কৃষকের স্বপ্ন নিয়ে ফটোগ্রাফি,১০%প্রিয় লাজুক শেয়ালের জন্য।
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই।আশা করছি ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ,ভালো আছি।শীত বিদায় নিলেও বিদায় নেয়নি শীতের আরেক বন্ধু শিশির।আজ সকালে উঠেই শিশিরভেজা কৃষানের স্বপ্নছোঁয়া কিছু ফসলের মাঠ পরিদর্শন করলাম।বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে ধানক্ষেত,নেপিয়ার ঘাস,বেগুন গাছ,রসুন,পেঁয়াজ দেখে খুবই ভালো লাগলো।সাথে সাথেই শুরু করলাম ফটো তোলা।শিশিরভেজা এমন প্রাকৃতিক দৃশ্য কার না ভালো লাগে।যদিও এটা আমার প্রথম ফটোগ্রাফি।
তো শুরু করা যাক,ফটোগ্রাফি নিয়ে আজকের পর্ব।
ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।৯০ দিনের এই ফসলটি খুব যত্নকরে রোপন করে কৃষকেরা।জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে সার,রোপন,নিড়ানী,তারপর ধান কেটে মাড়াই করা।যাই হোক,এখন ধানের প্রথম দিকের শেষ ধাপ চলমান।ধানের সুবিশাল ক্ষেত।দেখলেই মন জুড়িয়ে যায়।
চিত্রঃ ধানক্ষেত
রাখাল রেখে বিস্তীর্ণ জমিতে আগে গরু চড়ানো হতো।সময়ের সাথে এখন তার পরিবর্তন ঘটছে।গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘড়ে ঘড়ে গাভী পালন করতে দেখা যায়।ধানের পাশাপাশি গরুর খাদ্য হিসাবে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ করতে দেখা যায়।এটি গরুর খাদ্য হিসাবে ব্যাপক চাহিদা পুরন করে আসছে।এই ঘাসে গাভীর দুগ্ধবৃদ্ধিতে ব্যাপক সহায়ক।শিশির ভেজা নেপিয়ার জাতের ঘাসের ছবি তুললাম।ঘাসে ফুল এসেছে।কতগুলো কেটে ছোট করা হয়েছে।
চিত্রঃ নেপিয়ার জাতের ঘাস
গ্রামীণ জনপদের নিজস্ব খাদ্য উৎপাদনের অংশ হিসাবে নিজ জমিতেই রসুন,পেঁয়াজের আবাদ করছে।যদিও মৌসুমী রবিশস্য অনেকটাই কম দেখা যায় আমাদের অঞ্চলে।বাসার পাশেই ছোট্ট জমিতে বাবার লাগানো পেঁয়াজ,রসুনের ক্ষেত।
চিত্রঃরসুন
চিত্রঃপেঁয়াজ
আর কিছুদিন পর জমি থেকে উঠানো হবে,পেঁয়াজ,রসুন।
মাঝেমধ্যে বেগুনের গাছ লাগানো হয়েছে।বেগুনের গাছ অনেকটাই বেড়ে উঠেছে।নতুন কুড়ি আসছে।কুড়ি থেকেই বেগুন পাওয়া যাবে।
চিত্রঃবেগুন
পেঁয়াজ,রসুনের মাঝেই রাধুনী শাকের গাছ।ডালসহ অন্যান্য তরিতরকারিতে বেশ ভালো লাগে এই রাধুনী শাক।যদিও আমি এটা খেতে তেমন আগ্রহী নই।
চিত্রঃরাধুনী শাক
চিত্রঃমিস্টি কুমড়ার ফুল
আম গাছে নতুন মুকুল এসেছে।মৌমাছি পাশেই উড়ছে।চারিদিকে আমের মুকুলের ঘ্রান।প্রতিকুলতা পেরিয়ে হয়ে উঠবে পরিপক্ক আমে।
চিত্রঃআমের মুকুল
এটাই ছিলো কৃষকের ফসলি ক্ষেত নিয়ে আমার প্রথম ফটোগ্রাফি।চেস্টা করেছি বিস্তার করে বলার।জানিনা কতটুকু পেরেছি।ভালো লাগবে মন্তব্য আশা করছি।
ভালো থাকার শুভ প্রত্যয়ে আজ এখানেই শেষ করছি।দেখা হবে পরবর্তী কোন সংলাপে।সে পর্যন্ত ভালো থেকো,সুস্থ্য থেকো,নিরাপদে থেকো,প্রিয় প্লাটফর্ম@amarbanglablog
| বিষয় | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| বর্ণনায় | @kamrul8217 |
| লোকেশন | w3w |
| ডিভাইস | Samsun A32 |
| তারিখ | ৯ মার্চ ২০২২ |
এতক্ষন সাথে ছিলাম আমি@kamrul8217
পেশায় একজন সাংবাদিক,উপস্থাপক ও ক্ষুদ্রলেখক।জ্ঞান আহরণের সর্বাত্মক ছুটে চলা।একজন সাদাসিধা জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষ।দু-চোখে যা দেখি শব্দাকারে তা লিখতে থাকি।ভালো কাজে পাশে থাকি।একজন প্রকৃত মানুষ হওয়ার চেস্টায় চিরকৃতজ্ঞতায় পাশে আছে দুই বাংলার এক অবিচ্ছেদ্য প্রাণ@amarbanglablog
