চালের রুটি বানানোর রেসিপি ||১০% বেনিফিসিয়ারি লাজুক শেয়ালের জন্য
আসসালামু আলাইকুম
চালের রুটি বানানোর রেসিপি
১.চালের গুঁড়া
২.পানি
৩.লবন
ধাপ-১
প্রথমে আমি কিছু চালের গুঁড়া নিয়েছি। তারপর চুলাই একটি পাতিলে কিছু পানি দিয়েছি।পানি ফুটে আসলে চালের গুঁড়ো গুলো এভাবে মুঠ বানিয়ে পাতিলে দিয়ে দেব।
ধাপ- ২
এভাবে বেশকিছু ক্ষণ সময় নিয়ে সিদ্ধ করে নেব। তারপর আটা গুলোকে এভাবে ভেঙে দেব।তারপর একটা বলে নিয়ে হাত দিয়ে ভালো করে এভাবে মেস করে নেব। এভাবে আমি সব আটা গুলো মেস করে নেব।
ধাপ-৩
এখন একটি পিড়ি বেলুন নেব।তারপর এভাবে কিছু আটা নিয়ে বড় করে রুটি বানিয়ে নেব।
ধাপ-৪
এখন বড় রুটি থেকে গ্লাস দিয়ে এভাবে কেটে নেব। এভাবে আমি সব গুলো কেটে নেব।
ধাপ-৫
এখন একটা ছোট রুটি নিয়ে এভাবে বেলে নেব।এভাবে সব রুটি বেলে নেওয়া হলে ভাজার জন্য চুলাই একটি তাওয়া বসিয়ে দেব।
ধাপ-৬
তাওয়া গরম হয়ে আসলে একটা করে রুটি দিয়ে দুপাশ উল্টে ভেজে নেব।
ধাপ-৭
এভাবে সব গুলো রুটি ভাজা হয়ে গেলে, একটি প্লেটে পরিবেশন করব। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
আজ এখানেই শেষ করছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন সময় অন্য পোস্ট নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।
আপনার শবেবরাত উপলক্ষে চাউলের গুড়া দিয়ে রুটি বানিয়েছেন। রুটিগুলো মাংস এবং সুজি দিয়ে খেতে অনেক মজাই লাগে । গতকাল রাতে আমার ওয়াইফ ও রুটি বানিয়ে ছিল। অনেক সুন্দর করে রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ভাইয়া শবেবরাত উপলক্ষে রুটি বানিয়েছি, তবে রুটি গুলো অনেক মজার। ধন্যবাদ আপনাকে।
চাউলের রুটি মাংস দিয়ে খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। তবে চাউলের রুটি বানানটা আমার কাছে একটু ঝামেলা মনে হয়। আগের শবেবরাতে আমাদের বাসায় মাংস রুটি সুজির হালুয়া এগুলো রান্না করা হতো কিন্তু এখন করা হয়না। এত সুন্দর রুটি তৈরি করা মাঝে মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু এখন অনেক বাসায় আর রুটি বানানো হয় না, ধন্যবাদ আপু।
মাংসের ঝোলের সাথে চালের রুটি খেতে আবার ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে কুরবানীর ঈদে এটি তৈরি করা হয়। যাই হোক রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
জি আপু মাংসের ঝোলের সাথে খেতে অনেক ভালো লাগে, ধন্যবাদ আপু।
গ্লাস দিয়ে কেটে কেটে রুটি তৈরির পদ্ধতি দেখে অনেক ভালো লাগলো। অনেক সময় রুটি বানাতে গেলে গোল হতে চায় না। এবার বড় বড় রুটি করে এভাবে গ্লাস দিয়ে কেটে কেটে তৈরি করার চেষ্টা করব। কালকে প্রায় সব বাড়িতেই চালের রুটি তৈরি করা হয়েছে। সাথে হালুয়া। আপু আপনার রেসিপি তৈরির অভিজ্ঞতা এবং নতুন টেকনিক দেখে ভালো লাগলো।
আপু আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগল।আর গ্লাস দিয়ে এভাবে কেটে নিলে রুটি গুলো অনেক সুন্দর হয় তাই আরকি। ধন্যবাদ আপু।
এই রুটিগুলো হাঁসের মাংস দিয়ে খেতে যে কি মজা সেটা আপনাকে বলে বোঝাতে পারবো না আপু। আমি জানি আপনিও খেয়েছেন মাংস দিয়ে, তবে আমার কাছে খুবই টেস্টি লাগে। রেসিপিটা আমার কাছে নতুন নয়, মাঝেমধ্যে মা বাড়িতে বানায়, তাই পূর্ব পরিচিত।
তবে আপনার উপস্থাপনা এবং ডেকোরেশন চমৎকার ছিল।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া হাঁসের মাংস দিয়ে খেতে অনেক মজা। জি ভাইয়া আমরা মাংস দিয়ে খেয়েছি তবে মুরগির মাংস। ধন্যবাদ ভাইয়া।
খুব সুন্দর করে চালের রুটি তৈরি করেছেন । রেসিপিটি দেখতে অনেক লোভনীয় হয়েছে। আপনি অনেক সুন্দর করে ধাপগুলো গুছিয়ে আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। সুন্দর একটি রেসিপি আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করে পাশে থাকবেন।
আপনি শবেবরাত উপলক্ষে রুটি বানিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো আপু।যদিও আমি কখনো চালের রুটি খায়নি তবে বেশ মজার খেতে হবে মনে হচ্ছে।তাছাড়া চালের রুটি বলে একটু বেশি সাদা রঙের।ধন্যবাদ আপু।
আপু যদি সম্ভব হয় খেয়ে দেখবেন, অনেক মজার। ধন্যবাদ আপু।
আপু, চালের রুটি আমার কাছে এতটাই প্রিয় যা হয়তো আমি বলে বোঝাতে পারবো না। আর তাই তো চাল আটা করে ফ্রিজে রেখে দিয়েছি। বাসায় মাংসের রেসিপি তৈরি হলেই, ফ্রিজ থেকে আটা বের করে রুটি বানিয়ে মাংসের সাথে খেয়ে ফেলি। চালের রুটি দিয়ে মাংসের রেসিপি এই দুটো আমার কাছে খুবই প্রিয় খাবার। আর আমার প্রিয় খাবার চালের আটা দিয়ে রুটি বানানোর প্রক্রিয়া তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনার প্রিয় জেনে অনেক ভালো লাগল, সত্যি ভাইয়া মাংস দিয়ে খেতে অনেক মজা লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে।
চালের রুটি তৈরি করেছেন।দেখতে মনে হচ্ছে খুব মজাদার। আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে।আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি ঠিক বলছেন আপু রুটি বানানো বাচ্চাদের নাম দিয়ে হলে কি হবে বাচ্চারা তেমন খাইনা সব তো বড়রা খেয়ে ফেলে হা হা হা। ঠিক বলছেন আমাদের এদিকে ও শবে বরাতের দিন রুটি এবং হালুয়া করা হয় খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর করে চালের-রুটি তৈরি করে দেখিয়েছেন অনেক ভালো লেগেছে। প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দর করে দেখিয়েছেন তবে অনেকে চালের রুটি বানাতে পারে না।
সত্যি আপু বাচ্চাদের নামে করা হয় কিন্তু বড়দের খাওয়া হয়, ধন্যবাদ আপনাকে।