রায় সমপরিমাণ শক্তিশালী বলা যায় জোড়পুকুরিয়া কারণ এখানে প্রায় বেশিরভাগ প্লেয়ারই বাইরে থেকে হায়ার করে আনা হয়েছে যার জন্য মোটামুটি দুটো দলই সমান শক্তিশালী একদিক থেকে কুষ্টিয়ার টিমে শুনলাম নাইজেরিয়ার প্লেয়ার হায়ার করে এনেছে অন্যদিকে জোড়পুকুরিয়া অত্র এলাকার শক্তিশালী প্লেয়ারগুলো হায়ার করে এনেছে।
আমি এবং আমার ফ্রেন্ড সজীব মূলত গিয়েছিলাম বামুন্দিতে কিছু বাজার করার উদ্দেশ্যে আসলে আজকে ছিল সোমবার এবং আজকে বামুনদির অনেক বড় একটা হাট যার কারণে কিছু শীতের পোশাক এবং কিছু খাওয়া-দাওয়া করার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলাম বামনদিতে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল পোশাক বিক্রয় করে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বাড়িতে ফিরে আসবো তবে আসার পথে একটা রিক্সা চালক বলছিল যে জোড়পুকুরে এখন নাকি খেলা চলছে তাই আমি এবং সজীব ভাবলাম দুজনে মিলে কিছুক্ষণ খেলা দেখে যাক যদি জমজমাট হয় তাহলে দেখব আর যদি না হয় সে ক্ষেত্রে বাসায় ফিরে যাব। তো মোটামুটি ১০-১৫ মিনিট দেখার পরে কেউ একটা গোল দিতে পারছিল না এবং ১০-১৫ মিনিট পরে হাফ টাইম দিয়ে দিল আসলে আমরা খেলার হয়তোবা মাঝখানের সময় এসেছিলাম তারপরে আমি এবং আমার বন্ধু সজীব দুজন মিলে আশপাশে ঘুরে পরিবেশটা উপভোগ করছিলাম।
পাশে রয়েছে বড়াওয়ালা এবং জিলাপি ওয়ালা আপনারা হয়তো সবাই জানেন যে বাজার ঘাটে বা হঠাৎ কোনো অনুষ্ঠানে পিয়াজ বড়া এবং জিলাপি ভাজা হয় তো এখানেও তার ব্যতিক্রম ছিল না আশপাশে ঘুরে দেখলাম একজন ভাই জিলাপি বিক্রয় করছিলেন তো আমি এবং আমার বন্ধু আধা কেজি জিলাপি ক্রয় করে ওখানে বসে খেলাম আসলে জিলাপি খেতে কেন জানি না আমার বেশ ভালো লাগে। এইতো ২-১ বছর আগেই জিলাপি খেতে আমার তেমন একটা ভালো লাগতো না তবে এখন জানি না খেতে অনেক মজা লাগে বিশেষ করে গরম গরম জিলাপি । আবার এক সময় আমার পাঙ্গাস মাছ খেতে বেশ ভালো লাগতো তবে এখন কেন জানিনা ভালো লাগে না যাই হোক বয়সের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হচ্ছে। তো আমরা খাওয়া-দাওয়া শেষে একটা ছোট ভাই দেখছি যে ছোলা এবং ঝাল মুড়ি বিক্রয় করছে ওই ভাইয়ের কাছে ছোলামুড়ি খেয়ে টুকিটাকি একটু খেলা দেখে তারপর আবার বাসায় ফিরে আসলাম আসলে একদিকে সন্ধ্যা লেগে যাচ্ছিল বাসায় যাওয়ার রিক্সা যদি না পাই সেই ক্ষেত্রে আবার ঝামেলা হয়ে যাবে তাই দ্রুত চলে আসলাম।
তো যাই হোক ফুটবল খেলা দেখার সাথে, সাথে খাওয়া-দাওয়া এবং আড্ডা হল মোটামুটি ভালই লাগলো । ধন্যবাদ সবাইকে এতক্ষন পাশে থেকে আমার ব্লগটা উপভোগ করার জন্য আবার নতুন কোন ব্লগে খুব শীঘ্রই দেখা হচ্ছে ততক্ষণ সবাই সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন এই কামনাই করি।
- ১০% বেনিফিসার প্রিয় @shy-fox কে দেওয়া হয়েছে।
🫂ধন্যবাদ!!!🤵
| ব্লগার | @emonv |
|---|---|
| ফটোগ্রাফি ডিভাইস | Infinix note 11 pro |
