লাইফ স্টাইল- ডেঙ্গু জ্বরে গ্রহণযোগ্য এবং বর্জনীয় কিছু খাবার
আসসালামু আলাইকুম
আসসালামু আলাইকুম
❤️শুভ সকাল আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি পরিবারের সকলকে❤️। ভালো থাকি আর নাই বা থাকি, জীবন তো আর থেমে থাকবে না। জীবন চলবে জীবনের গতিতে। আর জীবনের চালিকা শক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে প্রয়োজন সুস্থ্যতা। আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামত হলো দেহের সুস্থ্যতা। যতক্ষন শ্বাস তো ততক্ষন আশঁ। তাই তো দেহকে সুস্থ্য রাখতেই আমাদের সব সময় সচেষ্ট থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে সুস্থ্য দেহ, সুস্থ্য মন কর্মব্যস্ত সুখী জীবন। সকলের সুস্থ্যতা কামনা করে শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ❤️। প্রতি সপ্তাহের মত আজও নতুন একটি লা্ইফ স্টাইল ব্লগ নিয়ে উপস্থিত হলাম আপনাদের মাঝে। আশা করি প্রতিদিনের মত আজকে ও আমার ব্লগটি আপনাদের সবার বেশ ভালো লাগবে। চলুন তো পড়ে আসি আমার আজকের লাইফ স্টাইল ব্লগটি।
যতই দিন যাচেছ চারদিকে বেড়েই চলছে ডেঙ্গু জ্বরের প্রভাব। ডেঙ্গুর প্রভাবে হাসপাতাল গুলো এখন নাজেহাল অবস্থা। এবারের ডেঙ্গু জ্বরে হঠাৎ করেই রোগী খারাপ হয়ে যাচেছ। কমে যাচ্ছে রক্তচাপ। মাঝে মাঝে রোগী অজ্ঞান হয়ে যাচেছ। তাই ডেঙ্গু হওয়ার পরে বাড়িতে রোগীর প্রতি একটু বাড়তি কেয়ার নেওয়া দরকার। এ সময়ে ডেঙ্গু রোগীর দেহের ক্যালোরীও কমে যায়। রোগী হয়ে পড়ে দূর্বল। তাই এখনকার সময়ে ডেঙ্গু রোগীর প্রতি আমাদের একটু বাড়তি সচেতন হতে হয়। মনে রাখতে হবে জ্বরের সময় রোগীর খাবারের অরুচি থাকে। তাই তো আমাদের জেনে রাখা ভালো যে ডেঙ্গু রোগীর কি কি খাবার খাওয়া উচিত, আর কি খাবার খাওয়া উচিত নয়। আর আজ আমি আপনাদের সাথে তেমনি কিছু খাবারের বিষয়ে আলোচনা করতে যাচিছ।
★ এ সময়ে রোগীক তরল খাবারের পাশাপাশি নরম খাবার দিতে হবে। যা সহজে হজম হয়। যেমন জাউ ভাত, সুজি, সাবু এবং নরম কাটা ছাড়া মাছ।
★ এ সময়ে রোগী অরুচির জন্য বেশী খাবার খেতে পারে না। আর এ জন্য এ সময়ে অধিক ক্যালোরিযুক্ত খাবার রোগী কে খাওয়াতে হবে। যেমন- নরম পাতলা খিঁচুড়ী, পুডিং, পায়েস, ফিন্নি, টক দই, মিষ্টি দই ইত্যাদি
★ ডেঙ্গু জ্বরের সময় দেহে প্রোটিনের চাহিদা অনেকগুন বেড়ে যায়। দেহের ক্ষয়পূরণ এবং তাড়াতাড়ি সুস্থ্য হযে উঠার জন্য দেহে প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। যেমন- দুধ, ডিম, মুরগী, চর্বি ছাড়া লাল মাংস ইত্যাদি এ সময়ে রোগী কে দেওয়া যেতে পারে।
★ এ সময়ে রোগী কে বাড়িতে বানোনো কম মসল্লা যুক্ত খাবার দিতে হবে।
★ ডেঙ্গু জ্বরের সময় দেহে হিমোগ্লোবিন এবং প্লেটিলেট এর পরিমান কমে যেতে থাকে। এ সময়ে দেহের হিমোগ্লোবিন এবং আয়রনের মাত্রা ঠিক রাখতে খেতে হবে বিভিন্ন ধরনের আয়রনযুক্ত খাবার। যেমন- কলিজা, ডিম, ডালিম, পাকা পেপে, মিষ্টি কুমড়ার বিচি, বিট রুট, খেজুর সবুজ শাক সবজি ইত্যাদি দিতে পারে দেহে আয়রণের যোগান।
★ এ সময়ে দেহের জন্য প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি জাতীয় খাবার প্রয়োজন। তাই এ সময়ে আমড়া, জাম্বুরা, আনারস, জলপাই, লেবু ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে।
★ যদি এ সময়ে রোগীর পাতল পায়খানা বা বমি হয়ে থাকে তাহলে শাকসবজি, দুধ, ডাল ইত্যাদি খাবার তালিকা হতে বাদ দিতে হবে। সেই সাথে এ সময়ে রোগী কে জাউ ভাতের পাশাপাশি মুরগীর ঝোল, কাচাঁ কলা, ডাব, স্যালাইন, রাইস স্যালাইন মুরগীর স্যুপ দিতে হবে।