গ্রাম বাংলার অনেক ফসলের ছবি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। যেগুলো নিয়ে কৃষক বেঁচে থাকে। ঠিক বলেছেন ভাই গ্রামের কৃষকরা গরু ছাগল লালন-পালন করতে খুবই পছন্দ করে। আর ঐ নেপিয়ার জাতের ঘাস এসে কৃষকদের অনেক সুবিধা করে দিয়েছে। ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনি সুন্দর মন্তব্য করেছেন।গ্রামাঞ্চলে নেপিয়ার জাতের ঘাস গাভী পালনে নতুন উদ্যমী করে তুলছে।খুব অল্প জায়গায় ঘাসের আবাদ করে গাভী পালনের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে থাকে।দুগ্ধখামারে এই ঘাস নতুন সংযোজন ঘটেছে।
কৃষকের স্বপ্ন জড়িয়ে থাকে কৃষি ফসলের উপর তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে শরীরের ঘাম ঝরিয়ে জমিতে ফসল ফলায়। তাদের উৎপাদিত ফসলের মধ্যেই তাদের সকল স্বপ্ন লুকায়িত থাকে। একজন কৃষক ফসল ঘরে তোলার পরেই তার সকল সপ্নের বাস্তবায়ন শুরু হয়। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। আমার কাছে খুব ভালো লাগলো আপনার ফটোকপি গুলো। ধন্যবাদ আমাদের মধ্যে শেয়ার করার জন্য। অনেক অনেক শুভকামনা।
বাহ আপনি চমৎকার ব্যাখ্যা করেছেন,কৃষকের লালিত স্বপ্নের ফসল নিয়ে।হাড়ভাংগা পরিশ্রমে ফসল ঘড়ে উঠে ন্যায্য মুল্য পেলে তারা স্বার্থক।প্রকৃতির সাথে প্রতিটা সময় তাল মিলিয়ে আমাদের জন্য খাদ্যের যোগান দিয়ে থাকে।সকল কৃষানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হোক সেই প্রত্যাশায়।
ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয়।
কৃষকের নানা রকমের ফসলের অনেক সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করলেন। কৃষকেরা তো অনেক কষ্ট করে এরকম ফসলগুলো চাষ করে। যদি ফসলে ভরপুর হয় তাহলেই তো কৃষকের মুখে হাসি ফোটে। আপনি খুবই চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করলেন। আমার কাছে বেগুন ফুলের ফটোগ্রাফি টা অসাধারন লাগলো। ধাপে ধাপে অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করলেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল 🤗🤗
বেগুনে নতুন কুড়ি আসছে। এই কুড়ি থেকে ছোট ছোট বেগুনের জন্ম নিবে। আস্তে আস্তে একই খাওয়ার উপযোগী হবে। দিনভর কৃষকের পরিশ্রমের এমন ফসলি ক্ষেত দেখে খুবই ভালো লাগে। কৃষকের সোনার এই ফসল ঘরের ঠিকঠাক তুলতে পারলেই তাদের সার্থকতা। ভালো ফলন ও ফসলের ন্যায্য মূল্যে কৃষকের মুখে হাসি লেগে থাকুক চিরকাল।
কৃষক সুন্দর ফসল ফলাতে পারলেই তার জীবন সার্থক। আপনি ফসলি জমির ফসলের খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন যেটা দেখে পরান টা জুড়িয়ে গেল। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনি সত্যি বলেছেন, কৃষক ভালো ফসল ফলাতে পারলেই তার সার্থকতা। তবে, ফসলের ন্যায্য মূল্য কৃষকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি তাদের কষ্টে ফালানো ফসলগুলোর ভালো দাম পাবেন তারা। কৃষকের মুখে হাসি থাকা মানেই একজন নাগরিক হিসেবে সার্থকতা খুঁজে পাই। চেষ্টা করছি, কৃষকের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য।
