কাঁঠালের জুস বানানোর রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমরা আজকের পোস্ট।
কাঁঠালের জুস বানানোর রেসিপি
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আশাকরি সবাই ঈদ অনেক ভালো কাটিয়েছেন। সবাইকে ঈদ মোবারক। এখন হলো ফলের মৌসুম। আর কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। কাঁঠাল বেশি ভাগ লোকই পছন্দ করে। তবে আমার মনে হয় কাঁঠালের চেয়ে কাঁঠালের বিচি সবারই অনেক পছন্দ। যাইহোক আমার বাচ্চাদের কাঁঠাল অনেক পছন্দের ফল।আমার মেয়ে কিছু কাঁঠাল নিয়ে হাত দিয়ে রস বের করছে। আমি জিজ্ঞেস করায় বললো আমি কাঁঠালের জুস বানাবো। তারপর আমি বললাম দাঁড়াও আমি বানিয়ে দেয়। তারপর আমি ওকে খাওয়ানোর জন্য এই কাঁঠালের বিচি ফেলে কিছু জুস বানিয়ে নিলাম।আসলে আমি আগে কখনো কাঁঠালের জুস বানাইনি। তবে এবার বানিয়েছি অনেক মজা হয়েছে। আপনারা চাইলে এভাবে বানিয়ে খেতে পারবেন। অনেক মজা লাগবে। তো চলুন শুরু করি আমার আজকের পোস্ট।
ধাপ-১
প্রথমে আমি কিছু কাঁঠালের রোয়া নিয়েছি।
ধাপ-২
তারপর রোয়া গুলো সুন্দর করে তুলে মাঝের বিচি গুলো বের করে নিয়েছি।
ধাপ-৩
তারপর বিচি গুলোর ভিতরে পরিমাণ মতো চিনি দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৪
চিনি ও কাঁঠালের বিচি গুলো ব্লেন্ডারের ভিতর দিয়ে দেব।
ধাপ-৫
তারপর পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দেব। পানি দিয়ে আরো কিছু ক্ষণ ব্লেন্ডার করে নেব।
ধাপ-৬
কয়েক মিনিট ব্লেন্ডার করে নেব। এভাবে হয়ে আসলে নামিয়ে নেব। তারপর একটা ছেকনি দিয়ে ছেকে নেব।
ধাপ-৭
এখন গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করব। অনেক মজা হয়েছিল। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
কাঁঠাল দিয়ে যে জুস বানানো যায় তা আজকে প্রথম জানলাম। আসলে ফলের জুস খেতে আমরা কমবেশি সবাই পছন্দ করি। তবে কাঁঠালের জুস কোনদিন খেয়ে দেখিনি। ভিন্ন ধরনের একটি জুস রেসিপি দেখে সত্যিই ভালো লেগেছে আপু। নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে অনেক ভালো লাগে। আর সবার মাঝে শেয়ার করতে ভালো লাগে। দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদ আপু মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য
কাঁঠাল দিয়ে জুস বানানো যায় এটি আজকে প্রথম দেখলাম। তবে আমার শ্বশুর দের অনেক কাঁঠাল গাছ আছে। কখনো কল্পনাই করেনি কাঁঠালের জুস বানানো যায়। তাহলে তো অনেক আগ থেকে কাঁঠালের জুস বানিয়ে খেতাম। আপনি কাঁঠালের জুস বানিয়েছেন তা দেখে নিজেও শিখতে পারলাম এবং জানতে পারলাম। আপনার মেয়ের জন্য নতুন একটি জিনিস শিখতে পারলাম। ধন্যবাদ আপনাকে কাঁঠালের জুস আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপু এভাবে বানিয়ে খাবেন অনেক ভালো লাগে ধন্যবা।
প্রথমে জানাই আপনাকে ঈদ মোবারক। তবে আমি কখনো শুনি নাই বা দেখি নাই কাঁঠালের জুস বানানো যায়। নতুন একটা রেসিপি শিখতে পারলাম। আমাদের কিন্তু প্রচুর পরিমাণে কাঁঠাল গাছ আছে। ওই গাছগুলোর মধ্যে অনেক কাঁঠাল ধরে। এই কারণে আমরা কাঁঠাল বাহির থেকে কাঁঠাল কিনতে হয় না। আপনার ছোট মেয়েকে ধন্যবাদ জানাই সেই কাঁঠালগুলো সিবে রস নিতেছে এই কারণে আপনি তাকে কাঁঠালের জুস বানিয়ে দিলেন। আমরা ভিন্ন রকম একটি জুসের রেসিপি দেখতে পারলাম।
আসলে ভাইয়া মেয়ের জন্য বানানো তবে অনেক মজা হয়েছিল,ধন্যবাদ আপনাকে।
জুস খেতে খুবই ভালো লাগে। গরমের দিনে এক গ্লাস জুস এর শরবত খেতে পারলে হৃদয় ঠান্ডা হয়ে যেতো। আজকে আপনি খুব সুন্দর করে কাঁঠালের জুস বানানোর রেসিপি করেছেন তৈরি করেছেন। বেশ দুর্দান্ত হয়েছে । কাঁঠালের জুস খেতে নিশ্চয়ই অনেক সুস্বাদু হয়েছে। এত চমৎকার রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
জি ভাইয়া অনেক মজা হয়েছিল ধন্যবাদ আপনাকে
আপনি কিন্তু বেশ ইউনিক একটা রেসিপি তৈরি করেছেন। কাঁঠালের জুস যদিও আগে কখনো খাওয়া হয়নি কিন্তু আপনার রেসিপির মাধ্যমে দেখে খুব ভালো লেগেছে। আপনি খুবই মজাদার একটা রেসিপি তৈরি করেছেন যা দেখে লোভ সামলাতে পারছি না। এরকম মজাদার রেসিপি গুলো দেখলে ইচ্ছে করে খেয়ে নিতে। দেখে বুঝতে পারছি খুব মজা করে খাওয়া হয়েছিল এই কাঁঠালের জুস।
আপনি বেশ ইউনিক জুস এর রেসিপি তৈরি করেছেন। কাঁঠালের জুস এর রেসিপি আজকে প্রথমবার দেখলাম। দেখে কিন্তু খুবই লোভনীয় মনে হচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে অনেক বেশি মজাদার হয়েছিল কাঁঠালের জুস। জুসের কালারটা কিন্তু অনেক বেশি সুন্দর এসেছে। রেসিপিটা তৈরি করার পদ্ধতি উপস্থাপনার মাধ্যমে অনেক সুন্দরভাবে শেয়ার করেছেন যা দেখে শিখে নিতে পারলাম।
কাঁঠালের জুস এর আগে আমি কখনো দেখিনি। সেই হিসেবে এই রেসিপিটা আমার কাছে খুব ইউনিক লেগেছে। কাঁঠাল খেয়ে হজম করতে পারলে বেশ ভালো। কারণ কাঁঠাল খেলে প্রচুর শক্তি হয়। যদিও আমি কাঁঠাল খেতে তেমন পছন্দ করি না। তবে মাঝে মধ্যে কাঁঠালের জুস তৈরি করে খাওয়া যাবে। যাইহোক এমন চমৎকার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।