কাজিনের গাঁয়ে হলুদের কিছু মুহূর্ত।।
আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ই মাঘ-১৪২৯
আসসালামুআলাইকু/ নমস্কার/ আদাব।
আজকে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি নতুন একটি পোষ্ট নিয়ে।।
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই, আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। অভিধানে রিযিক নামে একটি শব্দ আছে। সেটা আপনাকে মানতে হবে। কারন আপার রিযিকে কখন কি আছে,সেটা আপনি বলতে পারবেন না। কখন কি খাবেন,সেটা আপনি সিউর দিয়ে বলতে পারবে না। সকালে নাস্তা করে বের হয়েছেন,লাঞ্চ কোথায় করবেন সেটা সিউর বলা যায় না। কার রিযিকে কখন কোথায় কি খাবার আছে সেটা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানে।
গত কাল হঠাৎ করে এক গায়েঁ হলুদের দাওয়াত পরে গেল। আমার কাজিন বা মামাতো ভাই এই মাসের এক তারিখ ইতালি থেকে এসেছে। বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখতেছে। হঠাৎ করে একটি মেয়ে পছন্দ হয়ে গেছে। মেয়ের ভাই আবার বিদেশ চলে যাবে তাই তারা হুরো করে বিয়ের তারিখ করে ফেললো। বিয়ের তারিখ হলো দশ তারিখ শুক্রবারে। গত কাল তাদের গায়েঁ হলুদ গেছে। আমার যাওয়ার ইচ্ছা ছিল না। ভাইয়া খুব রিকুয়েষ্ট করে বললো তাই আর না করতে পারলাম না। অফিস থেকে আর বাসায় যায় নি সোজা চলে গেলাম গায়েঁ হলুদের অনষ্ঠানে।
ছেলে এবং মেয়ে দুইজনই ঢাকার স্থানীয় বাসিন্দা। ছেলে ইতালি প্রবাসি আর মেয়ে এমবিএ কম্পিলিট করে জব করতেছে। গোপন বিষয় হলো ছেলে আর মেয়ে ক্লাসমেট,হি হি হি। সেইম এজের বিয়ে হচ্ছে। ভালবাসা বয়স,পরিবেশ,বংশ,ধর্ম,বর্ণ এসব মানে না। এটাই তার প্রমান। বয়স নিয়ে যদি ছেলে এবং মেয়ের কোন সমস্যা না হয়,তাহলে আমাদের কোন সমস্যা থাকতে পারে না। দোয়া করি তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হোক।
ঢাকার খিলগাঁও তালতলা এলাকার বারবাডেরা পার্টি সেন্টারে খুব জাঁকজমক ভাবেই তাদের গাঁয়ে হলুদের অনুষ্ঠান করা হয়। পার্টি সেন্টারটি খুব সুন্দর ভাবেই সাজানো হয়েছে। অনেক আত্নীয় স্বজন বন্ধুবান্ধব এসেছে অনুষ্ঠানে। তাদের মাঝে অনেক মেহমানকে চিনি আর অনেক মেহমানকে চিনি না। তবে মোটামুটি বেশি অংশ মেহমান আমাকে ঠিকই চিনে।
ফটোগ্রাফি আর বিডিও করার পর্ব শেষ করার পরে শুরু হলো খাওয়ার পর্ব। সবাইকে ভরপুর তেহারি খাওয়ালো। তেহারির মধ্যে মাংসের পরিমান ভালই ছিল। সাথে পেপসি আর পানি তো ছিলই। সব মিলিয়ে খাবার দাবাড় ভালই হলো।
খাওয়া দাওয়া শেষ করে শুরু হলো ডিজে পার্টি। যে যেভাবে পারে নাচানাচি শুরু করলো। আমি আবার নাচানাচি পারি না,লজ্জা লাগে। তাই সেটার ব্যাপারে আমি সব সময় পিছনে থাকি। পিছনে থেকে জাষ্ট ফটোগ্রাফি করলাম। অবশেষে রাত তিনটার দিকে বাসায় চলে আসলাম। কারন আমার তো শুধু বিয়ের মধ্যে আনন্দ করলে চলবে না। সকাল বেলা অফিস না করলে বেতন থেকে সেলারি কেটে রেখে দিবে, হি হি হি। তাই আগে চাকরি পরে বিয়ে।