বেশ ভালো লাগলো কৃষকের স্বপ্ন নিয়ে ফটোগ্রাফি দারুন দারুন ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনি ধানক্ষেত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।আমের মুকুল দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। বেগুন পেঁয়াজ অনেক সুন্দর করে বিশ্লেষণ দিয়েছেন।
ধানক্ষেত সুবিস্তৃত এক সবুজের সমারোহ। কৃষকের সোনালী স্বপ্নের এমন দৃশ্য আমাকে বিমোহিত করেছে। আমের মুকুল গুলো ধীরে ধীরে ধীরে গুটিতে পরিণত হবে। সময় এর সাথেই বিভিন্ন গঠনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এটি একটি পরিপক্ক আমে পরিণত হবে।
প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগে। আপনি আজকে কিছু প্রাকৃতিক দৃশ্যর সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। খুবই সুন্দর লাগছে আর দেখতে অনেক ভালো লাগছে অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
অত্যন্ত চমৎকার ও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপহার দেওয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভালোবেসে পাশাপাশি থাকার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনি এই পর্বে সবুজের সমাহারে আপনার ফটোগ্রাফি টি সাজিয়েছেন। প্রতিটা ছবিই বেশ ভালো ছিল বিশেষ করে সবুজের একটা ছোঁয়া যেন মনে দোলা দিয়ে গেলো।
আপনি খুবই সুন্দর কথা বলেছেন, সবুজের এমন সমারোহে চোখ জুড়িয়ে যায়। কৃষকের এমন স্বপ্নের ফসলি ক্ষেত সত্যি মনমুগ্ধকর। ছবিগুলো ভালো লাগায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
আপনি কৃষকের স্বপ্নকে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন । সুন্দর ফসল ফলাতে পারলে কৃষক ধন্য। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।
ভাই খুবই চমৎকার চমৎকার বেশ কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে কার না ভালো লাগে, আপনি প্রকৃতির কাছে গিয়ে বেশ কিছু ছবি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখতে খুবই অসাধারণ লাগছে, সেই সাথে আপনার উপস্থাপনাটা খুবই চমৎকার ছিল। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আমাদের মাঝে এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে নেই কোন মানা। এমনই সবুজে ঘেরা প্রকৃতির মধ্যে আমি কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। প্রকৃতির খুব কাছ থেকে ছবিগুলো নেওয়া।
প্রকৃতি নিয়ে অসাধারন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাই। আমার কাছে অনেক ভালো লাগলো আপনার সবগুলো ফটোগ্রাফি। আসলে আমাদের দেশে কৃষক এইসব। আমাদের সবার উচিত সব কৃষক ভাইদের সম্মান করো।ধান, ধনেপাতা, রসুনের গাছগুলো অনেক ভালো ছিল। আপনি খুব সুন্দর করে সব কিছুর বর্ণনা আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
দেশমাতার মুক্তিকামী আমাদের কৃষক সম্প্রদায়। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে আমাদের জন্য খাদ্যশস্যের যোগান দিয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময়ে তারা তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য পাননা। শুধু তাই নয় সম্মান,শ্রদ্ধার ক্ষেত্রেও তাদেরকে পিছিয়ে রাখা হয়। আমাদের উচিত শ্রমজীবী সকল মানুষের সঠিক মূল্যায়ন করা।