★ এ সময়ে অতিরিক্ত ভাজা পোড়া, তেল মসলা যুক্ত খাবার, ফাস্টফুড পরিহার করা উচিত।
★কাচাঁ সবজি বা কাচাঁ খাবার ইত্যাদি পরিহার করা উচিত
★ কড়া দুধ চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক্স, সফট ড্রিংক্স ও পরিহার করা উচিত।
★ যে কোন ধরনের শক্ত খাবারও পরিহার করা উচিত।
মনে রাখতে হবে ডেঙ্গু জ্বরে আতঙ্ক নয়। বরং আমাদের সচেনতাই আমাদের কে এ ধরনের রোগ হতে সহজেই মুক্তি দিতে পারে। আর তাই এ সকল বিষয়গুলোর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমাদের লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করে আমরা ডেঙ্গু জ্বরে হতে সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারি।
আজ এখানেই শেষ করছি। আবার আসবো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে নতুন ভাবে আপনাদের কাছে। কেমন লাগলো আপনাদের কাছে আমার আজকের ব্লগটি ? আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের আশায় রইলাম। সবাই ভালো থাকবেন এবং সাবধানে থাকবেন।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
যাক ভাল ধারুন একটি সচেতনতা মূলক পোষ্ট পড়লাম। আপনি একটি সত্যি কথা বলেছেন ডেঙ্গু জ্বরে আতঙ্ক নয় সাবধানতাই পতিরোধ করা সম্ভব। ধন্যবাদ আপু।
জি ভাইয়া আতঙ্কিত হয়ে লাভ কি? ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের জন্য কিছু বর্জনীয় খাবার এর পোস্ট । আসলে আপনার কথার সাথে আমি একদম একমত আপু ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে রোগীদের তরল খাবার এবং নরম খাবার দেওয়া উচিত। কিছুদিন আগে এই জ্বরে আমিও আক্রান্ত হয়েছিলাম। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া আমি তো ডেঙ্গু জ্বরে গ্রহণযোগ্য এবংবর্জনীয় খাবার নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করেছি মাত্র। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
একদম সময়োপযোগী একটি পোস্ট করেছেন আপু। বর্তমানে ডেঙ্গুর আতঙ্কে মানুষ অনেক বেশি চিন্তিত। এ অবস্থায় নিজেকে সেফ রাখা এবং খাবারের প্রতিও নজর দেয়া দরকার।ধন্যবাদ আপনাকে সময়োপযোগী একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ।
জি চেষ্টা করেছি। সময় উপযোগী একটি পোস্ট করতে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
বর্তমান পরিস্থিতিতে, এই ডেঙ্গু জ্বর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে অনেক ভয়াবহ একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। আপনি আজকে খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন দেখছি ,ডেঙ্গু জ্বরে আমাদের কি কি খাবার খাওয়া উচিত ?কি কি উচিত নয়? এ থেকে অনেকেই হয়তো উপকারিত হবে।
আপু চেষ্টা করেছি একটি উপকারী পোস্টকরার জন্য। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
বেশ কিছুদিনের মধ্যে, ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। সময়ের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে আপনি খুবই উপকারী একটি পোস্ট করেছেন আপু। এই সময় সকলেরই খাদ্যে অনীহা দেখা দেয়, সেই বিষয়টাকে মাথায় রেখে রোগীর কোন কোন খাবার খাওয়া উচিত এবং কোন খাবার গুলো খাওয়া উচিত নয়, সেই বিষয়টা খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন।
জি ভাইয়া সময়ের সাথে তো তাল মিলিয়েই চলতে হয়। তানা হলে কি আর উপায় আছে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।