বন্ধুরা আজকে এ পর্যন্তই। যেহেতু গায়েঁ হলুদ অনুষ্ঠানে গিয়েছি, বিয়ে এবং বৌভাতেও যেতে হবে। সব কিছুর আপডেট পাবেন। সবাই ভাল থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।
ফটোগ্রাফির বিবরণ:
| ডিভাইস | মোবাইল |
|---|---|
| মডেল | রেডমি নোট-৮ |
| স্থান | তালতলা,খিলগাঁও, ঢাকা |
| কমিউনিটি | আমার বাংলা ব্লগ |
| ফটোগ্রাফার | @joniprins |
সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।।
আমি একজন বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে আমার বসবাস। সিম্পল আমার স্বপ্ন সিম্পল আমার জীবন। স্টিমিট আমার জীবনের একটি অংশ, আমার বাংলা ব্লগ আমার পরিবার। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া বলতে আমি স্টিমিটকেই চিনি। ভ্রমন করা, ফটেগ্রাফি করা আর বই পড়া আমার স্বপ্ন। আমি বিশ্বাস করি মানুষের জীবনে উত্তান পতন আছেই। সর্বপরি কাজ করতে হবে লেগে থাকতে হবে, তাহলেই একদিন সফলতা আসবে,এটাই আমি বিশ্বাস করি। সবাইকে ধন্যবাদ।।
Bangla Witness কে সাপোর্ট করতে এখানে ক্লিক করুন
এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP
গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান আসলে অনেক বেশি মজা লাগে।আর কাজিন এর গায়ে হলুদ হলে তো কোন কথাই নেই। ধন্যবাদ আপনাকে খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য।
জী ভাইয়া গাঁয়ে হলুদের অনুষ্ঠান খুব ভাল লাগে। অনেক মজা হয়। ধন্যবাদ ভাইয়া।
গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান আমার ও অনেক বেশি ভালো লাগে। ধন্যবাদ আমার মন্তব্যের ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য।
আপনার কাজিনের নতুন জীবনের জন্য অনেক শুভকামনা রইলো। অনেক আগ্রহ নিয়ে পোস্ট পরছিলাম। ভাবছিলাম ভাবিকে নিয়ে ছবি দিবেন, এই সুযোগে ভাবিকে দেখে নেব।😂যাই হোক খুব ভাল লাগলো হলুদের অনুভূতি পড়ে। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু সে তো ছবি তুলে না। তাই আমারও তুলা হয়নি। সব সময় হাত ধরে রেখেছে। ধন্যবাদ আপু।
হাহাহা! ভাইয়া আপনিও একটু নাচানাচি করতেন। গালের তালে তো নিজেকে ঠিক রাখা যায় না। আপনার কাজিনের বিয়েটা জাঁকজমকপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে! সবচেয়ে ভালো লাগলো দুজনই সেইম ক্লাসমেট! দোয়া করি দাম্পত্য জীবন যেন সুখের হয়
নাহ ভাইয়া আমি নাচানাচি করতে পারি না। আমি পিছনে ছিলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া।
খুবই আনন্দ একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন এবং তা আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। কাজিনের গায়ে হলুদ তা তো দেখতে পারলাম, তবে আপনার গায়ে হলুদ কবে সেটা জানালে খুশি হতাম।
