লাইফ স্টাইলঃ-কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরাঘুরি এবং ঝাল মুড়ি খাওয়ার একটি মুহূর্ত।
সবাইকে স্বাগতম,
আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির কাজের ধারাবাহিকতায় সাপ্তাহিক প্রথম দিন আজ। হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি ব্লগ নিয়ে। যেহেতু সাপ্তাহিক প্রথম দিন আমরা কাজগুলো করতে একটু স্লোতে করে থাকি। লাস্টের দিকে যেয়ে আমাদের বেশ তাড়াহুড় করতে হয় বাঙালি বলে কথা হা হা হা। যেহেতু বুধবার আমাদের কাজের শেষ দিন থাকে। প্রতি সপ্তাহে আমি সাপ্তাহিক শুরুর দিন একটি লাইফ স্টাইল পোস্ট শেয়ার করার চেষ্টা করি। ভালো আগে জীবনের বিভিন্ন সময় ঘটে যাওয়া ভালো মন্দ বিষয়গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করে নিতে। তাই আমি আবারো হাজির হয়েছি আমার ভালো লাগার একটি মুহূর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করব বলে। যখন আমরা কোথায় বের হই সেই সুন্দর স্মৃতি গুলো আমরা ধরে রাখার জন্য চেষ্টা করি। এখন যেহেতু হাতে মোবাইল থাকে আমরা বিভিন্ন এঙ্গেলে ফটোগ্রাফি গুলো করে রাখার চেষ্টা করি।
পরবর্তীতে সেই ফটোগ্রাফি গুলো আমাদেরকে সুন্দর স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ভাবলাম কি শেয়ার করা যাবে তখন একটু ফোনের গ্যালারিতে ঘুরে আসলাম। বেশ সুন্দর সুন্দর কয়েকটি মুহূর্ত চোখের সামনে হাজির হয়ে গেল। চিন্তা করলাম সেখান থেকে এই মুহূর্তটি আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়া যাক। যেহেতু সবার বর্তমান সময়ে বেশ পছন্দের একটি জায়গা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। সবাই চেষ্টা করে থাকেন জীবনে একবার হলেও কক্সবাজার সমুদ্র থেকে ঘুরে যাওয়ার। যেহেতু আমি কক্সবাজারের মেয়ে কক্সবাজারে অবস্থান করি আমার বেশ সৌভাগ্য যখন মন চাই তখন ঘুরে আসা যায়। অনেকদিন হলো সমুদ্র সৈকতে যায় না।
তাছাড়া বাচ্চারাও আমার সাথে যাওয়র আবদার করছিল। তারা আমার সাথে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে যাবে। যেহেতু তারা বের হলে প্রতিনিয়ত তাদের বাবার সাথে বের হয়। আমি ইদানিং তেমন একটা বের হয় না যদি খুব বেশি জরুরি প্রয়োজন না হয়। ঘরে অবস্থান করি হাসপাতালে যাওয়া কিংবা কোন বাধ্যগত কোন জায়গায় যেতে হচ্ছে এমন হলে যাওয়া হয়। মেয়েরা যেহেতু বেশি জোরাজুরি করছিল একদিন আমারও বের হতে মন চাইলো। সেজন্য আমি মেয়েদেরকে নিয়ে রেডি হয়ে সমুদ্র সৈকতে চলে গেছিলাম। যেহেতু যাওয়ার প্লান করছিলাম তবে বাচ্চাদেরকে বলি নাই। তারা হুজুরের কাছে পড়তে গেছিল তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে বের হব আজকে। তারা যখন হুজুরের পড়া শেষ করে আসলো তখন তাদেরকে বললাম তোমাদের জন্য একটি সারপ্রাইজ আছে।
তারা বেশ আগ্রহ সহকারে সেই সারপ্রাইজের কথা শুনতে চাইলো। আমি তাদেরকে বললাম রেডি হয়ে নাও সমুদ্র সৈকতে যাব। দুই জনে খুশিতে লাফালাফি এবং নাচানাচি শুরু করে দিল। তো মেয়েদেরকে বললাম যখন যাব তখন আগে চলে আসতে হবে। যেহেতু তাদের পড়াতে বসাতে হবে আবার। তাই রেডি হয়ে সন্ধ্যার আগে সেখানে আমরা পৌঁছে গেলাম একটি অটো রিক্সা নিয়ে। তাদের বাবা অফিসে ছিল উনাকে বিরক্ত করি নাই আমি মেয়েদেরকে নিয়ে গেলাম। যদিও পরবর্তীতে ফোন দিছিলাম যাওয়ার জন্য কিন্তু উনার ব্যস্ততার জন্য আসতে পারিনি। সন্ধ্যার আগে যেহেতু গেছিলাম বেশ ভালো লাগছিল অনেক লোকজন ছিল। আমরা যেদিন গেছিলাম সেই দিন অবশ্যই অফ ডে ছিল না। তখনও অনেক মানুষের ভিড় ছিল।
