পুঁইশাক দিয়ে মিষ্টি কুমড়ার রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমরা আজকের পোস্ট।
পুঁইশাক দিয়ে মিষ্টি কুমড়ার রেসিপি
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আসলে প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে নতুন কিছু নিয়ে আসতে। সেই চেষ্টা থেকে আজও এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আসলে আমাদের সবারই উচিত প্রতিদিন শাক সবজি খাওয়া। আমার বাগানে বেশকিছু পুঁইশাক হয়েছে তাই সেখান থেকে আমি মাঝে মাঝে এনে রান্না করি। তবে আজ সকালে যখন মিষ্টি কুমড়া রান্না করতে যাব, তখন আমার শাশুড়ি বললো সাথে কিছু পুঁইশাক দিয়ে দিতে।আসলে আমি কখনো পুঁইশাক দিয়ে মিষ্টি কুমড়া এভাবে রান্না করিনি। তারপর আমার শাশুড়ি যখন বলে দিল তখন রান্নার প্রস্তুতি নিলাম। তবে আমার শাশুড়ি যেভাবে রান্না করতে বলেছে ঠিক সেভাবেই রান্না করেছি অনেক মজা হয়েছিল।আসলে একটু রসালো হলে বেশি ভালো লাগে।এত মজা হয়েছে যে বলার মতো নয়, সকালে আমরা রুটি দিয়ে খেয়েছি আবার দুপুরে ভাতের সাথে ও খেয়েছি। আপনার চাইলে এভাবে রান্না করে খেতে পারেন অনেক মজা।যাইহোক তাহলে চলুন দেখে নিই আমি রেসিপি কিভাবে প্রস্তুত করেছি।
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| পুইশাক | পরিমাণ মতো |
| মিষ্টি কুমড়া | পরিমাণ |
| পিঁয়াজ | ৬টি |
| কাঁচামরিচ ফালি | ৮টি |
| পাঁচফোড়ন | ১/৪ চামিচ |
| তেজপাতা | ২দুটি |
| তেল | পরিমাণ মতো |
| লবন | স্বাদমতো |
| শুকনো মরিচ | ২ টি |
| হলুদ গুঁড়ো | ১ চামচ |
ধাপ১ -
প্রথমে কিছু পুঁইশাক ও অর্ধেক মিষ্টি কুমড়া নিয়েছি। তারপর পুঁইশাক ও মিষ্টি কুমড়া ভালো করে কেটে ধুয়ে নিয়েছ।
ধাপ-২
এখন চুলাই একটি কড়াই বসিয়ে তেল দিয়ে দিলাম। তেল গরম হয়ে আসলে শুকনা মরিচ তেজপাতা ও পাঁচফোড়ন দিয়ে দিলাম।
ধাপ- ৩
এখন কেটে ধুয়ে য রাখা কাঁচামরিচ পেঁয়াজ দিয়ে দেবো তারপর ধুয়ে রাখা মিষ্টি কুমড়া গুলো দিয়ে দেব। এখন লবণ দিয়ে দেব।
ধাপ-৪
এখন পুঁইশাক গুলো দিয়ে দেবো তারপর হলুদ দিয়ে এভাবে নেড়ে চেড়ে নেব।
ধাপ-৫
এখন কিছু পানি দিয়ে নেড়ে চেড়ে, তারপর ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করে নেব ।
ধাপ-৬
এভাবে হয়ে আসলে নামিয়ে নেব। এখন একটা প্লেটে তুলে পরিবেশন করব। আশাকরি আপনাদের কাছে ও ভালো লাগবে।
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
পুঁই শাক দিয়ে মিষ্টি কুমড়া রান্না করা যায় জানা ছিল না। আমার কাছে আপনার এই রেসিপি অনেক ইউনিক লেগেছে। আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ আপু মজাদার ও ইউনিক রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
জি আপু রেসিপি টি অনেক মজা হয়েছিল, ধন্যবাদ আপনাকে।
পুঁইশাক এবং মিষ্টি কুমড়া আলাদা আলাদা রান্না করে খেয়েছি। মিষ্টি কুমড়া দিয়ে পুঁইশাক এইভাবে রান্না করে খাওয়া হয়নি। রেসিপিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই মজা হয়েছে। রান্নার প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে দেখিয়েছেন। সুস্বাদু ও মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
