বাচ্চাদের গাড়ি কিনার অভিজ্ঞতা
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টঃ
বাচ্চাদের গাড়ি কিনার অভিজ্ঞতা
বরাবরের মতো আজ ও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। পোস্টটি হলো বাচ্চাদের গাড়ি কিনার অভিজ্ঞতা। আসলে আমার দুই মেয়ের জন্য অনেক গাড়ি কেনা হয়েছে তবে আমি কখনো কিনিনি। সাইকেল, রিক্সা, ওয়ার্কার ইত্যাদি ওর নানু ও খালা মনি সবাই খেলনা কিনে দিয়েছে। তাই গাড়ি কিনার কোন অভিজ্ঞতাই আমার নেই। তবে আমার বোনের ছেলের জন্য একটা ওয়াকার কিনবে আমাকে বলেছে কিনে দিতে। তারপর আমি যখন মার্কেটে গেলাম তখন হঠাৎ করেই আমার বোনকে ফোন দিলাম আমরা আসছি তুমি আস। তাই ফোনে পেয়ে আমার বোন বলল ঠিক আছে তোমরা কেনাকাটা করতে থাক আমি আসছি।যাইহোক তাহলে চলুন শুরু করি আমার আজকের পোস্ট।
আমি, আমার দুই মেয়ে ও আমার বোন আসলো ওর ছেলেকে নিয়ে। তারপর আমরা দুই বোন মিলে চলে গেলাম বাচ্চাদের গাড়ির শোরুমে। আসলে আমি মার্কেটে যাবার আসার সময় অনেক গাড়ির দোকান দেখি কিন্তু কখনো ঢুকিনি।যাইহোক প্রথম এক দোকানে ঢোকলাম গাড়ি কিনার জন্য। যেহেতু আমাদের উদ্দেশ্য ছিল ওয়ার্কার কেনার তাই আমরা ভালো একটা ওয়াকার খুঁজছিলাম। প্রথম একটা ওয়াকার পছন্দ হলো, দোকানদার দাম চাইল ২ হাজার টাকা। আসলে এই ধরনের ওয়ার্কার আমার মেয়েকে কিনে দিয়েছিল পাঁচ শত টাকা দিয়ে তবে সেটা আরো ছয় বছর আগের কথা। ছয় বছর ঠিক আছে তবে হয়তো ১০০০ টাকা হতে পারে সেখানে দুই হাজার টাকা কতো পার্থক্য।
তারপর আমরা চলে আসলাম অন্য একটা দোকানে। যদি ও প্রথম দোকানের ওয়াকার আমার অনেক পছন্দ হয়েছিল কিন্তু আমি বারশত টাকা বলা স্বত্তেও দোকার দিল না। সে দুই হাজার টাকার নিচে দেবে না। ওয়াকার যেহেতু হাঁটার জন্য তাই আমি বললাম এত দাম দিয়ে কিনার কি দরকার। তবে অন্য দোকানে এসে দেখি একই অবস্থা। কথায় আছে না, চাঁদ উঠলে সব জায়গায় উঠে। কি আর করা দাম হলেও আমাদের তো একটা দিতে হবে।ভাবলাম আর একটা দোকান দেখে তারপর কিনে নেব। ইতিমধ্যে আমার মেয়ে আবার মোটর সাইকেল কেনার জন্য অস্হির হয়ে পড়ল। আমি বললাম আবার এসে কিনে দেব।তারপর চলে গেলাম অন্য দোকানে।
এখন আর একটা দোকানে এসে দেখলাম সব জায়গায় একই দাম কি আর করা অবশেষে ভেবেছি, এই দোকান থেকে নিয়েই যাব দাম যতই হোক না কেনো।তারপর একই ধরনের ওয়ার্কার ১৪ শত টাকা দিয়ে একটা কিনলাম। তবে কয়েক দোকান দেখার পর কিছু হলেও কম দাম দিয়ে কিনতে পেরেছি। তবে ওয়াকারটা বেশ সুন্দর।অবশেষে দোকানদার প্যাকেট করে দিল তারপর আমরা চলে আসলাম। লাস্ট ছবিতে যে ওয়াকার দেখতে পারছেন সেটাই আমাদের ওয়াকার। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | LGK30 |
