বিড়াল রাণীর গল্পও ফটোগ্রাফি
হ্যালো,
এই যে আমাদের বাড়ির বিল্লি রাণী, আমাদের মানে আমার বাবার বাড়ির।আমার ভাই এর বিড়াল। শুধু কি বিড়াল ডজন খানেক কুকুর ও আছে তাদেরকে নিয়ে অন্য দিন গল্প করবো। আমাদের বাড়িতে বিড়াল নতুন নয়। ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি এক দল বিড়াল তারা বেশ পোষ মানা ছিলো। কখনো কিছু চুরি করে খেতো না এমন কি সামনে খাবার থাকলেও মুখ লাগাতো না ওদের কে খাবার দিলে তবেই খেতো।বিড়াল দের নাম ছিলো মিনি,ফুরফুরি,পুসিক্যাট,পুসি তারা এখন নাই মরা গেছে,ওরা খেলতো আমাদের সাথে দুষ্টী করতো ওদের কথা মনে পড়লো এই বিড়ালকে দেখে। অনেক দিন থেকে বিড়াল নাই বললেই চলে কারন ভাই বাড়িতে থাকে না তাই আর কেউ বিড়ালও পোষে না। হঠাৎ এই বিড়ালটির আভির্ভাব বিড়ালটি ছোট থেকে ছিলো না হঠাৎ কোথাও থেকে এসে বসবাস শুরু করেছে আর যায় নি আর যাবেই বা কেন সে তো রাণী হয়ে গেছে বাড়ির সবার চোখের মণি সে ওর নাম দিয়েছে বিল্লিরাণী। আমি বলি কি রে বিল্লি রাণী আর সে আমার দিকে ফিরে তাকায়।বিল্লিরাণী বললে সে বুঝতে পারে তাকে ডাকা হচ্ছে তাই ওকে সবাই বিল্লিরাণী বলেই ডাকে।
এই বিড়ালটি দেখতে বেশ সুন্দর ও ভীষণ চঞ্চল,তবে আমাকে দেখলে ভয় পায় একটু দূরে দূরে থাকে ছবি তুলতে চাইলে পালিয়ে যায়।খেতে দিলে কাছে আসে আমার পানে চেয়ে থাকে বিশ্বাস করতে চায় না আমাকে যে সত্যি খেতে দেব। খাবার দিয়ে বললাম বিল্লিরাণী আয় খাবি ওমনি এসে ও খাওয়া শুরু করে দিলো এই সুযোগটাই কাজে লাগালাম একটু কাছ থেকে ফটোতোলার।
আমি যখনি সুযোগ পাই তখনি ছবি তোলার চেষ্টা করি আর সেও পালাতে ব্যাস্ত আমিও নাছোরবান্দা ছবি তুলবোই তাই বিল্লি রাণী কে ফলো করি কখন কোথায় যায় কি করে।হঠাৎ দেখতে পেলাম সে ষ্টোর রুমের দিকে যাচ্ছে ভাবলাম একটু পর গিয়ে দেখবো কি করে সে। একটু পর যাবো ভাবলেও ভুলে গেছি যেতে। যখন মনে পড়েছে তখন আধাঘন্টা খানেক হয়ে গেছিলো,ষ্টোর রুমে চুপিচুপি গিয়ে দেখি বিল্লীরাণী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন তাও আবার পাটের উপরে ষ্টোর রুমে পাট রাখা আছে আর সেখানেই বিভোরে ঘুমাচ্ছে বিল্লিরাণী। তাই সুযোগ টা কাজে লাগালাম চুপিচুপি ঘুমন্ত বিল্লিরানীর ফটোগ্রাফি করে নিলাম।
ঘুমন্ত বিড়ালটির শরীরের শুভ্রতা যেন বহুগুণ বেড়ে গেছে।আসলে যেকোনো জীবই ভালোবাসার কাতর।আমরা মানুষেরা যেমন ভালোবাসা চাই ঠিক তেমনি করে পশুপাখিরাও ভালোবাসা চায়।এই বিড়ালটি তার জলজন্তু প্রমান।কোথাকার বিড়াল কার বাড়ির পোষ্য প্রাণী ছিলো আজ সে আমাদের বাড়িতেই বসবাস শুরু করেছে নিশ্চিন্তে এটা কিন্তুু আপনা আপনি হয়নি ভালোবাসা দিয়েই হয়েছে।এই থেকে এটাই প্রমাণ হয় যে ভালোবাসা দিয়ে পশুকেও বশ করা সম্ভব।আজ এ পর্যন্তই সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনায় আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। টাটা
| পোস্ট | বিবরণ |
|---|---|
| পোস্ট | ফটোগ্রাফি |
| ডিভাইস | OppoA95 |
| ফটোগ্রাফার | @shapladatta |