পুঁইশাক দিয়ে মিষ্টি কুমড়া রেসিপি আগে কখনো খাওয়া হয়নি আমার। আপনি খুবই লোভনীয় একটা রেসিপি তৈরি করেছেন, যা দেখে আমার কিন্তু বেশ লোভ লেগে গিয়েছে। আপনার রেসিপিটা দেখেই বুঝতে পারছি খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। এরকম মজাদার এবং সুস্বাদু রেসিপি দেখলে খুবই খেতে ইচ্ছে করে। উপস্থাপনাটা ও খুবই সুন্দর ভাবে তুলে ধরলেন দেখে ভালো লাগলো।
জি ভাইয়া রেসিপিটি অনেক সুস্বাদু ও মজাদার হয়েছিল ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
পুঁইশাক দিয়ে মিষ্টি কুমড়া রান্নার দারুন একটা রেসিপি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এই মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে তাই এটা আমাদের সকলের বেশি বেশি করে খাওয়া উচিত।
পুঁইশাক পছন্দ করো না এরকম মানুষকে খুব কমই আছে ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে পুঁইশাক অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। আর এই পুঁইশাকের সঙ্গে যদি মিষ্টি কুমড়া যোগ করা হয় তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। রেসিপিটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু ছিল এরকম রেসিপি দেখলে নিজেকে কন্ট্রোল করা অনেক বেশি দুষ্কর হয়ে পড়ে। মজাদার এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এরকম রেসিপি দেখলে লোভ সামলানো মুশকিল।ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
পুঁইশাক এবং মিষ্টি কুমড়া কখনো একসাথে রান্না করে খাইনি। পুঁইশাক এবং মিষ্টি কুমড়া আলাগ আলাগ রান্না করে খেয়েছি। আপনার শাশুড়ি বলার কারণে আপনি পুঁইশাক এবং মিষ্টি কুমড়া একসাথে রান্না করেছেন। তবে আপনার রেসিপির কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজায় হয়েছে। আমি নিজে চেষ্টা করব এভাবে পুঁইশাক এবং মিষ্টি কুমড়া দিয়ে রান্না করার। অনেক সুন্দর করে রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
জি আপু এভাবে একদিন অবশ্যই তৈরি করবেন অনেক মজা লাগবে।ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি খুব চমৎকার ভাবে পুঁইশাক এবং মিষ্টি কুমড়ার রেসিপি করেছেন। পোশাক এবং মিষ্টি কুমড়া খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তবে এই রেসিপি কখনো একসাথে রান্না করে খাওয়া হয়নি। মনে হয় আপনার শাশুড়ি খুব মজার একটা রেসিপি আপনাকে শিখিয়েছেন। এবং আপনার রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজায় হয়েছে মনে হয়। আসলে তাজা পুঁইশাক দিয়ে মিষ্টি কুমড়া রান্না করার কারণে খেতে অনেক মজাই হয়েছে। অনেক সুন্দর করে রেসিপিটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
জি ভাইয়া তাজা পুই শাক ও মিষ্টি কুমড়ার রেসিপি অনেক মজার হয়েছিল, ধন্যবাদ আপনাকে।
দেখে তো মনে হচ্ছে খেতে অনেক মজার হবে আপনার মিষ্টি কুমড়ার সাথে পুঁইশাক রান্না। তবে এভাবে কখনো পুঁইশাকের সাথে মিষ্টি কুমড়া রান্না করে খাওয়া হয়নি। কিন্তু আপনি যেভাবে রসালো করে রান্না করছেন এভাবে খেতে তো অনেক ভালো লাগবে। আপনি যেহেতু সকালে রুটি দিয়ে খেয়েছেন আবার দুপুরে ভাতে খেয়েছেন তাহলে তো অসাধারণ ছিল।
জি আপু খেতে অসাধারণ ছিল, ধন্যবাদ আপনাকে।