| লোকেসন | লিংক |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
বর্তমান সময়ে সবকিছুর দাম অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। সবকিছুই এখন আকাশছোঁয়া যেটা হয়তোবা সবার ক্ষেত্রে কেনা সম্ভব নয়। তবে যেহেতু আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই কিন্তু আপনার মেয়েদের জন্য তার নানু বা খালামণিরা কিনে দিয়েছে সে হিসেবে আপনার দায়িত্ব এসে পড়েছে আপনার বোনের ছেলেকে দেয়ার জন্য। যখন কোন কিছু ক্রয় করতে যাওয়া হয় তখনই হয়তোবা এই অভিজ্ঞতা হয়।যাইহোক আপনি অবশেষে কয়েকটা দোকান ঘোরার পর ১৪০০ টাকা দিয়ে ওয়াকারটা কিনতে পেরেছেন সেটা শুনে ভালো লাগছে।
সবকিছুর দাম এখন অসম্ভব বেশি । তার মধ্যে ঈদের সিজন। তাইতো সবকিছুর দাম বেশী। তবুও বিভিন্ন দোকান দেখে আপনার পছন্দ মতো ওয়াকার কিনতে পেরেছেন সেটাই স্বস্থির বিষয়। অনেক অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে
একদম ঠিক বলেছেন আপু চাঁদ উঠলে সব জায়গায় উঠে।অবশেষে ১৪০০ টাকা দিয়ে ওয়াকার কিনলেন বোনের ছেলের জন্য, তাও অনেকটাই জিতেছেন।সব কিছুর দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে।কোনো কিছু কেনার অবস্থা নেই।ওয়াকার কিনতে গিয়ে আপনার মেয়ে আবার মোটর সাইকেল কেনার বায়না করেছিল,বাচ্চাদের তো এই সমস্যা।যা দেখবে তাই নিবে।ধন্যবাদ আপু সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আসলে আপু বাচ্চাদের নিয়ে আসলে পারা যায় না, যা দেখে তাই কিনতে চায়, ধন্যবাদ আপু।
আসলে আপু যাদের খালামনিরা থাকে তাদের বাচ্চাদের জন্য এ ধরনের গাড়িগুলো কিনতেই হয় না কারণ খালামণিরাই গিফট করে দেয় হাহাহা। এখন আপনি একটি ওয়াকার কিনতে গিয়ে দেখলেন যে খুবি দাম আসলে আপু এখন সবকিছুই দাম বেশি। তবুও মানুষ না কিনেও পারেনা। ধন্যবাদ আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য।
জি আপু যত দাম আমার মনে হয় মানুষ তত কিনছে, ধন্যবাদ আপু।
খুব সুন্দর গাড়ি কিনেছেন বোনের বাচ্চার জন্য দেখে অনেক ভালো লাগছে গাড়িটা সুন্দর হয়েছে। বর্তমান সময়ে সব জিনিসের দাম অনেক বাড়া যা হাত দেওয়ার মতো না। এই গাড়িটা আপনি ১৪০০ টাকা দিয়ে পেয়েছেন অনেক ভালো পেয়েছেন যেহেতু আপনি অনেক দোকান ঘোরাঘুরি করে নিছেন। আসলে বাচ্চাদের চাহিদার শেষ নাই যত দেখে তত নিতে চাই।
জি আপু যা দেখবে তাই কিনে দিতে হবে, দাম অনুযায়ী গাড়িটা অনেক সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনার বাচ্চাদের গাড়ি কিনার অভিজ্ঞতার গল্প পড়ে ভালই লাগলো। যে জিনিষই কেনা হোক না কেন,যাচা বাছাই করে কেনা উচিত। এখন আপনার কিছুটা অভিজ্ঞতা হয়ে গেল। ধন্যবাদ আপু।
জি ভাইয়া যাচাই করে কিনা অবশ্যই উচিত, ধন্যবাদ আপনাকে।