| স্থান | গাইবান্ধা |
আমি হৈমন্তী দত্ত। আমার স্টিমিট আইডিরঃshapladatta. জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। শখঃবাগান করাও নিরবে গান শোনা,শপিং করা। ভালো লাগে নীল দিগন্তে কিংবা জোস্না স্নাত খোলা আকাশের নিচে বসে থাকতে।কেউ কটূক্তি করলে হাসি মুখে উড়িয়ে দেই গায়ে মাখি না।পিছু লোকে কিছু বলে এই কথাটি বিশ্বাস করি ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।বিপদকে ও অসুস্থতার সাথে মোকাবেলা করার সাহস রাখি সহজে ভেঙ্গে পরি না। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করি আর মনে প্রাণে বিশ্বাস করি পর হিংসা আপন ক্ষয়। ধন্যবাদ ।
আপু আপনার ভাইয়ের মতো আমার ভাইয়ের ও বিড়াল পোষার খুবই শখ। আমাদের বাসায়ও তিন-চারটে বিড়াল সবসময় থাকে ।যদিও আমার বেশ বিরক্তিকর লাগে । তারপরেও কিছু করার নেই ভাইয়ের পোষা বলে কথা । কোন সময়ই বাড়িতে বিড়াল শেষ হয় না । তবে আপনাদের বাড়ির বিড়াল গুলোর নাম বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে। এবারের বিড়ালটির নামও বেশ সুন্দর । আপনার বাড়ির বিল্লি রানীর গল্পটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ।
আসলে কুকুর বিড়াল পোষার একটা আলাদা সখ থাকে।ঠিক বলেছেন মাঝে মাঝে বিরক্ত লাগে যখন বিছায় উঠে শুয়ে থাকে বিড়াল।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর কমেন্ট করার জন্য।
বিড়ালের গায়ে হাত বুলালে মানুষের হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে। আপনার ভাইয়ের বিড়ালটা তো চমৎকার। আমার একটা বিড়াল ছিল নাম ছিল সাইমন। কিন্তু বছর দুই আগে অজানা কারণে ও মারা যায়। তারপর থেকে আমি আর বিড়াল পুষি না। তবে আপনাদের বিড়ালটা দেখে আমার ভালো লাগছে। আপনার ভাইয়ের পোষা কুকুর গুলো সম্পর্কে একদিন লিখবেন অপেক্ষায় থাকলাম।।
সত্যি বিড়াল পুষলে তার প্রতি আলাদা একটা মায়া জন্মে যায়।আপনার বিড়ালটির নাম বেশ সুন্দর। কুকুরদের গল্প অবশ্যই শেয়ার করবো কোন একদিন।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে দারুন একটি পোস্ট লিখে শেয়ার করেছেন। আসলে আপনার ভাইয়ের মতো আমিও বাড়িতে একটা বিড়াল পালন করি আপু বেশ ভালোই লাগে। অবশিষ্ট খাবার গুলো যখন বিড়ালকে দিয়ে খাওয়ানো যায় তখন নিজের কাছে অনেক বেশি খুশি লাগে। বেশ দারুণভাবে বিড়ালের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপু। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ঠিক বলেছেন বিড়ালকে খাওয়াতে পারলে মনে শান্তি অনুভব হয়। বিড়ালও পরিবারের এক সদস্য হয়ে যায়।
ঘুমন্ত অবস্থায় বিল্লি রাণীর শুভ্রতা সত্যিই আরও বৃদ্ধি পেয়েছে মনে হচ্ছে আপু। আর তাকে দেখতেও অনেক কিউট লাগছে। আসলেই, পশু পাখিও ভালোবাসায় বশ হয়ে যায়। পৃথিবীর প্রত্যেকটা জীবই ভালোবাসা চাই, ঠিক যেমন বিল্লি রাণী চেয়েছে। খেতে দেওয়ার কারণে আপনি তার কাছ থেকে ছবি তুলতে পারলেন দেখছি আপু। ভালো লাগলো বিল্লি রাণীর গল্পটি পড়ে।