[[🔉প্রিয় স্টিমিট ইউজারগন,,]]👩💻"ইমন ব্লগ"👩💻 এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। আমার নাম মোঃ ইমন রেজা। বর্তমানে আমি একজন মাধ্যমিক🏫 শিক্ষার্থী। আমি প্রায়শই নিজেকে আবিস্কার করি। কেননা এটা আমার কথায় এবং লিখাই নতুন স্বাদ যুক্ত করে, যার ফলে আমি নিজের সবথেকে ভালো টুকু আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করতে পারি। আমি প্রতিদিন একবার নিজের সাথে কথা বলি, কারণ এটা আমার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরো বাড়িয়ে দেয়। আমি ভ্রমণ করতে এবং ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। আমি প্রতিনিয়ত নতুন ,নতুন মানুষদের সাথে মিশে তাদের জীবনের অভিজ্ঞতার ভালোটুকু আমার জীবনে বাস্তবায়িত করতে পছন্দ করি।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
দারুন একটি দিন অতিবাহিত করেছেন।বামুনদি বাজারের কথা আমি শুনেছি যায়নি কখুনো।আমার বাসাও কুষ্টিয়া তে ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ফুটবল খেলা দেখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। যদিও অনেক বছর আগে মাঠে গিয়ে ফুটবল খেলা দেখার সুযোগ হয়েছিল। কারণ আমাদের এখানে কোনো মাঠ নেই এখন। যাইহোক গরম গরম জিলাপি খাওয়ার মজাই আলাদা। মাঝেমধ্যে বিকেল বেলা ঝালমুড়ি বা বিভিন্ন ধরনের স্ট্রেট ফুড খেতে দারুণ লাগে। আর খেলা দেখতে গিয়ে এই ধরনের খাবার খেতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। যাইহোক বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছেন আপনারা। পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
বামন্দির হাটে গিয়ে সেখান থেকে ফেরার পথে আবার জোড়পুকুরিয়াতে খেলা দেখলেন এতে তো দেখছি একসাথে দুই কাজ হয়ে গেল। যাই হোক আপনি ঠিক বলেছেন বয়সের সাথে সাথে আমাদের মুখের স্বাদও চেঞ্জ হয়ে যায়। আমারও আগে অনেক কিছুই খেতে ভালো লাগতো যেগুলো এখন আর খেতে ভালো লাগে না আবার অনেক কিছু খেতে ভালো লাগতো না সেগুলো আবার এখন খেতে ভালো লাগে। যাইহোক সব মিলিয়ে এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
বামুন্দি বাজারে পোশাক ক্রয় করতে গিয়ে ফুটবল খেলা,ব্যাপার টা বেশ দারুন লাগলো। আপনি আপনার বন্ধু সহ ভালো ফুটবল খেলা উপভোগ করেছেন। আপনি আপনার বন্ধু সহ হাঁফ টাইমে আধাকেজি জিলাপি খেয়েছেন।সব মিলিয়ে অনেক ভালো খেলা উপভোগ করেছেন।
আপনি জোড়পুকুরে আসছিলেন। বাহ আমাদের বাসার কাছেই জোড়পুকুর। যাক সুন্দর একটি খেলার মুহূর্ত উপভোগ করেছেন আপনি। কুষ্টিয়ার টিমে নাইজেরিয়ার প্লেয়ার বাহ আমি তো মিস করে গেলাম। এত সুন্দর একটি খেলা আমাদের এলাকায় হলো।আপনি ও আপনার ফ্রেন্ড আমাদের এলাকায় বাজার করতে এসেছিলেন জেনে বেশ ভালো লাগলো। আপনিও আপনার বন্ধু মিলে বেশ সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছেন। খাওয়া-দাওয়া করেছেন। সব মিলিয়ে খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত উদযাপন করেছেন। আমার ভীষণ ভালো লাগলো ভাইয়া।অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য
।
আপনার বাসা আমাদের এলাকার আশেপাশে! ওয়াও একদিন দেখা হবে ইনশাল্লাহ।