ইকো পার্ক থেকে তোলা কিছু ফটোগ্রাফি || পর্ব - ০৬
বন্ধুরা ,
| সবাই তোমরা কেমন আছো ? আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছো। সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে আমিও অনেক অনেক ভালো আছি। |
|---|
আজকের ব্লগে প্রথমেই সবাইকে স্বাগতম জানাই । আজকের ব্লগে তোমাদের সাথে কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করব। এই ফটোগ্রাফি গুলো আমি ইকো পার্কের মধ্য থেকে তুলেছিলাম। ভাস্কর্যে বাংলার ইতিহাস নামক একটি উদ্যান ছিল এই ইকো পার্কের মধ্যে। এই উদ্যানের মধ্যে বাংলার ইতিহাসের অনেক বিষয়কে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছিল ভাস্কর্যের মাধ্যমে। এই উদ্যানটির মধ্যে গিয়ে আমার খুব ভালো লেগেছিল। আমার সাথে আমার বন্ধুরা ছিল তারাও এই জায়গাটির খুব প্রশংসা করেছিল। ইকো পার্ক থেকে তোলা ফটোগ্রাফি নিয়ে শেয়ার করা পূর্বের ব্লগটিতে আমি এই উদ্যানের কিছু অংশের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছিলাম। সেই দিনের পর্বে সমস্ত জায়গার ফটোগ্রাফি শেয়ার করা সম্ভব হয়নি। তাই আজ বাকি যে ফটোগ্রাফি গুলো সেই দিন শেয়ার করা হয়নি সেইগুলো তোমাদের মাঝে শেয়ার করব। এই জায়গাটি সত্যিই বাঙালির জন্য একটি গর্বের জায়গা। বাংলার গর্বিত ইতিহাসকে এখানে খুব সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছিল। বাংলার মহান মানুষদের অবদান ইতিহাসের পাতায় কতটা রয়েছে তার এক ঝলক এখানে আসলে জানা যায়।
এখানে সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা পরিচালনা করার দৃশ্যকে খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভাস্কর্যের মাধ্যমে। শুটিংয়ের সময় সত্যজিৎ রায় কেমন করে শুটিং করতেন তা খুব নিখুঁতভাবে ভাস্কর্যের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাচ্ছি। বাংলার সিনেমা জগতে সত্যজিৎ রায়ের অবদান অনেক বেশি। এই মূল্যবান অবদানের জন্য আজও তিনি বাংলা সিনেমা প্রেমীদের কাছে পূজনীয়। এত বছর পরও তাঁর পরিচালনা করা সেই সিনেমাগুলো এখনো মানুষের মন কেড়ে নেয়। মানুষের ইমোশনকে জাগিয়ে তোলে তাঁর পরিচালনা করা সুন্দর সুন্দর সিনেমা গুলো। সিনেমা কথাটির সাথে সত্যজিৎ রায় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলার ইতিহাসে তাঁর অবদান কখনোই ভুলার নয়।
বল বীর চির উন্নত মম শির এই কথাটি শুনলেই বাংলার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ছবি চোখের সামনে চলে আসে । স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এই বিদ্রোহী কবির কবিতা এবং লেখালেখির অনেক ভূমিকা রয়েছে। কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরা সেই প্রতিবাদী লাইনগুলো মানুষের মনে আলোড়নের সৃষ্টি করেছিল ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পূর্বে। বিদ্রোহী কবিতার কয়েকটি বিখ্যাত লাইন সেই সময় মানুষের মনে কেমন প্রভাব ফেলেছিল তার কিছু অংশ ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে এখানে।
এইখানে একজন বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে এবং অন্যজন গানের প্র্যাকটিস করছে , এক কথায় বলতে গেলে বাদ্যযন্ত্রের সাথে সংগীতের প্র্যাকটিসের একটি দৃশ্য ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
এইখালি অংশের চারপাশেই বাংলার ইতিহাসের বিভিন্ন বিষয়কে ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছিল। উদ্যানের মধ্যে এত সুন্দর খালি জায়গা থাকায় খুব সুন্দর ভাবে ঘুরে ঘুরে সবকিছু দেখা যাচ্ছিল।
এই গাছগুলোর সঠিক নাম আমি জানিনা। এই ভাস্কর্য উদ্যানের চারপাশে এই গাছগুলো দিয়ে ঘেরা ছিল। খুবই সুন্দর লাগছিল এই শোভা বর্ধক গাছগুলোর জন্য।
সুরের সাথে নৃত্যের তালের একটি দৃশ্য ভাস্কর্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাংলার সংস্কৃতির একটা অংশ এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
