যাত্রা পথের বিরক্তিকর অবস্থা
যাত্রা পথের বিরক্তিকর অবস্থা
যাত্রাপথে মানুষ অনেক সময় অনেক রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়। এর মধ্যে কিছু বিষয় থাকে যা সত্যি অনেক বেশি বিরক্তির কারণ। প্রথমত আমি আমার নিজের সমস্যাটার কথা বলি। এটা আমার ছোট বেলা থেকে একটা বাজে অভ্যাস বলতে পারেন সেটা হলো বাসে উঠলে বমি করা। এটা অধিকাংশ মানুষের মধ্যে এই সমস্যাটা হয়ে থাকে। তবে আমি ইদানিং বেশ কিছু নিয়ম করে বাসে উঠি যার ফলে এই সমস্যা অনেকটা সমাধান হয়ে গেছে। কিন্তু বাসে উঠার পর নিজেকে যখন এত ভাবে কন্ট্রোল করার পর পাশের সিটের কেউ একজন ওয়াক ওয়াক করতে শুরু করে তখন যেন আর কোনো ভাবে নিজেকে আটকে রাখা সম্ভব হয় না।
এই বিষয়টা নিজের কাছে যতটা বিরক্তির কারণ ঠিক তেমনি অন্যের কাছেও ততটা বিরক্তকর একটা বিষয়। বাস জার্নি করা হয় না আজ অনেকদিন। আগে ঘন ঘন ঢাকাই যাওয়া আসা করতাম কিন্তু এখন প্রায় ছয় মাস পর ঢাকায় যাওয়া হচ্ছে। আর জার্নির কথা মনে আসলেই যেন এমন কিছু কথা মনে পরে যায় যা সত্যি অনেক বেশি বিরক্তিকর। বাসে উঠার পরের এই বিরক্তিকর দৃশ্য গুলো মনে আসলে জার্নি করার ইচ্ছাটাই নষ্ট হয়ে যায়। তবে ট্রেনের বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিন্নরকম। ট্রেন জার্নি যদিও আমি আমার জীবনে অনেক কম করেছি তবে যতোদিনেই করেছি খুবই আরামদায়ক ও ভালোলাগার একটা বিষয়।
কয়েকদিন আগেই আমি ঢাকায় আসলাম আর যাত্রা পথে এমন একটি বিরক্তিকর পরিস্থিতে পড়লাম। এমন বাজে পরিস্থিতে না পরার জন্য আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে একটি পান মুখে দিয়ে রেখেছিলাম। যদিও পান খাওয়ার অভ্যাস আমার একদমই নেই। মানুষের কাছ থেকে শুনে এই কাজটি করি আর বেশ উপকার পাই। নিজের মতো করে পান মুখে দিয়ে নিজের সমস্যা সমাধান করলেও অন্যের সমস্যা কি ভাবে সমাধান করা যায় আমার জানা নেই। আর অন্যের সমস্যা দেখলে নিজের সমস্যাকে মনে হয় আর কোনো কিছু দিয়েই আটকে রাখা সম্ভব না।
তবে আমি মনে করি আরো বেশ কিছু নিয়ম ফলো করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যেমন ,যেকোনো ফার্মেসিতে বমির ওষুধ কিনতে পাওয়া যায়, একটা টেবলেট খেয়ে বাসে উঠা। সিটে বসার পর দিনের বেলায় হলে কালো সানগ্লাস পরা, এটা নিজেকে ঠান্তা রাখতে অনেক সাহায্য করে। আর কানের মধ্যে হেডফোন দিয়ে নিজের পছন্দের গান কিংবা অন্য কিছু শুনা যা আশেপাশের শব্দ কিংবা বিরক্তিরক কারণ গুলো হতে আপনাকে সাহায্য করবে। আমার সেদিন মুখে পান ছাড়া আর কিছুই ছিল না যার জন্য আমি নিজেই এমন একটি বিরক্তিকর সমস্যার সম্মুখীন হলাম।
সমাপ্ত
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
_
ছোটবেলায় আমার বমি হত,কিন্তু জার্নি করতে করতে এখন আর তেমন সমস্যায় হয় না।আসলে পাশে কেউ এমন করলে বেশ বিরক্ত লাগে,তবে যারা বমি করে তারা ঔষধ খেলেও বমি করে।তবে পান খেলে যে বমি হয় না তা তো আজই জানলাম।
আপু অন্যের সমস্যা সমাধান করার মত বুদ্ধি আমার কাছে আছে। যাত্রাকালীন সময়ে কেউ যদি পাশের সিটে বসে ওয়াক ওয়াক করে তাহলে সেই মুহূর্তেই তাকে, বাসের জানালা দিয়ে ঠেলে ফেলে দেয়া। 😁😁 তারপর নিজের সিটে গিয়ে বসে ভদ্রলোকের মত বলবো আমি কিছু করিনি।😉 এছাড়া আর কি বা বলব, কারণ বাসে ওঠে কেউ ওয়াক ওয়াক করলে আমি তা সহ্য করতে পারি না। পৃথিবীতে এত চিকিৎসা বিজ্ঞান উন্নত হয়েছে, বমি না হওয়ার জন্য এত ঔষধ বের হয়েছে। তার পরেও যদি কেউ সচেতন না হয় তাহলে আমার বুদ্ধিটিই কাজে লাগাতে হবে। ধন্যবাদ
যদিও বা আমার বাসে চললে বমি হয় না কিন্তু অনেক ঝাকি হলে অস্বস্তিকর একটা ফিল হয়। তবে আমার কাছে বাসের থেকেও ট্রেন জার্নি অনেক ভালো লাগে। কিন্তু অনেক দিন ট্রেনে জার্নি করা হয়নি। যাইহোক যাদের বাসে উঠলে বমির সমস্যা আছে তারা চাইলে জয়ট্রিপ ১৫০ নামে একটা বমির বরি পাওয়া যায়। যেটা অনেক ভালো কাজ করে ট্রাই করে দেখতে পারেন। যাইহোক পোস্টটি পড়ে ভালোই লাগলো। ধন্যবাদ আপু আপনাকে এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলে আপু যারা নিয়মিত পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াত করে তাদের অভ্যাস হয়ে যায়। কিন্তু আমার আপনার মতো মানুষের অসুবিধা হবে এটাই স্বাভাবিক। এই বিষয়টি আমার কাছেও বেশ বিরক্তিকর লাগে। আর ট্রেন জার্নি সম্পূর্ণ আলাদা। এই সমস্যা থেকে মুক্তির একমাএ উপায়। তবে কীনা বাংলাদেশের ট্রেন ব্যবস্থা ততটাও উন্নত না।
আপু ,আপনি তো দেখছি আমার দলের মানুষ।আমিও এই সমস্যা ফেস করি বাসে উঠলে।তবে বেশি হাওয়া থাকলে অসুবিধা হয় না।আপু আমিও শুনেছি পান খেলে বমি হয় না।তবে কলেজ যাওয়ার সময় পান মুখে দেব কিভাবে?তাহলে তো মুখ লাল হয়ে যাবে যাইহোক দারুণ কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন এই বিরক্তিকর পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য।ধন্যবাদ আপনাকে।