"ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ডোপ টেস্ট রিপোর্ট বিআরটিএ অফিসে প্রেরণ"
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ২৭ ই এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আমি কুষ্টিয়াতে গতকাল এসেছিলাম আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ডোপ টেস্ট করানোর উদ্দেশ্যে। আপনারা জানেন যে গতকালকে কুষ্টিয়া সদস্য জেনারেল হাসপাতালে ডোপ টেস্ট করানোর জন্য ইউরিন দিয়ে এসেছিলাম। আর আমার ডোপ টেস্টের রিপোর্ট আজকে সকালে দেয়ার কথা ছিল।
তাই আজকে সকালে নয়টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে চলে গেলাম ডোপ টেস্ট রিপোর্ট আনার জন্য। তারপর গতকাল যে রিসিট টা দিয়েছিল সেটা দেখিয়ে ডোপ টেস্ট রিপোর্ট নিলাম। ডোপ টেস্ট রিপোর্টে দেখলাম ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। যদিও আমি কোন ধরনের নেশা করি না তারপরও ডোপ টেস্ট রিপোর্টের নেগেটিভ ফলাফল থেকে বেশ ভালই লাগছিল।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে ডোপ টেস্টের রিপোর্টটা নিয়ে সোজা চলে গেলাম ডিসি কোর্টের বিআরটিএ অফিসে। তারপর বিআরটিএ অফিস থেকে তারা বলল প্রথমে ব্যাংক গ্রাফ করতে হবে। কিন্তু আমি জানতাম না যে আজই ব্যাংক গ্রাফ করতে হবে আমি ভাবছিলাম যে ডোপ টেস্ট রিপোর্টটা নিয়ে জমা দিয়ে গেলেই এই ফিঙ্গারের ডেটটা পেয়ে যাব। কি আর করার ব্যাংক গ্রাফ তো করতেই হবে প্রতিদিন তো আর এভাবে আসা যায় না, এই ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বেশ ভালই বিআরটিএ অফিসে ঘুরলাম অনেকদিন ধরেই।
আমার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা না থাকার জন্য আমার পিসির ছেলে অর্ঘ্য কে ফোন দিলাম আর বললাম যে আমার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা নেই, ব্যাংক গ্রাফ করার জন্য পিসির কাছ থেকে টাকা নিয়ে আসতে। তারপর আমি ডিসি ডিসি কোর্টের বিআরটিএ অফিসের সাথে এনআরবিসি ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলাম। তারপর কিছু সময় পরে ও আসলে ওর থেকে টাকা নিয়ে ব্যাংক গ্রাফ করলাম। আমার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরসাইকেলের লাইসেন্সে উভয়ের জন্য ব্যাংক গ্রাফ করতে ২৭৭২ টাকা লাগলো। এনআরবিসি ব্যাংকে ব্যাংক গ্রাফ করার পরে দুইটি রসিদ দিল।
এবারে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রথমে যে লার্নার করেছিলাম সেটার অরিজিনাল কপি নিয়ে কম্পিউটারের দোকানে গেলাম। আমার লার্নার কপিতে কিছু ভুল আছে সেগুলো ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করার সময় ঠিক করে নেবো।
তারপর ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করলাম। আমার লার্নার কপিতে যে যে ভুল আছে সেগুলো ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করার সময় ঠিক করে নিলাম। এবারের কম্পিউটারের দোকান থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্সের লার্নারের রেজুলেশন এর ফটোকপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন ফরম, লার্নারের ফটোকপি,আমার ভোটার আইডির ফটোকপি, আমার সার্টিফিকেটের ফটোকপি, ব্যাংক গ্রাফ কপি, ডোপ টেস্ট রিপোর্ট এই কাগজ গুলো সব একসাথে করে বিআরটিএ জমা দিলাম। বিআরটি অফিস আমার এই কাগজগুলো পর্যবেক্ষণ করে রবিবারে একটি লিখিত রিসিট দেবে সেখানে ফিঙ্গারের ডেট লেখা থাকবে। তারপর আমাকে রিসিটে উল্লেখিত তারিখ অনুযায়ী ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
| ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
| তারিখ | ২৬ অক্টোবর |
| লোকেশন | কুষ্টিয়া |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

আশা করছিলাম আপনার ডোপ টেস্ট রিপোর্ট যেন নেগেটিভ আসে আসলে সেটাই হয়েছে। যাইহোক সবকিছুতে প্রায় কমপ্লিট হয়ে গিয়েছে এখন ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিলেই আপাতত রোড পাস পেয়ে যাবেন যেটা দিয়ে পুরো বাংলাদেশ ঘুরতে পারবেন।
হ্যাঁ ভাই এখন শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিলে রোড পাস পেয়ে যাব। এক বছর ধরে এই ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বিআরটিএ অফিসে ঘুরতেছি। রোড পাস ফেলে বেশ ভালোই লাগবে। সুন্দর মতামত প্রদানের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।