ডাই : কাঁঠালের পাতার ভেতরে বাঘের চিত্রাঙ্কন।
হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আমি অনেক সুন্দর একটি কাঁঠালের পাতার ভেতরে বাঘের চিত্রাঙ্কন করলাম।
পাতা কেটে কেটে বিভিন্ন ডিজাইনের চিত্রাংকন করতে আমি অনেক দেখেছি। আর এইগুলো দেখতে আমার কাছে ভীষণই ভালো লেগেছে। তাই জন্য ভাবলাম আমিও একটা পাতার মধ্যে কিছু একটা অঙ্কন করব। তাই জন্য আমি মূলত ভাবতে শুরু করে আসলে কি করা যায়। ভাবতে ভাবতে বের করলাম যদি একটা বাঘের চিত্রাঙ্কন করি তাহলে কেমন হয়। করার আগ পর্যন্ত আমার আইডিয়া ছিলনা আসলে আমি পারবো কিনা। কিন্তু তারপরেও ভাবলাম শুরু করি, পারফেক্ট হয় কিনা সেটা জানিনা। এই ধরনের কাজগুলো অনেক আস্তে করতে হয়। কারণ যদি একটু কেটে যায় তাহলেই শেষ। তো জানিনা আসলে এটা বাঘের মত হয়েছে কিনা। আপনারা দেখে নিশ্চয়ই বলতে পারবেন। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
যে ভাবনা সেইভাবে কাজ শুরু করলাম। আজকের এই ডাই করতে আমার কি কি উপকরণ লাগলো এবং কিভাবে আমি এই ডাই তৈরি করলাম তার ধাপে ধাপে বর্ণনা করে আপনাদের সাথে এই সম্প্রদায়ে ভাগ করে নিলাম। আশা করি আমার আজকের ডাই পোস্ট আপনাদের ভালো লাগবে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
• কাঁঠাল পাতা
• কলম
• কাটার
প্রয়োজনীয় বিবরণ :
ধাপ - ১ :
প্রথমে আমি একটি কাঁঠাল পাতা নিলাম। এরপর আমি পাতার উপরে কলম দিয়ে একটু একটু করে বাঘের মুখের কিছুটা অংশ আঁকা শুরু করি।
ধাপ - ২ :
এরপর আমি এভাবে একটু একটু করে মুখের কিছুটা অংশ এঁকে নিলাম।
ধাপ - ৩ :
এরপরে এরপর একটা চিকন কাটার দিয়ে আস্তে আস্তে কেটে কেটে ডিজাইন করা শুরু করি।
ধাপ - ৪ :
এভাবে আমি একটা চোখ এবং নাকের অংশটা কেটে নিলাম।
ধাপ - ৫ :
এরপর আমি অন্য আরেকটা চোখের অংশ কেটে নিলাম।
ধাপ - ৬ :
এরপরে আমি একটু একটু করে মুখের দুইপাশের কিছুটা অংশ কেটে কেটে ডিজাইন করে নিয়েছি।
ধাপ - ৭ :
এরপর কপালের উপরের কিছুটা অংশ কেউ একটু একটু করে কেটে নিলাম।
শেষ ধাপ :
এভাবে আমি পুরো পোস্ট করা শেষ করি। আশা করি আমার আজকের ডাই পোস্ট আপনাদের ভালো লাগবে। পরবর্তীতে আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ডাই |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi note 9 |
| ফটোগ্রাফার | @tasonya |
| লোকেশন | ফেনী |
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।
🎀 ধন্যবাদ সবাইকে 🎀 |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy

কাঁঠালের পাতার ভেতরে অনেক সুন্দর ভাবে বাঘের চিত্র অঙ্কন করেছেন আপু। বাঘের চিত্রটি অনেক সুন্দর ভাবে এঁকেছেন পেন দিয়ে। তারপর সেটি অনেক সূক্ষ্মভাবে কেটে তৈরি করেছেন। দেখে বোঝা যাচ্ছে তৈরি করতে আপনার অনেক সময় প্রয়োজন হয়েছে। অনেক ভালো লাগলো আপু আর্ট টি দেখে। ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ এটা তৈরি করতে সময়ের প্রয়োজন হয়েছে। আমার এই চিত্রাঙ্কন ভালো লেগেছে জেনে খুশি হয়েছি অনেক।
https://twitter.com/TASonya5/status/1768496110304391302?t=aIiJYjG22ySxnTOQ6vYxZw&s=19
পাতা কেটে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করা দেখতে আমার কাছেও খুবই ভালো লাগে। কিন্তু কখনো করার সাহস পায়নি। খুব কঠিন মনে হয় আমার কাছে। আপনি সাহস করে পাতার ভিতরে বাঘের মুখের শেপ করার চেষ্টা করেছেন। এজন্য এত সুন্দর ভাবে করতে পেরেছেন। পাতা কাটার সময় খুব সাবধানে কাটতে হয়। তা না হলে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে কেটেছেন জন্য আরো ভালো ভাবে ফিনিশিং দিতে পেরেছেন।
হ্যাঁ পাতা খুবই সাবধানে কাটা লাগে।