ভাইয়া আমার গায়ে হলুদ হয়ে গেছে,হি হি হি। ধন্যবাদ ভাইয়া।
কাজিনের গাঁয়ে হলুদে বেশ ভালোই মজা করেছেন দেখছি।তবে এটা সত্যি বলেছেন ভালোবাসা কোন বয়স হয় না। তবে বয়স যাইহোক দোয়া করি তারা সুখে থাকবে। আর বিয়ে অনুষ্ঠানে যাই বলি না কেনো নিজের কর্ম ঠিক রেখে সবকিছুই সম্ভব।
জী আপু নিজের কর্মই মূল। ধন্যবাদ আপু।
বাহ কাজিনের গায়ে হলুদে বেশ আনন্দ করেছে বোঝা যাচ্ছে। খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি ও শেয়ার করেছেন। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ভালো থাকবেন সর্বদায়।
জী আপু কাজিনের গায়ে হলুদ হলে অনেক আনন্দ করা যায়। ধন্যবাদ আপু।
আপনি ঠিক বলছেন আসলে পছন্দ হলে বয়স কিংবা ধর্ম, বর্ণ,বংশ এগুলো কোন ব্যাপার না।আপনি ঠিক কথা বলেছেন ভাইয়া আসলেই রিজিকের মালিক একমাত্র সৃষ্টিকর্তা জানেন কার রিযিক কোথায় সেট করা আছে সেটা একমাত্র উনি জানেন।শুক্রবার যেহেতু বিয়ের দিন ধার্য করা হয়েছে তাহলে বেশ জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করবেন।
জী আপু বিয়ে মানে মজার মজার খাওয়া,হি হি হি। ধন্যবাদ আপু।
আপনি অনেক সুন্দর করে কাজিনের গাঁয়ে হলুদের অনুষ্ঠানের যাওয়ার অনুভূতি শেয়ার করেছেন। ছেলে এবং মেয়ে ক্লাসমেট শুনে খুব ভালই লাগলো। কারন জানাশোনা হলে বিয়ে করলে ভালো হয়। আর আপনি ঠিক বলেছেন পছন্দের মানুষগুলো ধর্ম বর্ণ এগুলো ব্যাপার না। তবে আমার মনে হয় ডিজে পার্টিতে আপনি অনেক ইনজয় করেছেন। যাক সকাল বেলা চাকরির কারণে বাসায় চলে আসলেন। আর আপনার কাজিনের গায়ে হলুদের ফটোগ্রাফি দেখে বোঝা যাচ্ছে খুব মজাই করেছেন।
জী আপু অনেক দিন যাবৎ প্রেম করে এখন বিয়ে করলো ধন্যবাদ আপু।
গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে আপনি সুন্দর কিছু সময় অতিবাহিত করেছেন। সাথে সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার কাজিনের নতুন পথ চলা সুন্দর হোক সেই দোয়াই করি। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ ভাইয়া আমরাও সেই কামনা করি। ধন্যবাদ ভাইয়া।
বুঝতেই পারছি কাজিনের গায়ে হলুদের গিয়ে বেশ ভালোই মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। বেশ বড় ভাবেই তাহলে অনুষ্ঠান করেছে আপনার কাজিনের বিয়ের। ফটোগ্রাফিতে আপনার কাজিনকে মাশাল্লাহ বেশ মিষ্টি লাগছে দেখতে। এভাবে আয়োজন করলে ভালোভাবেই মুহূর্তটি উপভোগ করা যায়। আসলে এটা কিন্তু ঠিকই বলেছেন বয়স নিয়ে যদি ছেলে এবং মেয়ের কোন সমস্যা না হয় তাহলে আমাদের কোন সমস্যা হতে পারে না। এই কথাগুলো তো আর সবাই মানতে চায় না। আপনার কাটানো এত সুন্দর মুহূর্ত পড়ে ভালোই লাগলো।
জী আপু অনেক দিন ইতালি থেকে এসেছে তো। অনেক টাকাই ব্যয় করেছে। ধন্যবাদ আপু।