ছোট ছোট সবুজ যে গাছ গুলো দেখা যাচ্ছে সেই গাছ গুলো হলো স্নেক প্ল্যান্ট। এই প্ল্যান্ট পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বাতাসে অতিমাত্রায় অক্সিজেন প্রদান করতে পারে এই প্লান্ট। স্নেক প্ল্যান্ট আরেকটি নামে পরিচিত সেটি হল শাশুড়ির জিভ।
আমরা যখন কোথাও ঘুরতে যাই তখন এরকম সুন্দর ঐতিহাসিক সম্পর্কে জানা যায় সেই রকম স্থানে পরিদর্শন করা খুবই ভালো।এমন স্থানে ঘুরতে যাওয়া মানে নিজের জাতির স্বাধীনতা অর্জনের অনেক কিছু ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায়।আপনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন এবং সাথে ফটোগ্রাফিও শেয়ার করেছেন।ভালো লেগেছে আপনার পোস্টটি পড়ে।
ঠিক বলেছেন আপু, এরকম স্থানে ঘুরতে গেলে আমরা আমাদের পূর্বের ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারি। আমার শেয়ার করা পোস্টটি পড়ে আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক খুশি হলাম।
এমন জায়গা আমাদের এখানে যে কেন নেই আফসোস হয়।ভাস্কর্য গুলো অত্যন্ত সুন্দর। আর আপনার ফটোগ্রাফিতে আরো সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে।স্নেক প্লান্ট এর বাংলা শ্বাশুড়ির জিভ শুনে প্রচুর হাসি পেয়েছে,এত মিল আর পাওয়া যায়না।ধন্যবাদ দাদা সুন্দর একটি জায়গার ফটোগ্রাফ ও বর্ণনা শেয়ার করার জন্য।
ভাই হয়তো আছে, একটু খুঁজে দেখলে হয়তো পেয়েও যেতে পারো। স্নেক প্ল্যান্টের অন্য নামটি সত্যিই অনেক হাস্যকর🤣🤣 আমি প্রথমবার যখন জেনেছিলাম তখন আমিও অনেক হেসেছিলাম।
ভাস্কর্যে বাংলার ইতিহাস উদ্যানটির নাম যেমন সুন্দর তেমনি সুন্দর কারুকার্য গুলো। বাংলার বিভিন্ন ইতিহাস হয়তো সেখানে লুকিয়ে আছে। আসলে ইকো পার্কের ভিতরের দৃশ্যগুলো সত্যি অনেক সুন্দর। যদিও কখনো যাওয়া হবে না। তবে আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া।
বাংলার ইতিহাসের অনেক বিষয়কে ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে এই উদ্যানটিতে। উদ্যানটির ভিতরের দৃশ্য গুলো সত্যি অনেক সুন্দর ছিল। আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক খুশি হলাম।
ইকো পার্ক থেকে তোলা প্রতিটা ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর হয়েছে আপনার।অনেক নিখুত ভাবে আপনি প্রতিটা ফটোগ্রাফি করেছেন ধন্যবাদ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আপনি করেছেন। আসলে ভাইয়া সত্যি বলতে কি? আমরা যখন কোন দর্শনের স্থানে ঘুরতে যাই তখন সেখানে ফটোগ্রাফি করার জন্য আমাদের অনেক ইচ্ছে হয়। আর সে যদি হয় একজন নিখুত ফটোগ্রাফার।
আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো আপনার সুন্দর লেগেছে জেনে খুব খুশি হলাম আপু। কোন দর্শনীয় স্থানে গেলে সেই জায়গার স্মৃতিগুলো আমরা ক্যামেরাবন্দি করে রাখি কারণ বাড়ি এসে পুনরায় এই স্থানগুলো দেখতে খুব ভালো লাগে।
বাহ! ভাইয়া খুবই দুর্দান্ত ফটোগ্রাফি করেছেন। ইকো পার্কের ভিতরে বাংলার ইতিহাসের আলোকে ঐতিহ্য গুলো খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে। আসলে আপনি ঠিকই বলেছেন এখানে গেলে বাংলার ঐতিহ্য সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা যাবে এবং আপনি সেগুলোকে খুব চমৎকার ভাবে ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু। হ্যাঁ আপু, ভাস্কর্যের মাধ্যমে সেই দিন বাংলার ইতিহাসের অনেক কিছুই জানতে পেরেছিলাম।
আপনার পোষ্টের মাধ্যমে অনেক সুন্দর সুন্দর ভাস্কর্য দেখতে পেলাম। এ ধরনের ভাস্কর্য আমার অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
আমার পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করা ভাস্কর্য এর ফটোগ্রাফি আপনার ভালো লেগেছে শুনে অনেক খুশি হলাম আমি। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু ।
আপনার তোলা সবগুলো ফটোগ্রাফি আমার ভাল লেগেছে।ভাস্কর্য গুলো দারুন। আপনি খুব সুন্দরভাবে ছবিগুলো আমাদের শেয়ার করেছেন, এজন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আমার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা করার জন্য।