আমার সংগ্রহিত দেশি-বিদেশি মুদ্রা
শখ বলবো?না,শখ ঠিক না।তবে ভাল্লাগে।কারো কাছে দেশের পুরাতন নোট বা পয়সা কিংবা অন্যান্য দেশেএ মুদ্রা দেখলেই মনের ভেতোর ক্যানজানি কেমন করে ওঠে।মন চায় সেগুলো নিয়ে ভাল্লাগার ঘরটাকে আরো ভরিয়ে তুলতে।
চলুন আজ আপনাদের আমার ক্ষুদ্র সংগ্রহ দেখাই দেই,
দেশীয় মুদ্রা দিয়েই শুরু করি।
১/
বাংলাদেশী ১ টাকার হলুদ রঙের পয়সা।এই তিনটি ছাড়াও আরো অনেক ছিল।তবে সেগুলো দিয়ে চাঁদনী বানায়া ভাইয়ের জন্মদিনে গিফট করেছিলাম।
২/
কিছু ২৫ পয়সা।মজার কাহিনী হলো এই ২৫ পয়সার বেশিরভাগগুলোই ক্রিকেট খেলার টসের জন্য রাখা হয়েছিলো।সেখান থেকেই আমার সংগ্রহশালায় ঢুকিয়েছি।
৩/
পুরাতন দুটি ৫০ পয়সা।এর একটি আমার দাদির থেকে নেয়া।
৪/
দেশের এক টাকা এবং দশ টাকার দুটি নোট।
দেশের টাকা-পয়সার সব সংগ্রহ শেষ।এবার আসি বিদেশী মুদ্রায়।
৩/
রানী এলিজাবেথের ছবিসহ এক পাউন্ড।এই মুদ্রার ছোট একটি কাহিনী বলি।মুদ্রাটি আকারে একটু মোটা।ব্যাঙ্কের ফুটা দিয়ে ভেতোরে ঢুকানো যেতো না।তাই আমি মুদ্রাটির নিরাপত্তার কথা ভেবে ফুলদানির তলায় রেখে ফুল দিয়ে ঢেকে রেখেছিলাম।আম্মু একদিন ফুলদানি পরিষ্কার করতে গিয়ে হুট করে যখন ওই পাউন্ডটা পাইছিলো চিল্লায়া আমায় ডাক দিয়ে বলতেছিল স্বর্ন্মমুদ্রা পায়া গেছি।আমিও কিছুক্ষন তালে তাল মিলায়া গেছিলাম।আমার মজা নেওয়া শেষ হলে সব খুলে বলেছিলাম।
৪/
ইন্ডিয়ান দশ এবং বিশ রুপির নোট।
৫/
মালেশিয়ার এক রিঙ্গিট।ছোটবেলার বেস্টফ্রেন্ডের থেকে নেয়া।ক্লাস ৩ তে পড়াকালীন বাবার বদলি হয়ে যাওয়ায় ওরা অন্যখানে চলে যায়।তারপর থেকে আর দেখা হয়নি ওর সাথে।রিঙ্গিটটি এখন ওর আর আমার স্মৃতি হিসেবেই আছে।
আমার সংগ্রহের দৌড় এখানেই শেষ।আশা করি,এর ওর থেকে নিয়ে কিংবা নিজেই বিভিন্ন দেশ ঘুরে এমন আরো মুদ্রা সংগ্রহ করতে পারবো।
পুরাতন নোট সংগ্রহ করা এটা একটি ভাল অভ্যাস। ধন্যবাদ এই ধরনের পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাইয়া😊
আপনার সংগ্রহ দেখে আবাক হলাম।
অবাক হওয়ার কিচ্ছুই নাই ভাই।অনেকের কালেকশন আরো ব্যাপক।ধন্যবাদ আপনাকে।