যাওয়ার কিছুক্ষণ পরে সূর্য অস্ত যাওয়া শুরু করেছিল। তখন আমি অনেকগুলো ফটোগ্রাফি নিয়েছিলাম সেই সুন্দর মুহূর্তের। তখন ছোট মেয়ে ঝাল মুড়িওয়ালা কে দেখল। সেই ঝালমুড়ি খেতে চাই অনেক বেশি তাই তাকে ঝাল মুড়ি দিলাম আর আমরাও নিলাম সাথে। কেন জানিনা ঘরে ঝাল মুড়ি মাখলে খেতে চাই না কেউ। আর বাইরে গেলে ঝাল মুড়ি খেতে চাই। সেই ঝাল মুড়ি আমারও ভালো লাগে খেতে। তাই তিনজনে মিলে সেখান থেকে ঝালমুড়ি খেলাম। একটু ঝাল বাড়িয়ে দিতে বললাম খেতে খুবই মজার ছিল। যেহেতু ঝাল বাড়িয়ে দিতে বললাম খেয়ে চোখে মুখে আগুন ধরার মতো অবস্থা এত বেশি ঝাল হলো।
পাশে পানি বিক্রি ওয়ালা একজন মেয়ে ছিল তার থেকে পানি নিয়ে খেয়ে নিলাম। ঝাল মুড়ি খাওয়ার পরে আবার এদিক ওদিক হাঁটা শুরু করে দিলাম। বুঝতেই পারছেন আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে কত সুন্দর একটি মুহূর্ত ছিল পরিবেশটা বেশ দারুন ছিল। আমি বেশ কিছু ফটোগ্রাফি নিয়েছিলাম। বিশেষ করে সেই দিন আমি অনেকগুলো ঘোড়া দেখছিলাম। আর সেখানে অনেক দামাদামি করছিলো ঘোড়াতে চড়ার জন্য সেখানকার আগত লোকজন। আমি সেই সুন্দর দৃশ্যের কিছু ফটোগ্রাফি নিয়েছিলাম ভালোই লাগছিল। তবে এখানে শেষ হয়নি আমরা আরো সেখানে ঘোরাঘুরি করেছিলাম। আরো কিছু সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছিলাম। সেই সুন্দর মুহূর্ত গুলো নিশ্চয়ই আমি আপনাদের সাথে পরে শেয়ার করব।
কারণ এই জায়গায় ঘুরতে গেলে সহজে ফিরে আসতে ইচছে করে না বারবার সময় কাটাতে ইচ্ছে করে। তাই আমরা এদিক ওদিক ঘুরাঘুরি করেছিলাম রেস্টুরেন্টে বসে নাস্তা খেয়েছিলাম। অনেক ভালো লাগার মুহূর্ত ছিল সেই দিন। সেই সুন্দর মুহূর্তটি আমি আজকে আপনাদের সাথে কিছুটা শেয়ার করতে পেরেছি। সবাই ভালো থাকবেন বন্ধুরা পরিবারের সবাইকে নিয়ে আল্লাহ হাফেজ।
| ডিভাইসের নাম | Wiko,T3 |
|---|---|
| মডেল | W-V770 |
| Location | কক্সবাজার |
| ফটোগ্রাফার | @samhunnahar |
| ক্যাটাগরি | লাইফ স্টাইল |
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ সময় দিয়ে আমার ব্লগটি ভিজিট করার জন্য।
আমার পরিচয়
আমি সামশুন নাহার হিরা। আমার ইউজার আইডি @samhunnahar। আমি আমার বাংলা ব্লগে কাজ করছি বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে। আমি বাংলা ভাষায় লিখতে-পড়তে ভালবাসি। আমি রান্না করতে পছন্দ করি। ভ্রমণ আমার প্রিয় একটি নেশা। আমি বিভিন্ন ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি আমার মনের ভাব বাংলায় প্রাকাশ করতে পেরে অনেক আনন্দিত। তার জন্য আমার প্রাণের কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"কে অনেক ভালবাসি।
Congratulations, your post was upvoted by @supportive.
অনেক সৌভাগ্য আপনার। কক্সবাজারের নিকটে অবস্থান করছেন। ইচ্ছে করলে যখন তখন দেখার সুযোগ করে নিতে পারেন। অন্যান্য মানুষের পাশাপাশি এখানে অবস্থান করতে পারেন আবার সেখানে ঝাল মুড়ি খাওয়ার সুযোগ করতে পারবেন। অনেক ভালো লাগলো চমৎকার এই পোস্টটা দেখে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মতামত শেয়ার করার জন্য।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশেই আপনার বাসা হ ওয়ায় অনেক বেশি সুবিধা হয়েছে আপনার। মন চাইলে খুব সহজেই আপনি সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে পারছেন। যাইহোক, আপনি দেখছি সমুদ্র সৈকতের মধ্যে ঘুরতে গিয়ে খুবই সুন্দর একটি সময় উপভোগ করেছেন। আসলে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছা অনেক। আশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঘুরতে যেতে পারবো।
আপনি একদম ঠিক বলছেন যখন মন চায় তখন চলে যেতে পারি। তাছাড়া সবার সাথে দেখা হয়।
https://x.com/heranahar148614/status/1885036113523531987?t=TeBPcwLlrfAK8DtDMhiHNQ&s=19