সুস্বাদু মিষ্টি কুমড়া ভাজি রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমরা আজকের পোস্ট।
সুস্বাদু মিষ্টি কুমড়া ভাজি রেসিপি
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি রেসিপি নিয়ে। আজ নিয়ে এসেছি মিষ্টি কুমড়ার ভাজি। আসলে মিষ্টি কুমড়ার এভাবে ভাজি করলে অনেক মজা লাগে। আমার বাচ্চারা মিষ্টি কুমড়া এভাবে ভাজি করলে অনেক মজা করে খায়।এই মিষ্টি কুমড়া আমার বোনের বাসা থেকে দিয়েছে। আসলে ওদের গাছে অনেক বড় একটা মিষ্টি কুমড়া ধরেছিল, তাই মিষ্টি কুমড়া কেটে আমাদের সবাইকে দিয়েছে। তবে কুমড়াটা কিন্তু অনেক মিষ্টি ছিল। যদিও আমার মেয়েরা তেমন কিছু খায় না। তবে এই মিষ্টি কুমড়া এভাবে ভেজে দেওয়ায় অনেক ভালো করে খেয়েছে। যাইহোক আপনারা চাইলে এভাবে খেতে পারেন।তাহলে চলুন দেখে আসি আমি কিভাবে মিষ্টি কুমড়া ভাজি করেছি।
১.মিষ্টি কুমড়া
২.হলুদ ও মরিচের গুঁড়ো।
৩.পিঁয়াজ কুঁচি।
৪.কাঁচামরিচ ফালি
৫.তেল
৬.লবন
ধাপ-১
প্রথমে আমি পরিমাণ মতো মিষ্টি কুমড়া নিয়েছি।তারপর কুমড়ার খোসা ছাড়িয়ে এভাবে কেটে নিয়েছি।
ধাপ-২
এখন কুমড়া ধুয়ে একটা প্লেটে নিয়েছি।তারপর হলুদ, মরিচের গুঁড়ো ও লবন দিয়ে মাখিয়ে কিছু সময়ের জন্য রেখে দেব।
ধাপ-৩
এখন চুলাই একটি কড়াই বসিয়ে দিলাম, কড়ায় হালকা গরম হলে তেল দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৪
এখন তেল গরম হয়ে আসলে মাখিয়ে রাখা মিষ্টি কুমড়া গুলো দিয়ে দেব। এভাবে দুই পাশ ভেজে নেব।
ধাপ-৫
এখন সেই তেলে পিঁয়াজ কুঁচি ও কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে দেব। দিয়ে বেশ কিছু ক্ষণ ভেজে নেব।এখন একটি বাটিতে তুলে পরিবেশন করব। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
সুস্বাদু মিষ্টি কুমড়া ভাজি রেসিপি দেখে সুস্বাদু মনে হচ্ছে। তাই খেতে ইচ্ছা করছে। এতো মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
মিষ্টি কুমড়া ভাজি খেতে আমি ভীষণ পছন্দ করি। বেশি করে তেল দিয়ে ভাজি করলে খেতে সত্যি ভীষণ ভালো লাগে। আপনার আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে ভীষণ মজা হয়েছে। ভালো ছিলো রেসিপি ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ভাই অনেক মজা হয়েছিল। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আপনার বোনের বাসা থেকে নিয়ে আসা মিষ্টি কুমড়া দিয়ে দারুন একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপু। এভাবে কখনো মিষ্টি কুমড়া ভাজি করে খাওয়া হয়নি। নতুন একটি রেসিপি শিখতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। এভাবে রান্না করলে শুধু বাচ্চারা কেন সবাই খেতে পছন্দ করবে আপু। আপনার বাচ্চারা এই খাবারটি পছন্দ করে জেনে ভালো লাগলো আপু।
ঠিক বলেছেন আপু এভাবে রান্না করলে বাচ্চারা না সবার পছন্দ করে ধন্যবাদ আপু।
মিষ্টি কুমড়া আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী আজও চিংড়ি মাছ দিয়ে মিষ্টি কুমড়া রান্না খেয়েছি। তবে বেশিরভাগ সময় ভাজি করেও খাওয়া হয় ।রান্না করার থেকে ভাজি করে খেতেই বেশি মজা লাগে। আপনার রেসিপিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই মজা হয়েছে। সুস্বাদু ও মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
যে আপু অনেক মজা হয়েছিল, ধন্যবাদ আপু।
অন্যান্য সবজির চাইতে মিষ্টি কুমড়া আমার অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে চিংড়ি মাছ দিয়ে রান্না করলে। তবে ভাজি করে খেতে অনেক ভালো লাগে গরম ভাতের সাথে। আপনি বাচ্চাদের জন্য বেশ মজার করে মিষ্টি কুমড়া ভাজি তৈরি করলেন। শোনে খুব ভাল লাগলো বাচ্চারা যেহেতু পছন্দ করেন তাই।
আপু আপনার ভালো লেগেছে যেনেে। অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
গরম গরম ভাতের সাথে মাঝে মধ্যে মিষ্টি কুমড়া ভাজি খেতে দারুণ লাগে। আপনার রেসিপিটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে খুব সুস্বাদু হয়েছে। মিষ্টি কুমড়া আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। যদিও আমি মিষ্টি কুমড়া খেতে তেমন একটা পছন্দ করি না। রেসিপির উপস্থাপনা এবং পরিবেশনাও চমৎকার হয়েছে। ধাপে ধাপে রেসিপিটা শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।