আপু নতুন করে কি বলবো জানি না ৷ আপনার আর্ট করা বা ডিজাইন পেইন্টিং বরাবরই দূদান্ত আর্ট পোষ্ট করেন ৷ কাঁঠালের পাতায় বাঘের নকশা সত্যি অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে ৷ আর ইউনিক ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন ৷ অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এমন সুন্দর একটি কাঁঠালের পাতার ভেতরে বাঘের চিত্রাঙ্কন শেয়ার করার জন্য ৷
চেষ্টা করেছি সুন্দর করে কাঁঠালের পাতার ভেতরে বাঘের চিত্রাঙ্কন তুলে ধরার জন্য।
আপনার ক্রিয়েটিভিটি দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। আপনি আজকে কাঠালের পাতার ভেতর খুবই চমৎকার একটি বাঘের চিত্র অঙ্কন করেছেন। আপনার চিত্র অংকটি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। এত সুন্দর একটি চিত্র অংকন তৈরি করে আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমার চিত্রাঙ্কন আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হয়েছি অনেক বেশি।
আপনার আইডিয়া বেশ দারুন ছিল কাঁঠাল পাতার উপরে বাঘের চিত্রাংকন দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। দেখে বোঝা যাচ্ছে কাজটি করতে অনেক কঠিন ছিল। তাও আপনি সুন্দর করে গুছিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছে। সুন্দর ও ইউনিক একটি চিত্রাংকন আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
দারুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে। কাঁঠাল পাতার উপরে বাঘের চিত্রাংকন দেখে আপনি মুগ্ধ হয়েছেন শুনেই ভালো লাগলো।
আসলে দক্ষ হলে যে কোন কিছু করাই সম্ভব। কাঁঠালের পাতার উপর বাঘের মুখের স্মৃতি খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। যখন সূর্যের আলোকরশ্মি সেই কাঁঠালের পাতার উপর পড়েছে দেখতে আরো সুন্দর লাগছে । এরকম উপস্থাপনা গুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগে । যেটা আপনার ক্রিয়েটিভিটি থেকে করা ভালো লাগলো। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
চেষ্টা করতে থাকলে এক সময় মানুষ দক্ষতা অর্জন করে। তাই আমিও সব কিছু চেষ্টা করি। তেমনি এটাও।
কাঁঠালের পাতার ভিতরে বাঘের চিত্র অসাধারণ হয়েছে। এর আগেও আপনার কাছ থেকে এরকম চিত্র অংকন দেখেছি। এ ধরনের কাজ আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। সম্পূর্ণ ইউনিক একটা পোস্ট করেছেন। যদিও কাজগুলো করতে অনেক ধৈর্য ও সময়ের ব্যাপার। তবুও আপনার পোস্ট আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন যা বুঝতে সুবিধা হয়েছে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
পাতার উপর কোন কিছুর চিত্রাঙ্কন এর বিষয় সত্যি ধৈর্য ও সময়ের ব্যাপার।
কোন পাতার উপর চিত্র অংকন এটি অনেক ধৈর্য এবং দক্ষতার প্রয়োজন। আপনি দেখছি বেশ পারদর্শী এই কাজে।আপনি নিখুঁতভাবে এটি তৈরি করে আপনার দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। কাঁঠালের পাতার ভেতরে বাঘের চিত্রাঙ্কন আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
নিখুঁত নিখুঁত ডিজাইনের মাধ্যমে পুরোটা আঁকার চেষ্টা করেছি এমন কি কাটার চেষ্টা করেছি।
ওয়াও আপু! আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে এই লিফ আর্ট শুরু করেছিলেন সম্ভবত মোস্তাফিজুর ভাই। ভাইয়ের কড়া লিফ আর্টগুলো দেখে আমিও উৎসাহিত হয়ে কয়েকটি করেছি। আজ লিফ আর্ট পোস্ট দেখে খুবই ভালো লাগলো। আপনি ভাবেই বাঘের মুখ কে কাঁঠাল পাতায় ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। আর শুধু ছায়ার ছবি তোলাটাও আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছে। আপনার জন্য শুভকামনা।
ছায়ার ছবি আপনার পছন্দ হয়েছে জেনে অনেক ভালো লাগলো।